আটা ও ময়দা নষ্ট হয়ে গেছে কিনা বুঝবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

আটা ও ময়দা নষ্ট হয়ে গেছে কিনা বুঝবেন যেভাবে

আটা ও ময়দায় আর্দ্রতা কম থাকে এবং এগুলো তাপ দিয়ে প্রস্তুত করায় তা অনেকদিন ভালো থাকে। এমনকি প্যাকেটের তারিখ অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া পরও আটা ও ময়দা ভালো থাকে। তবে প্রশ্ন যখন সুস্থতার। তখন অবশ্যই নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

‘ওয়েলঅ্যান্ডগুড’ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের রন্ধনশিল্পী এবং সনদস্বীকৃত পুষ্টিবিদ আরিয়ান রেজনিক বলেন, প্রিজারভেটিভ ধরনের খাবার যেমন- চিনি কিংবা মধু বাদে যেকেনো খাবারই একসময় নষ্ট হয়। 

তিনি বলেন, আটা ও ময়দা যখন নষ্ট হয় তখন তাতে তেল-জাতীয় একটা গন্ধ সৃষ্টি হয়। এর কারণ হলো আটা ও ময়দায় থাকার প্রাকৃতিক তেল তার রূপ পাল্টাচ্ছে। সেই সঙ্গে রং পরিবর্তন হতে পারে, জমাট বেঁধে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আটা বা ময়দা নষ্ট হয়েছে তা বোঝার আরেকটি উপায় হলো তাতে পোকা দেখা দেয়া। অত্যন্ত ক্ষুদ্র হলেও এই পোকা খালি চোখে দেখা যায়।

আরও পড়ুন:

 রামেকে করোনা ইউনিটে আরও ১৬ জনের মৃত্যু

ওমানে করোনায় ৭ ঘণ্টার ব্যবধানে বাংলাদেশি দুই ভাইয়ের মৃত্যু 

 যে কৌশলে পয়েন্ট পেল বাংলাদেশ

‘রাধে’ সিনেমা দেখে যা বললেন সালমানের বাবা

 

এই পুষ্টিবিদের পরামর্শ, যদি পোকার মাত্রা কম থাকে তবে রোদে দিতে পারেন। অথবা চুলায় গরম করে নিতে পারেন।

তবে কোনো অবস্থাতেই ওভেনে আটা বা ময়দা গরম করতে যাবেন না, আগুন ধরে যেতে পারে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

খুশকির সমস্যা সমাধানে ৫টি ঘরোয়া টিপস

অনলাইন ডেস্ক

খুশকির সমস্যা সমাধানে ৫টি ঘরোয়া টিপস

খুশকি নিয়ে সব বয়সী মানুষকেই দেখা যায় উশখুশ করতে। চুলের খুশকি নিয়ন্ত্রণে রাখাটা অনেকের কাছেই যেন অসাধ্য! কিন্তু ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুশকির সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

চলুন সেগুলো একটু জেনে নেওয়া যাক:-

১.দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল গরম করে তার সাথে দুই টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। স্ক্যাল্পে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট রেখে দিন। পরবর্তীতে শ্যাম্পু করে নিন।

২.শ্যাম্পুর পরিবর্তে বেকিং সোডা ব্যবহার করেও চুল ধুয়ে নিতে পারেন। বেকিং সোডা চুলকে ফাঙ্গাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। যার প্রভাবে খুশকির আশঙ্কা কমে যায়। প্রথম-প্রথম চুল অতিরিক্ত শুকনো লাগতে পারে। তবে পরে স্ক্যাল্পের স্বাভাবিক তেলেই চুল নরম হয়ে উঠবে।

৩.মেথি স্বাস্থ্যের পক্ষে যতটা ভালো, চুলের পক্ষেও ততটাই। আধ কাপ পানিতে দুই টেবিল চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরের দিন ব্লেণ্ডারে দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। আধঘণ্টা এই পেস্টটা মাথায় লাগিয়ে রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললে খুশকির সমস্যা কমবে।

৪.মুলতানি মাটির প্যাক লাগালে খুশকি শুধু দূরই হবে না, চুলও ঝলমলে হবে। এই প্যাক বানিয়ে নিন মুলতানি মাটির সঙ্গে সামান্য লেবুর রস আর পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে। ২০ মিনিট মাথায় লাগিয়ে রেখে তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫.খুশকির প্রকোপ কমাতে দারুণ কাজ করে নিমপাতা। একমুঠো নিমপাতার পেস্ট তৈরি করে গোছলের এক ঘণ্টা আগে মাথায় লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন। তারপর ভেষজ কোনো শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিন। আগের দিন রাতে এই পেস্টটা লাগিয়ে পরদিন শ্যাম্পু করতে পারলেও খুব ভালো ফল পাওয়া যাবে। শুধু তাই নয়, নিমের নিয়মিত ব্যবহার আপনার মাথার তালুর চুলকানি কমাবে, যে ফাঙ্গাসের কারণে খুশকি হয় সেগুলোকে ক্রমশ অকেজো করে দেয় নিমের নির্যাস।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বানিয়ে ফেলুন ঘরোয়া ময়শ্চারাইজার

অনলাইন ডেস্ক

বানিয়ে ফেলুন ঘরোয়া ময়শ্চারাইজার

গরমকাল মানেই রোদ, ঘাম আর চিটচিটে ত্বক।  ত্বক বেশি তৈলাক্ত হলে স্বাভাবিক ভাবেই গরমকালে ময়শ্চারাইজ়ার লাগানো এড়িয়ে যান অনেকে। কিন্তু ময়শ্চারাইজ়ার শুধু শীতে নয়, গরমেও লাগানো দরকার। ত্বকের ধরন বুঝে সব ঋতুতেই উপযুক্ত ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করতে পারলে ত্বক থাকবে কোমল। তাই প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার বেছে নিলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে, কিন্তু ত্বক তৈলাক্তও হবে না।


আরও পড়ুন

নিয়োগ দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

শুভাগত হোমকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দিয়েছে মোহামেডান

তুরস্কে পাওয়া গেল ১ হাজার ৮শ বছর আগের ভাস্কর্য

নিজের দাম বাড়িয়েছেন রাশি খান্না


প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার

কাঠবাদাম ও মধুর প্যাকের কার্যকারিতা অনেক। কাঠবাদাম সারারাত ভিজিয়ে, পরদিন বেটে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু এবং সামান্য গরম জল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে ত্বকে ব্যবহার করুন।

একটি পাত্রে গরম জল নিন। তার উপরে একটা বাটিতে আধ কাপ নারকেল তেল ঢেলে, ওই অবস্থায় তিনটে ভিটামিন ই ক্যাপসুল, ১২ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মেশান। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে কাচের পাত্রে রেখে ব্যবহার করুন।

এক চামচ আমন্ড অয়েল আর বিওয়াক্স মিশিয়ে গরম করুন। ঠান্ডা হলে এক চামচ গ্রিন টি এসেন্স, এসেনশিয়াল অয়েল, অ্যালো ভেরা জুস, গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। ফ্রিজে রাখলেই তৈরি ময়শ্চারাইজ়ার। দূষণ থেকে বাঁচতে, ত্বকের দাগছোপ দূর করতে এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এটি খুবই ভাল।

দু’টি আপেলের বীজ বার করে সিদ্ধ করে মিক্সিতে মিহি পেস্ট বানান। মিশ্রণে এক চা চামচ অলিভ অয়েল দিন। ঠান্ডা হলে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই ভাল ময়শ্চারাইজ়ার।

এক চা চামচ কোকো বাটার আর আমন্ড অয়েল মেশান। একটা পাত্রে গরম জল নিয়ে তার উপরে অন্য একটি বাটি বসিয়ে কোকো বাটারের মিশ্রণটি ঢালুন। একটু ঠান্ডা করে এক চামচ মধু আর অল্প গোলাপ জল মেশান। ঠান্ডা হলে কাচের শিশিতে রাখুন। সংবেদনশীল ত্বকের এটি জন্য ময়শ্চারাইজ়ার হিসেবে দারুণ।

পরিষ্কার পাত্রে চার চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে দুই চামচ নারকেল তেল মেশান। ভাল করে মিশলে এক চামচ ভিটামিন ই ও আমন্ড অয়েল দিন। এটি রোজ স্নানের পরে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বক, দাগছোপ ইত্যাদি সমস্যায় বেশ ভাল কাজে দেয় এই ময়শ্চারাইজ়ার।

চটজলদি সমাধান...

তৈলাক্ত ত্বকে টম্যাটোর রস খুব ভাল ময়শ্চারাইজ়ারের কাজ করে।

ভিটামিন এ ভরপুর পাকা পেঁপের মধ্যে থাকা ফ্রুট এনজ়াইম ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। এক টুকরো মুখে মেখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

ময়শ্চাইজ়ারের সঙ্গে দু’-তিন কোয়া কমলালেবুর রস লাগালে ত্বকের কমনীয়তাও ফেরে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য মধু এবং ডিমের কুসুম খুব ভাল প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার। সমপরিমাণে মধু এবং ডিমের কুসুম মিশিয়ে মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে জলে ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে মুখ এবং ঘাড়ে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

অর্ধেক কলা এবং চার টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে মিনিট ২০ রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ময়শ্চারাইজ় করার সঙ্গে সঙ্গে উজ্জ্বলতাও বাড়ে।

দুই টেবিল চামচ মধু এবং কাঁচা দুধ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ময়শ্চারাইজ়ারের সঙ্গে টোনার হিসেবেও কাজ করে।

শোয়ার আগে সমপরিমাণ গ্লিসারিন, গোলাপজল মিশিয়ে হাত, পা, ঠোঁট ও ত্বকে লাগান। এটি ন্যাচারাল ময়শ্চারাইজ়ার।

মুখ ধোয়ার পরে, স্নানের পরে এবং ঘুমোতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করে নিয়মিত হালকা ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করলে আপনার ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও কোমল।

সূত্র: আনন্দবাজার

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

কীভাবে চিনবেন মিষ্টি আম?

অনলাইন ডেস্ক

কীভাবে চিনবেন মিষ্টি আম?

আম খেতে পছন্দ না এমন মানুষ মেলা ভার। চলছে আমের মৌসুম। এই সময়ই বাজারে বেশি করে সুস্বাদু এই ফলের সাক্ষাৎ মেলে। 

বাজারে নানা জাতের আম পাওয়া যায়। ফজলি, গোলাপভোগ, অরুণা, আম্রপালি, সুবর্ণরেখা, নীলাম্বরী, কাঁচামিঠে, কালাভোগ, বারোমাসি, গোলাপখাস, ত্রিফলা, হিমসাগর, ল্যাংড়া, হাঁড়িভাঙা কিংবা সিঁদুরে যে জাতের আমই কিনুন না কেন ভালো স্বাদের মিষ্টি আম চেনার কিছু উপায় আছে। জেনে নিন কিভাবে চিনবেন মিষ্টি ও সুস্বাদু আম।


আরও পড়ুন

নিয়োগ দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

শুভাগত হোমকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দিয়েছে মোহামেডান

তুরস্কে পাওয়া গেল ১ হাজার ৮শ বছর আগের ভাস্কর্য

নিজের দাম বাড়িয়েছেন রাশি খান্না


আমের চেনা যায় তার গন্ধে। তবে প্রকারভেদে বদলে যায় গন্ধ। কথায় বলে আমের বোঁটার কাছের অংশ থেকে যদি মিষ্টি সুগন্ধ বেরোয়, তবে সেই আম নাকি সুস্বাদু।

# লালচে কিংবা হলুদ। এই দুই রঙের আম কিনলে ঠকতে হবে কম। কথায় বলে, যে আমের রং যত উজ্জ্বল, তার স্বাদ ততই বেশি।

#আম কেনার আগে তা একবার আঙুল দিয়ে টিপে দেখতে হবে। যদি তা আঙুলের চাপে গর্ত হয়ে যায়, তবে সেই আম একদম কিনবেন না।

#বাজারে গিয়ে একটু কম দামে দাগযুক্ত একদম কিনবেন না। মিষ্টি আর সুস্বাদু  আম খেতে চাইলে পুরুষ্ট, দাগহীন আম কিনুন।

#অনেক ব্যবসায়ী কার্ডাইড দিয়ে আম পাকান। গাছ পাকা আম এবং কার্বাইড দিয়ে পাকানো আম চিনতে, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। নাহলে সরাসরি বাগান থেকে পরিপক্ক আম কেনাই শ্রেয়।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

বাচ্চাদের উচ্চতা নিয়ে যা করবেন!

অনলাইন ডেস্ক

বাচ্চাদের উচ্চতা নিয়ে যা করবেন!

পারফেক্ট হাইট পেতে কে না চায়! কিন্তু এর জন্য দরকার কৌশল। যাদের জিনেই লম্বা হওয়ার রসদ রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে আলাদা বিষয়। কিন্তু যাদের নেই, তাদের পরিশ্রম করতে হবে।

কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে স্কিপিং, দৌড় ঝাঁপ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা করেও কোনও লাভ হচ্ছে না। তখনই সন্তানের উচ্চতা নিয়ে ভাবতে বসেন বাবা মায়েরা। খবর জি টুয়েন্টিফোরের।

মনে রাখবেন, উচ্চতার জন্য প্রয়োজন পুষ্টি, ব্যায়াম। ১৮ বছর বয়সের পর আরও লম্বা হওয়ার সুযোগ থাকে। উচ্চতার উপর হরমোনের প্রভাব রয়েছে। হরমোন জনিত কারণেই অনেকের হাইট কম বেশি হয়। ১৬ বছরের পর মেয়েদের উচ্চতা তেমন ভাবে বাড়েনা। কিন্তু যদি খেলা ধূলোর মধ্যে থাকেন, তাহলে ১৮ বছর পর্যন্ত উচ্চতা বাড়ার সুযোগ থাকে।

১. শিরদাঁড়াতে চোট থাকলে উচ্চতা বাড়তে ব্যহত হয়।

২. পেশির গঠনের ওপর নির্ভর করে উচ্চতা। শরীরে অপুষ্টি থাকলে উচ্চতা বাড়ে না।

৩. যাদের উচ্চতা প্রথম থেকেই কম, ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই লম্বা হওয়ার যাবতীয় কৌশল প্রয়োগ করে ফেলতে হবে। রুটিনের মধ্যে নিয়ে আসুন জীবনযাত্রা।

৪. ১৮ বছরের পরও ডায়েট চার্টে রাখুন ক্যালশিয়াম, ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন ডি, প্রোটিনে ভরা খাবার।

৫. নিয়মিত খেলাধূলা শরীর চর্চা করুন। অ্যারোবিক ডান্সের অভ্যাস করতে পারলে খুবই ভালো।

৬. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম। হরমোনের সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখিয়ে নিন।

৭. প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কারও কাছে শিখে নিয়মিত যোগা করুন। নিয়মিত যোগাভ্যাসে উচ্চতা বাড়বে। মেয়েদের বা ছেলেদের বয়স যখন ১৪ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে, তখন থেকেই শুরু করে দিন এই রুটিন।

আরও পড়ুন:


ইউরোপের দেশ উত্তর মেসিডোনিয়াতে ২০ বাংলাদেশি আটক

দেশে ১০ বছরে বজ্রপাতে মৃত্যু ২২৭৬

রাশিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম

আজ মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

উৎপাদন বাড়লেও আমদানি বন্ধ না হওয়ায় হতাশ শুটকি ব্যবসায়ীরা

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে চলছে শুঁটকি উৎপাদনের মহা উৎসব। বিষমুক্ত নানা প্রজাতির শুঁটকি উৎপাদনে ব্যস্ত শত শত উদ্যোক্তা।

এদিকে উৎপাদন বাড়লেও শুটকি আমদানি বন্ধ না হওয়ায় দাম নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীরা।আমদানিকারকরা বলছেন ,বাংলাদেশের শুটকি যেখানে আগে রপ্তানি হত ৬০ শতাংশের বেশি এখন বাংলাদেশে চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কমে যাওয়ায় রপ্তানি বন্ধ করেই আমদানি নির্ভর হতে হচ্ছে তাদের।

মাত্র কয়েক বছর আগেও চট্টগ্রামে উৎপাদিত শুটকি বিদেশের বাজার দখল করলেও নানান জটিলতায় থমকে যাচ্ছে শুটকি উৎপাদন।আর এই সুযোগে উল্টো ভারত মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশের শুটকি দখল করছে বাংলাদেশের বাজার।তাই দাম পাচ্ছেননা  শুটকি উৎপাদনকারীরা।

আগে যেখানে বছরে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার মেট্রিক টন শুঁটকি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হতো তার বিপরীতে এখন সেখানে আমদানি হচ্ছে প্রায় ৮ হাজার মেট্রিক টন।দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি শুঁটকি বাজার চট্টগ্রামের চাক্তাই ও আছাদগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কম হওয়ায় বিদেশি শুটকির উপর নির্ভর হতে হচ্ছে তাদের।

আরও পড়ুন: 


এনআইডির দায়িত্ব ইসিতে থাকা উচিত: সিইসি

খুলনায় করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু

চার ম্যাচ নিষিদ্ধ সাকিব

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


 

শুটকি আমদানি-রপ্তানিকারকরা বলছেন, দেশের মানুষের শুটকির চাহিদা মেটাতে ৭০ শতাংশ শুটকি আমদানি করতে হচ্ছে তাদের।

এ আমদানি নির্ভরতার জন্য দেশিয় শুঁটকির উৎপাদন কমে যাওয়া, পরিবহন ব্যয় এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতার অভাবকেই দায়ী করছেন শুটকি ব্যবসায়ীরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর