যে পাঁচ রাতের ইবাদতে মিলবে জান্নাত

অনলাইন ডেস্ক

যে পাঁচ রাতের ইবাদতে মিলবে জান্নাত

মহান আল্লাহ আমাদেরকে শুধুমাত্র তার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছেন। আর তাই আমরা তার করুনা, অনুগ্রহ ও ক্ষমা পাবার আশায় সর্বদা ইবাদতে মগ্ন থাকার চেষ্টা করবো। আজ আমরা আলোচনা করবো এমন পাঁচটি রাত নিয়ে যে রাতে ইবাদত করলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। 

হযরত মু’আজ ইবনে জাবাল [রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেছেন, “যে ব্যক্তি পাঁচ রাত জেগে ইবাদত করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব। পাঁচটি রাত হলো—

১. জিলহ্বজ মাসের আট তারিখের রাত।
২. জিলহ্বজের ৯ তারিখের রাত।
৩. ঈদুল আযহার রাত।
৪. ঈদুল ফিতরের রাত।
৫. ১৫ই শাবানের রাত।

আরও পড়ুন:

 সাতসকালে আকাশভাঙা বৃষ্টিতে ভিজলো রাজধানী

 ঘরে ফেরার ছাড়পত্র পেলেন অজি ক্রিকেটাররা

 মীরাক্কেলে দ্বিতীয় রানার আপ বাংলাদেশি তৌফিক

শায়খুল হাদিস জাকারিয়া (রা.) বলেন, অন্তর সজীব থাকার অর্থ হলো, তাদের হৃদয় পাপে আচ্ছাদিত হবে না। এমনকি কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্ব মুহূর্তেও সিঙ্গায় ফুঁক দেওয়ার দিন তারা সজ্ঞান থাকবে (ফাযায়েলে রমজান)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঈমানদার ও নেক আমলকারীদের জন্য নিয়ামাতের সুসংবাদ

অনলাইন ডেস্ক

ঈমানদার ও নেক আমলকারীদের জন্য নিয়ামাতের সুসংবাদ

মহাগ্রন্থ আল কুরআনে বিশ্বে এমন কিছু সৃষ্টি হয়নি যে সেটা নেই। সকল সমস্যার সমাধান এই মহাগ্রন্থ আল কুরআন। পবিত্র ‍কুরআনুল কারিমে মুমনদের জন্য চিরকালীন সুখের ব্যবস্থা আর কাফিরদের জন্য জাহান্নামের ভয়াবহ আগুনের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। আলোচ্য আয়াত ঈমানদারদের জন্য সুসংবাদ দিয়ে আল্লাহ বলেন-

وَبَشِّرِ الَّذِين آمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الأَنْهَارُ كُلَّمَا رُزِقُواْ مِنْهَا مِن ثَمَرَةٍ رِّزْقاً قَالُواْ هَـذَا الَّذِي رُزِقْنَا مِن قَبْلُ وَأُتُواْ بِهِ مُتَشَابِهاً وَلَهُمْ فِيهَا أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَهُمْ فِيهَا خَالِدُونَ

আর (হে রাসুল!) যারা ঈমান এনেছে এবং সৎ কাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোনো ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সূরা বাক্বারা: আয়াত ২৫)

অত্র আয়াতে দুই শ্রেণীর লোকের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। ১. ঈমানদার এবং ২. সৎকাজ সম্পাদনকারী ব্যক্তি। নেক আমল এবং ঈমান একটা আরেকটার অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঈমান ব্যতিত নেক আমল তথা দুনিয়ার কোন ভালো কাজই গ্রহণযোগ্য হবে না। সুতরাং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে ঈমানের সহিত সুন্নাত তরিকায় নেক আমল করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। অন্যথায় প্রত্যাখাত হবে।

আরও পড়ুন


সূরা ইয়াসিন: আয়াত ১৩-১৯, শিক্ষাণীয় দিক

কুমিল্লায় নকল বিটুমিন-মবিল-ডিজেল তৈরির কারখানার সন্ধান

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি

বোট ক্লাবের আগের রাতে গুলশানে আরেক পরীকাণ্ড


ঈমানদার ও নেক আমলকারীর জন্য সুসংবাদ হচ্ছে-

১. তাঁরা বেহেশতে থাকবে, যার তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত;
২. সেখানে তারা ফলমূলপ্রাপ্ত হবে। এ ফল দেখতে এবং আকার দুনিয়ার ফলের মতোই হবে। কিন্ত স্বাদের বেলায় দুনিয়ার ফলের কোনো তুলনাই হবে না। হাদিসে এসেছে, ‘এমন নিয়ামত- যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি, কোনো মানুষের অন্তরে তার সঠিক ধারণা উদয় হয়নি। (বুখারি)
৩. তাঁদের জন্য থাকবে রক্তস্রাবমুক্ত, নিফাসমুক্ত এবং ঘৃণিত ও অপবিত্র জিনিস হতে মুক্ত পবিত্র রমণীগণ।
৪. তাঁরা চিরকাল জান্নাতের বসবাস করবে- হাদিসে এসেছে- ‘জান্নাতিরা জান্নাতে আর জাহান্নামিরা জাহান্নামে চলে যাওয়ার পর একজন ফেরেশতা ঘোষণা দেবেন, ‘হে জাহান্নামবাসীগণ! আর মৃত্যু নেই। আর হে জান্নাতবাসীগণ! আর মৃত্যু নেই। যে দল যে অবস্থায় আছে, সব সময় ঐ অবস্থায়ই থাকবে। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং আল্লাহ তাআলা সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে ঈমানের সঙ্গে সঙ্গে নেক আমল করে জান্নাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সূরা ইয়াসিন: আয়াত ১৩-১৯, শিক্ষাণীয় দিক

অনলাইন ডেস্ক

সূরা ইয়াসিন: আয়াত ১৩-১৯, শিক্ষাণীয় দিক

সূরা ইয়াসিন পবিত্র কুরআনের মর্যাদাপূর্ণ একটি সূরা। এটি মক্কায় অবতীর্ণ। এই সূরার প্রথমে বর্ণিত দুই মুকাত্তায়াত হরফের নামে এটির নামকরণ করা হয়েছে। এই সূরায় রয়েছে ৮৩টি আয়াত। সূরা ইয়াসিনে বিশ্বাসগত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। আজ এই সূরার ১৩ থেকে ১৯ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হবে। এই সূরার ১৩ ও ১৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে:

وَاضْرِبْ لَهُمْ مَثَلًا أَصْحَابَ الْقَرْيَةِ إِذْ جَاءَهَا الْمُرْسَلُونَ (13) إِذْ أَرْسَلْنَا إِلَيْهِمُ اثْنَيْنِ فَكَذَّبُوهُمَا فَعَزَّزْنَا بِثَالِثٍ فَقَالُوا إِنَّا إِلَيْكُمْ مُرْسَلُونَ (14)

“আপনি তাদের কাছে সে জনপদের অধিবাসীদের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করুন, যখন সেখানে রাসূলগণ আগমন করেছিলেন।” (৩৬:১৩)

“আমি তাদের নিকট দুজন রাসূল প্রেরণ করেছিলাম, অতঃপর ওরা তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। তখন আমি তৃতীয়জনের মাধ্যমে (যিনিও ছিলেন নবী) তাদেরকে শক্তিশালী করলাম। তারা সবাই বলল, আমরা তোমাদের প্রতি (আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসূল হিসেবে) প্রেরিত হয়েছি।” (৩৬:১৪)

এই দুই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা নবীজীকে উদ্দেশ করে বলছেন, হে রাসূল! অতীত থেকে শিক্ষা নেয়ার জন্য মক্কার মুশরিকদের সামনে অতীতের একটি জাতির ঘটনা বর্ণনা করুন যে জাতির কাছে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেয়ার জন্য কয়েকজন নবীকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু ওই জাতির লোকজন গোঁড়ামি ও অহংকারের বশবর্তী হয়ে তাদের বিরোধিতা করে। তারা ভেবেছিল মহান আল্লাহ তাদেরকে এমনিতেই ছেড়ে দিয়েছেন এবং তারা মন যা চায় তাই করতে পারে।

কিন্তু নবী-রাসূলগণ এসেছেন মানুষকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে। তাঁরা সব সময় একথাই বলেছেন যে, তারা নিজে থেকে নয় বরং আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তাঁর দিকে আহ্বান জানানোর দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন। নবীরা বলেছেন, আমরা আল্লাহর বার্তা বহন করে এনেছি এবং এর বিনিময়ে তোমাদের কাছে কোনো কিছু কামনা করি না।

এই দুই আয়াতের শিক্ষণীয় কয়েকটি দিক হলো:

১. অতীত জাতিগুলোর জীবনযাপন পদ্ধতি ও তাদের সেই জীবনের পরিণতিতে বর্তমান ও ভবিষ্যত জাতিগুলোর জন্য শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে।

২. নবী-রাসূলগণ তাদের রিসালাতের দায়িত্ব পালনের জন্য মানুষের কাছে ছুটে যেতেন; মানুষ তাদের কাছে আসবে- এই আশায় বসে থাকতেন না।

এই সূরার ১৫ থেকে ১৭ নম্বর পর্যন্ত আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন:

قَالُوا مَا أَنْتُمْ إِلَّا بَشَرٌ مِثْلُنَا وَمَا أَنْزَلَ الرَّحْمَنُ مِنْ شَيْءٍ إِنْ أَنْتُمْ إِلَّا تَكْذِبُونَ (15) قَالُوا رَبُّنَا يَعْلَمُ إِنَّا إِلَيْكُمْ لَمُرْسَلُونَ (16) وَمَا عَلَيْنَا إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ (17)  

“মুশরিকরা বলল, তোমরা আমাদের মতই মানুষ ছাড়া আর কিছু নও, রহমান আল্লাহ (তোমাদের প্রতি) কিছুই নাযিল করেননি। তোমরা কেবল মিথ্যাই বলে যাচ্ছ।” (৩৬:১৫)

“(রাসূলগণ) বললেন, আমাদের পরওয়ারদেগার জানেন, আমরা অবশ্যই তোমাদের প্রতি (রাসূল হিসেবে) প্রেরিত হয়েছি।” (৩৬:১৬)

“পরিস্কারভাবে আল্লাহর বাণী পৌছে দেয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো দায়িত্ব নেই।” (৩৬:১৭)

নবী-রাসূলদের দাওয়াতের বাণী প্রত্যাখ্যান করার জন্য যুগে যুগে কাফিররা যে অজুহাত দেখিয়েছে তা হলো- তোমরা তো আমাদের মতোই মানুষ। আল্লাহর যদি আমাদেরকে হেদায়েত করার ইচ্ছা থাকত তাহলে আমাদের মতো মানুষ না পাঠিয়ে অবশ্যই ফেরেশতাদেরকে পাঠাতেন। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, তাদের কাছে ফেরেশতা পাঠালেও এই মানুষগুলিই বলত: খাওয়া, পরা এবং নারী-পুরুষের সম্পর্কের বিষয়ে যেসব দিক-নির্দেশনা তারা নিয়ে এসেছে এগুলো তো তারা নিজেরা পালন করে না। শুধু আমাদেরকেই করার নির্দেশ দেয়।

আল্লাহতায়ালা এ বিষয়টি জানেন বলেই মানুষের মধ্য থেকেই তাদেরকে হেদায়েতের জন্য নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন যাতে তারা কোনো অজুহাত দেখাতে না পারে। পাশাপাশি তিনি চেয়েছেন, নবী-রাসূলগণ আগে আল্লাহর নির্দেশ পালন করবেন যাতে মানুষ বুঝতে পারে আল্লাহর পক্ষ থেকে যেসব নির্দেশ দেয়া হয়েছে তা মানুষের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। মুশরিকরা যদি আল্লাহর অস্তিত্বকে স্বীকার করে তাহলে তাদেরকে একথাও মেনে নিতে হবে যে, প্রজ্ঞাবান ও দয়াময় আল্লাহ তাদেরকে হেদায়াত করার জন্য তাদেরই মতো একজন মানুষকে তাদের কাছে পাঠাবেন। অথচ মুশরিকরা আল্লাহকে রহমান বলে ডাকত এই আশায় যে, তিনি তাদের সঙ্গে কঠোর আচরণ করবেন না এবং তাদেরকে যা খুশি তাই করার অনুমতি দেবেন। কিন্তু তাদের এ আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে নবী-রাসূলরা মুশরিক ও কাফিরদের বলেন, যে আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাকে তোমরা বিশ্বাস করো তিনিই আমাদেরকে পাঠিয়েছেন তাঁর নির্দেশাবলী তোমাদের কাছে পৌঁছে দিতে। আমরা যদি মিথ্যা বলতাম তাহলে আল্লাহ অবশ্যই আমাদেরকে অপদস্থ করতেন এবং মিথ্যা নবী দাবি করার অনুমতি আমাদেরকে দিতেন না।

এই তিন আয়াতের শিক্ষণীয় দিকগুলো হলো:

১. অনেক মানুষ মনে করে আল্লাহর রহমতের অর্থ হলো তিনি এই রহমত নামের গুণে মানুষের কাছ থেকে হিসাব নেবেন না। অথচ পারিবারিক জীবনেও যে পিতামাতা সন্তানের প্রতি দয়ালু তারাও সন্তানকে যা খুশি তাই করার অনুমতি দেন না। বরং তাকে স্কুলে পাঠান, আদব কায়দা শেখান এবং কথামতো না চললে প্রয়োজনে শাস্তি দেন।

২. নবী-রাসূলগণ মানুষকে উদাসীনতার ঘুম থেকে জাগিয়ে আলোর পথ দেখান। তবে মানুষ হেদায়াতপ্রাপ্ত হবে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা নবীরা দিতে পারেন না। বেশিরভাগ মানুষ ঈমান না আনলেও নবীরাসূলগণ আমৃত্যু দ্বীনের দাওয়াত চালিয়ে যান।

আরও পড়ুন


কুমিল্লায় নকল বিটুমিন-মবিল-ডিজেল তৈরির কারখানার সন্ধান

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি

বোট ক্লাবের আগের রাতে গুলশানে আরেক পরীকাণ্ড

গুলশানের ক্লাবে রাতে ভাঙচুর : পরীমনি যা বলছে


সূরা ইয়াসিনের ১৮ ও ১৯ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন:

قَالُوا إِنَّا تَطَيَّرْنَا بِكُمْ لَئِنْ لَمْ تَنْتَهُوا لَنَرْجُمَنَّكُمْ وَلَيَمَسَّنَّكُمْ مِنَّا عَذَابٌ أَلِيمٌ (18) قَالُوا طَائِرُكُمْ مَعَكُمْ أَئِنْ ذُكِّرْتُمْ بَلْ أَنْتُمْ قَوْمٌ مُسْرِفُونَ (19)

“তারা (নবীদেরকে) বলল, আমরা তোমাদের (উপস্থিতিকে) অশুভ-অকল্যাণকর দেখছি। যদি তোমরা (আহ্বান জানানো থেকে) বিরত না হও, তবে অবশ্যই তোমাদেরকে প্রস্তর বর্ষণে হত্যা করব এবং আমাদের পক্ষ থেকে তোমাদের ওপর যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি স্পর্শ করবে।” (৩৬:১৮)   

“রাসূলগণ বলল, তোমাদের অকল্যাণ তোমাদের সাথেই! সদুপোদেশ দেয়া হয়েছে বলে কি (তোমরা আমাদেরকে অশুভ-অকল্যাণ মনে করছে?) বস্তুতঃ তোমরা সীমা লংঘনকারী সম্প্রদায় ছাড়া কিছু নও।” (৩৬:১৯)   

এই আয়াতে কাফিরদের যুক্তি খণ্ডন করে বলা হচ্ছে, তারা নবীদের বক্তব্য এবং তাদের মানবিক ও নৈতিক উপদেশ না শুনে উল্টো তাঁদের সঙ্গে অবজ্ঞা ও ধমকের সুরে কথা বলে। তারা নবীদেরকে হুমকি দিয়ে বলে, তোমাদের উপস্থিতি আমাদের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনবে। হয় তোমাদের বকবকানি বন্ধ করো অথবা আমাদের জনপদ ছেড়ে চলে যাও। তা না হলে তোমাদেরকে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হবে।

এই দুই আয়াতের শিক্ষণীয় দিকগুলো হলো:

১. দ্বীনের দাওয়াতের বিরোধীরা সব সময় অবজ্ঞা ও হুমকির ভাষায় কথা বলে।

২. মানুষ দৃশ্যত আরাম-আয়েশে থাকা সত্ত্বেও কুফর ও গোনাহের কাজ তার জন্য দুর্ভোগ বয়ে আনে।

৩. মানব জাতিকে আল্লাহ তায়ালা নানাভাবে সীমালঙ্ঘন করতে নিষেধ করেছেন।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

প্রস্রাব-পায়খানার বেগ নিয়ে কি নামাজ পড়া যাবে?

অনলাইন ডেস্ক

প্রস্রাব-পায়খানার বেগ নিয়ে কি নামাজ পড়া যাবে?

প্রস্রাব-পায়খানা ও বায়ু চাপ রেখে অনেকেই নামাজ আদায় করে থাকেন। এটি রাসুল (সা.) পছন্দ করেননি, এ জন্য ওলামায়ে কেরাম এটাকে মাকরুহ বলেছেন। প্রস্রাব-পায়খানা ও বায়ু চাপ রেখে নামাজের একাগ্রতা বিঘ্নিত হয়। আর তাই হাদিস ও ফেকাহের কিতাবে এটি করতে নিষেধ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আরকাম রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, যখন নামাজ দাঁড়িয়ে যায়- আর তোমাদের কারও প্রস্রাব-পায়খানার প্রয়োজন দেখা দেয়; সে যেন প্রথমে প্রয়োজন সেরে নেয়। -জামে তিরমিজি, হাদিস- ১৪২

হজরত সাওবান রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত এক হাদিসে এসেছে, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কোনো ব্যক্তির জন্য হালাল নয় কারও গৃহাভ্যন্তরে অনুমতি ব্যতীত দৃষ্টিপাত করা... এবং কেউ যেন প্রস্রাব-পায়খানার চাপ নিয়ে নামাজ না পড়ে। -জামে তিরমিজি, হাদিস- ৩৫৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদিস- ৯১

হজরত নাফে রহমাতুল্লাহি আলাইহিকে জিজ্ঞাসা করা হল যে, এক ব্যক্তি পেটে বায়ুর চাপ বোধ করে। তিনি বললেন, বায়ুর চাপ বোধ করা অবস্থায় সে যেন নামাজ না পড়ে। -মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদিস- ৮০২২

উপরোক্ত হাদিস ও বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে ইসলামি স্কলাররা বলেছেন, প্রস্রাব-পায়খানা এবং বায়ুর চাপ নিয়ে নামাজ আরম্ভ করা মাকরূহে তাহরিমি। আর স্বাভাবিক অবস্থায় নামাজ শুরু করার পর নামাজের মাঝে এমন চাপ সৃষ্টি হলে নামাজের পর্যাপ্ত ওয়াক্ত বাকি থাকা সত্ত্বেও এ অবস্থায় নামাজ চালিয়ে যাওয়া মাকরূহ। এ ধরনের ক্ষেত্রে নামাজ ছেড়ে দিয়ে প্রয়োজন শেষ করে পূর্ণ চাপমুক্ত হয়ে নামাজ আদায় করা কর্তব্য।

তবে হ্যাঁ, নামাজের ওয়াক্ত যদি এত কম থাকে, যাতে প্রয়োজন সারতে গেলে নামাজ কাজা হয়ে যাবে; তাহলে সম্ভব হলে এ অবস্থায়ই নামাজ পড়ে নিবে।

অবশ্য পর্যাপ্ত ওয়াক্ত থাকার পরও কোনো ইমাম বা একাকী নামাজ আদায়কারী যদি এ অবস্থায় নামাজ পড়ে নেয় তবে এমনটি করা মাকরূহ হলেও তাদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে। পুনরায় পড়া জরুরি নয়। তবে ভবিষ্যতে এরূপ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। -রদ্দুল মুহতার: ১/৩৪১, ৬৪৪

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মুমিনদের সম্পর্কের গুরুত্ব, ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ হক

অনলাইন ডেস্ক

মুমিনদের সম্পর্কের গুরুত্ব, ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ হক

‘আল-মুসলিমু মিল্লাতুন ওযাহেদা’ অর্থাৎ বিশ্ব মুসলিম এক জাতি এক দেহ।’ মুসলমান মুসলমানের আয়না স্বরূপ। কোনো মুমিন মুসলমানের মধ্যে কোনো দোষ বা অন্যায় দেখা দিলে অপর মুমিন মুসলমান তাকে সেটা দেখিয়ে দেবে, পরিশুদ্ধ করবে, এটা ঈমানি দায়িত্ব। যাতে সে দুনিয়া ও পরকালে সফলতা লাভ করতে পারে।

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে পাকে মুমিন মুসলমানের পারস্পরিক দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে অনেক নসিহত পেশ করেছেন।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


হজরত নোমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘(দুনিয়ার) সব মুমিন একটি ব্যক্তিসত্তার মতো। যখন তার চোখে ব্যাথ্যা শুরু হয়, তখন তার গোটা শরীরই ব্যাথা অনুভব করে। আর যদি তার মাথা ব্যথা হয় তাতে তার গোটা শরীরই বিচলিত হয়ে পড়ে।’ (মিশকাত)

বিস্তারিত ভিডিওতে

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ইমামের আগে সালাম ফেরালে নামাজ হবে কী?

অনলাইন ডেস্ক

ইমামের আগে সালাম ফেরালে নামাজ হবে কী?

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। আজকে আমরা আলোচনা করবো ইমামের আগে সালাম ফেরালে নামাজ হবে কী না।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


 

এমন প্রশ্নের জবাবে ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেছেন, ইমামের আগে একজন মুক্তাদি যদি ডানদিকে সালাম ফেরান, তাহলে তাঁর সালাত বাতিল হয়েছে। তিনি ইমামকে অনুসরণ করেননি। ইমামকে অনুসরণ করা তাঁর ওপর ওয়াজিব ছিল। 

যেহেতু তিনি ইমামের আগে সালাম ফিরিয়েছেন, সেহেতু তাঁর সালাত হয়নি। এটাই ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য এবং এটাই বিশুদ্ধ বক্তব্য।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর