স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিককে মারধর করায় স্বামীকে ৬ টুকরো

অনলাইন ডেস্ক

স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিককে মারধর করায় স্বামীকে ৬ টুকরো

হত্যার ৪১ দিন পর গাজীপুরের চাঞ্চল্যকর সুমন মোল্লা খুনের রহস্য উন্মোচন হলো। পরকীয়ার কারণে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে মারধর করার প্রতিশোধ নিতে ঘুমন্ত সুমন মোল্লাকে (২৮) শ্বাসরোধে হত্যার পর ৬ টুকরো করা হয় বলে তদন্তে উঠে এলো।

পরে লাশের টুকরোগুলোসহ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত করাত ও চাপাতি বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নিহতের স্ত্রী ও তার প্রেমিক পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রোববার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উপ-কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) জাকির হাসান প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানার নারায়নপুর এলাকার মৃত আশরাফ আলীর মেয়ে মোসা. আরিফা বেগম (২৪) ও ফরিদপুরের মধুখালী থানার নরকোনা এলাকার আদিত্য সরকারের ছেলে তনয় সরকার (৩১)।

জিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির হাসান জানান, গত ২১ এপ্রিল কাশিমপুর থানাধীন সারদারগঞ্জের হাজী মার্কেট পুকুর পাড় এলাকার জালাল উদ্দিনের বাড়ির পাশের খোলা সেফটিক ট্যাঙ্ক থেকে মাথা ও হাত-পা বিহীন অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে এসআই মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে কাশিমপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্তের পর ক্লুলেস এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফা বেগম ও তার প্রেমিক তনয় সরকারকে শনিবার ভোরে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে জিএমপি পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা খুন করার কথা স্বীকার করে উদ্ধার লাশটি আরিফার স্বামী সুমন মোল্লার (২৮) বলে জানায়।

তিনি আরও জানান, সুমন মোল্লা বাগেরহাটের চিতলমারী থানার গোলা বরননী বাজার এলাকার জাফর মোল্লার ছেলে। সুমনের স্ত্রী আরিফার সঙ্গে সহকর্মী তনয় সরকারের পরকীয়ার কারণে মারধর করার প্রতিশোধ নিতে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। 

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাতে সারদাগঞ্জের হাজীবাড়ি পুকুরপাড় ময়লার স্তুপ হতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি ও করাত এবং সকালে তেতুইবাড়ি এলাকার মোজা তৈরির কারখানার পাশে থাকা ময়লার ভাগাড় থেকে পলিথিনে মোড়ানো সুমনের লাশের মাথা, দুই হাত ও দুই পা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তনয়ের ঘর থেকে নিহত সুমনের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার দুজনকে রবিবার আদালতে প্রেরণ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার প্রায় ৪১ দিন পর চাঞ্চল্যকর এ খুনের রহস্য উন্মোচন হলো।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা গ্রেফতার ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, প্রায় দেড় বছর আগে ভালোবেসে আরিফাকে বিয়ে করেন সুমন মোল্লা (২৮)। এটি সুমন মোল্লার তৃতীয় এবং আরিফার দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের পর তারা কাশিমপুর থানাধীন সারদাগঞ্জ হাজী মার্কেট এলাকার মাওলানা শফিউল্লাহর বাড়িতে ভাড়া থাকেন। আরিফা গত চার বছর ধরে স্থানীয় একটি টেক্সটাইল মিলে চাকরি করেন। একই কারখানায় চাকরি করেন প্রতিবেশী হাজী মতিউর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া তনয় সরকার। পরিচয়ের সূত্র ধরে দুই সহকর্মী আরিফা ও তনয়ের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ ঘটনা জানতে পেরে সুমন তার স্ত্রী আরিফা ও তনয় সরকারকে কয়েকবার মারধর করেন। এর প্রতিশোধ নিতেই তারা সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

জিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির হাসান আরও জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাওয়া-দাওয়া শেষে স্বামী সুমনকে দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দেয় তার স্ত্রী আরিফা। সুমন ঘুমিয়ে পড়লে আরিফা ফোন করে প্রেমিক তনয়কে ডেকে মধ্যরাতে বাসায় আনে। পরে বালিশ চাপা দিয়ে সুমনকে হত্যার পর তার লাশ গুম করার অপেক্ষায় ঘরের ভেতর রেখে দেয়। পরদিন বাজার থেকে করাত কিনে আনে তনয়। রাতে আরিফা ও তনয় করাত দিয়ে সুমনের লাশের মাথা, দুই হাত ও দুই পা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে মোট ৬ টুকরো করে।

এসময় চাপাতি দিয়ে লাশের পেট কেটে দেয় তারা। পরে ২০ এপ্রিল রাতে হাত-পা বিহীন দেহটি কাঁথায় মুড়িয়ে পার্শ্ববর্তী জামাল উদ্দিনের বাড়ির পাশে উন্মুক্ত সেপটিক ট্যাঙ্কে এবং ২১ এপ্রিল রাতে দেহের অবশিষ্ট পাঁচটি খণ্ড (মাথা, দুই হাত ও দুই পা) পলিথিনে মুড়িয়ে স্থানীয় চক্রবর্তী তেতুইবাড়ি এলাকার মোজা তৈরির কারখানার পাশে থাকা ময়লার ভাগাড়ে ফেলে রাখেন। পরে তারা ঘর ধুয়ে রক্ত পরিষ্কার করেন।

এ ঘটনার কয়েকদিন পর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি ও করাত সারদাগঞ্জের হাজীবাড়ি পুকুরপাড় ময়লার স্তুপে ফেলে আরিফা ওই বাসা ছেড়ে তার বোনের বাসায় আত্মগোপন করেন বলেও জানান তিনি।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ঘুম থেকে উঠে দেখি হেলেনাকে আটক করা হয়েছে: সেফুদা

অনলাইন ডেস্ক

ঘুম থেকে উঠে দেখি হেলেনাকে আটক করা হয়েছে: সেফুদা

হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন স্মার্ট নারী, তিনি দুঃসাহসের সঙ্গে কথা বলতেন। অবিলম্বে এবং সম্মানের সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দিতে হবে।’ এমন দাবি করেছেন অস্ট্রিয়া প্রবাসী আলোচিত সেফাত উল্লাহ সেফুদা।

সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযানের বিষয়ে একটি ভিডিওতে এমন দাবি করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আমার সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরের দেখা হয়নি। তবে টেলিফোনে কথা হতো। হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন স্মার্ট নারী, তিনি দুঃসাহসের সঙ্গে কথা বলতেন। অবিলম্বে এবং সম্মানের সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দিতে হবে।’

সেফুদা আরও বলেছেন, ‘রাতে হেলেনার বাসায় র‌্যাব ঘেরাও করে তল্লাশি চালায়। ঘুম থেকে উঠে দেখি হেলেনাকে অ্যারেস্ট (আটক) করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার নাতি হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অসম্মানজনকভাবে, একজন সিআইপিকে অ্যারেস্ট করা হলো। আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে।’

‘হেলেনা জাহাঙ্গীরের মেয়ে আমার ভাগ্নি জেসির একটি সাক্ষাৎকার দেখলাম একটি টেলিভিশনে। হেলানাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তিলকে তাল করে র্যাদেরকে দিয়ে তছনছ করা হয়েছে। ভাবটা এমন যে, চোর ধরা পড়েছে। এখানে মধ্যরাত (অস্ট্রিয়া), ঘুম থেকে দুই ঘণ্টা আগে উঠে অনেক তথ্য নিয়েছি। হেলেনা জাহাঙ্গীরকে মিসগাইড করা হয়েছে। তাকে ছেড়ে দিন।’

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত ১২টার দিকে গুলশানের ৩৬ নম্বর রোডের ৫ নম্বর বাসায় দীর্ঘ প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান শেষে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটক করে র‌্যাব।

আরও পড়ুন:


বিট লবনের যত উপকার

ধানখেতে ৮ ফুট অজগর

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুরকারীদের গ্রেপ্তার দাবি হানিফের


 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

হেলেনা ৩ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

হেলেনা ৩ দিনের রিমান্ডে

আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য পদ হারানো এফবিসিসিআইর পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে গুলশান থানায়  দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। গুলশান থানার ডি‌জিটাল নিরাপত্তা আই‌নে হে‌লেনা জাহাঙ্গী‌রকে ‌তিন‌দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ক‌রে‌ছে আদালত।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে হেলেনাকে আদালতে হাজির করেন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু রিমান্ডের জোর দাবি জানান। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে হেলেনাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিকেলে ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ১৩ টি ক্লাবের সখ্যতা রয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করতেন।

'হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন উচ্চাভিলাষী মহিলা। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতো।'

'সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদেশে বসে সেফাতুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি যে অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করতো সেই ব্যক্তির সঙ্গে অবৈধ লেনদেনসহ নিয়মিত যোগাযোগ রাখত হেলেনা জাহাঙ্গীর।'

খন্দকার আল মঈন বলেন, 'যেসব অবৈধ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে সবকিছু হেলেনা জাহাঙ্গীরের নিজ কক্ষে ছিল।

হেলেনা জাহাঙ্গীর এসব বিষয় স্বীকার করেছেন বলে জানান খন্দকার আল মঈন। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্ত করা হয়।

এর আগে ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদক, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অব্যাহতি দিয়ে গত রোববার আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতি বহির্ভূত হওয়ায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হেলেনাকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

হেলেনাকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য পদ হারানো এফবিসিসিআইর পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীরের  বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকেলে গুলশান থানায় এ দুই মামলা দায়ের করা হয়। 

এদিকে গুলশান থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে বলে আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালতে আজ রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে হেলেনাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিকেলে ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ১৩ টি ক্লাবের সখ্যতা রয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করতেন।

'হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন উচ্চাভিলাষী মহিলা। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতো।'

'সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদেশে বসে সেফাতুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি যে অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করতো সেই ব্যক্তির সঙ্গে অবৈধ লেনদেনসহ নিয়মিত যোগাযোগ রাখত হেলেনা জাহাঙ্গীর।'

খন্দকার আল মঈন বলেন, 'যেসব অবৈধ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে সবকিছু হেলেনা জাহাঙ্গীরের নিজ কক্ষে ছিল।

হেলেনা জাহাঙ্গীর এসব বিষয় স্বীকার করেছেন বলে জানান খন্দকার আল মঈন। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্ত করা হয়।

এর আগে ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদক, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অব্যাহতি দিয়ে গত রোববার আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতি বহির্ভূত হওয়ায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পল্লবী থেকে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

পল্লবী থেকে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার

পল্লবীর সেকশন-১২ এলাকা থেকে অস্ত্রসহ দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পল্লবী থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলো- মো. শাকিল ও মো. সুজন।

পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন:


করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

নরসিংদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন স্প্রে

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণফোনকে হু্মায়ূন পরিবারের আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক


গ্রামীণফোনকে হু্মায়ূন পরিবারের আইনি নোটিশ

প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি জনপ্রিয় চারটি চরিত্র অনুমতি ছাড়াই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করায় মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনের কাছে ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে রোববার (২৫ জুলাই) ওই নোটিশ পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার হামিদুল মিজবাহ। 

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হামিদুল মিজবাহ জানান, প্রয়াত  হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের ৬ সদস্যের পক্ষে এ নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

তারা হলেন, হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, কন্যা নোভা আহমেদ, শীলা আহমেদ ও বিপাশা আহমেদ, পুত্র নুহাশ হুমায়ূন এবং ভাই জাফর ইকবাল।

আরও পড়ুন:


এবার তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বহিষ্কার করলেন প্রেসিডেন্ট

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


তিনি বলেন, গ্রামীণফোন নিবেদিত ‘কেমন আছেন তারা’ শীর্ষক কয়েক পর্বে একটি ধারাবাহিক প্রমোশনাল অনুষ্ঠান গ্রামীণফোনের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রচারিত হয়। 

হুমায়ূন আহমেদ রচিত বাকের ভাই, এলাচি বেগম, সোবহান সাহেব ও তৈয়ব আলী-জনপ্রিয় এই চার চরিত্র কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে গ্রামীণফোন। এতে মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। 

নোটিশে ওই পর্বগুলো তিন দিনের মধ্যে অপসারণ করতে এবং মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘন করায় ১৫ দিনের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সদস্যদের প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর