ভালমন্দের আপেক্ষিকতা

পান্না খান

ভালমন্দের আপেক্ষিকতা

আচার আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, নানা রকমের পছন্দ অপছন্দের ক্ষেত্রে ভালোমন্দ একটি আপেক্ষিক ব্যাপার, যা ব্যক্তির মানসিক অবস্থা ও নিজস্ব মূল্যবোধের উপর নির্ভর করে। তাই এই সব ক্ষেত্রে অন্যের ভুল ধরতে যাওয়া ঠিক নয়। 

যেমন একটা উদাহরন দিই - A Decent Arrangement নামের একটা ভারতীয় ইংরেজি মুভি আছে। তাতে যুক্তরাষ্ট্রে বড় হওয়া একটি ছেলে ভারতে এসেছে বিয়ে করতে। তার খালাতো বোন দিদি  (শাবানা আজমী) পাত্রী দেখছে। 

প্রথম দিন : দিদি তার ৭ম শ্রেণীতে পডুয়া মেয়েকে বললেন, তুমি তোমার রুমটা তোমার মামাকে ছেড়ে দেবে। তুমি আমাদের সঙ্গে থাকবে। পাত্র বলছে, না ওর রুমে ও থাকুক। উপরের রুমটাতো খালি। দিদি বললেন, না ঐ রুমের বাথরুমে শাওয়ার নাই। পাত্র বললো - অসুবিধা নেই। 

সকালে নাস্তার টেবিলে: দিদি বলছে হরেক রকমের চা আছে। এই চা বেস্ট। পাত্র বললো, সে চা খায় না। তার কাছে কফি আছে। দিদি বললেন, আরে এই চায়ের কাছে তোর কফি কিছুই না। পাত্র বলছে, দিদি আমি কফি পছন্দ করি। তারপর কফি। এবার দিদি তাতে ক্রিম সুগার দিতে গেলে, পাত্র বললেন, দিদি শুধু ব্ল্যাক কফি। 

দিদি: আরে দুধ চিনি ছাড়া কফি খাওয়া যায় নাকি। ওয়াক, তিতা। জোর করে ক্রিম সুগার দিবেই। পাত্র দেখলো নাছোড়বান্দা। তাই বললো দিতে হলে হাফ চামচ। দিদি বললেন, হাফ চামচে কি হবে। তিনি ৬ গুণ বেশি ক্রিম ও চিনি দিয়ে বললেন- এবার খা, দেখ কি দারুণ! 

এই দিকে ৭ম শ্রেণীতে পডুয়া মেয়েটা তার ইতিহাসের ক্লাসে আমেরিকার ইতিহাস পড়েছে। সে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক তার মামার কাছ থেকে আমেরিকার ইতিহাস আরও গভীরে জানতে চায়। দিদিও বললেন, মামার কাছ থেকে শিখে নিও। কিন্তু মামা বললেন তিনি তেমন একটা জানেন না। সকালে হাঁটতে যাচ্ছে। বললেন - লাঠি হাতে নিয়ে যাও। কুকুর আছে। 

এবার পাত্রী দেখা: অনেক পাত্রীর ছবি দেখিয়ে বললো, এই মেয়েটা তার পছন্দ। বেশ মানাবে। ভীষণ সুন্দর ফরসা। দেখ না গালটা কি টসটসে। পাত্র অন্য একটা মেয়ের ছবি দেখিয়ে বললো এই মেয়েটা মনে হয় বেশি ভালো। 
দিদি বললেন, আরে এই মেয়েটা কালো। 

পাত্র বলছে - কালো একথা বলো না দিদি। মেয়েটা হাসতে জানে। 

আর একটা মেয়েকে দেখতে গেলো, বেশ পছন্দ হলো পাত্রীকে। ফেরার সময় দিদি বললেন, তোর মতামত কি। পাত্র বললো ঠিক আছে। দিদি বললেন, ঘোড়ার ডিম। তারা এক কাপ চা পর্যন্ত খাওয়ায়নি। এই ধরনের পরিবারের মেয়ে আনলে, তোর কোন কদর থাকবে না। 
পাত্র বলছে, না দিদি। ওটাতো চায়ের সময় না। কিন্তু তারা খুব সুন্দর করে কথা বলেছে। খুবই ডিসেন্ট।

আরও পড়ুন


ক্ষমতায় যেতে এবার রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের টোপ!

টিকটকারদের ভয়ংকর ফাঁদ, কয়েকশ জনকে খুঁজছে পুলিশ

এখনও ফ্রান্সের প্রধান অস্ত্র ক্রেতা সৌদি আরব

সীমান্ত পেরিয়ে আসা বিড়াল-কবুতর মেরে ফেলার নির্দেশ কিমের


আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ অন্যের বাসায় গেলে আশা করে কিছু নাস্তা আসবে। কোর্মা-পোলাও হবে, বিরিয়ানি হবে। তৈলাক্ত চর্বিযুক্ত গরুর মাংস থাকবে। দই, মিষ্টি ইত্যাদি। রেস্টুরেন্টে গেলেও buffet পছন্দ করে। 

একটা টুকরো ৪০০ গ্রাম steamed salmon with garlic and ginger এবং দুটো ব্রেড রোল খেতে দিলে বলবে - এসব আমার মানুষে খায় নাকি! কঞ্জুষ! এক পদের খাবার! ৮/১০ পদ পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে গ্যাস উৎপাদন না করা পর্যন্ত এই ধরনের খাওয়া লোকজনের  আনন্দের ঢেঁকুর উঠে না।

* অবসরপ্রাপ্ত পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও লেখক

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

অবিরাম এই যুদ্ধ মানুষকে কখনো কখনো অন্ধ বানিয়ে দেয়

আশরাফুল আলম খোকন

অবিরাম এই যুদ্ধ মানুষকে কখনো কখনো অন্ধ বানিয়ে দেয়

বুঝতে হবে শিক্ষার আগে থেকেই যুদ্ধটা শুরু হয়। যখনও শিক্ষার মানে বুঝিনি তখনই ক্লাসের বেঞ্চে সুবিধাজনক জায়গায় বসা নিয়ে বন্ধুদের সাথে যুদ্ধের শুরু। বাবা মায়ের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সহোদরদের সাথেও এক প্রকার যুদ্ধেই নামতাম। 

স্কুলের সুন্দরী মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণের যুদ্ধটা কার মধ্যে ছিল না? পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের যুদ্ধ করতে গিয়ে সফলতা আসে, কিন্তু ব্যর্থতার সংখ্যাও কম নয়। জীবনে প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ’তো থাকে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত। 

এই অবিরাম যুদ্ধ মানুষকে কখনো কখনো অন্ধ বানিয়ে দেয়। এই অস্থির যুদ্ধ থেকে শুধু একটু বিরতি নিন। জোরে জোরে নি:শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ নির্ভেজাল চিন্তা করুণ। নিজের ভূত ভবিষ্যৎ নিয়ে না ভেবে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে নিজের চারপাশটা একবার খুব ভালো করে দেখে দেখে আসুন। 

দেখবেন, চারপাশের যাদেরকে মানুষ ভাবেন তাদের মধ্যেও অমানুষ ও বেঈমানের একটা চেহারা আছে। অপরদিকে যাদেরকে অমানুষ ভেবে আসছেন তাদেরও সুন্দর একটা মন আছে।

আরও পড়ুন


জি-৭ সম্মেলন: চীন তাহলে সবক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর!

আবারও সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিয়ের সাজে শ্রাবন্তী!

শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার

টঙ্গীতে বস্তিতে আগুন, শত শত ঘর পুড়ে ছাই


আসলে মানুষ চিনতে হলে মাঝে মাঝে জীবন যুদ্ধ থেকে বিরতি নিতে হয়। চোখ বন্ধ করে ভাবার সময় বের করে নিতে হয়। জোরে জোরে নি:শ্বাস নিতে হয়। দেখবেন, চারপাশে অকৃতজ্ঞের বাজার বসে আছে …। 

এরপর আবার নতুন করে জীবন যুদ্ধ শুরু করুন। এই যুদ্ধে জয়ী হবেন নিশ্চিত। কারণ ততক্ষণে ভেজাল বিদায় হয়েছে… বিরতি আপনাকে জীবনের অনেক মানে শিখিয়ে দিবে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে কানাডার ফেডারেল রাজনীতিক গ্রেপ্তার

শওগাত আলী সাগর

স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে কানাডার ফেডারেল রাজনীতিক গ্রেপ্তার

স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে সভা করার অপরাধে ফেডারেল রাজনীতিক ম্যাক্সিম বার্নিয়ারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কনজারভেটিভ পার্টির লিডারশীপ প্রতিযোগিতায় অকৃতকার্য হয়ে ম্যাক্সিম বার্নিয়ার পিপলস পার্টি অব কানাডা নামে চরম ডানপন্থী একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। তিনি সেই দলের প্রধান।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বহাল থাকা লক ডাউনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ম্যানিটোবায় তিনি সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন। কয়েকটি প্রত্যন্ত এলাকায় সভা করার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

news24bd.tv আহমেদ

আরও পড়ুন


ফ্লয়েডকে নির্যাতনের ভিডিও করা সেই কিশোরী পেলেন পুলিৎজার পুরস্কার

গাজা যুদ্ধে ইসরাইলের উৎসমূলে মারাত্মক আঘাত হেনেছি: হামাস

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ

আমিরাতের কাছে ইসরাইলের এফ-৩৫ বিক্রি ও সোলাইমানি হত্যা সম্পর্কযুক্ত: পম্পেও


 

পরবর্তী খবর

রেলমন্ত্রীর বিয়ে নিয়ে হাস্যকৌতুক করা খুবই অমানবিক আর অরুচিকর ব্যপার

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

রেলমন্ত্রীর বিয়ে নিয়ে হাস্যকৌতুক করা খুবই অমানবিক আর অরুচিকর ব্যপার

৬৫ বছর বয়স্ক রেলমন্ত্রী বিয়ে করেছেন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে। তিনি বিপত্নীক। ছেলে মেয়েরা বিয়ে থা করে সংসারী। কয়েকটি সংবাদপত্র এটা নিয়ে যেভাবে শিরোনাম করেছে তাতে বোঝা যায় তারা এটা নিয়ে স্থুল কৌতুক ও রঙ্গ করার সুযোগটি ছাড়তে চাইছেনা। জনতাও লুফে নিচ্ছে। 

একজন বয়স্ক বিপত্নীক পুরুষ একজন একা নারীকে নিয়ে যদি পুনর্বার সংসারী হয় এবং সুখী হয় সেটা দুপক্ষের জন্যই নিঃসন্দেহে ভাল। সেটা নিয়ে হাস্যকৌতুক করা খুবই অমানবিক আর অরুচিকর ব্যপার। বাংলাদেশে একজন সিনিয়ির সিটিজেন বিয়ে করবেন আর তাকে নিয়ে দল বেধে কৌতুক করবেনা এমনটা বিরল। 

মূলত মানুষের সত্যিকারের সংগী লাগে শেষ বয়সেই। 

এই সমাজ সিনিয়র সিটিজেনদেরকে খুব অবহেলার চোখে দেখে। তাদের নিঃসংগ, বিদ্ধস্ত, অবসাদগ্রস্ত,পরান্নজীবী  আর হতাশ দেখতেই পছন্দ করে। একজন নিঃসংগ সিনিয়র সিটিজেনের বিয়ে করার ইচ্ছেকে তারা পায়ের তলায় পিষতে চায়। লজ্জা দিয়ে সেই ইচ্ছেকে মেরে ফেলতে চায়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

এবারের সামারটা পুরোপুরি উপভোগ করতে চায় কানাডা

শওগাত আলী সাগর

এবারের সামারটা পুরোপুরি উপভোগ করতে চায় কানাডা

বাইরে আজ ঝকমকে রোদ,গত কয়েকদিনের গা পোড়ানো গরমটাও আজ যেনো সত্যিকার অর্থেই নাতিশীতোষ্ণ। আজ চাইলেই  সঙ্গে কাউকে নিয়ে স্টার বাকস, টিম হর্টন বা ম্যাকডোনাল্ডস এর বাইরে বসে চায়ের কাপ ধোঁয়া তুলতে তুলতে আড্ডা দেয়া যায়, রেস্টুরেন্টের প্যাটিওতে বসে  এক টেবিলে সর্বোচ্চ চারজনকে নিয়ে ভুরিভোজ করা যায়, যারা পান করেন তারা নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ায় প্যাটিওতে বসে খোলা আকাশের নীচে পানও করতে পারেন। 

বাইরে যে কোনো স্থানে ১০ জনের আড্ডা জামানোর অনুমতিও আছে আজ থেকে। 

অর্থনীতির চাকা একটু একটু করে খুলে দেয়ার প্রথম ধাপে প্রভিন্স অন্টারিও আজ থেকে এই টুকু উদার। সবকিছু ঠিকঠাক চললে ধীরে ধীরে আরো কিছু খুলে যাবে সামনে।প্রভিন্স অন্টারিও,কানাডা তাকিয়ে আছে সেপ্টেম্বরের দিকে। 

এবারের সামারটা পুরোপুরি উপভোগ করতে চায় কানাডা, যতোটা সম্ভব স্বাভাবিকভাবে।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv/আলী

 

 

পরবর্তী খবর

এত অর্থ কামানোর পরেও সাকিব খেলাটায় ইনভলভমেন্ট আছে

ইমরান কায়েস

এত অর্থ কামানোর পরেও সাকিব খেলাটায় ইনভলভমেন্ট আছে

সাকিবের যে বলে, মুশফিকের  এলবিডাব্লিউ আম্পায়ার দিলোনা, সেটা খুবই দুঃখজনক। সাকিবের টিপিক্যাল আর্ম ডেলিভারি,  একেবারে  নিশ্চিত স্ট্যাম্পে যাচ্ছিলো বলটা। আম্পায়ারের মান খারাপ, অথবা ইচ্ছা করেই আউটটা সে দেয় নাই। সাকিব এর পর লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভেঙে ফেলেছে!  বেশ কয়েকটা ম্যাচ ওর ব্যান্ড হওয়ার কথা এর  জন্য।  অত্যন্ত অ- স্পোর্টম্যান ধরনের কাজ সে করেছে। তবে জিনিসটা আমার খারাপ লাগে নাই।

ভালো লাগাটা কোথায় জানেন, এত কিছু অর্জনের পর, এত দিন খেলে,  এত পয়শা টয়শা কামানোর পরেও, খেলাটায় যে ওর ইনভলভমেন্ট আছে, সেইটা দেখে আসলে আশ্বস্ত বোধ করলাম। এখনো সাকিবের মধ্যে প্যাশনটা  আছে। এখনো সে জিততে চায়। সাকিব বাংলাদেশের অন্য ক্রিকেটারদের থেকে আলাদা এই একটা কারনেই, ও সব ম্যাচ জিততে চায়, সব জায়গায় সেরা হইতে চায়। ট্রিমেন্ডাস একটা সেল্ফ বিলিভ নিয়ে ও মাঠে নামে।

আপনারা যারা ক্রিকেট খেলেছেন, তারা খুব ভালো করেই জানেন, ক্রিকেট যতটা না ব্যাটবলের খেলা, তার থেকে ঢের বেশি মাথার।  চিন্তার, এবং ম্যাচিউরিটির। সেশন ধরে ধরে ব্যাটল করা জানতে হয়।  ভয় ডর এংজাইটি একপাশে ঠেলে দিতে হয়। সাকিব কিন্তু মাস্টারক্লাস ব্যাটসম্যান না৷ সাকিব শচিন, লারা না। সাকিব বোলিং এও আহামরি টার্নার না। খুব বশি ভ্যারিয়েশন যে ওর আছে, তাও না। ঐ একটা আর্ম বল। আর পিচ বুঝে পেস আর ফ্লাইট ভ্যারিয়েশন।

কিন্তু দেখেন নিজেকে সে কোন উচ্চতায় নিয়ে গেছ!   এমন সব অদ্ভুত ইনিংস সে খেলেছে, এমন সময় এমন সব উইকেট সে নিয়েছে চিন্তাই করা যায়না। দেখেন লিটন,সৌম্য কিন্তু অসাধারন ব্যাটসম্যান, কিন্তু মানসিক ভাবে অত্যন্ত দূর্বল মানসিকতার মানুষ। পার্ফরমেন্স এংজাইটি তাদের মূল সমস্যা।
তারা কোথাও নিজেকে জগত সেরা ভাবেনা।

সবাইকে হারাবার জন্য মাঠে নামেনা। নামে ভালো ইনিংস খেলার জন্য, রান করার জন্য। ওভাবে হয়না। ভিতরে কিলার ইন্সটিংটটা থাকা লাগে। মাঠটা নিজের ভাবা লাগে। ভয় ডর নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে টিকে থাকা কঠিন।

মনে করেন, শ্রীলংকাকে হারিয়ে  মুশফিকের নাগিন ড্যান্স, জিনিসটা আপনার দেখতে কিছুটা কুৎসিত লাগতে পারে। কিন্তু মুশফিক কিন্তু একটা ক্রিকেট দলকে একা হারিয়ে পিচের মাঝে নেচে বেড়িয়েছে। সে সময়ে তার মানসিক অবস্থাটা ভাবুন। যেন দ্য রাম্বল ইন দ্য জাংগলে  সমস্ত অডের এগেইন্সটে বুড়ো মুহাম্মদ আলী,   জো ফোর ম্যানকে হারিয়ে রিং এ পাগলের মতন নেচে বেড়াচ্ছে!  ইন্টারন্যাশনালে এই জিনিসটাই দরকার। এই ইনভলভমেন্ট, মনের এই এগ্রেসিভ প্যাটার্ন, এই জেতার ক্ষুধা।


(বিদ্রঃ লেখার উদ্দেশ্য খেলার মাঠে কারো অন্যায় আচরণ সমর্থন করা না। স্পোর্টস সাইকোলজি নিয়ে ক্ষুদ্র একটা  লেখা। )

(ফেসবুক থেকে নেয়া)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর