মোশাররফ ভাই আপনি কী জানেন আপনার মত অভিনেতা খুব বেশি নেই!

কাজী শরীফ

মোশাররফ ভাই আপনি কী জানেন আপনার মত অভিনেতা খুব বেশি নেই!

প্রিয় মোশাররফ করিম, 

সালাম জানবেন। আমি জানি আমার এ লেখা আপনার চোখে পড়বে না। তবু ভীষণ ইচ্ছে করল আপনাকে দু'কলম লিখি। যখন আপনাকে লিখছি তখন আমি কাঁদছি৷ সত্যিই কাঁদছি। আমাকে এ বয়সে কাঁদিয়েছেন আপনি ও সাবেরী আলম। আদতে আমাকে কাঁদিয়েছেন ইসরাত আহমেদ। যিনি "গরম ভাতের গন্ধ" নাটকের রচয়িতা। পরিচালক সকাল আহমেদ এমন গল্প নিয়ে কাজ করায় বিশেষ ধন্যবাদ প্রাপ্য।

আপনি বলতে পারেন সাবেরী আলমও যেহেতু আমাকে কাঁদিয়েছেন আমি কেন তাকেও লিখছি না। কারণ আমি জানি এ গল্পে তিনি না হয়ে মুনিরা মিঠু হলেও আমাকে কাঁদিয়েই ছাড়ত! 

আপনি যে অভিনয়টা করলেন তেমন অভিনয় কেবল জাহিদ হাসানই করতে পারতেন। জাহিদ হাসানের সাথে তুলনা চাট্টিখানি কথা নয়! 
মোশাররফ ভাই আপনি কী জানেন আপনার মত অভিনেতা খুব বেশি নেই! আপনি কী জানেন আপনি শুধু নাটক নির্বাচনে সচেতন হলে আপনি আপনার প্রিয় অভিনেতা আবুল খায়েরের মত হওয়ার সামর্থ্য রাখেন! 

সম্ভবত কেউ আপনাকে এ কথাগুলো বলেনি। তাই আপনি প্রতি ঈদে জমজের মত বস্তাপচা নাটকে অভিনয় করে যাচ্ছেন। আপনার এখন বেছে কাজ করতে হবে ভাই। আমাদের দেশে বড় অভিনেতার বড্ড অভাব। আপনাকে ব্রাত্য বসুর মত পরিচালক কলকাতায় একটার পর একটা ছবিতে কাস্ট করছেন, ব্রাত্য বসুর মত অভিনেতা আপনার অভিনয় দেখে যে ভুয়সী প্রশংসা করেন এটা আপনার মাথায় রাখতে হবে।

আমি সাধারণ দর্শক। দর্শকের দাবি নিয়ে বলি আপনি টিআরপি কিংবা ইউটিউব ভিউর দিকে না তাকিয়ে "গরম ভাতের গন্ধ"র মত নাটকে অভিনয় করুন। 
সাবেরী আলম বাংলালিংকের বিজ্ঞাপনের সেই বিখ্যাত উক্তি "বাবুর বাবুটা কেমন হতো" শুনে কাঁদিয়েছিলেন আজ আবার কাঁদালেন। অশেষ ধন্যবাদ। 
সবচেয়ে বড় ধন্যবাদ ইসরাত আহমেদ ও সকাল আহমেদকে। মোশাররফ ভাই আমার ধন্যবাদ প্রদানের কথা ওনাদের সবাইকে জানিয়ে দেবেন।
ভালো থাকবেন ভাই। 

ইতি
কাজী শরীফ 
বাংলা নাটকের একজন দর্শক।

লেখা কাজী শরীফ ।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

ইনবক্স কলে বিরক্ত তসলিমা নাসরিন

অনলাইন ডেস্ক

ইনবক্স কলে বিরক্ত তসলিমা নাসরিন

যে কোনো অনিয়ম-অসঙ্গতি চোখে পড়লেই তার সমালোচনা করে থাকেন ভারতে নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি এ কাজটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে করে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। কদিন আগেই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের একটি মন্তব্যে চরম প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্প্রতি তসলিমা নাসরিন তার ফেসবুক ফ্রেন্ডদের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন।

‘ফেসবুকে একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি। আমার ফ্রেন্ডলিস্টে ঢোকার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করছে, অধীর আগ্রহে বছর ভর অপেক্ষা করছে, আমার ফ্যান, বিগ ফ্যান ইত্যাদি কিছু মানুষকে ফ্রেন্ডলিস্টে নেওয়ার পর সে কী খুশি একেকজন! সে কী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ! তারপর? তারপর শুরু হয়ে যায় ইনবক্সে মেসেজের পর মেসেজ পাঠানো, শুরু হয়ে যায় মেসেঞ্জারে ভয়েস কল, ভিডিও কল।’

তসলিমা লিখেছেন, দিন নেই রাত নেই কল, কল, কল। তারা মনে করে তারা আমার ফ্রেন্ডলিস্টে মানে তাদের সঙ্গে আমি এখন আড্ডা দেবো। সারাদিন কী খেয়েছি, কী পরেছি, কী করেছি, সব তাদের বলবো। যখন দেখে আমি তাদের কল রিসিভ করছি না, ইনবক্সে আড্ডা দিচ্ছি না, তখন তারা এমনই রেগে যায় আমার ওপর  যে, আমার পোস্টগুলোয় লাইক কমেন্ট তো দূরের কথা, পোস্ট দেখেও না, পড়েও না।

‘পুরো ইগ্নোর বাটন টিপে দেয়। তখনও তারা কিন্তু ফ্রেন্ডলিস্টে। তারা না ফ্যান ছিল? ছিল, এখন নেই। তারা আমার ফ্যান জানার পরও সকালে আমি  কী নাস্তা করেছি জিজ্ঞেস করেছে, অথচ উত্তর দিইনি! এমন অহংকারীর ফ্যান কেউ আর থাকে না।’

‘ভাবছি ‘ফ্যান’দের বোধহয় ‘ফ্রেন্ডলিস্টে’ ঢোকানোই ঠিক না। তার চেয়ে বাইরে থাকুন, ফ্যান থাকুন।
না সবাই এমন নয়, কেউ কেউ এমন।’

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


আমি মানুষটা অহংকারী নই। তবে ইনবক্সে আড্ডা দেওয়া, মেসেঞ্জারে কথা বলা --এগুলো আমার দ্বারা হয় না। একজন দুজন ফ্যামিলি মেম্বার ছাড়া বলতে গেলে কারও সঙ্গেই হয় না, বলেন তসলিমা।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা নিরূপণ কঠিন নয়, অসম্ভব কাজ

রায়হান রশিদ

মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা নিরূপণ কঠিন নয়, অসম্ভব কাজ

একটা গণহত্যা ঘটে যাওয়ার ৫০ বছর পর এসে মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত (!) নিহতের সংখ্যা নিরূপণ করা এখন একটা অসম্ভব কাজ। কঠিন নয়, অসম্ভব কাজ। এটা আর কেউ না বুঝুক, গণহত্যাকারীরা আর তাদের দোসররা খুব ভালো করেই বোঝে। এজন্যই তারা ক'দিন পর পরই এই বিষয়টা উত্থাপন করে নানান ঢংয়ে আর অজুহাতে।

সুতরাং প্রকৃত শহীদের সংখ্যা নিরূপনের ভাণ ধরে যাবতীয় আপাত একাডেমিক, আধা-একাডেমিক, ছদ্ম-বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা, আর বিজ্ঞানপনা আসলে যে জেনোসাইড ডিনায়াল প্রকল্পের একটা পরোক্ষ প্রক্রিয়া, সেটা বোঝাটা খুব জরুরী। সবার জন্যই জরুরী। সবচেয়ে বেশী জরুরী ৭১ এর পক্ষের মানুষ হিসেবে যারা নিজেদের দাবী করেন, তাদের জন্য!

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নোম চমস্কি, বাংলার দার্শনিক ও সাইবার বুলিং

পারমিতা হিম

নোম চমস্কি, বাংলার দার্শনিক ও সাইবার বুলিং

নোম চমস্কি নিয়ে আগ্রহ একটু বেশি মনে হইছে এবার। দার্শনিক নিয়ে যেসব তর্কাতর্কি হইছিল কিছুদিন আগে আমি মনে করি এটা তার ফল।

অ্যাটেনশন সিকার সেলেব্রেটিদের দেখাদেখি আমজনতা মনে করতেছে দার্শনিক কে আর কে না, কিংবা আমার দেখা ৫ জন দার্শনিক—এমন তালিকা দিলেই বোধহয় নিজেও দার্শনিক হইয়া যাইতে পারবে।

কিংবা পুরাপুরি দার্শনিক না হোক, দার্শনিকদের নাম জানা ও তাদের নিয়ে স্ট্যাটাস দিতে পারলে নিজেও দার্শনিক হবার রাস্তায় আছে এরকম একটা ইশারা দিতে পারবে সমাজে।

তবে এটা দর্শনের প্রতি মানুষের আগ্রহ আদৌ বাড়াইলো কিনা আমি তা জানি না।

২. এলিটিজম

“দেখেন আমি একজন এলিট। আমি ব্রিটিশ অ্যাকসেন্টে ইংরেজি বলতে পারি এবং আমি ঢাকায় থাকি। আমি জানি ডে লাইট সেভিং কী। সুতরাং নোম চমস্কির সাথে কথা বলার পূর্ণ অধিকার একমাত্র আমার।”

অধিকাংশ ফেসবুক পোস্টের ভাবখানা এটা। একজন তো কমেন্ট করছেন চমস্কির সাথে কথা বলা দরকার ছিল একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের! যেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা কোনদিন জ্ঞানের গণেশ উল্টাইছে এদেশে!

কালকে রাতে যখন “নোম চমস্কি কথা বলবেন বাংলাদেশ” নিয়ে এইটা সবাই শেয়ার করতেছিল তখন দেখি নাই কে কথা বলবে, কে সেই পুঁচকা, কিংবা কী তার প্রতিভা সেটা নিয়ে এক লাইন কথা কাউকে লিখতে বা বলতে। আজকে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ছেলেটার উপরে ঝাঁপায়ে পড়ছে।

ব্যাপারটা খুব আগলি। আরেকজনকে মারতে গিয়ে নিজের লুঙ্গি খুলে যাওয়ার মত আগলি। বাট মনে হয় না ন্যাংটারা সেটা দেখতে পাইতেছে।

ওহে জ্ঞানের পরাকাষ্ঠা, ইংরেজি জানা না জানা নিয়ে আপনার দুঃখখানি নোম চমস্কির কোনো লেখা না পড়ার ফল। ভাষা কী, এইটার রাজনীতি কী আপনি তো এইটাই বুঝেন না। আপনি চমস্কিরে লাইভ শুনে করবেনটা কী?


আরও পড়ুন:

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনিগনো অ্যাকুইনো মারা গেছেন

তরুণীকে তুলে নিয়ে ভাড়া বাসায় ৩ যুবকের পালাক্রমে ধর্ষণ

টিকা উৎপাদনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্ববাজারে ২ বছরের মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম সর্বোচ্চ


৩. ডে লাইট সেভিং সম্পর্কে না জানা কোনো ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ না। বন্ধুর কাপড়ের দোকান স্পনসর লেখা কোনো অপরাধই না। পুরা ঘটনাটা কৌতুককর বটে, তাও দুই সেকেন্ডের বেশি হাসবার মত না।

ভুল মানুষের হতেই পারে। তার উপর সে একটা বাচ্চা ছেলে। আপনাদের এত অ্যাটেনশন পাবে সেটা সে বোধহয় ভাবে নাই। তাই জানেও না আপনাদের অ্যাটেনশন আসলে কত ভয়ংকর।

তার চেষ্টাকে আমার স্যালুট।

যে সমাজে ভুলের জায়গা নাই, সেটা ভয়ংকর সমাজ। সে সমাজের অংশ হইয়েন না। ভুলকে জায়গা দিতে শিখেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক শিক্ষাটা হলো সময় জ্ঞান!

সাখাওয়াত টিপু

প্রাথমিক শিক্ষাটা হলো সময় জ্ঞান!

নোম চমস্কি থেকে কি শিখবেন? প্রাথমিক শিক্ষাটা হলো সময় জ্ঞান! দ্বিতীয় হচ্ছে কমিটমেন্ট! এই দুটো জিনিস, আমাদের দেশের লেখক বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে অভাব আছে। পশ্চিমা জগতে যাদের দুয়েকদানা লেখা প্রকাশিত হয়েছে, তারা হাড়ে হাড়ে টের পাবেন এটা। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দুটো ঘটনার কথা বলি! 

পশ্চিমা কোনো পত্রিকায় যখন কোনো লেখা রিবিয়ুর পর নির্বাচিত হয়, তখন তারা প্রকাশের একটা সিডিউল ঠিক করেন। তার থেকে এক সেকেন্ড আগে কিংবা পরে হয় না, ঠিক সময়ে লেখাটা প্রকাশিত হয়। অনেকেই বলেন এটাই প্রফেশনালিজম! আরেকটা অভিজ্ঞতার বলি, আজকের কাগজে আহমদ ছফা নিয়মিত লিখতেন।

একবার আমার এসাইনমেন্ট হয় ছফা ভাইয়ের লেখা জোগাড় করার। তিনি আমাকে সময় দেন সকাল ১০ টায়। আমি ঐদিন ১০ টা বাজার ৫ মিনিট পরে ছফা ভাইয়ের বাসায় হাজির হই। কিন্তু যখন সেখানে কলবেল দেই, ছফা ভাই ভেতর বলেন, কে? আমি নাম বললাম! কিন্তু তিনি আর দরজা খোলেন না। আমি ঠিক ৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলাম। তারপর অনেক অনুনয় বিনয়ের পর দরজা খুললেন। 

আমি বললাম, ছফা ভাই দুঃখিত! ছফা ভাই বললেন, আপনার সময়ের মূল্য আছে, আমার সময়ের মূল্য নাই! আপনি আমাকে ৫ মিনিট বসিয়ে রাখলেন কেন? আমি অনেক বোঝানোর পর উনি শান্ত হলেন! তারপর উনি বললেন, আমি লিখলাম! ছফা ভাই বললেন, জীবন হচ্ছে মুহূর্ত যাপন! এটা ধরতে না পারলে আপনি কোথাও দাঁড়াতে পারবেন না!

সাখাওয়াত টিপু লেখক, কবি, সাহিত্যিক। ফেসবুক থেকে।

আরও পড়ুন:


ভরাট গলায় ভাব নিয়ে ফোন, অবশেষে ধরা ভুয়া এমপি

নুসরাতের ‘প্রাক্তন স্বামী’ নিখিলের সঙ্গে দুই নায়িকার প্রেমের গুঞ্জন

'কৃষ ফোর' ঋত্বিকের বিপরীতে থাকতে পারে ক্যাটরিনা!

রহস্যের জট খুলছে, একাই বাবা-মা-বোনকে হত্যা করে মেহজাবিন‍!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ডেল্টার চেয়ে ডেল্টা প্লাস ভারতকে বেশি উদ্বিগ্নতায় ফেলেছে

শওগাত আলী সাগর

ডেল্টার চেয়ে ডেল্টা প্লাস ভারতকে বেশি উদ্বিগ্নতায় ফেলেছে

ভারত তার নাম দিয়েছে- ‘ডেল্টা প্লাস’। ইন্ডিয়ান ভেরিয়েন্ট থেকে তার পোশাকি নাম হয়েছিল- ’ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট’। জন্মস্থান ভারত তার নামের সাথে ‘প্লাস” যোগ করে দিয়েছে। 

ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডেল্টা প্লাস’কে ’ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। ডেল্টার চেয়ে ডেল্টা প্লাস ভারতকে বেশি উদ্বিগ্নতায় ফেলেছে।’ ডেল্টা’ না ’ডেল্টা প্লাস’-বাংলাদেশে কোনটা আছে এখন?

আরও পড়ুন:


সারাদেশে লকডাউনের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত

বেতন-ভাতা বাড়ানোর আবেদন সরকারি কর্মচারীদের

চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর