খালাসের আগেই আমদানি করা বিটুমিনের মান পরীক্ষা বাধ্যতামূলক

অনলাইন ডেস্ক

খালাসের আগেই আমদানি করা বিটুমিনের মান পরীক্ষা বাধ্যতামূলক

দেশে নিম্নমানের বিটুমিনের আমদানি ঠেকাতে খালাসের আগেই মান পরীক্ষার বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়। এখন থেকে আমদানি করা বিটুমিন মান পরীক্ষা ছাড়া খালাস করা যাবে না।

আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট- বিএসটিআই, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট ও ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড-ইআরএলের মাধ্যমে পণ্যের গুণগতমান পরীক্ষা করতে হবে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রেমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন হাওলাদার স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, পরিশিষ্ট-১ এর নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকার 'ক' অংশের এইচএস হেডিং নম্বর ২৭.২৩ এর বিপরীতে কলাম ২ ও ৩ এ উল্লেখিত এন্ট্রিসমূহের নিম্নরূপ এইচএস হেডিং নম্বর এবং এন্ট্রিসমূহ প্রতিস্থাপিত হবে।

আদেশে আরো বলা হয়েছে, ২৭.২৩ এর সকল এইচএস কোডে, পেট্রোলিয়াম কোক এবং প্রেট্রোলিয়াম বিটুমিন ব্যতিত পেট্রোলিয়াম তেলের রেসিডিউলসমূহসহ সকল পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ। তবে পেট্রোলিয়াম বিটুমিন আমদানির ক্ষেত্রে এইচএস কোড নম্বর ২৭১৩.২০.১০ এবং ২৭১৩.২০.৯০ এর পণ্য খালাসের পূর্বে ইহার গুণগত মান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট ( বিএসটিআই), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড হতে পরীক্ষা করাতে হবে।

সড়ক নির্মাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বিটুমিন। চাহিদার তুলনায় দেশীয় উৎপাদন কম হওয়ায় এ উপাদানের ঘাটতি থেকে যায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশে গড়ে উঠেছে আমদানিকারকদের একটি শক্তিশালী চক্র। অর্থপাচারের কৌশল জিইয়ে রাখতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিটুমিন ব্যবহারের সরকারি নির্দেশনাকেও পাত্তা দিচ্ছে না সংঘবদ্ধ চক্রটি। ফলে আমদানি করা মানহীন ও ভেজাল বিটুমিন ব্যবহার একটুও কমেনি। বরং আমদানির আড়ালে বিগত ১০ বছরে দেশ থেকে অন্তত ১৪ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। ‘ওভার ইনভয়েসিং’ বা আমদানি মূল্য বেশি দেখিয়ে অর্থ পাচারের ফলে দেশ হারাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার বড় অংকের রিজার্ভ।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রতিবছর পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ টন বিটুমিনের চাহিদা রয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ২৪ থেকে ২৬ হাজার কোটি টাকা। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড দেশে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ হাজার টন বিটুমিন উৎপাদন করে যা চাহিদার মাত্র ১৩ শতাংশের মতো। অর্থাৎ বাকি অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকার বিটুমিনের প্রায় পুরোটাই আমদানি করা হয় বিদেশ থেকে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে তিন লাখ ১৯ হাজার ৬৬১ টন বিটুমিন আমদানি করেছে ৪২টি প্রতিষ্ঠান। ৩৪৬টি ভিন্ন ভিন্ন চালানে আনা এই বিটুমিনের ‘অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু’ ছিল প্রায় এক হাজার ১১০ কোটি টাকা। বাল্ক এবং ড্রামে আমদানি করা এসব বিটুমিন কাস্টমস থেকে খালাস করা হয় উন্নতমানের ৬০/৭০ গ্রেড ঘোষণা দিয়ে। কিন্তু এগুলোর মান নিয়ে তৈরি হয় সন্দেহ। প্রকৃতপক্ষে ৬০/৭০ গ্রেডের বিটুমিন দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হলে তা খুবই টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কথা, যা বাস্তবে দেখা যায় না। আর তাই সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে এসব বিটুমিনের গুণগত মান নিয়ে।

আরও পড়ুন

  ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধ অসলো চুক্তির কবর রচনা করেছে: হামাস

  নারীদের ব্যাপারে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বিশ্বনবী

  যে বিশেষ ৪ গুণ মুমিনের মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়

  রাজশাহীতে করোনা শনাক্তের হার বেড়ে দ্বিগুণ, তবে মানতে নারাজ সিভিল সার্জন

 

বিটুমিন আমদানিকারকদের একটি অংশ এসব বিটুমিনকে উন্নত মানের ৬০/৭০ গ্রেডের বিটুমিন বললেও অনুসন্ধানে দেখা যায় ভিন্ন তথ্য। ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় এসব বিটুমিনের কোনো কোনোটির গ্রেড পাওয়া গেছে ১০২, কোনোটির ৯৫, আবার কোনোটির ৯৮। বিটুমিন বিশেষজ্ঞরা এগুলোকে আলকাতরার চেয়েও নিম্নমানের বলে দাবি করছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের দেওয়া তথ্য মতে, প্রতিবছর গড়ে চার লাখ ২০ হাজার টন বিটুমিন আমদানি করে প্রতিষ্ঠানগুলো। এ হিসাবে প্রকৃত মূল্যের বাইরে প্রতিবছর বিদেশে পাচার হচ্ছে অন্তত এক হাজার ৪২৮ কোটি টাকা, যা ১০ বছরে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ২৮০ কোটিতে।

ইস্টার্ন রিফাইনারির কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি করা বেশিরভাগ বিটুমিনই ৮০ থেকে ১০০ গ্রেডের। বিটুমিন আমদানির এলসি খুলে কার্যত আনা হয় ভেজাল কেরোসিন মেশানো আলকাতরা। কিন্তু আমদানিকারকরা ঠিকই উন্নত গ্রেড দেখিয়ে সমপরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করছেন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনের আয়তন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুন্দরবনের আয়তন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

দেশের উন্নয়নে যেন কোনোভাবেই সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, দেশের উন্নয়নে যে পদক্ষেপই নেয়া হোক না কেন, সুন্দরবন এবং এর জীববৈচিত্র্য যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এ বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বুধবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের বেগম সুলতানা নাদিরার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

এ সময় সুন্দরবনের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া নানান পদক্ষেপের কথা প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুন্দরবনের আয়তন বাড়ানোর জন্য সরকার কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে। সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চলে এর বিস্তৃতি ঘটানোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের বৃক্ষাদি এবং বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্য তথা বন অপরাধ দমনের জন্য স্মার্ট পেট্রোলিংসহ নানাবিধ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সুন্দরবনের গাছপালা ও বন্যপ্রাণীকূলকে রক্ষার জন্য বনকর্মীদের যুগোপযোগী করে গড়ে তুলে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধির পদক্ষেপের কথাও জানান সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, সুন্দরবন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে ২০১৫ সালের বাঘশুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল ১০৬টি। ২০১৮ সালের শুমারিতে এর সংখ্যা ১১৪টি পাওয়া গেছে। সুন্দরবনের কার্বন মজুতের পরিমাণ ২০০৯ সালের ১০৬ মিলিয়ন টন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯ সালে ১৩৯ মিলিয়ন টন হয়েছে।

আরও পড়ুন:


স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

এখনও খোঁজ মেলেনি আবু ত্ব-হা আদনানের, যা বলছে পুলিশ

রোনালদোকাণ্ডের পর এবার টেবিল থেকে বিয়ারের বোতল সরালেন পগবা


প্রধানমন্ত্রী জানান, জীব বৈচিত্র্যের আধার সুন্দরবনে এখন ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল, ১৩ প্রজাতির অর্কিড এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্য প্রাণী পাওয়া যায়। বন্য প্রাণীর মধ্যে ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৮ প্রজাতির উভচর, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ২১০ প্রজাতির মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি, ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া আছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আরও এক দফা ‘লকডাউন’ বাড়ার আভাস!

অনলাইন ডেস্ক

আরও এক দফা ‘লকডাউন’ বাড়ার আভাস!

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছেই। বেশ কয়েকদিন সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমলেও আবারও তা বেড়েছে। তাই কোন ঝুঁকি না নিয়ে সরকার আবারও চলমান ‘বিধি নিষেধ’ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আভাস পাওয়া গেছে। বিধি-নিষেধ বাড়ানো হলে আজকেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১৬ জুন মধ্য রাত পর্যন্ত ‘বিধি-নিষেধ’ বাড়ানো হয়েছিল। করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো ধরনের ‘রিস্ক’ না নিতে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। গত ১৪ জুন মন্ত্রিসভা বৈঠকে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম।

করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনা আছে কিনা? প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন, এখন থেকে বলে দাও সবাইকে। লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সবাইকে অথরিটি দিয়ে দেওয়া হলো। অলরেডি আমরা চিঠিতে বলে দিয়েছি। উনি আবার রিমাইন্ড করে দিতে বলেছেন। কোনো ধরনের রিস্ক না নিতে। যেখানে যারা কমফোর্টেবল মনে করবেন তারা সেখানে যেন ব্লক করে দিয়ে এটাকে থামানোর চেষ্টা করে।

আরও পড়ুন


আবু ত্ব-হা আদনানের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অটোরিকশার ভেতরেই ওই তরুণীকে ধর্ষণ

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার চূড়ান্ত দল ঘোষণা

রোনালদোকাণ্ডের পর এবার টেবিল থেকে বিয়ারের বোতল সরালেন পগবা


সবশেষ লকডাউনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব পর্যটনস্থল, রিসোর্ট, কমিনিউটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান, জন্মদিন পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। খাবার দোকান, হোটেল রেস্তোরাঁসমূহ সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খাদ্য বিক্রি ও সরবরাহ করতে পারবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহিতাদেরকে সেবা দিতে পারবে।

কোভিড-১৯ উচ্চঝুঁকি সম্পন্ন জেলাসমূহের জেলা প্রশাসকরা সংশ্লিষ্ট কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে স্ব-স্ব এলাকায় সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এছাড়া আন্তঃজেলাসহ সব ধরনের গণপরিবহন আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে অবশ্যই যাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

আবু ত্ব-হা আদনানের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মোহাম্মদ আল-আমীন, গাজীপুর

আবু ত্ব-হা আদনানের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা আদনানের বিষয়টি শুনেছি। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। ক্লু উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বুধবার (১৬ জুন) গাজীপুরে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমিতে ২১তম ব্যাচ (পুরুষ) নবীন ব্যাটালিয়ন আনসারদের ৬ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানা তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, রিসোর্ট হোক আর বার হোক যেখানেই আইন ভঙ্গ হবে সেখানেই আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং নিবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

এর আগে পুরস্কার প্রদান শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে আনসার ভিডিপি নবীন সদস্যদের উদ্দেশ্যে নানা রকম দিক নির্দেশনা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, সততার সাথে দেশের হয়ে কাজ করতে হবে।

এসময়ে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মােক্তফা কামাল উদ্দীন ও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। এছাড়া বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক , কমান্ড্যান্ট , উপ - মহাপরিচালক ( প্রশাসন ) , উপ - মহাপরিচালক ( অপারেশনস ) -সহ সদর দপ্তর ও একাডেমির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন


অটোরিকশার ভেতরেই ওই তরুণীকে ধর্ষণ

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার চূড়ান্ত দল ঘোষণা

রোনালদোকাণ্ডের পর এবার টেবিল থেকে বিয়ারের বোতল সরালেন পগবা

নায়িকা পপির বিয়ে ও অন্তঃসত্ত্বার গুঞ্জন নিয়ে যা জানালেন ফেরদৌস


৯৭৯ জন নবনিযুক্ত ব্যাটালিয়ন আনসার ৬ মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। কুচকাওয়াজের শুরুতেই প্রধান অতিথি একটি সুসজ্জিত খােলা জীপে প্যারেড পরিদর্শন করেন। এ সময় বাহিনীর মহাপরিচালক ও প্যারেড কমান্ডার প্রধান অতিথির সাথে উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রশিক্ষণার্থীগণ ৬ সারিতে মার্চ পাস্ট করে প্রধান অতিথিকে অভিবাদন জানান। এরপর প্রধান অতিথি  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কৃতি ও চৌকস প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন। মৌলিক প্রশিক্ষণে - সজীব মন্ডল শ্রেষ্ঠ ড্রিল, মাে. মহিউদ্দিন ফাহিম শ্রেষ্ঠ ফায়ারার এবং রাকিব আকন্দ চৌকস প্রশিক্ষণার্থী ব্যাটালিয়ন আনসার হিসেবে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

কাতারে স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন

অনলাইন ডেস্ক

কাতারে স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন

করোনা আক্রান্ত এবং মৃত্যু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে দেশটির জনজীবন। আগামী শুক্রবার (১৮ জুন) দ্বিতীয় ধাপে তুলে নেওয়া হচ্ছে করোনার বিধিনিষেধ।

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে। তবে বিদেশ ফেরত যাত্রীদের মধ্যে থেকে আক্রান্তের হার কমানো গেলে দেশটির করোনা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে মনে করেন প্রবাসীরা।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


তারা বলছেন, বাহির থেকে যারা কাতার ভ্রমণের জন্য আসছেন, তাদের মধ্য থেকে কিছুটা করোনা আক্রান্ত হচ্ছে। তবে কাতার সরকার দ্বিতীয় ধাপে লকডাউন তুলে দিচ্ছে। এতে আমরা যারা প্রবাসী আছি, তাদের জীবনযাত্রা স্বচ্ছল হবে।

কাতারে করোনায় প্রতিদিন গড় আক্রান্তের সংখ্যা দেড়শ'র নিচে নেমে এসেছে। আর যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের বেশিরভাগই বিদেশ ফেরত যাত্রী। দেশটিতে এরইমধ্যে ২৮ লাখের বেশি করোনার ডোজ প্রয়োগ করা হয়েছে। যদিও এ পর্যন্ত ৫০ বাংলাদেশিসহ মারা গেছে ৫৭৯ জন।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

রাজশাহীতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরও ১৩ জন মারা গেছেন প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে বুধবার (১৬ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

বুধবার (১৬ জুন) হাসপাতালের উপপরিচালক সাইফুল ফেরদৌস এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মৃতদের মধ্যে পাঁচজন করোনায় এবং আটজন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। এই ১৩ জনের মধ্যে আটজনের বাড়ি রাজশাহী জেলায়। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারজন এবং কুষ্টিয়ার একজন মারা গেছেন। করোনা সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন তারা।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১৩ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনজন করে মারা গেছেন ১ এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে। আইসিইউ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন করে মারা গেছেন। এ ছাড়া একজন করে মারা গেছেন ২২, ২৫, ৩৯ ও ৪০ নম্বর ওয়ার্ডে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর