মে মাসেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক

মে মাসেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড

চলমান করোনার মধ্যেও দেশে রেকর্ড সংখ্যক বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে। সদ্য সমাপ্ত মে মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২১৭ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৮ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধ‌রে)। যা আগের বছরের একই মাসের চেয়ে ৪৪ শতাংশেরও বেশি। গত বছর মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫০ কোটি ৪৬ লাখ ডলার।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশে ২২৮৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে (বাংলাদেশি মুদ্রায় এক লাখ ৯৪ হাজার ১১৪ কোটি টাকা)। এর আগে কোনও অর্থবছরে এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি দেশে।

তথ্য মতে, ঈদের কারণে মে মাসে প্রবাসীরা বেশি রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন। এছাড়া রেমিটেন্সে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়ার পর থেকে প্রতি মাসেই প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। করোনার সংক্রমণের মধ্যেও তাদের অর্থ প্রেরণ বেড়েছে।

গেল ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৩৭ কোটি ২০ লাখ ডলার। চলতি অর্থবছরে ১১ মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এদিকে সবশেষ ৩১ মে পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৪৫.০৫ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৫ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৮২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলের প্রবাসীরা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে আরও ২ টাকা যোগ করে মোট ১০২ টাকা পাচ্ছেন সুবিধাভোগী। এছাড়া ঈদ-উৎসবে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সরকারের প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি এক শতাংশ দেওয়ার অফার দিয়েছে। এতে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন প্রবাসীরা।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে ২৩ স্থানে পশুর হাট

অনলাইন ডেস্ক

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে ২৩ স্থানে পশুর হাট

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর পৃথক ২৩টি স্থানে কোরবানির পশু বিক্রির জন্য হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এর মধ্যে ডিএনসিসি এলাকায় ১০টি এবং ডিএসসিসি এলাকায় ১৩টি হাট বসবে।

আজ রোববার (১৩ জুন) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, এবার ঢাকার তেজগাঁও, ভাসানটেক পশুর হাট বসবে না। আর ঢাকা উত্তরে পশু জবাই করার জন্য ২৭০টি জায়গা বরাদ্দ করা আছে। কোরবানির পশুর হাটে করোনা প্রতিরোধে পর্যাপ্ত মাস্ক সরবরাহ করা হবে, প্রবেশ ও বাহির পথ আলাদা করা হবে।

সভায় জানানো হয়, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১০ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৩টি অস্থায়ী গরুর হাট বসবে। 

পাশাপাশি ডিএনসিসির গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাট ও ডিএসসিসির সারুলিয়া স্থায়ী পশুর হাটেও পশু বিক্রি হবে। এ বছর ঢাকা উত্তরের ৫৪ ওয়ার্ডে পশু কোরবানির জন্য ২৭০ স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে দক্ষিণের ৭৫ ওয়ার্ডে ৩৭৫ জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


ইউরোপের দেশ উত্তর মেসিডোনিয়াতে ২০ বাংলাদেশি আটক

দেশে ১০ বছরে বজ্রপাতে মৃত্যু ২২৭৬

রাশিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম

আজ মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

সংসদে সদস্যরা আছেন শুধু হ্যাঁ- না বলার জন্য: সাবের হোসেন চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক

সংসদে সদস্যরা আছেন শুধু হ্যাঁ- না বলার জন্য: সাবের হোসেন চৌধুরী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, সংসদ সদস্যরা সংসদে আছেন শুধু হ্যাঁ বা না বলার জন্য, কোনো প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ হচ্ছে না। একইসঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা আরও অংশগ্রহণমূলক করা দরকার বলেও তিনি মনে করেন।

শনিবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত বাজেট সংলাপ অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

সিপিডির সম্মানিত ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংলাপে রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ, শ্রমিক নেতারাও মতামত দেন। বাজেট বাস্তবায়ন সমস্যা, তথ্যের অভাব, নীতি সহায়তার সুষম বণ্টনে অনীহা, সংস্কার উদ্যোগের ঘাটতি নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, তথ্যের ঘাটতির চেয়ে অসংগতি বড় বিষয়। দেশে নতুন দরিদ্র আছে কি নেই, তা নির্ভর করবে তথ্যের ওপর। সরকারি দপ্তরের কাছে এ তথ্য নেই। বিবিএসের সক্ষমতা বাড়ানো দরকার। যেসব সিদ্ধান্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়, সেগুলো হালনাগাদ না থাকলে সরকার কীভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্যকে অবহেলা করা হলে উন্নত রাষ্ট্রে পৌঁছানো যাবে না। এখন করোনা আছে, ভবিষ্যতে হয়ত অন্যকিছু আসবে। ফলে ব্যবস্থাগত উন্নয়ন দরকার। পরিবেশ উন্নয়নে জোর দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান এবং নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। 

আরও পড়ুন:


ইউরোপের দেশ উত্তর মেসিডোনিয়াতে ২০ বাংলাদেশি আটক

দেশে ১০ বছরে বজ্রপাতে মৃত্যু ২২৭৬

রাশিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম

আজ মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

এক বছরে ইভ্যালি’র ই-ফুড দ্বিতীয় অবস্থানে

নিজস্ব প্রতিবেদক

এক বছরে ইভ্যালি’র ই-ফুড দ্বিতীয় অবস্থানে

অনলাইন ভিত্তিক ফুড ডেলিভারি সেবার বাজারে নিজেদের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন করছে ই-ফুড। প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছর সময়ে দেশের বাজারে দ্বিতীয় অবস্থান নিয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করতে যাচ্ছে দেশিয় ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি’র এই সহযোগী প্ল্যাটফর্ম ই-ফুড। নিজেদের প্রথম এক বছরে অন্তত ৫৪ লাখ ফুড অর্ডার গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

শনিবার (১২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয় ইভ্যালি’র পক্ষ থেকে। এতে বলা হয়, ২০২০ সালের ১২ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ই-ফুড যার অল্প দিনের মধ্যেই জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে তারা। বিশেষ করে করোনা মহামীর সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রাহকদের কাছে খাবার পৌঁছে সুনাম অর্জনে সক্ষম হয় ই-ফুড। 

এতে আরও বলা হয়, নিজেদের এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে খাবারের ওপর আকর্ষণীয় অফারের ঘোষণা দিয়েছে ই-ফুড। শনিবার (১২ জুন) ই-ফুডে সকল অর্ডারে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় পাবেন গ্রাহকেরা।

একই সাথে ইভ্যালি হিরো রাইডাররা প্রতিটি সফল ডেলিভারিতে ই-ফুড এর পক্ষ থেকে দ্বিগুণ ডেলিভারি ফি পাবেন। এছাড়াও ভোজনরসিকদের জন্য ‘ফুড গিফট কার্ড’ এবং প্রতি বৃহস্পতিবার খাবার অর্ডারের ওপর আকর্ষণীয় অফার নিয়ে ‘থার্স ডে নাইট’ আয়োজন করে আসছে ই-ফুড।

ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, করোনাকালীন সময়ে ই-ফুড এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেসময় লকডাউনে অনেকেই রাজধানী ছেড়েছিলেন তাই রাইডার পাওয়া এবং রেস্টুরেন্টগুলোকে আমাদের প্ল্যাটফর্মে আনা; দুটোই খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল।

সেইসাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার সরবরাহ করাটা করোনা সময়ে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমাদের ইভ্যালি হিরো, রেস্টুরেন্ট পার্টনার এবং সর্বোপরি গ্রাহকদের সহযোগিতায় সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। এত অল্প সময়ে আমাদের এতটা সহযোগিতা তারা করেছেন; আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন। 

খাবার সরবরাহের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ই-ফুড। 

ইভ্যালির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন বলেন, ২৩ জন সদস্য নিয়ে ই-ফুড এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। এখন সেখানে পূর্ণকালীন ৮৫ জনসহ ফ্রিল্যান্সার মিলিয়ে পাঁচ হাজারের অধিক কর্মী নিয়োজিত আছেন। 

তিরি আরও বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুরসহ আটটি শহরে ই-ফুড এর অপারেশনস রয়েছে যার পরিসর আরও বাড়ানোড় পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। খাবার নিয়ে গ্রাহকদেরকে আমরা ‘ওয়ান পয়েন্ট সলিউশন’ দিতে চাই। সেক্ষেত্রে তাদেরকে সেরা সেবাটি দিতে আমাদের আরও লোকবল প্রয়োজন হবে ফলে এখানে আরও কর্মসংস্থান তৈরি হবে। 

ই-ফুড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোও ব্যবসার দারুণ সুযোগ পায়। গেল এক বছরে, ই-ফুডে নিবন্ধিত পাঁচ হাজারের বেশি হোটেল ও রেস্টুরেন্ট থেকে প্রায় ৫৪ লাখ অর্ডার গ্রাহকদের কাছে ডেলিভারি করেছে ই-ফুড।

আরও পড়ুন:


শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের চলমান ছুটি বাড়ল

উপ-নির্বাচনে তিন আসনের আ.লীগের প্রার্থী ঘোষণা

১০০ কোটি টিকা দরিদ্র দেশগুলোতে দেবে বিশ্ব নেতারা

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে

স্বর্ণের দাম প্রতিমুহূর্তে ওঠা-নামা করছে বিশ্ববাজারে। গত দুই সপ্তাহ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। তবে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখনও কমানো হয়নি। আগামী সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে দরপতন ঘটলে দেশের বাজারে দাম কমতে পারে।

এই মাসের ২ জুনে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৭০ ডলারে নেমে আসে। পরে ফের ৩ জুন উত্থান ঘটলে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৯০ দশমিক ৮৫ ডলার হয়। তবে শেষ সপ্তাহে এসে ফের স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ১ হাজার ৮৭৭ ডলার হয়। গত সপ্তাহের চেয়ে দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৭৩ হাজার ৪৮৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭০ হাজার ৩৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬১ হাজার ৫৮৪ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মে মাসে বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ায় দেশের বাজারে দু’দফায় ভরিতে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সর্বশেষ গত ২৩ মে থেকে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

আরও পড়ুন:


শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের চলমান ছুটি বাড়ল

উপ-নির্বাচনে তিন আসনের আ.লীগের প্রার্থী ঘোষণা

১০০ কোটি টিকা দরিদ্র দেশগুলোতে দেবে বিশ্ব নেতারা

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

কোন সেবায় কত চার্জ নিতে পারবে ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

কোন সেবায় কত চার্জ নিতে পারবে ব্যাংক

আমানতকারী/বিনিয়োগকারী/গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যাংকসমূহকে বিভিন্ন ধরনের চার্জ/ফি/কমিশন ইত্যাদির পরিমাণ/হার নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় এ ব্যাংকটি গতকাল রাতে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে। 

এতে আমানত সংক্রান্ত চার্জের বিষয়ে বলা হয়েছে, সঞ্চয়ী হিসাব খোলার ক্ষেত্রে গ্রাহকরা ৫০০ টাকা এবং চলতি হিসাব খোলার ক্ষেত্রে এক হাজার টাকা জমাকরণপূর্বক নিজ নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবেন। তবে, বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাব খোলার ক্ষেত্রে ন্যূনতম জমার বাধ্যবাধকতা হতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত থাকবে। সঞ্চয়ী হিসাবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ ফি আদায় করা যাবে না। ১০ হাজার টাকার অধিক গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে প্রতি ছয় মাস পর পর রক্ষণাবেক্ষণ ফি আদায় করা যাবে। ১০ হাজার টাকার বেশি কিন্তু ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা। ২৫ হাজার টাকার বেশি থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা। দুই লাখ টাকার অধিক থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা। ১০ লাখ টাকার অধিক গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা। চলতি হিসাবে প্রতি ছয় মাস পর পর সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ও স্পেশাল নোটিশ ডিপোজিট (এসএনডি) হিসাবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা আদায় করা যাবে।

বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাবসমূহে কোনো প্রকার হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ ফি আদায় করা যাবে না। একই ব্যাংকের অন্য শাখায় হিসাব স্থানান্তরের ক্ষেত্রে একই জেলায় সর্বোচ্চ ৫০ টাকা এবং অন্য জেলায় সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ফি আদায় করা যাবে। বিভিন্ন মাসিক সঞ্চয়ী হিসাব (ডিপোজিট পেনশন স্কীম) বা এফডিআর বা অন্য কোনো মেয়াদি আমানত মেয়াদপূর্তির আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে নগদায়ন ফি বা অনুরূপ ফি আরোপ করা যাবে না। হিসাব বন্ধকরণের ক্ষেত্রে হিসাব বন্ধকরণ চার্জ হিসেবে সঞ্চয়ী হিসাবে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা, চলতি হিসাবে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা এবং এসএনডি হিসাবে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা আদায় করা যাবে। তবে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাবসমূহে হিসাব বন্ধকরণ বাবদ কোনো ফি আদায় করা যাবে না।

বিভিন্ন ধরনের হিসাবের বিপরীতে চেক বই ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রকৃত খরচের ভিত্তিতে চার্জ নির্ধারণ করতে হবে। চেক বই হারানোর ক্ষেত্রে নতুন চেক বই ইস্যু বাবদ প্রকৃত খরচ ছাড়া অতিরিক্ত চার্জ/প্রসেসিং ফি আদায় করা যাবে না।

বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাব বলতে দেশের আর্থিক সেবা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে কৃষক, মুক্তিযোদ্ধা, দুঃস্থ, ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন শ্রমিক, পথশিশু ও কর্মজীবী শিশু-কিশোর, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীর সুবিধাভোগী, তৈরি পোষাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক, পাদুকা ও চামড়াজাত পণ্য প্রস্তুতকারী ক্ষুদ্র কারখানার কারিগর এবং স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারীদের ব্যাংক হিসাবসহ সব ধরনের ১০, ৫০ ও ১০০ টাকায় খোলা হিসাবসমূহ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময়ে নির্দেশিত অনুরূপ হিসাবসমূহকে বোঝাবে। হিসাবধারী বছরে দুইবার ব্যাংক স্টেটমেন্ট পাবে চার্জ ছাড়াই। এর বেশি নিলে চার্জ দিতে হবে ১শ টাকা।

ঋণ দেওয়া সংক্রান্ত:
ঋণ প্রসেসিং ফি হিসেবে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে মোট মঞ্জুরী করা ঋণের সর্বোচ্চ ০.৫০ শতাংশ আদায় করা যাবে, তবে এর পরিমাণ ১৫ হাজার টাকার বেশি হবে না। ৫০ লাখ টাকার বেশি পরিমাণ ঋণের ক্ষেত্রে এ হার হবে সর্বোচ্চ ০.৩০ শতাংশ, তবে এর পরিমাণ ২০ হাজার  টাকার বেশি হবে না। ঋণ আবেদন ফি নামে কোনো ফি আদায় করা যাবে না।

কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ এবং কৃষি খাতে ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ/পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ঋণ প্রসেসিং/পুনঃতফসিলিকরণ/পুনর্গঠন ফি ইত্যাদি নামে কোনো ফি/চার্জ/কমিশন আদায় করা যাবে না। তবে, সিএমএসএমই ও কৃষি খাত ছাড়া অন্যান্য খাতে ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ/পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে পুনঃতফসিলিকরণ/পুনর্গঠন ফি বাবদ সর্বোচ্চ ০.২৫ শতাংশ আদায় করা যাবে, তবে এর পরিমাণ ১০ হাজার টাকার বেশি হবে না।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


 

গ্রাহকের গৃহীত ঋণ নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বে পরিশোধের ক্ষেত্রে বকেয়া ঋণের সর্বোচ্চ ০.৫০ শতাংশ আর্লি সেটেলমেন্ট ফি আদায় করা যাবে। তবে, কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে প্রদত্ত ঋণ এবং চলতি ঋণ বা ডিমান্ড লোনের ক্ষেত্রে মেয়াদপূর্তির আগে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে আর্লি সেটেলেমেন্ট ফি আদায় করা যাবে না। সিডিউল অব চার্জেসের সর্বশেষ হালনাগাদকৃত পূর্ণ তালিকা স্ব স্ব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, সকল শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটসমূহের দর্শনীয় স্থানে/নোটিশ বোর্ডে এবং ব্যাংকের ওয়েবসাইটের হোম পেজ এ প্রদর্শন করতে হবে। ঘোষিত/প্রকাশিত তালিকা বহির্ভূত কোনো চার্জ/ফি/কমিশন আরোপ করা যাবে না।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর