করোনা পরীক্ষা নিয়ে জার্মানিতে দুর্নীতির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

করোনা পরীক্ষা নিয়ে জার্মানিতে দুর্নীতির অভিযোগ

দ্রুত করোনা পরীক্ষার লক্ষ্যে গঠিত জার্মানির বেসরকারি কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মূলত করোনা পরীক্ষার সংখ্যা ব্যপকভাবে বাড়াতে জার্মান সরকারের নেয়া নতুন পদক্ষেপের কারণে এই দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানায়, মার্চ মাস থেকে সপ্তাহে কমপক্ষে একবার বিনামূল্যে করোনা টেস্ট করানোর সুযোগ পাচ্ছেন জার্মানিরা। এই পরীক্ষায় করোনা সংক্রমণের প্রমাণ না মিললে রেস্তোরা ও শপিং মলে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন দেশটির নাগরিকেরা।

দেশজুড়ে এমন টেস্টের সুযোগ করে দিতে সরকার উদারতার পরিচয় দিয়ে অসংখ্য বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে করোনা পরীক্ষা করার অনুমোদন দিয়েছে এবং টেস্টের ব্যয় পুরোপুরি বহন করছে। ওই সুযোগে অনেকেই দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে মোটা টাকা কামিয়ে নিচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।


আরও পড়ুন


শিক্ষার্থী-রোহিঙ্গাদের জন্য অনুদানের টাকা আত্মসাৎ করেছেন মামুনুল-কাসেমি: ডিবি

আবার রকেট তৈরি শুরু করেছে হামাস: ফাতনি হামাদ

ক্ষমতা হারানোর পথে নেতানিয়াহু

নিরামিষাশী অভিনেতার নামে মাংসের দোকান দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


এই অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে গত শনিবার থেকে দেশটিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটির প্রমাণও মিলেছে। কোলন শহরে একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে বাস্তবে ৭০ জনের করোনা পরীক্ষা হলেও এক হাজার পরীক্ষার জন্য সরকারি ভর্তুকি নেয়া হয়েছে। এছাড়া দ্রুত পরীক্ষার ফলাফল দেয়ার চাপ থাকায় এ নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে দেশটিতে।

সরকার জনপ্রতি ১৮ ইউরো দেয়ার ফলে এভাবে বিশাল অঙ্কের মুনাফা করছে একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

কানাডায় করোনায় মৃত্যু ২৬ হাজার ছাড়ালো, মাস্ক বাধ্যতামূলক

লায়লা নুসরাত, কানাডা

কানাডায় করোনায় মৃত্যু ২৬ হাজার ছাড়ালো, মাস্ক বাধ্যতামূলক

কানাডায় করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ২৬ হাজার ছাড়িয়েছে। গতবছর মার্চ মাসে প্রথম ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর থেকে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে বাড়তে এখন ২৬ হাজার ছাড়িয়ে গেল। 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৫ হাজার ১ শত ৪৬ জনে। মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার এক জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ১৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯ শত ৯৭ জন। কানাডায় প্রতিদিন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও  তা আগের তুলনায় অনেক কম। 

অন্যদিকে কানাডার টরেন্টোতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিবিধানের মেয়াদ বাড়িয়েছে। এর ফলে আগামী গ্রীষ্ম পর্যন্ত টরন্টোবাসীকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মাস্ক পরতে হবে।

বুধবার বিধানটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ওইদিনই তা ৩০ সেপ্টেম্বর বা ১ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় কাউন্সিলের বৈঠক পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। টরন্টো জনস্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. এইলিন দ্য ভিলার সুপারিশে এই মেয়াদ বর্ধিত করা হয়েছে।

টরন্টোবাসীকে সিটি পার্ক বা পাবলিক স্কোয়ারে মাস্ক পরিধান অব্যাহত রাখতে হবে। সেই সঙ্গে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অ্যাপার্টমেন্ট ও কন্ডোমিনিয়ামের যেখানে জন সমাগম হয় সেখানে মাস্ক পরিধানও জারি রাখতে হবে। পাশাপাশি অ্যাপার্টমেন্টের জিম ও সুইমিং পুলগুলোও বন্ধ রাখতে হবে।

ডি ভিলা বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা উপাত্ত ব্যবহার অব্যাহত রেখেছি এবং এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কোভিড-১৯ এ সংক্রমণের সংখ্যা কমে আসছে। কিন্তু উদ্বেগ এখনও দূর হয়নি এবং ভাইরাসের বিস্তার কমাতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

আরও পড়ুন


গাজা যুদ্ধের পর হামাসের জনপ্রিয়তা বেড়েছে: জরিপ

২৪ ঘণ্টায় আফগানিস্তানে ১০০ তালেবান ও ৮০ সৈন্য নিহত

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বাংলাদেশ

সুপার লিগে সাকিবের খেলা নিয়ে শঙ্কা!


বিশিষ্ট কলামিস্ট, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান বলেন,  স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ আর বিধিনিষেধ মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। নিয়ম কানুন মেনে ধৈর্য্য ধরলেই কেবল দ্রুত সুদিন ফিরে আসবে এমনটাই আমার বিশ্বাস।

বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কিরন বনিক শংকর জানালেন-- করোনা কমতে শুরু করায় মনের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে, প্রকূতি নতুন করে জেগে উঠবে, সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে নতুন আলোয় উদ্ভাসিত হবে আগামীর দিনগুলো-এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।।

উল্লেখ্য কানাডা ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভ্যাকসিনের কোনো ঘাটতি যেন না পড়ে সেজন্য কয়েক কোটি ডোজ টিকার ব্যবস্থা করেছে। চুক্তিবদ্ধ হয়েছে একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। কয়েক কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সুরক্ষিত রাখার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

মিয়ানমারে গ্রাম পুড়িয়ে দিলো সামরিক বাহিনী, আগুনে ২ বৃদ্ধের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমারে গ্রাম পুড়িয়ে দিলো সামরিক বাহিনী, আগুনে ২ বৃদ্ধের মৃত্যু

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় একটি গ্রাম আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে দেশটির দখলদার সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে। তবে সামরিক বাহিনী এটি অস্বীকার করে এটি ‘সন্ত্রাসী’রা করেছে বলে দাবি করছে। ওই আগুনে পুড়ে দুই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

কিন মা নামে ওই গ্রামের বাসিন্দারা সংবাদমাধ্যম বিবিসি’কে জানিয়েছেন, সামরিক বাহিনীর দেয়া আগুনে সেখানকার ২৪০টি ঘরের মধ্যে ২০০টিই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

তারা জানায়, জান্তা সরকারের বিরোধিতা করা স্থানীয় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষের পর গ্রামটিতে আগুন দেয়া হয়।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বিবিসিকে জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) সঙ্গে সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। মিয়ানমারের নতুন জান্তা সরকারের বিরোধী ওই সংগঠনটি দেশীয় তৈরি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে লড়াই শুরু করেছে।

আরেক বাসিন্দা বলেন, গ্রামের সবখানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। বন্দুকের গুলি থেকে বাঁচতে আমাদের পালিয়ে যেতে হয়েছিল, তাই দূর থেকেই সেসব দেখতে বাধ্য হই।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মিয়ানমারে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ফেসবুকের এক পোস্টে বলেন, খবর এসেছে জান্তা ম্যাগওয়েতে একটি গ্রাম পুরোপুরি পুড়িয়ে দিয়েছে, প্রবীণদের হত্যা করেছে। তারা আবারও দেখিয়েছে যে, সামরিক বাহিনী গুরুতর অপরাধ অব্যাহত রেখেছে এবং মিয়ানমারের জনগণের প্রতি তাদের কোনো শ্রদ্ধা নেই।

অবশ্য মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে অগ্নিকাণ্ডের জন্য ‘সন্ত্রাসীদের’ দায়ী করা হয়েছে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ভারতে সংক্রমণ বাড়লেও মৃত্যু কমেছে

অনলাইন ডেস্ক

ভারতে সংক্রমণ বাড়লেও মৃত্যু কমেছে

গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ হাজার ২০৮। একই সময়ে দেশটিতে মারা গেছে ২ হাজার ৩৩০ জন। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

একদিন আগেই দেশটিতে নতুন সংক্রমণ ছিল ৬২ হাজার ২২৪ এবং একই সময়ে মারা গেছে ২ হাজার ৫৪২। আগের দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর সংখ্যা সামান্য কমেছে ভারতে।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


ভারতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৯৭ হাজার ৩১৩। এর মধ্যে মারা গেছে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯০৩ জন।

গত কয়েকদিনে দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে দেশটিতে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৮ লাখ ২৬ হাজার ৭৪০ জন। টানা ১০ দিন ধরেই দেশটিতে সক্রিয় রোগী ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

গাজা যুদ্ধের পর হামাসের জনপ্রিয়তা বেড়েছে: জরিপ

অনলাইন ডেস্ক

গাজা যুদ্ধের পর হামাসের জনপ্রিয়তা বেড়েছে: জরিপ

ফিলিস্তিনির একটি এনজিও পরিচালিত জরিপে জানা গেছে সাম্প্রতিক গাজা যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের জনপ্রিয়তা বেড়ে গেছে।

ফিলিস্তিনি সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ এন্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ বা ‘মাসারাত’ পরিচালিত জরিপের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, শতকরা ৭৭ ভাগ ফিলিস্তিনি জনগণ মনে করেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক যুদ্ধে হামাস বিজয়ী হয়েছে। মাসারাতের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে লেবাননের আল-মায়াদিন নিউজ নেটওয়ার্ক।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা ও জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের ১,২০০ ফিলিস্তিনির ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৫৩ ভাগ উত্তরদাতা বলেছেন, গাজা ও পশ্চিম তীরের গোটা ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা হামাসের রয়েছে। অন্যদিকে শতকরা মাত্র ১৪ ভাগ বলেছেন, মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফাতাহ আন্দোলন ফিলিস্তিনিদের নেতৃত্ব দেয়ার অধিকার রাখে।

জরিপে অংশগ্রহণকারী শতকরা ৬৫ ভাগ ফিলিস্তিনি মনে করেন, হামাস গাজা উপত্যকা থেকে রকেট হামলা চালিয়ে ইসরাইলকে পূর্ব জেরুজালেম আল-কুদসের শেখ জাররাহ এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ অভিযান ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে।

আরও পড়ুন


২৪ ঘণ্টায় আফগানিস্তানে ১০০ তালেবান ও ৮০ সৈন্য নিহত

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বাংলাদেশ

সুপার লিগে সাকিবের খেলা নিয়ে শঙ্কা!

বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তেমন গদগদ হওয়ার মতো স্মৃতি আমার নাই


গত মাসের গোড়ার দিকে আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলি সেনাদের ব্যাপক দমন অভিযান ও শেখ জাররাহ এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইল অভিমুখে রকেট নিক্ষেপ শুরু করে হামাস’সহ প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো। দখলদার ইসরাইল টানা ১২ দিন ধরে গাজা উপত্যকার বেসামরিক অবস্থানে বিমান হামলা চালিয়ে তার জবাব দেয়।

ইসরাইল বিমান হামলা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে গাজা থেকে ইসরাইলের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে হাজার হাজার রকেট নিক্ষেপ করে হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনসহ অন্যান্য প্রতিরোধ সংগঠন। তারা এই ১২ দিনে জেরুজালেম, তেল আবিব এমনকি দূরবর্তী হাইফা শহরে চার হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করে ইহুদিবাদীদের অন্তরে কাঁপন ধরিয়ে দেয়।ফিলিস্তিনিদের রকেটের পাল্লা ও নিখুঁতভাবে আঘাত হানার ক্ষমতা দেখে তেল আবিব ১২ দিনের মাথায় যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয়। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আবিষ্কৃত হল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হীরা

অনলাইন ডেস্ক

আবিষ্কৃত হল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হীরা

আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানায় বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হীরার সন্ধান পাওয়া গেছে। হীরাটির ওজন ১ হাজার ৯৮ ক্যারেট বলে জানিয়েছে দেশটির খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান দেবসোয়ানা। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হীরা।

দেবসোয়ানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক লিনিত্তে আর্মস্ট্রং বলেন, এখন পর্যন্ত বিশ্বে সন্ধান পাওয়া হীরাগুলোর মধ্যে এই হীরাকে তৃতীয় বৃহত্তম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই হীরাটি দুর্লভ ও অসাধারণ। বতসোয়ানায় পাওয়া এই হীরা তাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, লড়াই করে যাওয়া বতসোয়ানা জাতির জন্য এটি আশা বয়ে এসেছে।

গত ১ জুন হীরাটির সন্ধান পাওয়া যায়। গত বুধবার এটি প্রকাশ্যে আনা হয়। দেশটির রাজধানী গ্যাবোরোনে প্রেসিডেন্ট মোকগোয়েতসি মাসিসিকে হীরাটি দেখানো হয়েছে।

লম্বায় ৭৩ মিলিমিটার এবং প্রস্থে ৫২ মিলিমিটার হীরকখন্ডটির এখনো কোন নাম দেয়া হয় নি। এটি ২৭ মিলিমিটার পুরু। হীরার মানের ওপর ভিত্তি করে দেবসোয়ানার ইতিহাসে প্রতিষ্ঠানটির কোনো খনি থেকে সন্ধান পাওয়া সবচেয়ে বড় হীরা এটি।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


উল্লেখ্য, হীরা উত্তোলনে আফ্রিকার দেশগুলোকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বতসোয়ানা। দেশটির বিভিন্ন খনি থেকেই সবচেয়ে বেশি হীরা উত্তোলন করা হয়।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর