টাইট জিন্সের অভ্যাসে দেহের যত ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক

টাইট জিন্সের অভ্যাসে দেহের যত ক্ষতি

দিন দিন নারী পুরুষ বিশেষ করে উঠতি বয়সি তরুণ-তরুণীদের অন্যতম পছন্দ ডেনিম বা জিন্স প্যান্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু  পছন্দের জিনিস যে স্বাস্থ্য হানিকারক তা কি জানেন? না জেনে থাকলে এই লিখাটি আপনার জন্য।

যদি টাইট জিন্সের প্যান্ট পরেন; সেক্ষেত্রে বিপদের মুখে পড়তে যাচ্ছেন আপনি! টাইট জিন্স পরার কারণে প্রজনন ক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগতে হতে পারে আপনাকে। 

বিভিন্ন গবেষণায় বলছে, টাইন জিন্সের কারণে নারীদের প্রস্রাব ইনফেকশনের আশঙ্কা বাড়ে। শুধু নারী নয় পুরুষদের জন্য ক্ষতিকর টাইট জিন্স পরা।

জিন্স প্যান্ট পরলে প্রজননের সমস্যা হয় কীভাবে? বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, টাইট জিন্সের কারণে পুরুষদের শুক্রাণু উৎপাদন ব্যাপক হারে কমে যায়। এতে তলপেট এবং প্রজনন অঙ্গের এলাকার উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাপ বেড়ে যাওয়ার কারণেই কমতে শুরু করে শুক্রাণু উৎপাদন। এর ফলে হ্রাস পায় প্রজননের ক্ষমতা। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ দিন টাইট জিন্স পরলে প্রজনন অঙ্গের ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ে বলে জানিয়েছে বেশ কিছু গবেষণা।

টাইট জিন্স পরলে উরু এবং কুঁচকির আশেপাশে রক্ত চলাচল করতে পারে না। ফলে ওইসব স্থানে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। বিশেষ করে যারা দিনে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা খুব টাইট জিন্স প্যান্ট পরে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি মাত্রায় দেখা যায়।

দীর্ঘক্ষণ টাইট প্যান্ট পরে থাকলে তলপেটে ব্যথা হতে পারে। কারণ পেটের পেশির স্বাভাবিক নড়াচড়া ব্যাহত হয়। শুধু তাই নয়, এ ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে কোমরেও। ক্রমশ এ ব্যথার কারণে স্বাভাবিকভাবে বসতে বা দাঁড়াতেও সমস্যা হয়।

জিন্স প্যান্টের সঙ্গে স্নায়ুর সমস্যার কি সম্পর্ক? টাইট প্যান্টের কারণে উরু এবং কোমরের দিকের স্নায়ুতে বেশি চাপ পড়ে। ফলে ক্রমশ সেই স্নায়ুর ক্ষতি হওয়ায় ব্যথা হয়। বয়স বাড়তেই এ সমস্যা আরও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

টাইট জিন্স পরার কারণে কুচকিসহ গোপনাঙ্গে ইস্ট-ঘটিত সংক্রমণ হয়ে থাকে। কারণ টাইট প্যান্ট পরলে ভেতরে হাওয়া চলাচল করতে পারে না। ঘাম হয়ে ইস্ট সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়তে থাকে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঔষধি গুণসম্পন্ন চকলেট!

অনলাইন ডেস্ক

ঔষধি গুণসম্পন্ন চকলেট!

চকলেট ছোটবড় সকলের পছন্দ হলেও এর স্বাস্থ্য অপকারিতার কথা শুনে অনেকেই চকলেটকে এড়িয়ে চলে। তবে চকলেটেরও রয়েছে কিছু গুণ যা জানলে হয়তো চকলেট সম্পর্কে আপনার নেতিবাচক ধারণা পাল্টে যাবে।

কয়েক বছর আগে একাধিক গুণসম্পন্ন চকলেট তৈরির দাবি জানিয়েছিলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কম্পানি। তাদের দাবি ছিল, বিশ্বে প্রথম একাধিক গুণসম্পন্ন চকলেট তৈরি করেছে তারা। এই চকলেট খেলে কমবে রক্তচাপ সেইসঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও ঠিক থাকবে।

চকলেটের মূল উপাদান কোকো বীজে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকে। তার সঙ্গেই এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু চকলেট তৈরির সময় এই কোকো বীজের কার্যকারিতা কিছুটা নষ্ট হয়ে যায়। কারণ চকলেট তৈরি করার সময় প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট ও চিনি মেশানো হয়।

একটি চকলেট বারে অন্তত ৭০ শতাংশ ফ্যাট ও চিনি থাকে। কিন্তু আমেরিকার কুকা এক্সোসিও নামের এক কোম্পানির দাবি, তাদের তৈরি নতুন চকলেট বারে ফ্যাট ও চিনির পরিমাণ মাত্র ৩৫ শতাংশ। তাই এই চকলেট শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং অধিক কার্যকর।


আরও পড়ুনঃ

ভাল থাকুক বিশ্বের সকল বাবা, যেভাবে দিবসটির শুরু

বিএনপি থেকে শফি আহমেদ চৌধুরীকে বহিষ্কার

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট রায়িসিকে অভিনন্দন জানাল হামাস

বিশেষ ট্রেন চালু, মাত্র এক ঘণ্টাতেই ঢাকা-গাজীপুর


ওই সংস্থার, মুখপাত্র গ্রেগরি আহারনিয়ানের দাবি, তারা কোকো গাছের নির্যাস ব্যবহার করে কোকো বিজের তিক্ততা কমিয়েছেন। কারণ চকলেট বারে চিনি, স্যাকারিন ও অতিরিক্ত ফ্যাট ব্যবহারের ফলে কোকো বিজের গুণ নষ্ট হয়ে যায়।

তাই নতুন চকলেটে চিনি ও ফ্যাটের পরিমাণ অর্ধেক কমিয়ে আনা হয়েছে। তাদের কম্পানি চিনি ও ফ্যাটের পরিমাণ ১০ শতাংশে নামিয়ে নতুন ধরনের চকলেট তৈরিরও চেষ্টায় রয়েছেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে যেসব খাবার

কিছু খাবার যেমন আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়, তেমনি বেশ কিছু ক্ষতিকর খাবার রয়েছে যা আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। অনেক সময় স্বাদের দিকে খেয়াল রাখতে গিয়ে আমরা ভুলে যাই কোন খাবারগুলো আমাদের শরীরের জন্য কতোটা ক্ষতিকর।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে আমাদের যেসব খাবার পরিহার করে চলা উচিত-

চিনি: সুস্বাস্থ্যের জন্য খাদ্যতালিকায় চিনির পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। খাবারে উচ্চমাত্রায় চিনির ব্যবহার রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে রোগপ্রতিরোধ প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রমের ক্ষতি করতে পারে।

লবণ:  প্যাকেজজাত চিপস, বেকারি জাতীয় খাবার এবং হিমায়িত খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। অতিরিক্ত লবণ শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে এমন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্যও ক্ষতিকর। তাই যতটা পারা যায় লবণ জাতীয় খাবার গ্রহণ কমিয়ে দিতে হবে।

ভাজাপোড়া খাবার: এগুলোতে এজিইএস (অ্যাডভান্সড গ্লাইকেশন ইন্ড প্রোডাক্টস) নামে এক ধরনের মোলেকালস থাকে। তাই অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খেলে প্রদাহ সৃষ্টিতে এবং স্যালুলার ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। উচ্চমাত্রায় এজিইএস দেহে প্রদাহ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং স্যালুলার কার্যক্রম ধ্বংস করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার- ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পটেটো চিপস, ফ্রাইড চিকেন, ফিশ এগুলো খাদ্যতালিকা থেকে কমাতে হবে।


আরও পড়ুনঃ

শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


অতিরিক্ত ক্যাফেইন: চা-কফিতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা স্বাস্থ্যকর। কিন্তু অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। যা প্রদাহ সৃষ্টি করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে। রাতে ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন গ্রহণ পরিহার করতে হতে।

অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান শরীরে রোগপ্রতিরোধের ওপর প্রভাব ফেলে। ফিমোনিয়া এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য অসুখে সহজে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ভারতের নতুন আতঙ্ক ‘গ্রিন ফাঙ্গাস’

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের নতুন আতঙ্ক ‘গ্রিন ফাঙ্গাস’

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস, হোয়াইট আর ইয়েলো এর পর এবার ভারতে নতুনভাবে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ‘গ্রিন ফাঙ্গাস’। মধ্যপ্রদেশে ৩৪ বছর বয়সী একজন করোনা আক্রান্ত রোগীর শরীরে গ্রিন ফাঙ্গাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ভারতে এটাই এই ফাঙ্গাসের শনাক্তের প্রথম ঘটনা। চিকিৎসকেরা বলছেন, করোনাকালে এই ফাঙ্গাস নতুন আতঙ্কের জন্ম দিতে পারে।


আরও পড়ুন

আবু ত্ব-হাকে খুঁজে বের করার দাবিতে সমাবেশ

ক্লাবে ঢুকে মদ না পেয়ে তারা ভাংচুর চালায় : ক্লাব কর্তৃপক্ষ (ভিডিও)

টিকা সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: চীনের আশ্বাস

জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে পরীমণিকে


ইন্দোরের শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের (এসএআইএমএস) বক্ষব্যাধি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক রবি দোশি বলেন, এটা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের নতুন একটি ঘটনা। এই ছত্রাকের বিষয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। গ্রিন ফাঙ্গাসে সংক্রমিত হলে রোগীর ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রবি দোশি জানান, ‘দুই মাস আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ওই রোগী। তবে তাঁর নাক থেকে রক্ত ঝরা, জ্বরের মতো উপসর্গ রয়ে গিয়েছিল। আমরা ভেবেছিলাম, তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে পরীক্ষার পরে দেখা যায়, ওই রোগী ব্ল্যাক নয়, বরং গ্রিন ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এটা তাঁর ফুসফুস, নসিকা গ্রন্থি ও রক্তে ছড়িয়েছে।

গ্রিন ফাঙ্গাস খুবই বিরল রঙের একটি ছত্রাক। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করা হলেও এটিকে সবথেকে মারাত্মক বলে ভাবা হচ্ছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

জন্মনিরোধক পিল কবে খাবেন?

অনলাইন ডেস্ক

জন্মনিরোধক পিল কবে খাবেন?

অপরিকল্পিত যৌনসঙ্গমের কারণে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি রয়ে যায়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে আজকাল জরুরি গর্ভনিরোধক পিল খাওয়ার একটা বেশ চল হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধের সাহায্য নেন বেশিরভাগ নারী। গর্ভনিরোধক ওষুধ খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা কী কী প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে, এ বিষয়ে আমাদের অনেকেরই তেমন ধারণা নেই। আজ আপনাদের জানাবো , ইমারজেন্সি পিল আপনার জন্য কতটা নিরাপদ?

ইমারজেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিলস ব্যবহারের কিছু নিয়ম রয়েছে। আসুন, জেনে নিই সে সম্পর্কে

গর্ভনিরোধক ওষুধকে অনেকে ‘মর্নিং আফটার পিল’ও বলে থাকেন। তবে এই ওষুধ সঙ্গমের পরের দিন সকালেই খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। রাতে সঙ্গমের পরও খেতে পারেন। যত তাড়াতাড়ি খাবেন, তত ভালো কাজ করবে গর্ভনিরোধক ওষুধ।


গর্ভনিরোধক ওষুধ গর্ভপাত করায় না, শুধু ডিম্বস্ফোটন বা ওভিউলেশনের সময় পিছিয়ে দিয়ে গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করে। তাই গর্ভধারণের পর এই জাতীয় ওষুধ খেলে কোনো কাজ হবে না।

গর্ভনিরোধক ওষুধ খেলে ওজন বেড়ে যাবে ভেবে অনেকেই ভয় পান। যদিও এর সঙ্গে ওজন বাড়ার কোনো সম্পর্ক নেই।

কোনো গর্ভনিরোধক ওষুধই গর্ভধারণ রোধ করার শতভাগ প্রতিশ্রুতি দেয় না। তাই কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ খাওয়ার পরও প্রেগন্যান্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়ার ফলে পিরিয়ড সাইকেল অনিয়মিত হতে পারে। এ ছাড়া মাথা ঘোরা, বমির মতো সমস্যা হতে পারে।

অপরিকল্পিত গর্ভধারণ রুখতে গর্ভনিরোধক ওষুধই শেষ কথা নয়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো কপার আইইউডি। এটি ১০ বছর পর্যন্ত প্রেগন্যান্সি রুখতে সক্ষম।

সবশেষ কথা হলো, অপরিকল্পিতভাবে যৌন মিলনের পর প্রথমেই গর্ভনিরোধক ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

যে কারণে তিনবেলা ডাল খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে তিনবেলা ডাল খাবেন

খাবার হিসেবে ডাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকার কারনে একে গরীবের আমিষও বলা হয়ে থাকে। বিশ্বের অনেক দেশেই অধিকাংশ মানুষের দুপুর বা, রাতের খাবারে নিয়মিত ডাল থাকে। তবে পুষ্টিগুণের দিকে খেয়াল করলে প্রতিবেলা খাবারে ডাল রাখা যেতে পারে।

সুস্বাস্থ্য গড়ার জন্য খাদ্য তালিকায় তিনটি উপাদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ- পুষ্টি, মানসম্পন্ন প্রোটিন ও ফাইবার। আর এই তিনটি উপাদানই একসঙ্গে ডালে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার ক্ষুধা নিবারণ করে এবং আমাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে। ক্যানসার বিরোধী উদ্ভিদ রাসায়নিকও ডাল। বিশেষ করে ডালে আইসোফ্লাভোনস এবং ফাইটোস্টেরলস নামক উপাদান রয়েছে। এসব উপাদান ক্যানসারের ঝুঁকি অনেক কমিয়ে আনে। কেননা, ডালে থাকা ভিটামিন-বি ফোলেট ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

ডালের এসব পুষ্টি গুণাগুণ নিশ্চিতভাবে পাওয়ার জন্য অবশ্যই বিশ্বস্ত সূত্র থেকে ডাল ক্রয় বা সংগ্রহ করতে হবে। কেননা, শুধু অমসৃণ ডালের মধ্যেই সকল প্রকার পুষ্টিগুণ থাকে।


আরও পড়ুন:


হেফাজত নেতা আজহারুল ইসলাম গ্রেপ্তার

সিলেটের জকিগঞ্জে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান!

পরীমণিকে বোট ক্লাবে নিয়ে যাওয়া কে সেই অমি?

আবারও চুপি চুপি ‘রোমাঞ্চকর’ ভ্রমণে নুসরাত-যশ


সপ্তাহে একেক দিন একেক রকম ডাল খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন একই ডাল খেতে বিরক্তি লাগতে পারে। তবে উপকার পেতে অবশ্যই নিয়মিত ডাল খেতে হবে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর