চলন্ত বাস থেকে শিশুসহ স্ত্রীকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

রেজাউল করিম মানিক, রংপুর

চলন্ত বাস থেকে শিশুসহ স্ত্রীকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

রংপুরে দাবি করা যৌতুক না পাওয়ায় চলন্ত গাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ স্ত্রীকে ফেলে দিয়েছে স্বামী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অমানবিক এ ঘটনা ঘটেছে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হাজিপাড়া এলাকায়।

নির্যাতনকারী স্বামী সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নির্যাতিতা মায়িশা মোজাহিদ তন্নী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটান কোতয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছে। ওই নারী রংপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসাদ্দেক হোসেন বাবলুর ভাতিজি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে রংপুর নগরীর শালবন মহল্লার মোজাহেদ হোসেন ফুলুর মেয়ে মায়িশা মোজাহিদ তন্নীর সাথে কাউনিয়া থানার হারাগাছ হাজিপাড়া এলাকার মাহমুদার রহমানের ছেলে মতিউল হাসান সুমনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ছেলে ও তার স্বজনদের অনুরোধে মেয়ের সুখের জন্য নগদ ১২ লাখ টাকা ২০ ভড়ি গহনাসহ প্রায় ৩৫ লাখ টাকার মালামাল ও অর্থ প্রদান করা হয়।

বিয়ের কিছুদিন পর মায়িশা জানতে পারে তার স্বামী সুমন রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় আগে একটি বিয়ে করেছিল, যৌতুক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সেই বিয়ে ভেঙে যায়। এত কিছু জানার পরেও মায়িশা স্বামীর সাথে ঘর সংসার করতে থাকে। এ সময় তাদের দুটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। তাদের বয়স যথাক্রমে চার বছর ও দেড় বছর।

এদিকে তার স্বামী সুমন মাদকাসক্ত হয়ে পড়ায় তার প্রতিদিন ৫/৭ হাজার টাকা লাগে। প্রথম দিকে তার বাবা মা এ মাদক কেনার টাকা টাকা প্রদান করলেও হঠাৎ করে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এরপরেই শুরু হয় মায়িশার উপর স্বামী সুমনের নির্যাতন। সে বাবার বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করে। বিষয়টি মায়িশা তার বাবা মাকে জানালে তার বাবা মেয়ের সুখের কথা ভেবে আবারো ১০ লাখ টাকা প্রদান করে। এ টাকা শেষ হয়ে গেলে আবারো ২৫ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে বাবার বাড়ি থেকে আনার জন্য এক মাস আগে মারধর করে বাসা থেকে দুই শিশু সন্তানসহ বের করে দেয়, মায়িশা বাবার বাড়িতে চলে আসে। এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবলু ও তার ছোট ভাইসহ স্বজনরা দুই শিশু সন্তানের কথা ভেবে সংসার করার জন্য সুমন ও তার বাবাসহ স্বজনদের বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে গত ২৪ মে বাসায় ডেকে আনে। সেখানে আলোচনা করার পর ওইদিন আবারো সুমনকে ১২ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। এরপর মায়িশা স্বামী সুমন ও তার দুই শিশু সন্তানসহ শশুড় মাহমুদার রহমানের প্রাইভেট কারে ওঠে। কিছুদুর যাবার পর যৌতুক লোভি সুমন কেন তার দাবি করা ২৫ লাখ দেওয়া হলো না একথা বলে গাড়ির ভেতরেই আবারো মায়িশাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে গাড়ির ভেতরে ইলেকট্রিক তার গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় তার আত্মচিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে চলন্ত গাড়ি থেকে সুমন তার স্ত্রী মায়িশা ও দুই শিশু সন্তানকে ফেলে দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় মায়িশাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থা থেকে সুস্থ হবার পর মায়িশা নিজেই বাদি হয়ে মেট্রোপলিটান কোতয়ালি থানায় গত ২৭ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। যার মামলা নম্বর ৫৭। এ ঘটনায় পুলিশ স্বামী সুমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান দিলে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়।

মায়িশার বাবা মোজাহিদ হোসেন ফুলূ জানিয়েছন, মেয়ের সুখের জন্য এত টাকা দিয়েও নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারলাম না। মামলা করার পর সুমনের স্বজনরা মামলা তুলে নেবার জন্য নানানভাবে হুমকি প্রদান করছে। ফলে মায়িশা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তিনি ঘটনার দায়িদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এদিকে রংপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু বলেন, আমরা ভাজিজির সংসার সুখের জন্য কী না করেছি। কিন্তু সুমন যে মাদকসেবী আর যৌতুক লোভী তা জানতাম না। আমরা মামলা দায়ের করেছি, আশা করি ন্যায় বিচার পাবো।

এ ব্যাপারে কোতয়ালি থানার ওসি আব্দুর রশিদ জানান, এটা চরম অমানবিক ঘটনা। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ঘুম থেকে উঠে দেখি হেলেনাকে আটক করা হয়েছে: সেফুদা

অনলাইন ডেস্ক

ঘুম থেকে উঠে দেখি হেলেনাকে আটক করা হয়েছে: সেফুদা

হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন স্মার্ট নারী, তিনি দুঃসাহসের সঙ্গে কথা বলতেন। অবিলম্বে এবং সম্মানের সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দিতে হবে।’ এমন দাবি করেছেন অস্ট্রিয়া প্রবাসী আলোচিত সেফাত উল্লাহ সেফুদা।

সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযানের বিষয়ে একটি ভিডিওতে এমন দাবি করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আমার সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরের দেখা হয়নি। তবে টেলিফোনে কথা হতো। হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন স্মার্ট নারী, তিনি দুঃসাহসের সঙ্গে কথা বলতেন। অবিলম্বে এবং সম্মানের সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দিতে হবে।’

সেফুদা আরও বলেছেন, ‘রাতে হেলেনার বাসায় র‌্যাব ঘেরাও করে তল্লাশি চালায়। ঘুম থেকে উঠে দেখি হেলেনাকে অ্যারেস্ট (আটক) করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার নাতি হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অসম্মানজনকভাবে, একজন সিআইপিকে অ্যারেস্ট করা হলো। আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে।’

‘হেলেনা জাহাঙ্গীরের মেয়ে আমার ভাগ্নি জেসির একটি সাক্ষাৎকার দেখলাম একটি টেলিভিশনে। হেলানাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তিলকে তাল করে র্যাদেরকে দিয়ে তছনছ করা হয়েছে। ভাবটা এমন যে, চোর ধরা পড়েছে। এখানে মধ্যরাত (অস্ট্রিয়া), ঘুম থেকে দুই ঘণ্টা আগে উঠে অনেক তথ্য নিয়েছি। হেলেনা জাহাঙ্গীরকে মিসগাইড করা হয়েছে। তাকে ছেড়ে দিন।’

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত ১২টার দিকে গুলশানের ৩৬ নম্বর রোডের ৫ নম্বর বাসায় দীর্ঘ প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান শেষে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটক করে র‌্যাব।

আরও পড়ুন:


বিট লবনের যত উপকার

ধানখেতে ৮ ফুট অজগর

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুরকারীদের গ্রেপ্তার দাবি হানিফের


 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

হেলেনা ৩ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

হেলেনা ৩ দিনের রিমান্ডে

আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য পদ হারানো এফবিসিসিআইর পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে গুলশান থানায়  দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। গুলশান থানার ডি‌জিটাল নিরাপত্তা আই‌নে হে‌লেনা জাহাঙ্গী‌রকে ‌তিন‌দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ক‌রে‌ছে আদালত।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে হেলেনাকে আদালতে হাজির করেন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু রিমান্ডের জোর দাবি জানান। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে হেলেনাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিকেলে ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ১৩ টি ক্লাবের সখ্যতা রয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করতেন।

'হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন উচ্চাভিলাষী মহিলা। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতো।'

'সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদেশে বসে সেফাতুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি যে অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করতো সেই ব্যক্তির সঙ্গে অবৈধ লেনদেনসহ নিয়মিত যোগাযোগ রাখত হেলেনা জাহাঙ্গীর।'

খন্দকার আল মঈন বলেন, 'যেসব অবৈধ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে সবকিছু হেলেনা জাহাঙ্গীরের নিজ কক্ষে ছিল।

হেলেনা জাহাঙ্গীর এসব বিষয় স্বীকার করেছেন বলে জানান খন্দকার আল মঈন। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্ত করা হয়।

এর আগে ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদক, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অব্যাহতি দিয়ে গত রোববার আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতি বহির্ভূত হওয়ায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হেলেনাকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

হেলেনাকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য পদ হারানো এফবিসিসিআইর পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীরের  বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকেলে গুলশান থানায় এ দুই মামলা দায়ের করা হয়। 

এদিকে গুলশান থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে বলে আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালতে আজ রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে হেলেনাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিকেলে ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ১৩ টি ক্লাবের সখ্যতা রয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করতেন।

'হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন উচ্চাভিলাষী মহিলা। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতো।'

'সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদেশে বসে সেফাতুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি যে অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করতো সেই ব্যক্তির সঙ্গে অবৈধ লেনদেনসহ নিয়মিত যোগাযোগ রাখত হেলেনা জাহাঙ্গীর।'

খন্দকার আল মঈন বলেন, 'যেসব অবৈধ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে সবকিছু হেলেনা জাহাঙ্গীরের নিজ কক্ষে ছিল।

হেলেনা জাহাঙ্গীর এসব বিষয় স্বীকার করেছেন বলে জানান খন্দকার আল মঈন। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্ত করা হয়।

এর আগে ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদক, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অব্যাহতি দিয়ে গত রোববার আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতি বহির্ভূত হওয়ায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পল্লবী থেকে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

পল্লবী থেকে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার

পল্লবীর সেকশন-১২ এলাকা থেকে অস্ত্রসহ দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পল্লবী থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলো- মো. শাকিল ও মো. সুজন।

পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন:


করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

নরসিংদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন স্প্রে

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণফোনকে হু্মায়ূন পরিবারের আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক


গ্রামীণফোনকে হু্মায়ূন পরিবারের আইনি নোটিশ

প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি জনপ্রিয় চারটি চরিত্র অনুমতি ছাড়াই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করায় মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনের কাছে ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে রোববার (২৫ জুলাই) ওই নোটিশ পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার হামিদুল মিজবাহ। 

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হামিদুল মিজবাহ জানান, প্রয়াত  হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের ৬ সদস্যের পক্ষে এ নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

তারা হলেন, হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, কন্যা নোভা আহমেদ, শীলা আহমেদ ও বিপাশা আহমেদ, পুত্র নুহাশ হুমায়ূন এবং ভাই জাফর ইকবাল।

আরও পড়ুন:


এবার তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বহিষ্কার করলেন প্রেসিডেন্ট

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


তিনি বলেন, গ্রামীণফোন নিবেদিত ‘কেমন আছেন তারা’ শীর্ষক কয়েক পর্বে একটি ধারাবাহিক প্রমোশনাল অনুষ্ঠান গ্রামীণফোনের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রচারিত হয়। 

হুমায়ূন আহমেদ রচিত বাকের ভাই, এলাচি বেগম, সোবহান সাহেব ও তৈয়ব আলী-জনপ্রিয় এই চার চরিত্র কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে গ্রামীণফোন। এতে মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। 

নোটিশে ওই পর্বগুলো তিন দিনের মধ্যে অপসারণ করতে এবং মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘন করায় ১৫ দিনের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সদস্যদের প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর