ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধ অসলো চুক্তির কবর রচনা করেছে: হামাস

অনলাইন ডেস্ক

ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধ অসলো চুক্তির কবর রচনা করেছে: হামাস

সাম্প্রতিক শোর্ড অব কুদস সংঘাত ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির কবর রচনা করেছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের পলিটব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়া। বুধবার গাজায় কাতার-ভিত্তিক নিউজ চ্যানেল আল-জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় তিনি বলেন, “আমরা এই যুদ্ধে কথিত শতাব্দির সেরা চুক্তির ওপর কঠোর আঘাত হেনেছি এবং এ যুদ্ধে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের অসারতা প্রমাণিত হয়েছে।” 

গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনের কাজকে রাজনীতিকরণের তীব্র বিরোধিতা করে ইসমাইল হানিয়া বলেন, এটি একটি মানবিক বিষয় বলে এটি নিয়ে যেন কেউ রাজনীতি করতে না আসে। হামাস নেতা বলেন, গাজা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় যেকোনো সহযোগিতাকে আমরা স্বাগত জানাব এবং এখানকার সবকিছুকে আমরা আগের অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।

আরও পড়ুন

  নারীদের ব্যাপারে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বিশ্বনবী

  যে বিশেষ ৪ গুণ মুমিনের মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়

  রাজশাহীতে করোনা শনাক্তের হার বেড়ে দ্বিগুণ, তবে মানতে নারাজ সিভিল সার্জন

  ভেসে আসছে সুন্দরবনের মৃত হরিণ

 

হামাসের পলিটব্যুরো প্রধান বলেন, আমরা দখলদার ইসরাইলকে জানিয়ে দিয়েছি যেকোনো যুদ্ধ আমাদের ইচ্ছেমতো চলবে। আমরা আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলকে জানিয়ে দিয়েছি, কুদস হচ্ছে আমাদের রেডলাইন। কুদসের অবমাননা সহ্য করা হবে না।

১৯৯৩ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তিতে ফিলিস্তিন সংকটের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কথা বলা হয়। চুক্তি অনুযায়ী ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ছাড় দিলেও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন অধরা রয়ে গেছে। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধারা বলছেন, কোনো চুক্তি বা আলোচনার মাধ্যমে ইসরাইলকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে রাজি করানো যাবে না। বরং সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে তেল আবিবকে এ কাজে বাধ্য করা হবে। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

সমকামী-উভকামী-রূপান্তরকামীদের ব্যাপারে কঠোর শরিয়া আইন আনছে মালয়েশিয়া

অনলাইন ডেস্ক

সমকামী-উভকামী-রূপান্তরকামীদের ব্যাপারে কঠোর শরিয়া আইন আনছে মালয়েশিয়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‌‘নারী-পুরুষ সমকামী, উভকামী ও রূপান্তরকামীদের (এলজিবিটি) জীবনাচারের প্রসার এবং ইসলাম ধর্মের অবমাননাকারীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসলামি শরিয়া আইনে সংশোধনের প্রস্তাব করেছে মালয়েশিয়ার সরকারি একটি টাস্কফোর্স।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মালয়েশিয়ার ইসলামি আইনে পুরুষ সমকামিতা অথবা সমলিঙ্গের কার্যক্রম অবৈধ। তবে এসব অভিযোগে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার ঘটনা বিরল।

এক বিবৃতিতে দেশটির ধর্মীয় কল্যাণবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত উপমন্ত্রী আহমদ মারজুক শারি বলেছেন, চলতি মাসে নারী-পুরুষ সমকামী, উভকামী ও রূপান্তরকামীদের প্রাইড মান্থ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদযাপনের বিভিন্ন পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় শরিয়া ফৌজদারি আইনে সংশোধনের প্রস্তাব আনা হয়েছে।

তিনি বলেছেন, আমরা দেখেছি নির্দিষ্ট কিছু পক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস এবং ছবি আপলোড করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এলজিবিটিদের জীবনাচারের প্রসারের চেষ্টা হিসেবে ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে।

আহমদ মারজুক শারি বলেছেন, প্রস্তাবিত আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কেউ ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং অন্যান্য শরিয়া ফৌজদারি অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ব্যবস্থা নিতে পারবে।

ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং এলজিবিটির প্রসার ঠেকাতে সরকারের গঠিত টাস্কফোর্সে দেশটির ইসলামি উন্নয়ন বিভগ, যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া মন্ত্রণালয়, অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস এবং পুলিশের প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, গত কয়েক বছরে মালয়েশিয়ায় এলজিবিটি সম্প্রদায়ের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে শরিয়া আইনে সংশোধনী আনার এই প্রস্তাব উঠেছে।

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


এর আগে, ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পদযাত্রায় এলজিবিটি কর্মীদের অংশগ্রহণের পর দেশটির একজন মন্ত্রী এবং অন্যান্য মুসলিম সংগঠনগুলোর সদস্যরা প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করেন। ওই বছর সমকামিতার চেষ্টার দায়ে দেশটিতে পাঁচজনকে জরিমানা, কারাদণ্ড, বেত্রাঘাতের সাজা দেওয়া হয়।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আগামী কয়েক দশকে বিশ্বে ক্ষুধা, খরা ও রোগে ভুগবে কোটিরও বেশি মানুষ

অনলাইন ডেস্ক

আগামী কয়েক দশকে বিশ্বে ক্ষুধা, খরা ও রোগে ভুগবে কয়েক কোটির বেশি মানুষ। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিরূপ প্রভাবের কারণে মানবস্বাস্থ্য এই ভোগান্তিতে পড়বে বলে জাতিসংঘের একটি খসড়া প্রতিবেদনে এ হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ - IPCC এর চার হাজার পৃষ্ঠার এই খসড়া প্রতিবেদন আগামী বছর চূড়ান্ত আকারে প্রকাশ হওয়ার কথা। এতে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বে বর্তমানের তুলনায় আরও প্রায় ৮ কোটি মানুষ খাবারের অভাবে পড়বে। প্রতিবেদনে পানি চক্র ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে, ভারতের যেসব এলাকায় ধান উৎপাদন হয়, তার ৪০ শতাংশের মতো এলাকায় উৎপাদনক্ষমতা কমে যেতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ১৯৮১ সালের তুলনায় এরইমমধ্যে বিশ্বে ভুট্টা উৎপাদন ৪ শতাংশ কমে গেছে। সম্ভাব্য এ সংকটের মাত্রা কমিয়ে আনতে উদ্ভিদ থেকে পাওয়া খাবারের ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর মতো নীতি গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর

স্ত্রী ও পুত্রকে বের করে দিয়ে তিন বছর ধরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করতেন বাবা!

অনলাইন ডেস্ক

স্ত্রী ও পুত্রকে বের করে দিয়ে তিন বছর ধরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করতেন বাবা!

প্রায় তিন বছর ধরে নিজ ঘরে বাবার হাতে ধর্ষণের স্বীকার হতেন নাবালক মেয়ে। মেয়েকে নির্বিঘ্নে ধর্ষণের জন্য আগেই ঘর থেকে স্ত্রী ও সন্তানকে বের করে দিতেন বাবা। এরপির নিজ মেয়ের ওপর চালাতেন  পৈশাচিক শারিরিক নির্যাতন। যখন মেয়েটিকে প্রথম ধর্ষন করা হয় তখন সে নাবালক ছিলো। এখন তার বয়স ১৯।  অবশেষে ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

এ ঘটনায় মধ্যপ্রদেশের রাজধানী আইশবাগ এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমবার যখন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়, তখন তিনি নাবালিকা ছিলেন। গত সোমবার ফের মেয়ের উপর অত্যাচার শুরু করে বাবা। এসময় তার মা ও ভাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় বাবা। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হয় মা ও মেয়ে। তখনই ধর্ষণের অভিযোগ জানানো হয়।

মেয়েটি পুলিশকে জানিয়েছে, তাদের বাড়িতে একটিই ঘর। বেশিরভাগ সময়ই মা ও ভাইকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে এমন নারকীয় ঘটনা ঘটতো তার সঙ্গে। প্রায় তিন বছর ধরে তিনি এমন ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

এর আগে প্রতিবারই ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে বার বার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন ওই কিশোরী। কিন্তু সোমবার শেষ পর্যন্ত কোনও কিছু না ভেবেই পুলিশের দ্বারস্থ হন মা ও মেয়ে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শত শত বছর ধরে লিভ ইনে বিশ্বাসী তারা

অনলাইন ডেস্ক

শত শত বছর ধরে লিভ ইনে বিশ্বাসী তারা

পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে অনেকেই ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে বিশ্বাস করে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি এই উপমহাদেশেরই একটি উপজাতি রয়েছে যারা বিয়ে নয় বরং ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে বিশ্বাস করে। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই ঘটে আসছে শত শত বছর ধরে সেখানে।

ভারতের রাজস্থান ও গুজরাটে বসবাসকারি গারাসিয়া নামের এই উপজাতিদের মধ্যে এ ধরনের লিভ-ইন সম্পর্কের প্রচলন রয়েছে। পরিবারের লোকজনই এ ধরনের সম্পর্কের সম্মতি দেয়। এমনকি সঙ্গী খুঁজতে বসে মেলার আসরও। 

মূলত রাজস্থানের পালি, সিরোহী, উদয়পুর ও দুঙ্গারপুর জেলা এবং গুজরাটের সবরকণ্ঠ ও বনশকণ্ঠ জেলায় বসবাস করে এই উপজাতি। তাদের মধ্যেই এ ধরনের ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে থাকার নিয়ম রয়েছে। গত ১০০০ বছর ধরে এই রীতি চলে আসছে। রীতি অনুযায়ী, বিয়ে ছাড়াই কোনও জুটি একসঙ্গে থাকতে পারে।

আসলে গারাসিয়া উপজাতির মধ্যে অনেকেই রয়েছে, যারা বিয়েতে বিশ্বাসী নন অর্থাৎ বিয়ে করতে চান না। কিন্তু তারা চাইলেই বিয়ে না করে সঙ্গীর সঙ্গে ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তাদের যদি কোনও সন্তান জন্মায় তাহলে ওই জুটিকেই সেই সন্তানের দায়িত্ব নিতে হবে। এমনকি সঙ্গী খুঁজতে বিশেষ মেলাও বসে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্যের আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্যের আত্মহত্যা

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‌‘সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশেষ করে পুরানো সেনা সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্য অথবা ছয় বছরের অভিজ্ঞ সেনা সদস্য আত্মহত্যা করেছে।’

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে পেন্টাগন জানিয়েছে, ‘তারা এই আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে।’

এদিকে, বিভিন্ন খবরে জানা গেছে মার্কিন সেনা সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার সামাজিক প্রভাবের বিষয়ে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ওইসব সেনা সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নজিরবিহীনভাবে আত্মহত্যার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে যতটানা মার্কিন সেনারা প্রাণ হারিয়েছে তার চেয়ে বেশি মারা গেছে আত্মহত্যার মাধ্যমে। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ক্যারল গিয়াকোমো এ ব্যাপারে বলেছেন, 'প্রতিদিন গড়ে ২০ জন মার্কিন সেনা আত্মহত্যা করছে।’

ধারণা করা হচ্ছে, ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধে যেসব মার্কিন সেনা অংশ নিয়েছিল তাদের মধ্যেই আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ গত দুই দশকে মার্কিন সরকারগুলো অযথা বিভিন্ন দেশে যেসব যুদ্ধ শুরু করেছে তা সেনাদের আত্মহত্যার পেছনে অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।

১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার পর সন্ত্রাস নির্মূলের অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এসব যুদ্ধ শুরু করে এবং এ পর্যন্ত বহু মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এ সব যুদ্ধে কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি এবং কতদিন এ যুদ্ধ চলবে তারও কোনো ঠিক ছিল না। ফলে সেনাদের মধ্যে মারাত্মক হতাশা দেখা দেয়। এসব হতাশা থেকেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে সবচেয়ে বেশি। ১১ সেপ্টেম্বরের পর আত্মহত্যার মাত্রা চারগুণে বেড়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, পেন্টাগনের পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় মার্কিন সেনাদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা ও হতাশা বিরাজ করছে যা কিনা গত দুই দশকের ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের প্রভাব। কেননা প্রচণ্ড মানসিক চাপ সহ্য করে তাদেরকে যুদ্ধের দিনগুলো পার করতে হয়েছে।

এ ছাড়া, শুধু আফগানিস্তানের যুদ্ধেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে দুই ট্রিলিয়ন ৪০ হাজার কোটি ডলার। আফগানিস্তানে মার্কিন হামলার পর গত ২০ বছরের সহিংসতায় এ পর্যন্ত ২৪০০ এর বেশি মার্কিন সেনা নিহত এবং আহত হয়েছে আরো হাজার হাজার সেনা।

এরপর ২০০৩ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই মার্কিন সরকার ইরাকে হামলা চালিয়ে দেশটি দখল করে নেয়। ইরাক যুদ্ধে অন্তত ৫০০০ মার্কিন সেনা নিহত এবং আরো হাজার হাজার সেনা আহত হয়েছে। লক্ষ্যহীন ও বিরামহীন এসব যুদ্ধে জড়িয়ে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং এমনকি দেশে ফিরে গিয়েও তারা মানসিক ও পারিবারিক সংকট থেকেও মুক্ত হতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত এমনসব সংকটের সম্মুখীন তাদেরকে হতে হয়েছে বা এখনো হচ্ছে যে আত্মহত্যার  পথ বেছে নিতে হচ্ছে তাদেরকে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রায় সব মার্কিন সেনা ৪০ দিনের বেশি সম্মুখ ফ্রন্টে থেকে যুদ্ধ করেছে এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত হয়তো তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগে ভুগতে হবে।

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিন সেনাদের হতাশা ও মানসিক রোগের আরেকটি কারণ হচ্ছে ইরাক ও আফগানিস্তানে যুদ্ধ চলাকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের অমানবিক আচরণ ও সেনা কমান্ডারদের দুর্ব্যবহার। বিশেষ করে অযথা সামরিক অভিযান পরিচালনার সময় সাধারণ মানুষের ওপর তারা যে হত্যাকাণ্ড ও নৃশংসতা চালিয়েছে পরবর্তীতে এর প্রভাব সেনাদের ওপরও গিয়ে পড়েছে। অর্থাৎ অপরাধবোধ থেকে মানসিক রোগ এবং সেখান থেকে আত্মহত্যার পথে তারা পা বাড়িয়েছে। এসব কারণে পেন্টাগনে  উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর