আইসক্রিম কিনতে গিয়ে ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার

নাটোর প্রতিনিধি

আইসক্রিম কিনতে গিয়ে ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার

নাটোরে লালপুরে আইসক্রিম কিনতে বের হয়ে ৮ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৬ বছরের এক কিশোরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ধর্ষক কিশোর সজীব (১৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৪ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলায় কদিমচিলান ইউনিয়নের দ্বারপাড়া গ্রামে।
 
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ওই শিশুটি আইসক্রিম কিনতে রাস্তায় বের হয়। আইসক্রিম কেনা শেষে শেষে বাসায় ফেরার পথে অভিযুক্ত কিশোর সজীব (১৬) তাকে ফুসলিয়ে পাশের ঝোপের ভিতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। 

আরও পড়ুন


এবার ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় হিরো আলমের বিরহের গান (ভিডিও)

টিকটকারদের ভয়ংকর ফাঁদ, কয়েকশ জনকে খুঁজছে পুলিশ

মা হচ্ছেন নুসরাত, নিজের নয় বলে মন্তব্য স্বামীর!

পাপারাজ্জি থেকে বাঁচতে মেয়েকে বুকে চেপে ধরলেন আনুশকা


এ অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে বাবা-মাকে জানালে রক্তাক্ত অবস্থায় ভিকটিমকে বনপাড়ায় পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় বিকেলে ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ একই গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে সজীব কে আটক করে।

লালপুর থানার ওসি ফজলুর রহমান এ বিষয়ে জানান, প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে সজিবকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

তিন কেজি গাজাসহ বিজিবির হাতে ছাত্রলীগ নেতা আটক

অনলাইন ডেস্ক

তিন কেজি গাজাসহ বিজিবির হাতে ছাত্রলীগ নেতা আটক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ উদ্দিন (২২) তিন কেজি গাঁজাসহ বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বুধবার বিকালে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের রানওয়ে বাজার নামক স্থান থেকে গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

আসিফ উদ্দিন সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নোয়াবাদী গ্রামের ফারুক চৌধুরীর ছেলে।

জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের রানওয়ে বাজার নামক স্থানে গাঁজা পাচারকালে বিজিপি বিষ্ণুপুর ক্যাম্পের নায়েক মোস্তফা কামাল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করেন। এ সময় বিজিবির হাত থেকে পালিয়ে যায় একই ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের আলমগীর ভূঁইয়ার ছেলে রবিন মিয়া (২৭) ও মহেষপুর গ্রামের হুমায়ুন মিয়ার ছেলে আলমাছ মিয়া (২১) ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মহাসড়কে যেভাবে ছিনতাই করতো বুস্টার গ্যাং

অনলাইন ডেস্ক

মহাসড়কে যেভাবে ছিনতাই করতো বুস্টার গ্যাং

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে অত্যন্ত কৌশলে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের সবকিছু ছিনতাই করতো তারা।ব্যস্ততম এই মহাসড়কে রাতের বেলা ঢিল মেরে বা কৌশলে চাকা পাংচার করে গাড়ির গতিরোধ করত বুস্টার গ্যাং নামের চক্র।  পরে যাত্রীদের জিম্মি করে তাদের কাছে থাকা টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে নিত এই তরুণ সন্ত্রাসী গ্যাং। মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে এই গ্যাংয়ের মূল হোতা বুস্টার শাওনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (২২ জুন) রাত ১ টার দিকে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় কেরানীগঞ্জের আগানগর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১০ অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান বলেন, তাদের আস্তানায় আমরা তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে আমরা মাদক দ্রব্যও পাই। গ্যাংয়ের প্রত্যেকের বয়স ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

র‌্যাব বলছে, ডাকাতি ছাড়াও এই গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদক ব্যবসা, ইভটিজিং, চাঁদাবাজি ও জমি দখল করে ভয় ভীতি দেখিয়ে এলাকাবাসীকে জিম্মি করে রেখেছিল।

র‌্যাব-১০ অধিনায়ক বলেন, ওই এলাকার জনগণ প্রায় জিম্মি অবস্থায় ছিল। গ্যাংটি গ্রেপ্তারের পর স্থানীয়রা বিভিন্নভাবে আমাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
এই গ্যাংয়ের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে। এদের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানায় র‌্যাব।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পরকীয়ার জেরে না ফেরার দেশে সোনিয়া

অনলাইন ডেস্ক

পরকীয়ার জেরে না ফেরার দেশে সোনিয়া

পরকীয়ার জেরে দুই মাস আগে স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন স্বামী রিমন। কিন্তু এবার স্বামীর পরকিয়া ও পারিবারিক অশান্তির জেরে সংসারের মায়া ত্যাগ করে ফাঁস দিয়েছেন স্ত্রী সোনিয়ো। ​তাকে প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লা থানার শাসনগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বুধবার সকালে লাশ উদ্ধার ও নিহতের স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নিহত সোনিয়া আক্তার বরগুনার আমতলী থানার দক্ষিণ টেপুরা গ্রামের সোহরাব শিকদারের মেয়ে। গ্রেফতারকৃত রিমন চৌকিদার পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানার চালিতাবুনিয়া গ্রামের আজিজ চৌকিদারের ছেলে।

নিহতের খালু মো. আনোয়ার হোসেন সোহাগ জানান, চার বছর আগে রিমন চৌকিদারের সঙ্গে বিয়ে হয় সোনিয়া আক্তারের। বিয়ের পর থেকেই তারা ফতুল্লায় বসবাস করছিলেন এবং স্থানীয় গার্মেন্টসে কাজ করতেন। সাত মাস ধরে নিজ কর্মস্থলের এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন রিমন। এ নিয়ে সোনিয়ার সঙ্গে প্রায়ই তার ঝগড়া হতো।

তিনি আরো জানান, পরকীয়ার জেরে দুই মাস আগে সোনিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন রিমন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ও পারিবারিকভাবে শালিস হয়। মঙ্গলবার রাতেও একই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে রিমন ঘুমানোর পর সোনিয়া ফ্যানের সঙ্গে ওড়ানা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

গৃহশিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কে প্রাণ গেল তিন জনের!

অনলাইন ডেস্ক

গৃহশিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কে প্রাণ গেল তিন জনের!

দুই মেয়ের সঙ্গে মা মৌসুমী ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

নিজের মা ও বোনকে হত্যা করেন ঘরের বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন মেহজাবিন। পাশাপাশি এ মামলায় অন্যতম আসামি স্বামী শফিকুল ইসলামকেও রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রিমান্ডে  মেহজাবিন জানাচ্ছে নিত্য নতুন তথ্য। রিমান্ডে এ হত্যাকাণ্ডের দায় একাই নিজের কাঁধে নিয়েছেন মেহজাবিন ইসলাম মুন।  ঘটনায় তদন্তে নেমেছেন আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। 

তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা জানান, পরিবারটির সদস্যদের মধ্যে জটিলতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। বড় মেয়ে মেহজাবিন মুনের বিয়ের আগে আমিনুল ইসলাম নামের এক যুবক মুনকে প্রাইভেট পড়াতেন। ওই সময় ছাত্রীর সঙ্গেও তার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ওই গৃহশিক্ষক সুযোগ পেয়ে ছাত্রীর মা মৌসুমীর সঙ্গেও অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দু’জনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্কের ভিডিও করে রেখেছিলেন আমিনুল। সেটি হয়ে ওঠে তার হাতিয়ার। ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তিনি মা-মেয়েকে জিম্মি করে অনৈতিক সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এমনকি তিনি মুনের ছোট বোন জান্নাতুল ইসলাম মোহিনী ও তার এক আত্মীয়ের সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ফেলেন।

পরিবারে গৃহশিক্ষক আমিনুলের সঙ্গে মা ও দুই মেয়ের বহুমুখী জটিলতাপূর্ণ সম্পর্কের একপর্যায়ে মেহজাবিন মুনকে শফিকুল নামের এক জনের সঙ্গে বিয়ে দেন মা মৌসুমী। এতে ক্ষিপ্ত হন অবাধ যৌনতার সুবিধাভোগী গৃহশিক্ষক আমিনুল। তিনি ছাত্রী মেহজাবিনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও তার স্বামীকে দেখান। এতে মুনের সংসারে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। পরিস্থিতিতে মা মৌসুমীও তখন আমিনুলের ওপর বিরক্ত হতে থাকেন।

ছাত্রী মেহজাবিন মুন, ছাত্রীর মা মৌসুমী ইসলাম এবং ছাত্রীর ছোট বোন জান্নাতুল ইসলাম মোহিনীর সঙ্গে আমিনুলের অবাধ যৌনতা এবং মোবাইলে ধারণ করা গোপন ভিডিও ধ্বংস করতে ছাত্রীর নতুন বিয়ে করা স্বামী শফিকুল, ছাত্রীর মা মৌসুমী এবং ছাত্রীর খালা শিউলী আক্তার পরিকল্পনা করে গৃহশিক্ষক আমিনুলকে বাসায় ডেকে নিয়ে গত ৫ বছর আগে হত্যা করেন। ওই ঘটনায় মেহজাবিন মুনকে আসামি করা হলেও পরে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়নি ঢাকা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। যে কারণে শফিকুল, মৌসুমী এবং শিউলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। যে মামলা তারা ৩ জন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আসেন।

এদিকে পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, পড়ালেখায় ভালো ছিলেন মুন। এসএসসি পরীক্ষায় তার জিপিএ-৫ পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার মা আগেই দুই মেয়েকে অসামাজিক কার্যকলাপে যুক্ত হতে বাধ্য করেছেন। এমনকি পরীক্ষা চলাকালেও তাদের ছাড় দেওয়া হয়নি, বাসায় আসা পুরুষদের সঙ্গে সময় কাটাতে হয়েছে। এ কারণে এসএসসিতে জিপিএ ৪.৮ পান মুন। 

কৈশোরে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত করায় মেহজাবিন মুন মায়ের ওপর ক্ষুব্ধ হতে থাকেন। আবার তার বাবা মাসুদ রানা প্রবাসে আরেকটি বিয়ে করেছেন, দুই মেয়ের ব্যাপারে তিনি কোনো মনোযোগ দেননি। মায়ের নির্যাতন থেকে মেয়েদের বাঁচাতে কোনো ভূমিকা না রাখায় তার প্রতিও ক্ষোভ জমতে থাকে মুনের।

এদিকে মুনের স্বামী শফিকুল শ্যালিকা জান্নাতি মোহিনীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ায় সংসার ভাঙার উপক্রম হয়। যে কারণে ছোট বোনকেও দুনিয়া থেকে সরানোর পরিকল্পনা করেন বড় বোন মুন।

গত শনিবার সকালে কদমতলীর মুরাদপুর রজ্জব আলী সরদার রোডের পাঁচতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল ইসলাম মোহিনীর (২০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

অচেতন অবস্থায় মেহজামিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে তৃপ্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় মেহজাবিন ও তার স্বামী শফিকুলের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় মামলা হয়েছে। রোববার মেহজাবিনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

গতকাল সোমবার মেহজাবিনের স্বামী শফিকুলকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেছেন, সেই রাতের ঘটনায় তার কোনো ভূমিকা ছিল না। 
news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি, গ্রেপ্তার ১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেসবুকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় ফয়সাল আহম্মেদ মিনা (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ফয়সাল আহম্মেদ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের নিজড়া জাঙ্গাল বাজার এলাকার আলমগীর মিনার ছেলে।

এর আগে, মঙ্গলবার রাতে এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. মাসুদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৬ জুন বিকাল ৩টায় ফয়সাল আহম্মেদ তার 'ফয়সাল আহমেদ' নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। পুলিশ ফেসবুকে এ ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। পরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত যুবককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। 

আরও পড়ুন:


চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!

পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড, দাফনের ১৫ দিন পর তরুণীর লাশ উত্তোল

পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর