সীমান্ত জেলাগুলোয় মাস্কের সরবরাহ বাড়ানো হোক

শওগাত আলী সাগর

সীমান্ত জেলাগুলোয় মাস্কের সরবরাহ বাড়ানো হোক

১. দেশের সীমান্ত জেলাগুলোয় অস্বাভাবিক দ্রততায় করোনায় সংক্রমণ বাড়ছে। চাপাইনবাবগঞ্জে বিশেষ লকডাউনের কথা পত্রিকার খবরে জেনেছিলাম। অন্যান্য জেলায় কি হচ্ছে সেই ব্যাপারে তেমন কিছু জানা নেই। মিডিয়াগুলো বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন কীনা সেটা অনলাইনের তথ্য থেকে বোঝা যাচ্ছে না। আমি মনে করি, মিডিয়ার এখনি সীমান্ত জেলাগুলোর দিকে নজর দেয়া দরকার।

২, সীমান্ত জেলাগুলোর সংক্রমণ সেখানেই সীমিত রাখতে না পারলে বিপদের আশঙ্কা আছে। যে কোনো ভাবেই হোক এই সংক্রমণ যাতে বিস্তৃত হতে না  হতে পারে তার ব্যবস্থা নিতে হবে। সেটি করতে হবে সরকার এবং সরকারের বাইরের সামাজিক শক্তিকে সম্মিলিতভাবে। প্রত্যেকের যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখা দরকার। বিজ্ঞান প্রমাণ দিয়েছে মাস্ক- কোভিড সংক্রমণকে আটকে দিতে পারে। সীমান্ত জেলাগুলোয় আর কিছু করা না গেলেও মাস্কের সরবরাহ বাড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। মানুষ যাতে মাস্ক যথাযথভাবে পরে তার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

৩. লকডাউনে আম-কাঠল বা তরিতরকারির ব্যবসায়ীদের কি দুর্ভোগ হচ্ছে- এইটা এই মুহূর্তের সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ খবর নয়। লকডাউনে মানুষের দুর্ভোগ হয়ই, কিন্তু সীমান্ত জেলার জন্য এই ধরনের খবর এখন পরিবেশন করা হবে অপসাংবাদিকতা। তার চেয়ে কেন মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানা দরকার, কেন মাস্ক পরা দরকার- সেই বিষয়ে মানুষকে উৎসাহ দেওয়া বেশি জরুরি।

৪. যশ কিংবা ইয়াসকে সব মিডিয়া যেভাবে গুরুত্ব দিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় কোভিডের সংক্রমণকে একই রকমের গুরুত্ব দেওয়া দরকার। সীমান্ত জেলাগুলো যেনো দেশের জন্য যশ কিংবা ইয়াস না হয়ে ওঠে।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সাকিবের একটা অসদাচরণকে প্রতিবাদ হিসাবে সবার মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে কে?

আনোয়ার সাদী

সাকিবের একটা অসদাচরণকে প্রতিবাদ হিসাবে সবার মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে কে?

সাকিবের আচরণ ক্রিকেটের ভাষায় শোভন নয়। তার সাজা হয়েছে । তিনি সাজা মেনে নিয়েছেন। ঘটনা এখানেই শেষ নয়।  সাকিব পরিকল্পিতভাবে ইউকেটে লাত্থি দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের এটাই মত। তিনি বল ছোঁড়ার পর বসে আবেদন করেছেন। ফিরে যখন দেখলেন আম্পায়ার আউট দেননি, সাকিব প্রথমে উইকেটে লাত্থি দিয়েছেন, তারপর আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেছেন। 

এই ভিডিও বিশ্লেষন করে একজন বিশেষজ্ঞ আমাকে বলেছেন, হতে পারে সাকিব আগেই ভেবে রেখেছে, LBW সে পাবে না। কারণ আগের সাত ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে কোনো LBW নাই। 

এখন বিসিবি একটা তদন্ত কমিটি করেছে । তারা সব ক্লাবের সঙ্গে কথা বলবে। ’আম্পায়ার’ বিষয়টিও আলোচনায় থাকবে বলে জানা গেছে। 
এর মানে হলো বিসিবি অভিযোগ আমলে নিয়েছে। আম্পায়ারদের স্বজনপ্রীতি আছে কী না, তা প্রমাণ করার এটা একটা উদ্যোগ। এটাকে একই সঙ্গে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি থাকার বেশ ভালো সম্ভাবনার স্বীকৃতি হিসাবেও কেউ কেউ দেখছেন। 

তাহলে জল গড়ালো অনেক দূর। সাকিব ঘটনা ঘটিয়েছেন প্রকাশ্যে, ক্ষমা চেয়েছেন প্রকাশ্যে, সাজা পেয়েছেন, তা মেনে নিয়েছেন। তিনি কখনো দাবী করেননি, তিনি সিস্টেমকে লাত্থি দিয়েছেন। তিনি দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছেন বলে কোথাও দাবী করেননি। আউট দেয়নি বলে তিনি রেগে গেছেন। 

এমনকী ফেইসবুকে ক্ষমা চাওয়ার সময়ও সিস্টেম নিয়ে তার কোনো জোড়ালো বক্তব্য নেই। 
তাহলে প্রশ্ন, একটা অসদাচরণকে প্রতিবাদ হিসাবে সবার মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে কে?

এটা কার বুদ্ধি ? ​

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

আনোয়ার সাদী, সিনিয়র নিউজ এডিটর, নিউজটোয়েন্টিফোর।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সবার আগে সাকিবের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া দরকার

শওগাত আলী সাগর

সবার আগে সাকিবের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া দরকার

ক্রিকেটার সাকিবকে নিয়ে নানা জনের নানা রকমের প্রতিক্রিয়ার কোনোটাই পড়িনি, পড়ার প্রয়োজন মনে করিনি। সাকিব একজন আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়, যে কোনো পরিস্থিতিতে তার আচরণ হবে খেলোয়াড়সুলভ- এটিই হচ্ছে বটমলাইন। এর ব্যত্যয় হলে সেটিকে অবশ্যই ‘রেড ফ্ল্যাগ’ হিসেবে বিবেচনায় নিতে হবে।

একজন আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় ‘বিহেভিয়ারাল নর্মস’ সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন থাকেন, থাকতে হয়। সেখানে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন হয়ে পরে। 

সাকিব আল হাসানের ঘটনাকে আমি এই আঙ্গিকে দেখার পক্ষপাতি। একজন খেলোয়াড় হুটহাট রেগে যান না, রেগে গেলেও তারা ভায়োলেন্ট রিঅ্যাকশন দেখান না। যখন এগুলো ঘটে তখন তার মানসিক অবস্থার দিকে মনোযোগ দেয়া জরুরী হয়ে পরে। সাকিব কী কোনো স্ট্রেসের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন? তার মানসিক সুস্থতায় কোথাও কী কোনো ধরনের আচড় লেগেছে? কোভিডকালে অনেক মানুষই কোনো না কোনো ভাবে মানসিক অবসাদে ভোগছেন, মানসিক চাপের মধ্যে পরেছেন। সাকিবেরও সে ধরনের কোনো পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। আমি মনে করি, সাকিবের সবার আগে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের শ্মরণাপন্ন হওয়া দরকার। সাকিবের যারা শুভাকাংখী তারা নিশ্চয়ই তাকে এই পরামর্শটা দেবেন। 

বাই দ্যা ওয়ে,মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞর শ্মরণাপন্ন হওয়ার কথা শুনে  নাক সিটকাবেন না যেনো। উন্নত দেশগুলোতে যে কোনো মানুষের মানসিক স্বাস্থকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। অনেক বড় বড় সেলিব্রেটিকেও এমন কি গবেষক, শিক্ষাবিদদেরও  অনেক সময় ’অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট’ এর ভেতর দিয়ে যেতে হয়। এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ‘ওয়েলনেস প্রসিডিউর’।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ও তো একটা বেশ্যা

তসলিমা নাসরিন

ও তো একটা বেশ্যা

মেয়েদের আন্দোলনে ''আমার শরীর, আমার সিদ্ধান্ত'' স্লোগানটা কেমন লাগে?
ভীষণ ভালো। 
সমর্থন করো?
ভীষণ। 

এই যে  তোমার শহরে একটি মেয়ে বিবাহিত অবস্থায় স্বামী নয়, অন্য কারো  সঙ্গে শুয়ে প্রেগনেন্ট হলো, একে কিভাবে দেখ? 
ওর কথা বলো না, ও  তো একটা বেশ্যা। 
হলিউডের নায়িকা ''বি'' কে তোমার ভালো লাগে? 
ভীষণ। 

''বি'' তো বিবাহিতা, কিন্তু বয়ফ্রেন্ডের বাচ্চা তার পেটে। তারপরও ভালো লাগে? 
ওর অভিনয়ের কোনও তুলনা হয়? হয় না। 
আর বাচ্চা যে পেটে, একে অবৈধ বলবে না? 
এটা ওর ব্যক্তিগত ব্যাপার। 
নাকি ও তোমার শহরের বা দেশের  মেয়ে নয় বলে মেনে নিচ্ছ? 
পাশ্চাত্যে ওসব চলে। 
এখানে চলে না? 
মোটেও না। 

তাহলে তোমার শহরে  'আমার শরীর আমার সিদ্ধান্ত' স্লোগান দিয়ে যখন মিছিল  বের হয়, সেই মিছিলে কেন সামিল হও? 
হবো না কেন? 
প্রগতিশীল বনার জন্য? 
এ কেমন অদ্ভুত প্রশ্ন? গেট লস্ট।

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দার্শনিক উপাধি নিয়ে সমস্যা!

সাখাওয়াত টিপু

দার্শনিক উপাধি নিয়ে সমস্যা!

বাংলায় দার্শনিক হওয়া একটা মহাসমস্যার ব্যাপার! বাংলা ভাষায় কি কোনো দার্শনিক আসেননি? সরদার ফজলুল করিমকে আমি দার্শনিক বলায় কোনো কোনো প্রগতিশীল বিশ্লেষক একবার খানিক উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন।

আমার বলার পেছনে কারণ ছিল, সরদারের প্লেটো বা রুশো কিংবা এঙ্গেলসের অনুবাদের জন্য নয়, বরং আমি গুরুত্ব দিয়েছিলাম তাঁর 'দর্শন কোষ' বইয়ের জন্য। অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাককে সরদার ফজলুল করিম, আহমদ ছফা, হুমায়ুন আজাদ ও সলিমুল্লাহ খান দার্শনিক মর্যাদা দিয়েছেন। তারপরও কোনো কোনো মহল মানতে নারাজ। তাদের দাবি, রাজ্জাক সাহেবের কি বই আছে, যা দিয়ে তাঁকে দার্শনিক উপাধি দেওয়া যাবে। সক্রাতেস কোনো বই লিখেননি। লিখেছেন শিষ্যরা। কিন্তু কোনোকিছু না লেখার পরও সক্রাতেস চরিত্রটিকে আমরা দার্শনিক হিসেবে মেনে নিয়েছি! সলিমুল্লাহ খান দার্শনিক কিনা তা নিয়ে মেলা বিতর্ক হচ্ছে।

এখনকার যুগে পশ্চিমা বিশ্লেষকরা ক্লেইম করেন আমি দার্শনিক। এমন উদাহারণ আলাঁ বাদিয়ু, জর্জিও আগামবেন, স্লাভোয় জিজেকসহ অনেকের লেখায় ও বক্তৃতায় পাওয়া যাবে। যদিও ডয়েচ ভেলের আগে সলিমুল্লাহ খানের নামের মাথায় প্রথম দার্শনিক উপাধি ব্যবহার করেছিলাম আমি। বাংলা ও অপর ভাষায়ও সেটা ছাপার হরফে আছে। সে যাই হোক! আমার ব্যক্তিগত একটা ঘটনা বলি।


আরও পড়ুনঃ


আবারও সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিয়ের সাজে শ্রাবন্তী!

শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার

টঙ্গীতে বস্তিতে আগুন, শত শত ঘর পুড়ে ছাই

করোনাকালে সারাদেশে ১৫১ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা


একবার এক পত্রিকা আমার কাছে লেখা চেয়ে নেয়। সম্পাদকীয় বিভাগ থেকে জিজ্ঞেস করা হলো, কি পরিচয় দিব আপনার? নানা কিছু বলার পর বললাম, পরিচয় লেখেন 'কবি ও দার্শনিক'। ওই ভাবে পরিচয় ছাপা হলো! তার পরদিন কবি নির্মলেন্দু গুণের সাথে দেখা, হাতিরপুল বাজারের ফুটপাতে! গুণ দা বললেন, তোমার একটা লেখা দেখলাম, পরিচয় দিলা 'কবি ও দার্শনিক'। বললাম, হ দাদা এই দেশে দার্শনিক হয় না কেউ, তাই নামের শেষে দার্শনিক উপাধি নিলাম। গুণ দা বললেন, শহীদ নূর হোসেন নিয়ে তোমার লেখাটা ইন্টেরেস্টিং। কিন্তু নামের শেষে দার্শনিক উপাধি আরো ইন্টেরেস্টিং লাগল!

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

জি-৭ সম্মেলন: চীন তাহলে সবক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর!

শওগাত আলী সাগর

জি-৭ সম্মেলন: চীন তাহলে সবক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর!

চীন তাহলে সবক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর! নিজেদের ভ্যাকসিন থেকে মাত্র এক বিলিয়ন ডোজের প্রতিশ্রুতি পেতে জি-৭ নেতাদের সম্মেলনটা যখন হিমসিম খাচ্ছিলো, ‘চীন’- এই শব্দটিই সব নেতার মনকে তরল করে দিলো। এমন কি যে জাস্টিন ট্রুডো প্রকাশ্যে কিছুতেই কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি হচ্ছিলেন না- তিনিও একশত মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার ঘোষণা দিয়েই ফেললেন। 

যুক্তরাজ্যের কর্ণওয়ালে জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া সরকার প্রধানরা যে একটা পিকনিক মুডে আছেন, সেটি তাদের ছবি, ভিডিও চিত্র থেকে আঁচ করা যায়। মুখ থেকে মাস্ক সরিয়ে (অবশ্য দুরে দুরে দাঁড়িয়ে) পোজ দিয়ে সাত নেতার ছবিটিতেও আনন্দ আনন্দ ভাব আছে। কিন্তু মূল সম্মেলনের আগে আনুষ্ঠানিক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় চীন আর রাশিয়া তাদের তাড়িত করেছে সর্বক্ষণ।

চীন কোথায় কোথায় ভ্যাকসিন দিচ্ছে উপহার হিসেবে, রাশিয়া কোথায় দিচ্ছে - সেই আলোচনায় একটি বার্তা ছিলো - চীন তার নিজ দেশে উৎপাদিত ভ্যাকসিন আরো অনেক দেশকে দিতে চায়। রাশিয়াও চায়। ব্যাস, এই তথ্যটিতেই নড়েচড়ে বসেন সবাই।

আরও পড়ুন


আবারও সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিয়ের সাজে শ্রাবন্তী!

শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার

টঙ্গীতে বস্তিতে আগুন, শত শত ঘর পুড়ে ছাই

মূল বিষয়টি সবাই চাপা দিচ্ছে, স্বামীকে সমর্থন দিয়ে শিশিরের স্ট্যাটাস


জো বাইডেন, যিনি আমেরিকাকে আবার বিশ্বের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান, তিনিও সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ভূ রাজনীতির দৌড়ে চীন ‘ত্রাণকর্তার’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে - এই ভাবনাটাই তিনি নিতে পারছিলেন না। তবে অন্য নেতারা অর্থনৈতিক ও অন্যান্য বিষয়ে রাশিয়ার ব্যাপারে কঠোর হতে চাইলেও চীনের ব্যাপারে কেমন যেনো গলে গলে যাচ্ছিলেন। চীনের সঙ্গে বৈরিতা করে কোভিড পরবর্তী অর্থনৈতিক উত্তরণ কঠিন - এই বোধটিই সম্ভবত তাদের বেশি তাড়া করেছে।

তবে কাজের কাজ হয়েছে, চীন,রাশিয়ার আলোচনায় জি-৭ নেতারা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ভ্যাকসিনের ভাগ দেয়ার প্রশ্নে দ্রুত নমনীয় হয়েছেন। অন্তত এক বিলিয়ন ডোজের কোটাটা এই যাত্রা সহজেই পুরণ হয়েছে। জি-৭ নেতারা ’মাস্ক খুলে মুখে তৃপ্তির হাসির রেখা টেন ‘যতোই পোজ দেন না কেন, চীন যে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে- জি-৭ সম্মেলনে সেটি প্রমাণ হয়ে গেলো।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর