চাহিদা অনুযায়ী শারীরিক মেলামেশা করতে না পারায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা!

অনলাইন ডেস্ক

চাহিদা অনুযায়ী শারীরিক মেলামেশা করতে না পারায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা!

তানজিদা আক্তার পপি স্বামীর চাহিদা অনুযায়ী শারীরিক মেলামেশা করতে না পারায় এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে স্বামী হীরা চৌধুরী। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে তার স্বামী হীরা চৌধুরী। 

বৃহস্পতিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ন কবীরের আদালত হীরা চৌধুরীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন।

মামলার তদন্তকারী অফিসার ফতুল্লা মডেল থানার এসআই জাকির হোসেন মাসুদ বলেন, হীরা চৌধুরীকে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়- চাহিদা অনুযায়ী শারীরিক মেলামেশা করতে না দেয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীকে হত্যা করেছে। সে আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করবে বলে জানালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

তিনি আরও জানান, হীরা চৌধুরীর এ জবানবন্দিসহ আরও বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত করে দেখা হবে এছাড়াও আর কোনো বিষয় রয়েছে কিনা। আদালত জবানবন্দি শেষে হীরা চৌধুরীকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন।

নিহত তানজিদা আক্তার পপি (২৫) ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের মৃত আলী আশরাফের মেয়ে। হীরা চৌধুরী পূর্ব লামাপাড়ার এলাকার ওমর চৌধুরী তুহিনের ছেলে। তাদের সংসারে তুষার (১০) ও ফুয়াদ (৭) নামে দুটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, বুধবার ভোরে নিজ বাড়িতেই হীরা চৌধুরী তার স্ত্রী পপিকে হত্যা করে। হত্যার পর ঘটনাস্থল থেকেই হীরাকে ছুরিসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহত পপির ভাই শাকিল বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

ত্ব-হা ও দুই সফরসঙ্গীর জবানবন্দির পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর

অনলাইন ডেস্ক

ত্ব-হা ও দুই সফরসঙ্গীর জবানবন্দির পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর

আলোচিত ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ও তার দুই সফরসঙ্গীর জবানবন্দি নেওয়ার পর নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন রংপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

শুক্রবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি শেষে নিজ জিম্মায় তাদেরকে ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেন আদালত।

ত্ব-হা ও তার সফরসঙ্গীর খোঁজ পাওয়ার পর তাদেরকে উদ্ধারে করে রংপুর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয় থেকে তাদেরকে মহানগর আমলি আদালতে (কোতোয়ালি) নেওয়া হয়। আদালতে নেওয়ার পর আদালত তাদেরকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেন।

আরও পড়ুন:


ইসরাইলি ড্রোন মাটিতে নামাল ফিলিস্তিনিরা

প্রাণঘাতী করোনায় ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যু

ময়মনসিংহে ছাত্রদলের সভা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া


রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবু ত্ব-হার তিন সঙ্গী হলেন- আব্দুল মুহিত, ফিরোজ আলম ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন।

এর আগে রংপুর মেট্টোপলিটন গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি অ্যান্ড ক্রাইম) আবু মারুফ হোসেন বলেন, আত্মগোপনের ঘটনাটি রাষ্ট্র বা সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার কোনো ষড়যন্ত্র ছিল কি-না, তা খতিয়ে দেখতে আপাতত ত্ব-হা পুলিশ হেফাজতেই থাকছেন।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আবু ত্ব-হাসহ সঙ্গীদের রাতেই আদালতে নিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আবু ত্ব-হাসহ সঙ্গীদের রাতেই আদালতে নিল পুলিশ

আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান

নিখোঁজের ৮ দিন পর উদ্ধার হওয়া আলোচিত ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ও তার দুই সঙ্গীকে আদালতে তোলা হয়েছে। 

আজ রাত সোয়া ৯টার দিকে জবানবন্দি গ্রহণের জন্য রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয় থেকে তাদেরকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম হাফিজুর রহমানের আদালতে তোলা হয়। 

রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের অপর দুই সঙ্গী হলেন-আবু মুহিত আনছারী ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন। 

আরও পড়ুন:


বাঁচবো কিনা জানি না, সবাই ক্ষমা করে দিয়েন

দুদককে পরীমণির সম্পদের হিসাব চাওয়ার আহ্বান হেলেনা জাহাঙ্গীরের

গণপরিবহনে অবাধে যাতায়াত করায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপেনে ছিলেন আবু ত্ব-হা: পুলিশ


তিনি আরও জানান, ত্ব-হা নিখোঁজের ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) আলোকে তিনজনকে আদালতে তোলা হয়েছে। এখন আদালতই এ বিষয়ে করণীয় ঠিক করবেন। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, পৌর মেয়র সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মো. হৃদয় খান, নরসিংদী

নরসিংদীতে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, পৌর মেয়র সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নরসিংদীর মাধবদীতে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ ও দুজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় মাধবদী পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন মানিককে প্রধান আসামি করে মোট ১১ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১৮ জুন) ভোরে গুলিবিদ্ধ সাবেক কমিশনার মো. জাকারিয়ার বড় ভাই মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মাধবদী থানায় এই মামলা করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিরামপুর এলাকার নান্নু মিয়ার পুত্র আব্দুল আহাদ, কোতায়ালীর চর এলাকার মো. মোজাম্মেল, টাটাপাড়া এলাকার রিপন মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা জুনিয়র, ছোট মাধবদী এলাকার   মিজানুর রহমানের ছেলে শাহিন মিয়া, ভগিরথপুর এলাকার নান্নু ভূইয়ার ছেলে আতাউর ভূইয়া, আদনান হোসেন, সাকিব, মো. মনিরুজ্জামান ওরফে নাতিমনির, নূর মোহাম্মদ ও সেন্টু শীল।

এর আগে গত ১৬ জুন বিকালে আগামী ২৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে মাধবদী থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির প্রস্তুতি সভায় মাধবদী পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন মানিককে দাওয়াত না দেওয়া নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন মাধবদী পৌরসভার সাবেক কমিশনার ও সদর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. জাকারিয়া (৩৯) ও নুরালাপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য সচিব আবুল কালাম (৩০)।

পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন মানিক নিজে গুলি ছোড়ে বলে দাবি আহতদের।
 
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ২৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে গত বুধবার (১৬ জুন)  বিকেলে মাধবদী থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। শহরের রমনী কমিউনিটি সেন্টারের ওই সভায় নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মিটিং চলাকালে ব্যানারে পৌর মেয়রের নাম না থাকায় ও দাওয়াত না দেয়ায় মোশাররফ হোসেন মানিক ও তার সহযোগীরা সেখানে গিয়ে মিটিং না করতে নিষেধ ও গালিগালাজ করে চলে যান। ওই মিটিং শেষে রাত ৮ টার দিকে মাধবদী পৌরসভার সাবেক কমিশনার জাকারিয়াসহ ১০-১৫ জন নেতাকর্মী পৌরসভার মোড় হয়ে ফিরছিলেন। এসময় মেয়র মোশাররফ হোসেন মানিকের নেতৃত্বে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে দুইজন গুলিবিদ্ধসহ ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের নরসিংদীর স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর অবস্থায় গুলিবিদ্ধ দুজনকে ঢামেকে নিয়ে যাওয়া হয় রাতেই।

আরও পড়ুন:


ইসরাইলি ড্রোন মাটিতে নামাল ফিলিস্তিনিরা

প্রাণঘাতী করোনায় ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যু

ময়মনসিংহে ছাত্রদলের সভা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া


মামলার বাদী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ভাইকে হত্যা করার জন্য মাধবদী পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন মানিক নিজেই গুলি করেছে। এজন্য তাকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম দিয়েছি মামলায়। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ৪০ জনের নাম রয়েছে।

মাধবদী থানার ওসি সৈয়দুজ্জামান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষ ও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় গুলিবিদ্ধ সাবেক কমিশনারের ভাই মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মাধবদী পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন মানিককে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন। অপর পক্ষও একটি মামলা করেছে। তবে এই মামলায় মাধবদী পৌর মেয়রকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। সুষ্ঠ তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন নিপুণ রায় চৌধুরী

নিপুণ রায় চৌধুরী

হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন নিপুণ রায় চৌধুরী

হাইকোর্ট থেকে জামিন মুক্তি পেলেন নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী। আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গ্রেপ্তারের আড়াই মাস পর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি জামিনে মুক্তি লাভ করেন। 

এর আগে দুই মামলায় গত বুধবার বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী নিতাই রায় চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হারুন অর রশিদ। নিপুণ রায়ের জামিন আদেশের কথা গণমাধ্যমকে জানান তার বাবা নিতাই রায় চৌধুরী।  

গত ২৮ মার্চ হেফাজতের হরতালের দিন রাজধানীর রায়েরবাজারের বাসভবন থেকে নিপুণ রায়কে আটক করে সাদা পোশাকের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর তার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুই মামলায় কয়েক দফা রিমান্ডে নেয় পুলিশ। 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ ও দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে নিপুণ রায় চৌধুরী। 

আরও পড়ুন:


শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

সিলেটের নতুন কারাগারে প্রথম ফাঁসি কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক

সিলেটের নতুন কারাগারে প্রথম ফাঁসি কার্যকর

সিলেটের নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথমবারের মতো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সিরাজুল ইসলাম সিরাজের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১১টায় ফাঁসি কার্যকর হয়। তিনি স্ত্রী হত্যার দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

সিরাজ হবিগঞ্জ জেলার রাজনগর কবরস্থান এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তওবা পড়ানো হয়। এরপর সব প্রস্তুতি শেষে তাকে ফাঁসির মঞ্চে তোলা হয়।

সিরাজের শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে হবিগঞ্জ থেকে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য দেখা করেন।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মঞ্জুর আলম জানান, স্ত্রীকে হত্যার দায়ে হবিগঞ্জের সিরাজের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে বৃহস্পতিবার রাত ১১টায়। প্রাণভিক্ষা চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করলে তার আবেদন মঞ্জুর হয়নি। স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আদালত তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

কারাগার সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ হবিগঞ্জে স্ত্রী সাহিদা আক্তারকে শাবল ও ছুরি দিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় ২০০৪ সালের ৭ মার্চ হবিগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক সিরাজের মৃত্যুদণ্ডাদেশের আদেশ দেন। সেই সঙ্গে রায়ে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। 

এই রায়ের বিরুদ্ধে সিরাজ হাইকোর্টে আপিল করলেও ২০১২ সালের ১ আগস্ট প্রদত্ত রায়ে তার জেল আপিল নিষ্পত্তি করে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল পূর্বের রায় বহাল রাখেন।


আরও পড়ুনঃ

শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


এই রায়ের বিরুদ্ধে সিরাজ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে জেল পিটিশন দাখিল করেন। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ২০২০ সালের ১৪ অক্টোবর রায়ে সিরাজের আপিল বাতিল করে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন।

এরপর সিরাজ প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন করলে এ বছরের ২৫ মে রাষ্ট্রপতি সিরাজের প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর