ঘুরে আসুন চায়না বাঁধ

অনলাইন ডেস্ক

ঘুরে আসুন চায়না বাঁধ

ঘুরে আসুন চায়না বাঁধ


নদীর চরে সাদা উইন্ডমিল। নীল আকাশে উইন্ডমিলের সাদা পাখাগুলো দৃষ্টি কাড়ছে অনেকের। গরমেও বিকেল থাকে ছিল শীতল। যমুনা নদীতে সারি সারি নৌকা দোল খেলছে। চারদিকে বাতাসের শো শো শব্দ। দু’পাশেই নদী। সবুজ ঘাসে দাঁড়িয়ে যতদূর চোখ যায় পানি আর পানি। এ বাঁধের রুপ মনকে নাড়িয়ে দেয়।
শহর থেকে ২ কিলোমিটার দূরে নদীর কূল ঘিরে তৈরি করা হয়েছে এই বাঁধ। এই বাঁধের ধাঁর ঘেষে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সীমানা। মূল ফটক থেকে আরও ২ কিলোমিটার গভীরে চলে গেছে বাঁধের শেষ প্রান্ত।
একটি নদীর তীর এতো সুন্দর হয়, ঘুরে না আসলে বিশ্বাস হবে না৷

কিভাবে যাবেন
মহাখালী কিংবা মিরপুর ২ এর বাস ছাড়াও উত্তরবঙ্গগামী যেকোন বাসে সিরাজগঞ্জ রোড বা কড্ডার মোড়ে নেমে চায়না বাধে যেতে পারবেন। মনসুর আলী ষ্টেশন থেকে সিএনজি নিয়ে সিরাজগঞ্জ শহরস্থ বাজার স্টেশনে এসে রিকশা ভাড়া করে চায়না বাঁধে যেতে পারবেন।

news24bd.tv এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

কানের ইনফেকশন ও ব্যথা থেকে বাঁচার উপায়

অনলাইন ডেস্ক

কানের ইনফেকশন ও ব্যথা থেকে বাঁচার উপায়

শরীরের প্রতিটি অঙ্গই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে কান অন্যতম। তাই আলাদা করে কানের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। অনেকেই কানের ফাঙ্গাল ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়া, ব্যথা, চুলকানিসহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। তবে প্রাথমিকভাবে ঘরেই এর সমাধান করতে পারেন। জেনে নিন বর্ষায় কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে কানের ব্যথা, চুলকানি এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে মুক্তি পেতে পারেন-

>> কানের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ঠান্ডা বা গরম সেঁক দিতে পারেন। হিট প্যাড বা গরম পানিতে ভিজিয়ে পানি নিংড়ে নেওয়া কাপড়টি কানের পাশে রেখে সেঁক দিতে পারেন। কিংবা একটি টাওয়ালের মধ্যে কয়েক টুকরো বরফ নিয়েও সেঁক দিতে পারেন। এতে করে খুব সহজেই কানের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।

>> ঘুমানোর সময় কানে যেন চাপ না পড়ে। শক্ত বালিশে মাথা রেখে অনেকেই ঘুমিয়ে থাকেন। এতে করে কানে বেশি চাপ পড়তে পারে। যা আপনার কানের ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে। এক্ষেত্রে সোজা হয়ে ঘুমাতে পারেন।

>> শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, আদা বিভিন্ন সংক্রমণ এবং ব্যথা নিরাময়েও সহায়তা করতে পারে। আদায় উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যসমূহ কানের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। যা আপনার কানের ব্যথা দূর করার পাশাপাশি ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে মুক্তি দিবে।

>> রসুনে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য কানের সংক্রমণ ও ব্যথা দ্রুত সারায়। এজন্য রসুনের কয়েকটি কোয়া তেলে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এরপর ঠান্ডা হলে ২ ফোঁটা তেল আপনার কানে ড্রপার দিয়ে দিন। এভাবে ২-৩বার ব্যবহার করলেই আপনার কানে ব্যথা কমে যাবে।

>> আপেল সিডার ভিনেগার: ইনফেকশনের ক্ষেত্রে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে এমন উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপেল সিডার ভিনেগার বিশেষ কার্যকরী। কানে ব্যথা হলে কয়েক ফোঁটা আপেল সিডার ভিনেগার কানে প্রয়োগ করুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন ব্যথা কমে গেছে।

>> কানের ব্যথা কমানোর আরও একটি ঘরোয়া উপায় হলো আকুপাংচার। এটি আপনার কানের ভেতরে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করবে। যা কানের সংক্রমণ এবং ব্যথা থেকে খুব সহজেই মুক্তি দিতে পারে।

>> ফেসিয়াল রোলার ব্যবহারে মুখের ত্বকে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। যা ত্বক মসৃণ, টানটান রাখাসহ অনেক সমস্যার সমাধান করে। এক্ষেত্রে কানের পাশে আপনি ফেসিয়াল রোলার দিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং কানের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাবেন।

সূত্র: হেলথলাইন

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

রুপকথার বাস্তব গল্প ধ্বংস করছে ফেসবুকের নকল বিজ্ঞাপন

অনলাইন ডেস্ক

রুপকথার বাস্তব গল্প ধ্বংস করছে ফেসবুকের নকল বিজ্ঞাপন

কেরি সিবার্ট থাকেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। তিনি রবিন উইট নামে এক ভাস্করের কাজের বেশ বড় ভক্ত। ফেসবুকে প্রতিদিনই তার ভাস্কর্যের কিছু বিজ্ঞাপন তার সামনে আসে। ফলে তিনি একরকম নিশ্চিত হয়েই তার বাগানে সাজিয়ে রাখার জন্য অনলাইনে চারটি ভাস্কর্যের অর্ডার দেন। তবে এখনো কিছুই পাননি।

একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়ার পার্থে বাস করা ভিকি কানিংহ্যাম। ফেসবুকের একটি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে এটি তাকে আরেকটি ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি একই রকম দেখতে দুইটি ভাস্কর্যের অর্ডার দেন। তবে তিনিও এখনো কিছুই হাতে পাননি। পাবেন কিনা এটি নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা।

আরও একজন ২৮ ইউরো দিয়ে দুটো ভাস্কর্যের অর্ডার দিয়ে পেয়েছেন নিম্নমানের প্লাস্টিকের তৈরি এক ভাস্কর্য, ছবির সাথে যার কোন মিলই নেই।

এক দশক আগে রবিন রাইট ''ফ্যান্টাসিওয়্যার'' নামে শখের বশে একটি প্রতিষ্ঠানটি চালু করেন। যেখানে তিনি স্টিলের তার ব্যবহার করে কিছু ভাস্কর্য তৈরি করেন। স্থানীয়ভাবে তার কিছু ভাস্কর্য বিক্রিও হয়। এরপর একদিন অনলাইনে তার ভাস্কর্যের ছবি ভাইরাল হয়ে গেলে ফুলে ফেঁপে ওঠে রবিনের ব্যবসা। তার ভক্তের সংখ্যাও বেড়ে যায়। খুলে ফেলেন নিজস্ব ওয়েবসাইটও। একেকটি ভাস্কর্য তিনি বিক্রি করেন ১৫ হাজার পাউন্ডে।

তবে এখানেই দেখা দেয় বিপত্তি। তার ভাস্কর্যের ভুয়া বিজ্ঞাপন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। রবিনের ওয়েবসাইট থেকে ছবি নিয়ে প্রতারকেরা আরও কম দামে বিক্রির প্রস্তাব দেয়। ফলে বিভ্রান্ত হয়ে প্রতারিত হন অনেকেই। কেউ হয়তো নিম্নমানের প্লাস্টিকের পণ্য হাতে পান। কেউ কিছুই পান না।

তবে ভুয়া বিজ্ঞাপন বন্ধে ফেসবুকে সঙ্গে কথা বলেছেন রবিন। ফেসবুক তাকে সব বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা করে রিপোর্ট করতে বলে। কিন্তু এসব বিজ্ঞাপন সংখ্যায় এতো বেশি যার প্রত্যেকটিতে আলাদা করে রিপোর্ট করা সম্ভব নয়।

তিনি জানান, ভুয়া বিজ্ঞাপন বন্ধে ফেসবুক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে না। ভুয়া বিজ্ঞাপন দিতে নিরুৎসাহিতও করে না।


আরও পড়ুনঃ

ফ্যান্টাসিওয়্যার: ড্যান্ডেলিয়ন ফুল আর পরীর রাজ্য

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

হোটেলে নারী এনে জরিমানার মুখে চিলির ফুটবলাররা

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুমির ‘মুজা’র জন্মদিন পালন


বিজ্ঞাপনগুলো ভুয়া জানায় পরও ফেসবুক সরিয়ে নেয় নি। এর কারণ হিসেবে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নিয়ে অতিরিক্ত অর্থের লোভকেই দায়ী করেন তিনি। তার মতে, বিজ্ঞাপনের জন্য মোটা অর্থ পায় ফেসবুক।

এই বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারির জন্য শুধু বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভোক্তারাই নন, তিনি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্রঃ বিবিসি

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ফ্যান্টাসিওয়্যার: ড্যান্ডেলিয়ন ফুল আর পরীর রাজ্য

অনলাইন ডেস্ক

ফ্যান্টাসিওয়্যার: ড্যান্ডেলিয়ন ফুল আর পরীর রাজ্য

মাত্র ১০ বছর আগে শখের বসে রবিন ‘ফ্যান্টাসিওয়্যার’ নামে ছোট্ট একটি পারিবারিক ব্যবসা শুরু করেন। রবিন উইট একজন ভাস্কর। তিনি স্টেইনলেস স্টিলের তার ব্যবহার করে পরী ও ড্যান্ডেলিয়ন ফুলের ভাস্কর্য তৈরি করে থাকেন। তার স্ত্রী ও তার দুই ছেলে-মেয়ে একাজে সাহায্য করে তাকে।

অনলাইনে তার তৈরি ভাস্কর্য বেশ বিখ্যাত। এগুলো প্রশংসিত হয়েছে লাখো মানুষের কাছে। এমনকি কোন বিজ্ঞাপন ছাড়াই ইন্টারনেটে তার তৈরি ভাস্কর্যের ছবি অহরহ দেখা যায়।

সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য রবিনের তৈরি ভাস্কর্য বাচ্চাদের খেলার মাঠে ব্যবহারের চিন্তা ট্রেন্থাম গার্ডেনসের মার্কেটিং ম্যানেজার অ্যামান্ডা ডসনের মাথায় আসে। তিনি রবিনের কাছ থেকে কয়েকটি ভাস্কর্য কিনে তা বাগানে সাজিয়ে রাখেন।

অ্যামান্ডা জানান, এরপর থেকেই বাগানে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এমনকি ৭২৫ একর আয়তনের এই বিশাল বাগানে অবিস্কার করার মতো আরও অনেক কিছু থাকলেও শুধুমাত্র ভাস্কর্য রাখা জায়গাগুলোতেই ভিড় হতে থাকে।

একদিন এক দর্শনার্থী ভাস্কর্যগুলোর কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করলে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যায় রবিনের ভাস্কর্যগুলো। ফেসবুকে তার রয়েছে ৪৪ মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার। তার একেকটি ভাস্কর্য বিক্রি হয় ১৫ হাজার ইউরোতে।

বিশ্বজুড়ে তার ভক্তেরা ফেয়ারি ফ্যানস নামে পরিচিত। তার ফেসবুক গ্রুপে প্রতি সপ্তাহে তিনি তার বর্তমান কাজের আপডেট জানান।


আরও পড়ুনঃ

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

হোটেলে নারী এনে জরিমানার মুখে চিলির ফুটবলাররা

বেবি বাম্পের ছবি দিয়ে নুসরাতের লুকোচুরির ইতি

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুমির ‘মুজা’র জন্মদিন পালন


তবে এসবের সাথে সাথে একটি সমস্যাও দেখা দেয়। নেটদুনিয়ায় তার ভাস্কর্যের ছবি চুরি ও জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হয়! তার ওয়েবসাইটের ছবিগুলো অপরাধীরা চুরি করে তা বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির কাজে ব্যবহার করে।

এই প্রতারণায় ফেসবুকে তার ছবির ওপর ক্লিক করলে তা অন্য একটি পেইজ বা ওয়েবসাইটে নিয়ে যায় যেখানে হুবহু তার ছবিগুলো ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। পরে তাদেরকে নিম্নমানের পণ্য ধরিয়ে দেওয়া হয়, অথবা তারা কিছুই পান না।

এই বিজ্ঞাপনগুলো বন্ধের জন্য বারবার ফেসবুকের কাছে আবেদন করলেও প্রত্যাশিত সাড়া পাননি রবিন। মানুষের ভোগান্তি দূর করার চেয়ে বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া অর্থই ফেসবুকের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

সূত্রঃ বিবিসি

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ধূমপান ছাড়তে চান?

অনলাইন ডেস্ক

ধূমপান ছাড়তে চান?

ধূমপান ক্ষতিকর সেকথা সবাই জানে। মৃত্যুর কারণও হতে পারে  ধূমপান। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা বলছে হৃদরোগের জন্য ৫৪ ভাগ ক্ষেত্রেই দায়ী হলো ধূমপান। গবেষনায় দেখা গেছে, সাধারণের তুলনায় ধূমপায়ীদের হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে ছয় গুণ বেশি।

সুস্থ থাকতে চাইলে ধূমপান বর্জন করা জরুরি। কিন্তু অনেকেই ধূমপান ছাড়তে চাইলেও পারেন না। আর এটা চাইলেই একদিনে ছাড়া সম্ভব হয় না। চলুন জেনে নেওয়া যাক ধূমপান ছাড়ার কার্যকরী কিছু উপায়-

#ধূমপান ছাড়ার জন্য সবার আগে প্রয়োজন ইচ্ছাশক্তি। আপনি যদি একবার সিদ্ধান্ত নেন যে ধূমপান ছেড়ে দেবেন, তাহলে সেই সিদ্ধান্তে অটল থাকুন। 

#নিজের পকেটেই সিগারেট রাখুন। এতে অন্যের কিাছ থেকে চাওয়ার প্রবণতা কমবে। তবে সিগারেট খাওয়া থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন। 

#খেয়াল করুন, কোন সময়টাতে আপনার সিগারেট খেতে বেশি ইচ্ছা করে। হতে পারে তা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে, ফোনে কথা বলার সময়, টিভি দেখার সময়, খাবারের পর কিংবা চায়ের সঙ্গে। যে সময়েই হোক, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন। 

#কাজ করতে করতে সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস? আজ থেকে বাদ দিন।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

দুর্লভ আবাসিক পাখি ‘জল ময়ূর’

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

দুর্লভ আবাসিক পাখি ‘জল ময়ূর’

ময়ূর সবাই চিনে, তবে জলময়ূর অনেকের অচেনা। এই পাখি সাধারণত জল ময়ূর, নেউ, নেউপিপি, পদ্মপিপি, মেওয়া নামেও পরিচিত। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাখি। লম্বালেজী অনিন্দ্য সুন্দর পাখিটি বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি ‘জল ময়ূর’। 

প্রজননকারী পাখির মাথা, গলা ও ডানার পালক-ঢাকনি সাদা থাকে। ঘাড় সোনালি- হলুদ, পিঠ গাড় বাদামি, বুক-পেট কালচে বাদামি ও লেজ কালচে। এই পাখির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জলাধারের কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসে। বন বিভাগ জল ময়ূরের জাত রক্ষায় নানা ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি লম্বা লেজী।

বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি ‘জল ময়ূর’। এ পাখির তিন ধরনের প্রজাতি রয়েছে। নেউ, নেউপিপি এবং পদ্মপিপি বা মেওয়া নামেও পরিচিত। প্রজননকালে জল ময়ূর অত্যন্ত সুন্দর হয়ে ওঠে। এ সময় ২৫ সেন্টিমিটার লম্বা লেজসহ পাখির দেহের দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৩৯ থেকে ৫৮ সেন্টিমিটার। ওজনে পুরুষ ১১৩ থেকে ১৩৫ গ্রাম। স্ত্রী প্রজাতির পাখি ২০৫ থেকে ২৬০ গ্রাম হয়। প্রজননকারী পাখির মাথা, গলা ও ডানার পালক সাদা থাকে। ঘাড় সোনালি-হলুদ, পিঠ গাঢ় বাদামি, বুক-পেট কালচে-বাদামি ও লেজ কালচে হয়। একটি কালচে-খয়েরি রেখা মাথা ও ঘাড়-গলার সাদা ও সোনালি-হলুদ রংকে পৃথক করেছে। ঠোঁট নীলচে হয়। চোখ বাদামি ও পা নীলাভ-কালো। স্ত্রী-পুরুষ দেখতে একই রকম।

আরও পড়ুন


কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে ইসরাইলি সেনাদের মনোবল চাঙ্গা হবে না: হামাস

বিবস্ত্র করা ছবি তুলে ফাঁদে ফেলে প্রবাসীর স্ত্রী, মামলায় আ.লীগ নেতাও আসামি

‘নিখিলকে আগেই বলেছিলাম, নুসরাত তোমাকে ঠকাবে’

বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগ মূহুর্তে যে কারণে বিয়ে ভেঙে দিয়েছিলেন সালমান


জল ময়ূর হাওর, বিল, হ্রদ এবং মিঠাপানির জলাভূমিতে বাস করে। দেশের প্রায় সব বিভাগেই দেখা যায় এ পাখিটি। গ্রীষ্মকালে একাকী বা জোড়ায় ও শীতকালে ঝাঁক বেঁধে বিচরণ করে। ভাসমান পাতার ওপর হেঁটে হেঁটে জলজ উদ্ভিদে থাকা পোকা-মাকড় ও অমেরুদন্ড প্রাণী খায়। এ ছাড়াও জলজ উদ্ভিদের কচি পাতা, অংকুর ও বীজ খেয়ে থাকে। 

সচরাচর ওড়ার সময় করুণ সুরে নে...উ...ইউ...,  নে...উ...ইউ..., নে...উ...ইউ স্বরে ডাকতে থাকে। প্রজননকালে পুরুষ শাপলা ও পদ্মপাতা বা এ জাতীয় ভাসমান কোনো উদ্ভিদের পাতার ওপর বাসা বানায়। স্ত্রী এতে চারটি জলপাই-বাদামি চকচকে ডিম পেড়ে চলে যায়। পুরুষ একাই ডিমে ২৩ থেকে ২৬ দিন তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায়। ডিম থেকে ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই বাচ্চা হাঁটতে, সাঁতরাতে ও ডুব দিতে পারে। প্রায় দুই মাস পর্যন্ত বাবার তত্ত্বাবধানে থাকে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর