ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে মারামারি, কিলঘুষিতে একজনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে মারামারি, কিলঘুষিতে একজনের মৃত্যু

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে শিশুদের মধ্যে মারামারি ঘটনা থেকে কিলঘুষিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম হারুন খান (৫৫)। তিনি রায়পুরা পৌর এলাকার বাসিন্দা ও ফার্নিচার ব্যবসায়ী ছিলেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর এলাকার তুলাতুলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও হারুনের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেলে তুলাতুলী এলাকার একটি মাঠে কয়েকজন শিশু ঘুড়ি ওড়াচ্ছিল। শিশুদের মধ্যে হারুন খানের মেয়ের ঘরের দুই নাতি আলী ও আলাদীন এবং প্রতিবেশী জালাল মিয়ার মেয়ের ঘরের নাতি আবদুল আহাদ ছিল।

ঘুড়ি ওড়ানোর সময় শিশুদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এর জেরে বড়দের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জালাল মিয়ার লোকেরা হারুন খানকে কিলঘুষি দিলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের লোকজন হারুনকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আরও পড়ুন


ক্ষমতায় যেতে এবার রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের টোপ!

টিকটকারদের ভয়ংকর ফাঁদ, কয়েকশ জনকে খুঁজছে পুলিশ

এখনও ফ্রান্সের প্রধান অস্ত্র ক্রেতা সৌদি আরব

পাপারাজ্জি থেকে বাঁচতে মেয়েকে বুকে চেপে ধরলেন আনুশকা


রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিহত ব্যক্তির লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেব দুলাল দে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত জালাল মিয়া ও তাঁর মেয়ে কুলসুম আক্তারকে আটক করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছেন হারুন খানের স্ত্রী নাসরিন বেগম। 

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

বিপুল পরিমাণ চোরাই তেল ও পোড়া মবিল জব্দ

কুমিল্লায় নিম্নমানের বিটুমিন তৈরির কারখানায় অভিযান, আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নিম্নমানের বিটুমিন তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে, বিপুল পরিমাণ চোরাই তেল ও পোড়া মবিল জব্দ করেছে র‌্যাব। এ ঘটনায় আব্দুল মান্নান ও ফোরকান নামের দুজনকে আটক এবং কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। 

গত মঙ্গলবার চৌদ্দগ্রামের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থিত ‘মেসার্স আলম অ্যান্ড কম্পানি’ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় র‌্যাব। কারখানাটিতে ভেজাল জ্বালানি তেল ও বিটুমিন তৈরি করা হতো বলে জানিয়েছে র‌্যাব। অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত, আব্দুল মান্নানকে এক বছর এবং ফোরকান মিয়াকে ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা র‌্যাব-১১ সিপিসি-২-এর উপ-পরিচালক ও কম্পানি অধিনায়ক মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিবের নেতৃত্বে, র‌্যাবের একটি টিম এ অভিযানে নামে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থিত, ওই কারখানায় অভিযানে দুটি তেলবাহী ট্রাক ও একটি ডিজেলভর্তি পিকআপসহ বিপুল পরিমাণ চোরাই তেল ও পোড়া মবিল জব্দ করা হয়।

আরও পড়ুন


পরীমনি কেনো এতো রাতে বোট ক্লাবে যাবে: সোহান (ভিডিও)

ক্লাবে ঢুকে মদ না পেয়ে তারা ভাঙ্গচুড় চালায় : ক্লাব কর্তৃপক্ষ (ভিডিও)

অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করলেন পরীমনি (ভিডিও)

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

সিলেটে মা ও ভাই-বোনকে হত্যা: নানাবাড়িতে থাকায় বেঁচে যায় আফসান

অনলাইন ডেস্ক

সিলেটে মা ও ভাই-বোনকে হত্যা: নানাবাড়িতে থাকায় বেঁচে যায় আফসান

সিলেটের গোয়ানইঘাটে দুই শিশু সন্তানসহ মা আলিমাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ভাগ্যের কারণে বেঁচে যায় তার ৫ বছর বয়সী আরেক ছেলে আফসান। ঘটনার রাতে আফসান পার্শ্ববর্তী রাধানগর এলাকায় নানাবাড়িতে ছিল। তবে এখনও মা ও ভাই-বোন হত্যার খবর জানে না সে।

আফসানের নানা আইয়ুব আলী বলেন, ‘আফসান বর্তমানে আমাদের বাড়িতে আছে। তাকে মা ও ভাই-বোনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। সে ওই বাড়িতে থাকলে হয়তো তাকেও হত্যা করা হতো।’

বুধবার (১৬ জুন) সকালে গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি দক্ষিণ পাড়া গ্রামের নিজ ঘর থেকে হিফজুর রহমানের স্ত্রী আলিমা বেগম (৩৫), আট বছর বয়সী শিশু মিজানুর রহমান এবং তিন বছর বয়সী তানিশা বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘর থেকেই হিফুজরকেও আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করেছিল জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত এবং অনেককে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে এখন পুলিশের প্রধান সন্দেহভাজন ওই দুই শিশুর বাবা ও আলিমার স্বামী হিফজুর রহমান।

বুধবার বিকেলে সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘হিফজুর রহমান প্রথম থেকেই সন্দেহজনক আচরণ করছেন। প্রথমে আমরা তা বুঝতে পারিনি। তিনি ঘরের ভেতরে অজ্ঞানের ভান করে পড়েছিলেন। তবে হাসপাতালে নেয়ার পর বুঝা যায় তার আঘাত গুরুতর নয়। আর যে বটি দিয়ে তাদের গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে সেই বটিও তাদের নিজ ঘরের।’

আরও পড়ুন


নওগাঁয় ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার শাস্তি তিন থাপ্পড়, জরিমানার টাকাও মাতব্বরের পকেটে

যানজট থেকে মুক্তি দিতে জয়দেবপুর-কমলাপুর বিশেষ ট্রেন

পরমাণু যুদ্ধ এড়িয়ে চলতে পুতিন-বাইডেনের যৌথ বিবৃতি

৬ মাস ধরে ২০ বছর বয়সী মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না পুলিশ বাবা


তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘সাধারণত ঘুমানোর আগে সবাই হাত পা ধুয়ে ঘুমাতে যান। হিফজুরের স্ত্রী সন্তানদের মরদেহের হাত-পাও পরিষ্কার ছিল। অথচ হিফজুরের পায়ে বালি ও কাদা লাগানো ছিল। এতে বুঝা যাচ্ছে তিনি ঘটনার রাতে ঘুমাননি।’

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ বলেন, ‘বেশ কিছু কারণে আমরা দিনমজুর হিফজুরকে সন্দেহ করছি। তিনি হাসপাতালে পুলিশের নজরদারিতে আছেন। তবে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি এবং কাউকে আটক করা হয়নি।’

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার শাস্তি তিন থাপ্পড়, জরিমানার টাকাও মাতব্বরের পকেটে

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁয় ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার শাস্তি তিন থাপ্পড়, জরিমানার টাকাও মাতব্বরের পকেটে

থানায় অভিযোগ করলে গ্রামে থাকতে দেবে না এমন শঙ্কায় মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে গ্রামের মাতব্বরের কাছে যান মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়নের এক কৃষক। এরপর সালিশ বৈঠক ডেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তি হিসেবে তিন থাপ্পড় ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ছাত্রীর স্বজনদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাঁর স্বজনেরা গ্রামের প্রভাবশালী হওয়ায় এমন বিচার মেনে নিতে হয়েছে তাঁদের। গত রোববার রাতে গ্রাম্য ওই সালিশ বৈঠক হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম খোদাবক্স মন্ডল (৪৫)। সালিস বৈঠকে বিচারের কাজ করেন তাঁর চাচাতো ভাই সেকেন্দার আলীসহ গ্রামের মাতব্বর আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল।

এ বিষয়ে কথা হয় ছাত্রীর বড় ভাই ও ভাবির সঙ্গে। তাঁরা বলেন, সালিশ বৈঠকে শ্লীলতাহানির সত্যতা পাওয়ার পরও দোষী ব্যক্তিকে উপযুক্ত সাজা দেওয়া হয়নি। বিচারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে জোর করে সাদা স্টাম্পে ছাত্রী ও বাবার স্বাক্ষর করে নেওয়া হয়েছে। বিচার সুষ্ঠ না হলেও মাতব্বরদের সিদ্ধান্তই মানতে হবে। এর বাইরে গেলে গ্রামেই থাকা যাবে না হয়তো।

ভুক্তভোগী মেয়ে একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার স্বজনেরা জানান, গত ১০ জুন বিকেলে কিশোরী বাড়িতে নিজের কক্ষে একাই ছিল। প্রতিবেশী খোদাবক্স তখন ঘরে ঢুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। কিশোরীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে খোদাবক্স পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা গ্রামের মাতব্বরের কাছে বিচার দাবি করেন।

মাতব্বরেরা বিষয়টি নিয়ে গত রোববার রাতে সালিশ-বৈঠকে বসেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেয়েটির বাবাকে অভিযুক্ত খোদাবক্সকে তিনটি থাপ্পড় মারতে বলা হয়। এ ছাড়া খোদাবক্সকে জরিমানা করা হয় ২০ হাজার টাকা।

স্কুলছাত্রীর বড় ভাই অভিযোগ করেন, খোদাবক্সের বিরুদ্ধে এর আগেও এক নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু গ্রামের মধ্যে তিনি ও তাঁর স্বজনেরা প্রভাবশালী। তাঁর চাচাতো ভাই সেকেন্দার গ্রামের প্রধান মাতব্বর। সেকেন্দারের প্রভাব খাটিয়ে গ্রামের মাতব্বরদের দিয়ে এমন লঘু শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন। জরিমানার টাকাও সেকেন্দার নিজে রেখে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন


যানজট থেকে মুক্তি দিতে জয়দেবপুর-কমলাপুর বিশেষ ট্রেন

পরমাণু যুদ্ধ এড়িয়ে চলতে পুতিন-বাইডেনের যৌথ বিবৃতি

৬ মাস ধরে ২০ বছর বয়সী মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না পুলিশ বাবা

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান


এ বিষয়ে সেকেন্দার আলী বলেন, বৈঠকে মাতব্বরেরা সবাই সিদ্ধান্ত নেন জরিমানার ২০ হাজার টাকা তাঁর (সেকেন্দার) কাছে রাখা হবে এবং মেয়েটির যখন বিয়ে হবে, তখন এই টাকা খরচ করা হবে। কারণ, মেয়েটির বাবা খুব গরিব। এই টাকা তাঁদের হাতে দিলে তা খরচ হয়ে যাবে।

শ্লীলতাহানির সালিশ বৈঠকে বিচারের বিষয়ে মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, তিনি এ ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন না। থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বুধবার দিবাগত রাতে এ রকম একটি ঘটনা শুনেছি। তবে বিস্তারিত জানি না। সরেজমিন পরিদর্শন করে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

যানজট থেকে মুক্তি দিতে জয়দেবপুর-কমলাপুর বিশেষ ট্রেন

মোহাম্মদ আল-আমীন, গাজীপুর

যানজট থেকে মুক্তি দিতে জয়দেবপুর-কমলাপুর বিশেষ ট্রেন

গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ঢাকা বিমানবন্দর পর্যন্ত অসহনীয় যানজটের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে লাখো মানুষদের। বর্ষা মৌসুমেও এই রাস্তায় বিআরটিএ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় প্রতিদিন অবর্ণনীয় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে অফিসগামী মানুষকে। ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা ৩৭ জেলার মানুষদেরকেও। যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে তাদের। আর এই দুর্ভোগ কমাতে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। 

বুধবার (১৬ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। তিনি বলেন, আগামী রোববার (২০ জুন) থেকে গাজীপুর-কমলাপুর রুটে চালু হচ্ছে বিশেষ ট্রেন সার্ভিস। 

প্রতিমন্ত্রী তার ফেসবুক পাতায় লেখেন, ‌‘এই দুর্ভোগের হাত থেকে মানুষকে কিছুটা হলেও রক্ষা করতে আজ (১৬ জুন) রাতে মাননীয় রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আগামী রোববার থেকে গাজীপুর থেকে টঙ্গী হয়ে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে টঙ্গী হয়ে গাজীপুর পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এ জন্য মাননীয় রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। জনগণের দুর্ভোগ লাগবে আমার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সব ধরনের উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত রাস্তাটিকে যানজটমুক্ত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিআরটি প্রজেক্ট আমাদের উপহার হিসেবে দিয়েছেন। কিন্তু ঠিকাদারদের ক্রমাগত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে অনেক বছর ধরে ধীর গতিতে কাজ করায় মানুষের দুর্ভোগের কোনো সীমা নেই। আবার যখন বর্ষাকাল আসে এই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন


পরমাণু যুদ্ধ এড়িয়ে চলতে পুতিন-বাইডেনের যৌথ বিবৃতি

৬ মাস ধরে ২০ বছর বয়সী মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না পুলিশ বাবা

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি


বিআরটি প্রজেক্টে দায়িত্বপালনরত সচিব, পিডিসহ সবাইকে প্রায় প্রতিদিনই কয়েকবার করে ফোন করছি যাতে টঙ্গী গাজীপুরবাসীসহ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী ৩৭ জেলার মানুষদের এই দুর্ভোগের হাত থেকে দ্রুত রক্ষা করা যায়। সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসনসহ সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে। গাজীপুর যাওয়ার সব বিকল্প রাস্তাগুলোয় একসঙ্গে কাজ চলমান থাকায়, সেই রাস্তাগুলো বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে না পারায় এই দুর্ভোগ যেন আরও বেড়ে গেছে।’

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

৬ মাস ধরে ২০ বছর বয়সী মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না পুলিশ বাবা

অনলাইন ডেস্ক

৬ মাস ধরে ২০ বছর বয়সী মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না পুলিশ বাবা

ছয় মাস আগে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাড়ি থেকে অভিমান করে বের হয়ে যান আঁখি আক্তার (২০) নামের এক তরুণী। এরপর আর ফিরে আসেননি আঁখি। গত ৬ মাস ধরে মেয়েকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ কনস্টেবল বাবা।

আঁখি আক্তার ময়মনসিংহের আলতাফ গোলন্দাজ ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী। এ বছর তার এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা।

এ বিষয়ে আঁখির পরিবারের পক্ষ থেকে ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জিডি নম্বর-১১৭০। গত বছরের ডিসেম্বরের ৩০ তারিখে এই জিডি করা হয়।

জিডিতে বলা হয়, আঁখির উচ্চতা পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি, গায়ের রং ফরসা, মুখমণ্ডল লম্বাকৃতি। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল কালো ও খয়েরি রঙের সালোয়ার–কামিজ এবং সাদাকালো বোরকা।

আরও পড়ুন


আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


কেউ সন্ধান পেলে গফরগাঁও থানায় বা মাদারগঞ্জ থানায় আঁখির বাবা আবু তাহরের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

আঁখির বাবা মো. আবু তাহের পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানায় কর্মরত আছেন। তিনি জানান, ছয় মাস ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের সন্ধান পাননি তিনি।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর