৫ জুন, ইতিহাসের এই দিনে

অনলাইন ডেস্ক

৫ জুন, ইতিহাসের এই দিনে

আজ ৫ জুন, গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ১৫৬তম (অধিবর্ষে ১৫৭তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২০৯ দিন বাকি রয়েছে। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:

১৫০৭ - ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস এর মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন।
১৬৬১ - আইজ্যাক নিউটন কেমব্রিজের টিনিটি কলেজে ভর্তি হন।
১৭৮৩ - ফ্রান্সে জনসমক্ষে প্রথম বাষ্পচালিত বেলুন উড়িয়ে দেখান মন্টগলফারায় ভাইয়েরা।
১৮০৬ - লুই বোনাপাত হলান্ডের রাজা নিযুক্ত।
১৮৪৯ - ডেনমার্কে রাজতন্ত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়।
১৮৭০ - তুরস্কের কনস্টান্টিনোপল শহরের অধিকাংশই আগুনে পুড়ে যায়।
১৯১৫ - ডেনমার্কে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান।
১৯১৬ - তুর্কিদের বিরুদ্ধে আরব বিপ্লব শুরু হয়।
১৯২৬ - তুরস্কে সর্বশেষ জানেসারি বিপ্লবের সূচনা।
১৯৪০ - প্রথম রাবারের টায়ার প্রদর্শিত হয়।
১৯৬৭ - দখলদার ইসরাইল ও আরব দেশগুলির মধ্যে তৃতীয় যুদ্ধের সূচনা হয়।
১৯৭২ - সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ - স্টকহোম বৈঠকে প্রতিবছর এই দিনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
১৯৭৫ - কমন মার্কেট থাকা না থাকা নিয়ে ব্রিটেনের ইতিহাসে সর্বপ্রথম গণভোট। অধিকাংশ ভোট কমন মার্কেট থাকার পক্ষে পড়ে।
১৯৭৬ - আট বছর বন্ধ থাকার পর সুয়েজ খাল পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।
১৯৮৩ - অমৃতস্বর স্বর্ণ মন্দিরে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর হামলা। উগ্রপন্থী ৬’শ হিন্দু নিহত।
১৯৯৭ - আলজেরিয়ায় প্রথম বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

জন্ম:

৪৬৯   - খ্রীষ্টপূর্ব সক্রেটিস গ্রিক দার্শনিক (মৃত্যু ৩৯৯ খ্রীষ্টপূর্ব )
১৭২৩ - বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ এ্যাডাম স্মিথ।
১৭৭০ - তুরস্কের সুলতান দ্বিতীয় মুস্তফা।
১৯৫৪ - আমেরিকান অভিনেত্রী ন্যান্সি স্টাফোর্ড।
১৯৭১ - আমেরিকান অভিনেতা মার্ক ওয়ালবার্গ।

আরও পড়ুন:

 কারাগারে ছেলের মৃত্যুর বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে বাবার মামলা

 বজ্রপাতে একদিনে প্রাণ গেল ১০ জনের

 এবার ফেসবুকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ট্রাম্প

 বজ্রপাত থেকে বাঁচতে করণীয়

 

মৃত্যু:

৮৪২ - আব্বাসীয় খলিফা মুতাসিম বিল্লাহ।
১২৫৯ - জাপানের সম্রাট সানজোর।
১৩১৬ - ফ্রান্সের রাজা দশম লুই।
১৯১০ - ও হেনরি, প্রখ্যাত মার্কিন ছোট গল্পকার।
১৯৬৮ - আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রবার্ট কেনেডি।
২০০৪ - রোনাল্ড রেগান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম রাষ্ট্রপতি।

দিবস:

বিশ্ব পরিবেশ দিবস

 news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

তিমির পেট থেকে বেঁচে ফিরলেন প্যাকার্ড!

অনলাইন ডেস্ক

তিমির পেট থেকে বেঁচে ফিরলেন প্যাকার্ড!

বিশাল আকৃতির এক হ্যাম্পব্যাক তিমির শিকারিকে গিলে ফেলেছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন লবস্টার। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড তিমির পেটের মধ্যে থাকার পর ফিরে বেঁচে ফিরে এসেছেন ওই লবস্টার শিকারি।

লবস্টার শিকারি মাইকেল প্যাকার্ড বলছেন, সেই সময় তিনি সাগরের নীচে লবস্টার বা বড় আকারের চিংড়ি মাছের খোঁজ করছিলেন। তখন বিশাল ওই তিমিটি তাকে গিলে ফেলে। এরপর প্রায় ৩০-৪০ সেকেন্ড তিনি তিমির পেটের মধ্যে থাকেন। তারপর তিমিটি তাকে মুখ থেকে থুতুর সঙ্গে বের করে দেয়।প্যাকার্ডের গোড়ালি একটু মচকে যাওয়া ছাড়া তার আর কোন ক্ষতি হয়নি। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ডুবুরির কাজ করে আসছেন প্যাকার্ড।

হ্যাম্পব্যাক তিমি ৫০ ফিট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং একেকটির ওজন হতে পারে প্রায় ৩৬ টন। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফ ফান্ডের তথ্য অনুযায়ী, এখন বিশ্বে এরকম তিমির সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার।

৫৬ বছরের মাইকেল প্যাকার্ড কেপ কড টাইমসকে বলেছেন, তিনি এবং তার সহযোগী মিলে তাদের নৌকা জা'ন জে নিয়ে শুক্রবার সকালে হেরিং কোভে যান। সেখানে পরিবেশ ছিল চমৎকার এবং পানিতে দৃষ্টিসীমা ছিল প্রায় ২০ ফিট। ডব্লিউবিজেড-টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ''স্কুবা গিয়ার নিয়ে নৌকা থেকে পানিতে নেমে ডুব দেয়ার পরেই, আমি বিশাল একটা ধাক্কা অনুভব করলাম এবং সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেলো।'' তিনি ধারণা করেছিলেন, তিনি হয়তো বিশাল আকৃতির সাদা তিমির হামলার শিকার হয়েছেন, যেগুলো ওই এলাকায় সাঁতরে বেড়ায়।

প্যাকার্ড বলেন,''আর তখন আমি বুঝলাম, হায় ঈশ্বর, আমি একটা তিমির মুখের ভিতরে চলে গেছি আর সে আমাকে গিলে ফেলার চেষ্টা করছে। এটাই শেষ, আমি মরে যাচ্ছি।'' প্যাকার্ড বলছিলেন, “সেই সময় তার স্ত্রী আর তার দুই পুত্রের কথা মনে হচ্ছিল। এরপর হঠাৎ করে সে পানির ওপরে ভেসে উঠে প্রবলভাবে মাথা নাড়তে লাগলো। আমাকে যেন বাতাসে ছুঁড়ে ফেলা হলো আর আমি আবার পানিতে পড়ে গেলাম। আমি মুক্ত হয়ে পানিতে ভেসে রইলাম। আমি সত্যি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না...আমি যেন সেই গল্প বলার জন্যই এখানে রয়েছি।'' এরপর তার সহযোগী দ্রুত তাকে নৌকায় তুলে নেন।

কেপ কড হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তার এই অবিশ্বাস্য ঘটনার বিস্তারিত জানতে সাংবাদিকরা প্যাকার্ডের কাছে ছুটে যান। হ্যাম্পব্যাক তিমি সাধারণত মুখ যতটা সম্ভব হা করে মাছ, ক্রিল বা অন্য খাবার খেয়ে থাকে। তবে সমুদ্র বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্যাকার্ডের ক্ষেত্রে যা হয়েছে, তা সম্ভবত একটি দুর্ঘটনা।

এদিকে স্থানীয় সংবাদপত্র দি কেপ কড টাইমসকে একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, তিমি কখনো কোন মানুষকে গিলে খেয়েছে বলে তিনি শোনেননি। সূত্র: বিবিসি বাংলা


শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের চলমান ছুটি বাড়ল

উপ-নির্বাচনে তিন আসনের আ.লীগের প্রার্থী ঘোষণা

১০০ কোটি টিকা দরিদ্র দেশগুলোতে দেবে বিশ্ব নেতারা

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

লাখ টাকায় বিক্রি হয় শূকর 'পিগক্যাসো'র আঁকা ছবি

অনলাইন ডেস্ক

লাখ টাকায় বিক্রি হয় শূকর 'পিগক্যাসো'র আঁকা ছবি

শূকরছানাটির নাম পিগক্যাসো। একটি কসাইখানা থেকে মাত্র ৪ সপ্তাহ বয়সে তাকে উদ্ধার করা হয়েছিল। যে নারী তাকে উদ্ধার করেন তিনি একজন চিত্রশিল্পী। হঠাৎ একদিন নিজে থেকেই মুখে তুলি তুলে নিয়ে ছবি আঁকতে শুরু করে শূকরছানাটি!

ক্রমশ ধীরে ধীরে তার ছবি আঁকার প্রতিভা বিকশিত হতে থাকে! এখন তার আঁকা একেকটি ছবি অন্তত দুই থেকে তিন লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

এর আগে আরও অন্য বিভিন্ন প্রাণীকে ছবি আঁকতে দেখা গেলেও পিগক্যাসোই প্রথম শূকর যে এই সৃজনশীলতার দিকে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছে সারা বিশ্বে।

২০১৬ সালে শূকরটিকে উদ্ধার করে দক্ষিণ আফ্রিকায় নিয়ে আসা হয়। আর এখন তার ওজন ৪৫০ পাউন্ড।


আরও পড়ুনঃ


আবারও সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিয়ের সাজে শ্রাবন্তী!

শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার

টঙ্গীতে বস্তিতে আগুন, শত শত ঘর পুড়ে ছাই

করোনাকালে সারাদেশে ১৫১ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা


বিভিন্ন সংস্থার মতো এই শূকরটির একটি নিজস্ব একটি ওয়েবসাইটও রয়েছে। সেখানে তার আঁকা এই সুন্দর ছবিগুলোর এক্সিবিশন হয়। পিগক্যাসোর আয় করা টাকার প্রায় পুরোটাই যায় প্রাণীদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গঠিত বিভিন্ন সেবামূলক সংস্থায়।

উল্লেখ্য, বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, শূকরের এই বিশেষ প্রতিভায় অবাক হওয়ার কিছু নেই। শূকররা জন্মগতভাবেই খুবই সৃজনশীল এবং বুদ্ধিদীপ্ত প্রাণী।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি

অনলাইন ডেস্ক

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি

কাজ করিয়েও পুরো টাকা না দেওয়ায় শাস্তি পেলেন জে কুর্জি নামের এক ব্যক্তি। তিনি ইংল্যান্ডের লেস্টারের স্টোনিগেটের বাসিন্দা।

এই এলাকাতেরসম্প্রতি একটি বাড়ি কিনেছিলেন তিনি। তার পর সেটিকে বাসযোগ্য করার জন্য খরচ করেছেন ৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে বাড়িটির কাজ শুরু হয়। বাড়িটির দোতলার সঙ্গে আরও একটি পরিবর্ধিত কাঠামো তৈরি করেন তিনি। পাশাপাশি পুরো বাড়িতেই নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ, নতুন ছাদ এবং সর্বোপরি গোটা বাড়িকেই পরিবেশ-বান্ধব করে তোলার পরিকল্পনা ছিল তার।

কিন্তু মিস্ত্রির কাজে খুব একটা সন্তুষ্ট ছিলেন না তিনি। কারণ তিনি যেমনটা চেয়েছিলেন তা পুরোপুরি করে দেননি তিনি।

এ দিকে মিস্ত্রি তাকে মোটা টাকা বিল ধরিয়ে দিয়েছিলেন। তার মধ্যে ওই ৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা তিনি মিটিয়েও দেন।

কিন্তু তার পরও মিস্ত্রি আরও ৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা পেতেন। বিবাদের সূত্রপাত এই টাকা নিয়েই।

জে-র সঙ্গে এই টাকা নিয়ে মিস্তির বাকবিতণ্ডা হয় একাধিক বার। জে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি ছাড়া মিস্ত্রি আর কিছু করতেও পারছিলেন না।


আরও পড়ুন


নতুন প্রজাতির ৯৮ ফুট দীর্ঘ ডাইনোসরের সন্ধান অস্ট্রেলিয়ায়

কম ভাড়ায় ৪ বিভাগে পুলিশ বাস সার্ভিসের যাত্রা শুরু আজ

আগের প্রেমিকার ঘরেও ছেলে আছে যশের, জানুন নুসরাত-যশের অজানা কাহিনী

জনসম্মুখে থাপ্পড় খেয়ে যা বললেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

তবে সুযোগ খুঁজছিলেন প্রতিশোধের। সম্প্রতি বাড়ি থেকে ৩০০ কিমি দূরে সপরিবার ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন জে। সেই খবর পেয়েই লোকজন নিয়ে তাঁর ফাঁকা বাড়িতে হানা দেন ওই মিস্ত্রি।

বাড়ির ছাদ, বর্ধিত অংশ-সহ অনেকটাই ভেঙে দেন তিনি। এ খবর জে-র কানে পৌঁছেছে। তিনি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগও করেছেন। তবে তাতে কোনও কাজ হয়নি বলে জে-র দাবি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

দাড়ি কামাতে মোদিকে ১০০ টাকা পাঠালো চা বিক্রেতা

অনলাইন ডেস্ক

দাড়ি কামাতে মোদিকে ১০০ টাকা পাঠালো চা বিক্রেতা

দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার কমছে। বাড়ছে বৈষম্য, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দাড়ি। এই দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে মোদিকে বেকারত্বের সমস্যা জানিয়ে চিঠি লেখার সাথে সাথে দাড়ি কামানোর জন্য পাঠালেন ১০০ টাকা। সাথে একটি বার্তা, ‘এই ১০০ টাকা দিয়ে দাড়ি কামিয়ে ফেলুন।’

মুম্বইয়ের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি খবর সম্প্রতি আলোড়ন তৈরি করেছে। জানা গেছে, অনীল মোরে নামক এক চা বিক্রেতা মোদিকে দাড়ি কামানোর জন্য ১০০ টাকা পাঠিয়েছেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এই সময় জানিয়েছে, ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা দেখে হতাশ অনীল। করোনা সংক্রমণের কারণে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। মহারাষ্ট্রের ইন্দাপুর রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালের উল্টো দিকে চায়ের দোকান অনীলের। চোখের সামনে নিজের ব্যবসার পাশাপাশি বহু বন্ধু, প্রতিবেশীদের কাজ হারাতে দেখেছেন তিনি। 
অনীল বলেন, 'নরেন্দ্র মোদি তার দাড়ি বাড়িয়েছেন। কিন্তু তার দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধির দিকে বেশি নজর দেওয়া উচিত ছিল। দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতি, টিকাকরণে গতি আনার দিকে নজর দেওয়া উচিত ছিল। করোনার দুটি ঢেউ সাধারণ মানুষকে যে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে, তারা সেখান থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসবে, তা দেখা উচিত ছিল প্রধানমন্ত্রীর।'
এই চা বিক্রেতা আরও বলেন, 'আমি প্রধানমন্ত্রীকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আমি বাস্তব পরিস্থিতিটা বুঝতে পারছি। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ১০০ টাকা পাঠাচ্ছি। এই টাকা দিয়ে উনাকে দাড়ি কামিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। আমি প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করতে চাইছি না। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে দেশের গরিব মানুষরা যেভাবে সমস্যায় ভুগছেন, তিনি সেই বিষয়ে বিন্দুমাত্র খোঁজ রাখছেন না। তাই তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছি।'


আরও পড়ুন


নতুন প্রজাতির ৯৮ ফুট দীর্ঘ ডাইনোসরের সন্ধান অস্ট্রেলিয়ায়

কম ভাড়ায় ৪ বিভাগে পুলিশ বাস সার্ভিসের যাত্রা শুরু আজ

আগের প্রেমিকার ঘরেও ছেলে আছে যশের, জানুন নুসরাত-যশের অজানা কাহিনী

জনসম্মুখে থাপ্পড় খেয়ে যা বললেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ


এখানেই শেষ নয়, প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে অনীল আরও লিখেছেন, যেসব পরিবার করোনায় পরিজনকে হারিয়েছেন তাদের পাঁচ লাখ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা উচিত কেন্দ্রের এবং যে সমস্ত পরিবার লকডাউনের জন্য আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে তাদের তিন লাখ টাকা দেওয়ার দাবি করেছেন তিনি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

২৮ জন স্ত্রীকে সামনে রেখে ৩৭ তম বিয়ে!

অনলাইন ডেস্ক

২৮ জন স্ত্রীকে সামনে রেখে ৩৭ তম বিয়ে!

আগের দিনের পুরুষরা বহু বিবাহ করত। এই সময়ে এসেও অনেকে দ্বিতীয়বার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। তবে, কেউ যদি ৩৭ বার বিয়ে করেন, সে ক্ষেত্রে অবাক না হয়ে উপায় থাকে না।

এমনটাই করেছেন এক ব্যক্তি। ৩৭ বার বিয়ে করেছেন তিনি। সেটাও আবার পুরো পরিবারকে সাক্ষী রেখে। পরিবার বলতে ২৮ জন স্ত্রী, ১৩৫ জন ছেলে-মেয়ে ও ১২৬ জন নাতি-নাতনি!

এর আগে ৩৬ জন নারীকে বিয়ে করেছেন তিনি। সেই কারণে তার সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের সংখ্যাটা বিশাল। বর্তমানে তার মোট স্ত্রীদের মধ্যে ২৮ জন বেঁচে আছেন এবং তারা ওই ব্যক্তির সঙ্গেই থাকেন।

ওই ব্যক্তির বিয়ের ভিডিও কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাতে পরিবারের সদস্যদের আনন্দ করতে দেখা যাচ্ছে। 

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর