বড় ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে ম্যানগ্রোব ফরেস্ট
প্রকৃতির ঢাল সুন্দরবন

বড় ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে ম্যানগ্রোব ফরেস্ট

Other

প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরে বাংলাদেশের যে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল তার বেশিরভাগ থেকে বাঁচিয়ে দেয় সুন্দরবন। এরপর আইলা এবং ফণীর মতো সুপার সাইক্লোনেও বুক পেতে দাঁড়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন।  

বন গবেষক ও পরিবেশবাদীরা বলছেন সাইক্লোন যশের আঘাত থেকেও অনেকটা বাঁচিয়ে দেবে সুন্দরবন। এমন বাস্তবতায়, বনজীবী এবং বন সংলগ্ন লোকালয়ের মানুষকে কাজে লাগিয়ে সুন্দরবন রক্ষায় একটি কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি আবারও জোরা হলো।

 

সুন্দরবন। ২০০৭ সালের নভেম্বরে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানার পর সুন্দরবনের এই চেহারা হয়। সিডরের আঘাত পুরোপুরি সহ্য করে বাংলাদেশকে অনেকটাই বাঁচিয়ে দিয়ে খবরের শিরোনাম হয় ম্যানগ্রোব ফরেস্ট।

এর পর ২০০৯ সালে আঘাত হানে সুপার সাইক্লোন আইলা। যার আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনার উপকূল। সুন্দরবন ঘেষা সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলা এবং খুলনার কয়রা ও দাকোপ উপজেলার মানুষ এখনো সেই স্মৃতি ভোলেননি।

তবে সে বছরও বাধা হয়ে দাঁড়ায় সুন্দরবন। আবারো আঘাত সহ্য করে নিরবে। পরিবেশবাদীদের ধারণা এবারো এই ম্যানগ্রোভ বনই রক্ষাকবচ হয়ে ঘূর্ণিঝড় যশের সামনে দাঁড়াবে।

বার বার এভাবে বাঁচিয়ে দেয়া সুন্দরবন রক্ষায় বরাবরই উদাসীন থেকেছে সংশ্লিষ্টরা-এমন দাবি সুন্দরবন গবেষকদের। এজন্য বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে একটি দীর্ঘমেয়াদী টেকসই পরিকল্পনা নেয়া জরুরি বলছেন তারা।

সিডরের আঘাতে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া সুন্দরবন আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কিনা-এ নিয়ে মতপার্থক্য ছিল ২০০৭ সালে। তবে মাত্র দেড় বছরের মাথায় নিজের রূপ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয় সুন্দরবন।

news24bd.tv / কামরুল 

;