পঞ্চগড়ে সুপারির কদর দিন দিন বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাঙালির সুপ্রাচীন কালের ঐতিহ্য পান-সুপারি। অভ্যাসগত কারণে কিংবা ভোজন শেষে অথবা অতিথি আপ্যায়নে পান সুপারি যেন থাকতেই হবে। দেশের অনেক জায়গাতেই উৎপাদন হয় সুপারি।

তবে দাম, ফলন এবং স্বাদে আলাদা হওয়ায় পঞ্চগড়ের সুপারির কদর দিন দিন বাড়ছে। জেলার কৃষকরা বাণিজ্যিক ভাবে সুপারি উৎপাদনে বাগান গড়ে তুলছেন। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে পঞ্চগড়ের সুপারি। 

উত্তরের প্রান্তিক জেলা পঞ্চগড়ে অনেক আগে থেকেই সুপারি পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে বাণিজ্যিক ভাবে এর চাষ শুরু হয়েছে এই জেলায়। দিন দিন বাড়ছে সুপারির বাগান। কৃষকরা স্বল্প খরচে বাগান গড়ে তোলায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এর উৎপাদন। বাড়ির আঙ্গিনা বা আশে পাশেই এসব বাগান গড়ে উঠেছে।

নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এখন অন্য জেলাতেও সুপারি বিক্রি করছেন তারা। কেউবা জমির সীমানা ঠিক রাখতে লাগিয়েছেন এই গাছ। আর কেউ বা শখের বসে, সুপারির গাছ লাগিয়ে প্রতি বছর ভাল আয় করছেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন কিছুটা কম হলেও চলতি বছরেই সর্বোচ্চ দামে সুপারি বিক্রি করছে এই জেলার কৃষকরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি হচ্ছে সুপারি। আর এর উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

 এবার লেবাননকে হুমকি দিলো ইসরাইল

ভারতে তরুণীকে বিবস্ত্র করে যৌন নির্যাতন, ঢাকার ‘টিকটক হৃদয় বাবু’ আটক

জুমার দিনে ‘সূরা কাহাফ’ তেলাওয়াতের ফজিলত

 গাজায় ইসরায়েলের অপরাধের তদন্ত করবে জাতিসংঘ

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, সুপারি চাষে আগ্রহী করতে চাষিদেরকে সকল প্রকার সেবা প্রদান করছেন তারা।

একটি সুপারি গাছে ৪’শ থেকে ৫’শ সুপারি ধরে। ৮০ টি সুপারিকে এক পন ধরা হয়।  চলতি বছরে প্রতি পন সুপারি বিক্রি হচ্ছে ৩শ থেকে ৫শ টাকা পর্যন্ত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে রয়েছে ৫৭ কোটি ৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) ২০২০ সাল শেষের এই হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশের নামে সে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় মোট যে দায় রয়েছে, তার মধ্যে ৫৩ কোটি ফ্রাঁ এ দেশের ব্যাংকগুলোর কাছে। অন্যদিকে গ্রাহক আমানত রয়েছে তিন কোটি ২২ লাখ ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০০ কোটি টাকার সামান্য বেশি।

২০১৯ সালে ছিল প্রায় পাঁচ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। ফলে আগের বছরের চেয়ে বাংলাদেশের নামে থাকা অর্থ কিছুটা কমেছে। তবে বাংলাদেশি গ্রাহকের নামে থাকা আমানত অনেক বেড়েছে।


আরও পড়ুনঃ

শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান যদি নিজের বদলে অন্য দেশের নামে অর্থ গচ্ছিত রেখে থাকে, তাহলে তা এই হিসাবের মধ্যে আসেনি।

একইভাবে সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা মূল্যবান শিল্পকর্ম, স্বর্ণ বা দুর্লভসামগ্রীর আর্থিক মূল্যমান হিসাব করে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অনেক দেশের নাগরিকই মূল্যবান সামগ্রী সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকের ভল্টে রেখে থাকেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দর কাস্টমস ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার সুফল মিলেছে রাজস্ব আদায়ে

নয়ন বড়ুয়া জয়

বছর জুড়ে করোনার ভয়াবহতার মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায় গেল অর্থ বছরের চেয়ে অনেক বেশি। কয়েক মাসে রাজস্ব আদায় বেড়ে যাওয়ায় এবারের লক্ষ্য মাত্রার কাছাকাছি পৌঁছেছে কাস্টমস। 

চব্বিশ ঘন্টা কাস্টমসের কার্যক্রম চালু থাকায় রাজস্ব আদায়ে স্বরণকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড বললেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। তবে বন্দর সচিব বলছেন,আমদানি ও রপ্তানি কারকরা আরো এগিয়ে আসলে রাজস্ব বাড়বে আরো কয়েকগুণ। তবে অসৎ ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় নেই বললেন কাস্টমস কমিশনার । 

চলতি মাসেই শেষ হচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমসের ২০২০ -২১ অর্থ বছরের রাজস্ব আদায়ের সময়সীমা। এবারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৪ হাজার ৩০৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। যা এই পর্যন্ত আদায় হয়েছে ৫০ হাজার ২শ কোটির বেশি।  যা গেল অর্থ বছরের চেয়ে অনেক বেশি বললেন কাস্টমসের এই কর্মকর্তা।

চট্টগ্রাম বন্দর কাস্টমস ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার সুফল মিলেছে রাজস্ব আদায়ে বললেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।

বন্দর সচিব বলছেন, আমদানি রপ্তানি কারকরা পণ্য খালাস কিংবা পণ্য রপ্তানিতে মনোযোগি হলে আরো বাড়বে রাজস্ব।

এদিকে কাস্টমস কমিশনার বলছেন ,আইন এবং বিধির বাইরে পণ্য খালাস করতে আসলে ছাড় দেয়া হবেনা আমদানি কারকদের।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বে টার্মিনাল চালু হলে কাস্টমসের রাজস্ব আরো বাড়বে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

আরও পড়ুন


পরীমনি কেনো এতো রাতে বোট ক্লাবে যাবে: সোহান (ভিডিও)

ক্লাবে ঢুকে মদ না পেয়ে তারা ভাঙ্গচুড় চালায় : ক্লাব কর্তৃপক্ষ (ভিডিও)

অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করলেন পরীমনি (ভিডিও)

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক বাজারে না কমলে দেশের বাজারে তেলের দাম কমবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক বাজারে না কমলে দেশের বাজারে তেলের দাম কমবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম না কমলে অভ্যন্তরীণ বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সকালে রংপুর নগরীতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রতি সপ্তাহে গ্লোবাল মার্কেট ও বিশ্ববাজার মনিটরিং করা হয় তেলের বাজারটার কী অবস্থা হয়। সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছে দাম তেলের। বিশ্ববাজারে দাম না কমলে ভোজ্যতেলের দাম কমানো কঠিন হবে। গ্লোবাল মার্কেটে কমলে দাম কমবে। তবে করোনাকালে জাহাজের ভাড়াও বেড়ে গেছে। যার ফলে যারা নিয়ে আসছে সেখানেও একটা প্রভাব পড়ছে।

জানা গেছে, গত ২৯ মে শনিবার থেকে বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৫৩ টাকায় বিক্রি শুরু হয়। দাম বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়শেন জানিয়েছে, তেলের নতুন দাম শনিবার (২৯ মে) থেকে কার্যকর।

গত মে মাসের মাঝামাঝিতে তেলের দাম বাড়িয়ে ১৪৪ টাকা লিটার নির্ধারণ হয়। এ নিয়ে গত পাঁচ মাসে মোট পাঁচ দফায় ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হয়।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


৩০ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩৮ টাকা (৩৩ শতাংশ) বেড়েছে। ওই সময় প্রতি লিটার তেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হতো।

নতুন মূল্যতালিকা অনুসারে, আগের দাম ৬৮৫ টাকা থেকে ৪৩ টাকা বেড়ে পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম এখন ৭২৮ টাকা। এ ছাড়া প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১২৯ টাকায়। আগে এ তেলের দাম ছিল ১২২ টাকা লিটার।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের টোল আদায় জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে না (ভিডিও)

প্লাবন রহমান

প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মান শেষ না হওয়ায় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টোল আদায় পিছিয়ে যাচ্ছে। ফলে সিদ্ধান্ত থাকলেও আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে না এ মহাসড়কে টোল আদায়। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বলছে- সব প্রস্তুতি শেষে আসছে ডিসেম্বর থেকে টোল আদায় শুরু হবে। 

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা, দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। ৫৫ কিলোমিটার এই মহাসড়কে কোন রকম সিগনালের বাধায় পড়তে হয় না যানবাহনকে। যে কারনে ৭০-৮০ কিলোমিটার গতি যেন স্বাভাবিক এই পথে। তাই-আগের দুর্বিসহ সব দুর্ভোগ ভুলে অনেকটা স্বস্তি এখন এই পথের যাত্রীদের।

নয়নাভিরাম টেকসই এই পথে চলাচলে মনে হতে পারে দেশে নয়, বিদেশের কোন অত্যাধুনিক মহাসড়কে চলছেন। যেখানে মূল সড়কের দু,পাশে ছোট যানবাহনের জন্য রয়েছে দুই-দুই চার লেনের সার্ভিস লেন। যার মাধ্যমে ঝুঁকি কমেছে দূর্ঘটনার।

তবে- এই পথে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে এবার গুনতে হবে টোল। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী-আগামী ১লা জুলাই থেকে এই এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টোল আদায় শুরু করার কথা। কিন্তু নদীর ওপারে মাওয়া ভাঙা অংশে টোল প্লাজার কাজ শেষ না হ্ওয়ায় আপাতত পেছাচ্ছে টোল আদায়।

অবকাঠামো নির্মান শেষ না হলেও-এরই মধ্যে যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল নির্ধারন করেছে মহাসড়ক বিভাগ। পুরো এক্সপ্রেসওয়েতে যাতায়াতের জন্য ভারী ট্রাক থেকে ১১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক থেকে ৫৫০ টাকা, বড় বাস থেকে ৪৯৫ টাকা, ছোট ট্রাক থেকে আদায় করা হবে ৪১২ টাকা করে। 

এছাড়া- এক্সপ্রেসওয়েতে চলতে মিনিবাসকে ১৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপকে ২২০ টাকা , সেডান কারকে ১৩৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং মোটরসাইকেলকে গুনতে হবে ২৭ টাকা ৫০ পিয়সা।

গত বছরের মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে। যে মহাসড়কে এখন কোন টোল দিতে হচ্ছে না। তবে-এক্সপ্রেসওয়ের মধ্যে থাকা ধলেশ্বরী সেতু-১, ধলেশ্বরী সেতু ২ ও আড়িয়াল খা সেতু থেকে টোল আদায় করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

আরও পড়ুন


পরীমনি কেনো এতো রাতে বোট ক্লাবে যাবে: সোহান (ভিডিও)

ক্লাবে ঢুকে মদ না পেয়ে তারা ভাঙ্গচুড় চালায় : ক্লাব কর্তৃপক্ষ (ভিডিও)

অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করলেন পরীমনি (ভিডিও)

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

স্বপ্ন দেখাচ্ছে বারোমাসি সজনে

জামান আখতার, চুয়াডাঙ্গা

বারোমাসি সজনের আবাদ করে সফলতা পেয়েছেন চুয়াডাঙ্গার এক যুবক। এই সবজি চাষে বাড়তি কোনো খরচ না থাকায় লাভের পরিমান বেশি হচ্ছে ওই কৃষকের। 

ভারত থেকে আনা বীজ দিয়েই সফল হয়েছেন তিনি। তাকে দেখে অনেকে আগ্রহী হচ্ছেন সজনে চাষে। 

উচ্চ খাদ্যগুণ সম্পন্ন সবজি সজনের দেশি জাত থেকে বছরে মাত্র একবার ফলন পাওয়া যায়। এজন্য সজনের বাণিজ্যিক চাষের কথা খুব একটা শোনা যায়নি। তবে এখন বারোমাসি সজনে বাণিজ্যিক চাষাবাদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা সদরের ভান্ডারদহ গ্রামের তোতা মিয়া সজনের বাণিজ্যিক চাষ নিয়ে কাজ করছেন। অনলাইনে বারোমাসি সজনের কথা জেনে বছর খানেক আগে ভারত থেকে বীজ আনান তিনি। পরে এক বিঘা জমিতে তা রোপন করে এখন বেশ ভালো ফল পাচ্ছেন।

তোতা মিয়ার মতো এলাকার বেশ কয়েকজন যুবক সজনের বাগান করতে চান। মূলত, বেশি চাহিদা ও লাভের পরিমান ভালো হওয়ায় আগ্রহী তারা।

আরও পড়ুন:


চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

এখনও খোঁজ মেলেনি আবু ত্ব-হা আদনানের, যা বলছে পুলিশ

রোনালদোকাণ্ডের পর এবার টেবিল থেকে বিয়ারের বোতল সরালেন পগবা


এই কৃষিপণ্যের চাষ ছড়িয়ে দিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা। সবজি হিসেবে সজনের ব্যবহার বেশি হলেও, গাছের বাকল, পাতা, ফুল এবং বীজেরও রয়েছে ঔষধিগুণ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর