দুধ খেলেও হতে পারে রোগ!

অনলাইন ডেস্ক

দুধ খেলেও হতে পারে রোগ!

দুধ খেলেও হতে পারে রোগ!

আদর্শ খাবার দুধে রয়েছে হাজারো পুষ্টিগুণ। আয়রন, সেলেনিয়াম, ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, নিয়াসিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ফোলেট, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, প্রোটিনসহ বিভিন্ন উপাদান আছে।

তবে আমরা কী জানি, দুধ সবার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়। বিভিন্ন কঠিন রোগের কারণ হতে পারে এই আদর্শ খাবার। দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। যা হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং আলঝাইমার রোগের অন্যতম কারণ হতে পারে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন, ডিম্বাশয় এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকির কারণ হতে পারে দুধ। দুগ্ধজাত বিভিন্ন খাবারে প্রচুর কোলেস্টেরল থাকে। দুধে থাকা চর্বি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

দুধে থাকা ল্যাকটোজ অতিরিক্ত গ্রহণের মাধ্যমে পেট খারাপ, ডায়রিয়া এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, দুগ্ধজাত খাবার হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য খুব বেশি উপকার করে না। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক সমীক্ষা অনুসারে, দুধ খেলেই যে হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো হবে, তার কোনো প্রমাণ নেই।
এ ছাড়াও দুধে থাকা বিভিন্ন হরমোন শরীরের এস্ট্রোজেন এবং গ্রোথ হরমোনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
সাধারণত গরুর দুধে যে পরিমাণ এস্ট্রোজেন থাকে, তার তুলনায় ইঁদুরের শরীরে আরও বেশি এস্ট্রোজেন পাওয়া গেছে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারে থাকা হরমোন শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত থাকলেও, বিজ্ঞানীরা এখনো তা প্রমাণ করতে পারেনি।

তবে গবেষকদের মতে, বেশ কিছু ক্যান্সার দুধের কারণে হয়ে থাকে। অতিরিক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণের কারণে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দুধ, পনির এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবারে উচ্চ ফ্যাটযুক্ত উপাদান স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

news24bd.tv এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

হার্ট অ্যাটাক : জীবন বাঁচাতে তাৎক্ষণিক যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

হার্ট অ্যাটাক :  জীবন বাঁচাতে তাৎক্ষণিক যা করবেন

সারা পৃথিবীতে মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে হৃদরোগ প্রথম স্থান দখল করে আছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই মৃত্যুর হার কেবলমাত্র হৃদরোগীদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন বয়সের মানুষ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যাচ্ছেন। সাধারণত যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থুলতার মতো সমস্যা রয়েছে তাদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু তাই বলে এর নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। প্রতি বছর বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত হয়ে (যেসকল রোগের কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়) অনেক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।  একটু খেয়াল করলে দেখবেন, প্রায়ই যত আকস্মিক মৃত্যু সংবাদ শোনা যায় তার মাঝে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।

হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে বা হার্ট অ্যাটাক করলে সেখানেই সঙ্গে সঙ্গে রিসাসিটেশন চিকিৎসা দিতে হয়।

যেভাবে করতে হবে
এজন্য রোগীকে প্রথমে সমতলের ওপর চিৎ করে শোয়াতে হবে। এরপর একটি হাত প্রসারিত করে অন্য হাতের আঙুল দিয়ে লক তৈরি করতে হবে। 

হাতের তালুর উঁচু অংশটি পাঁজরের নিচের অংশে ঠিক মাঝ বরাবর স্থাপন করতে হবে। 

প্রতি সেকেন্ডে ২ বার জোরে জোরে চাপ দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন হাত ভাঁজ না হয়। এমনভাবে চাপ দিতে হবে যেন বুকের ওপর-নিচ প্রতিবার দেড় থেকে দুই ইঞ্চি দেবে যায়। এ পদ্ধতিতে ৩০ বার চাপ দিয়ে রোগীর মুখ দিয়ে বাতাস প্রবেশ করাতে হবে। 

দ্রুত রিসাসিটেশন শেষ করে রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আম পাতার অজানা উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

আম পাতার অজানা উপকারিতা

চলছে মধুমাস। এই সময়ে সব গ্রীষ্মকালীন ফল খুবই সহজলভ্য। আর গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল আম। তবে শুধু আম নয়, আমের পাতাতেও রয়েছে অনেক উপকারি গুণ।

আম পাতায় মেঞ্জিফিরিন নামক একটি সক্রিয় উপদান থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এতে রয়েছে ভিটামিন, এনজাইম, খনিজ উপাদান ইত্যাদি।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আর কি কি উপকারিতা রয়েছে আম পাতায়-

১। যদি আপনার খেতে বসে বার বার হেচকি ওঠে তাহলে আম পাতা পুড়িয়ে তার ধোঁয়া নাকের কাছে ধরুন। দেখবেন দ্রুত এই সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।

২। বাতের সমস্যা থাকলে কচি আম পাতা পানিতে ফুটিয়ে প্রতিদিন সেই পানি খান। উপকার পাবেন।

৩। আঁচিল নিরাময়ে আম পাতা খুবই উপকারি। আম পাতা পুড়িয়ে কালো করে নিন। সেই গুঁড়োর মধ্যে সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আঁচিলে লাগান। দ্রুত সেরে যাবে।

৪। প্রতিদিন সকালে আম পাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খান। কিডনিতে পাথর জমার সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।

৫। আমপাতা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৬। আম পাতার সাহায্যে ক্ষত নিরাময়ে করা সম্ভব। আম পাতা পুড়িয়ে যে ছাই হচ্ছে তা ক্ষতস্থানে লাগালে উপকার পাবেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

কোভিড-১৯ এর ভয় আর নয় আর নয়

আলিয়া ফেরদৌস আজাদ

কোভিড-১৯ এর ভয় আর নয় আর নয়

আলিয়া ফেরদৌস আজাদ

মাত্র ১২৫ ন্যানো মিটার এর অদৃশ্য শত্রু। পুরো পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় কুক্ষিগত করে রেখেছে। আজ আমাদের জীবনটাও তার ইশারাতেই চলছে। মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সামাজিক দূরত্ব, লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন এই নতুন শব্দ গুলো যেনো আমাদেরকে আষ্টে পৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ, বাচ্চারা বাসায় থেকে থেকে সংকীর্ণমনা হয়ে যাচ্ছে, তাদের গেজেট আসক্তি বাড়ছে, আচরণগত সমস্যা দেখা দিচ্ছে, পড়ালেখা পেছাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ধ্বস আর তার সাথে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, সব মিলিয়ে আমাদের জীবনটা যেনো তার নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। আমাদের কাছের মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে ,নিজেদের জীবন নিয়ে ভয়ে আছি। এই পরিস্থিতিতে মানসিক চাপ বেড়ে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। ‘ভয়’ মানুষের স্বাভাবিক আবেগের প্রকাশ। কিন্তু, এটাই যখন আতঙ্কে রূপ নেয়, আমরা মানসিক ভাবে অসুস্থ হই যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে থাকে। 

কোভিড এর সাথে যুদ্ধের প্রধান অস্ত্র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। তাই মানসিক ভাবে আরো দৃঢ় থাকাটা জরুরী। কিন্তু কিভাবে? আমাদের কারোরই দুশ্চিন্তা করতে অথবা ভয় পেতে ভালো লাগে না। এটা অজান্তেই মনে বাসা বাঁধে। এই দুশ্চিন্তা, ভয় কমানোর বা মানসিক ভাবে ভালো থাকার বেশ কিছু উপায় আছে যা সুস্থ থাকতে এবং কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সাহায্য করবে। 

এখন আমরা মনের যত্নের উপাত্তগুলো জেনে নেই-

গুণগত সময় ব্যয় করা: পরিবারের সদস্যদের একে অপরের সাথে গুণগত সময় ব্যয় করতে হবে। যেমন- একসাথে গান শোনা বা কোন মুভি দেখা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই একে অপরের পছন্দকে প্রাধান্য দিতে হবে। রুটিন করে একেকদিন একেক জনের পছন্দের বিষয় নিয়ে একসাথে উপভোগ করা যেতে পারে। এতে সবারই মন ভালো থাকবে।

হালকা ব্যয়াম অনুশীলন: ফ্ল্যাট বাসা গুলো আয়তনে অনেক ছোট হয়, ব্যয়ামের জন্য জায়গা পাওয়া যায় না। তাই যাদের বাসায় ব্যয়ামের যন্ত্র নেই তারা কিছু আসবাব একপাশে সরিয়ে ব্যয়ামের জন্য জায়গা বের করে নিতে পারেন। নিয়মিত ব্যয়ামে আমাদের মনের অস্থিরতা কমবে এবং সন্তানদের মাঝে সুঅভ্যাস গড়ে উঠবে।

ধর্ম চর্চা: ধর্ম চর্চা মানুষের মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। তাই পরিবারের সকলে অথবা আপনি একাই ধর্ম চর্চা শুরু করতে পারেন। আপনাকে দেখে পরিবারের ছোট সদস্যরা আগ্রহী হবে। 

সামাজিক মাধ্যম: এই সময় বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম থেকে আমরা অনেক তথ্য পাচ্ছি যার সব সঠিক নয়। কিন্তু বিভিন্ন গুজব অথবা ভুল তথ্য আমাদের মনের অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এছাড়া এধরণের নেতিবাচক খবর অনেক সময় নিয়ে দেখলে বা শুনলে মনে বিষন্নতা জন্ম নেয়। তাই খবর দেখার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন।

সামাজিক যোগাযোগ: সময়ের অভাবে অনেকদিন হয়ত বন্ধু, আত্নীয়দের খোঁজ নেয়া হয়নি। এই সময় এই কাজটি করা যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে আলোচনার বিষয় সবসময় যেন নেতিবাচক না হয়।

প্রাণ ভরে হাসুন: হাসি একটি বিনে পয়সার ঔষধ যা বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না, কিন্তু এটি আমাদের মনকে ভাল রাখতে সাহায্য করে। তাই পরিবারের সবাই মিলে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় হাসির ব্যয়ামের জন্য বেছে নিতে পারেন।  

নিশ্বাসের ব্যয়াম: নাক দিয়ে জোরে শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রেখে তা মুখ দিয়ে ছেড়ে দিন। এভাবে কয়েকবার নিশ্বাসের ব্যয়াম করুন। এতে মনের অস্থিরতা কমবে।

ভাষার ব্যবহার: আমাদের সবারই ভাষা ব্যবহারে সচেতন হওয়া উচিত। এই সময়টা আমরা একে অপরের সমালোচনা না করে বরং তার ভাল কাজের জন্য আগ্রহ দিতে পারি। কিংবা উপদেশের পরিবর্তে ভাল কাজের দৃষ্টান্তে আপনি নিজেই অনুকরণীয় হতে পারেন। 

ইতিবাচক চিন্তা: বিশ্বব্যপী যে সংকট দেখা দিয়েছে তাতে মনে ইতিবাচক চিন্তা আনা কঠিন। কিন্তু একটিবার যদি ভেবে দেখি আমাদের অহেতুক দুশ্চিন্তা কোন সমাধান আনবেনা বরং এটা ছোঁয়াচে রোগের মত আরো মানুষের ক্ষতি করবে। তাই আমরা যদি মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই তা আমাদের মানসিক শান্তির সহায়ক হবে। ইতিবাচক কাজ ইতিবাচক চিন্তা বাড়ায়।

ঘুম ও খাদ্যভ্যাস: পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে পরিবারের সকলকে আগ্রহী করতে হবে।

পরিশেষে মনে রাখুন, আপনি একা নন। সারা বিশ্বের কোটি মানুষ কোভিড-১৯ মোকাবেলার জন্য ত্যাগ স্বীকার করছে। একটি সুন্দর আগামীর প্রত্যাশাই আমাদের বেঁচে থাকার চাবিকাঠি।

লেখক, আলিয়া ফেরদৌস আজাদ
সিনিয়র কাউন্সিলর, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশের ৪০ জেলা : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশের ৪০ জেলা : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৮৬৮ জনের। নতুন করে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৮ জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৫ জনে। এদিকে  বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২১ শে জুন প্রকাশিত সর্বশেষ সপ্তাহের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৪০ জেলা বর্তমানে করোনা সংক্রমণের অত্যান্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

দেশের ৬৪ জেলায় এক সপ্তাহের নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তের হার বিবেচনা  প্রতিটা দেশের ঝুঁকির তিনটি স্তর চিহ্নিত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের সব জেলাতেই সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মধ্যে ছয়টি খুব উচ্চ ঝুঁকিতে আছে, এবং বাকি দুটি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

অন্যদিকে চট্রগ্রামের ছয় জেলাও আছে অত্যন্ত ঝুঁকিতে, তিনটি জেলা রয়েছে উচ্চ ঝুঁকিতে এবং একটি জেলা মাঝারি ঝুঁকিতে।

খুব বেশি সংক্রমণের ঝুঁকিতে আছে দেশের, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, বরিশাল, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, সিলেট ও ​​রাজবাড়ি।

দেশের রাজধানী ঢাকাসহ আরও দুটি জেলা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। অন্যদিকে বরিশালের তিনটি জেলা রয়েছে উচ্চ ঝুঁকিতে এবং বাকি তিনটি রয়েছে মাঝারি ঝুঁকিতে।

সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে সংক্রমণ এখনো তুলনামূলক কম বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়।

গত বছর চীনের উহান থেকে সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আর দেশে গত বছরের ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রস্রাবের ইনফেকশন কমান ঘরোয়াভাবে

অনলাইন ডেস্ক

প্রস্রাবের ইনফেকশন কমান ঘরোয়াভাবে

সারা দিনে আমরা যত পানি খাই তা আমাদের কিডনির মাধ্যমে ছেঁকে মূত্রনালি দিয়ে মূত্র হিসেবে বেরিয়ে যায়। প্রস্রাবের ইনফেকশনের কথা আমরা কম বেশি সবাই জানি। কিন্তু যাদের এই ইনফেকশন আছে তারা  জানে কি যন্ত্রণাদায়ক এই রোগ। এই সমস্যাটিকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) বলা হয়। প্রস্রাবের ইনফেকশন হলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নারীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। অনেকেই আবার প্রায়ই প্রস্রাবের ইনফেকশনে ভোগেন।

দীর্ঘ সময় এই স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘন ঘন ওষুধ না খেয়ে বরং ঘরোয়াভাবে এই সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করুন। প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি এমন কিছু খাবার খান যেগুলো প্রস্রাবের ইনফেকশন কমাবে।

পেঁপে
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রস্রাবে অ্যাসিডিটি বাড়ায়। ফলে ইনফেকশন তৈরিতে দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না।

ব্রোকলি
ব্রোকলিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি যা প্রস্রাবকে অ্যাসিডিক করে ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। পাশাপাশি এটি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ইনফেকশন থেকে মুক্তি মেলায়।

ক্রেনবেরি জুস
লাল রঙা জাম জাতীয় এই ফল প্রস্রাবের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বের করে দেয়। ক্রেনবেরিতে বেটা ক্যারোটিন, লাইকোপেন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের জন্য উপকারী।

দারুচিনি
অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের কারণে শত শত বছর ধরেই সমাদৃত দারুচিনি। এটি শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে উঠতে বাধা দেয়। একটি গবেষণায় জানা গেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার জন্য দায়ী ই. কোলি ভাইরাসকে প্রতিরোধ করে দারুচিনি।

মেনে চলুন কিছু বিষয়
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া শরীর থেকে বের হয়ে যাবে।

ইউরিন ইনফেকশন সেরে না উঠা পর্যন্ত চা-কফি, ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল পান করবেন না। কারণ এগুলো মূত্রথলির আরো ক্ষতি করতে পারে।

জাম জাতীয় ক্রেনবেরি ছাড়াও ব্লু বেরি ফল পেলে খাবেন, এসব ফল প্রস্রাব ইনফেকশন দূর করতে উপকারি।

মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না।

প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই খেলে উপকার পাবেন।

প্রস্রাবের ইনফেকশনের সময় অ্যাসিডিক ফল (লেবু, কমলালেবু) বেশি খেলে পরিস্থিতি আরো বিগড়ে যেতে পারে।

ডাক্তার প্রেসক্রাইব করলে অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স পুরো শেষ করুন। ভালো বোধ করলেও অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স শেষ করা জরুরি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর