আমাজন-গুগলকে করের আওতায় আনতে ঐতিহাসিক চুক্তি

অনলাইন ডেস্ক

আমাজন-গুগলকে করের আওতায় আনতে ঐতিহাসিক চুক্তি

গুগল, ফেসবুক, অ্যাপল ও আমাজনের মতো বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে উচ্চ করের আওতায় নিয়ে আসতে একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও অন্যান্য শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলো।-খবর বিবিসি ও রয়টার্সের

লন্ডনে জি-৭-এর অর্থমন্ত্রীদের দুই দিনের বৈঠক শেষে আজ শনিবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।  এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে আমাজন ও গুগলের মতো কোম্পানিগুলোও নতুন এই করের আওতায় আসবে। কোম্পানিগুলো যেসব দেশে ব্যবসা করে, সেসব দেশেও যাতে তারা কর দিতে বাধ্য হয়, সেই পথ তৈরির কথাও বলা হয়েছে এই চুক্তিতে।

চলতি সপ্তাহেই খবর প্রকাশ হয়েছে যে আয়ারল্যান্ডে মাইক্রোসফটের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গত বছর ৩১৫ বিলিয়ন মুনাফার বিপরীতে কোনো করপোরেট কর দেয়নি। কোম্পানিটিকে বারমুডাভিত্তিক দেখিয়ে কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করা হয়।

জি–৭–এর সদস্যদেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, ইতালি ও জাপান এই চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে এসব দেশের সরকারের হাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আসতে পারে, যা দিয়ে তারা মহামারি মোকাবিলায় ব্যয় সংকুলানের নতুন পথ পাবে।

বেশ কয়েক বছর ধরে আলোচনার পর এই চুক্তিতে মতৈক্যে পৌঁছেছে দেশগুলো। এখন অন্যান্য দেশও যাতে এই পথ অবলম্বন করে, সে জন্য তাদের ওপর চাপ তৈরি হবে। আগামী মাসে জি-২০-এর বৈঠকেই বিষয়টি আলোচনায় উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী রিশি সুনাক বলেছেন, চুক্তিটি এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে বিশ্বজুড়ে ব্যবসা রয়েছে, এমন কোম্পানিগুলোর জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি হয়।

রিশি সুনাক বলেন, বৈশ্বিক ট্যাক্স ব্যবস্থা ডিজিটাল বিশ্বের এই যুগের উপযোগী করে তুলতে কয়েক বছরের আলোচনার পর জি–৭ অর্থমন্ত্রীরা একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছেছেন।

বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে আসা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ওপর কর আরোপ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল দেশগুলো।

আমাজন ও ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি করপোরেশনগুলোর বিস্তৃতিতে এই চ্যালেঞ্জে আরও বাড়ছিল।

এখন কোম্পানিগুলো যেসব দেশে তুলনামূলক কম করপোরেট কর রয়েছে, সেসব দেশে স্থানীয় শাখা খুলতে পারে এবং সেখানে মুনাফা ঘোষণা করতে পারে। অর্থাৎ, সেখানে তাদের শুধু স্থানীয় হারে কর দিয়ে গেলেই চলে। এমনকি সেখানে উৎপাদিত পণ্য অন্য কোনো দেশে বিক্রি করে এই অর্থ এলেও তারা তা করতে পারে। বৈধভাবেই কোম্পানিগুলো এই সুবিধা নিচ্ছে।

চুক্তিতে দুইভাবে এটা বন্ধ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমত, জি-৭ চাইছে সারা বিশ্বে এসব কোম্পানির জন্য একটি ন্যূনতম করহার নির্ধারণ করা হোক। দ্বিতীয়ত, কোম্পানিগুলো যেসব দেশে তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রি করবে, সেসব দেশে তাদের কর দিতে হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রতি কেজির দাম ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা

তেঁতুলিয়ায় চাষ হচ্ছে, পৃথিবীর সবচেয়ে দামি আম সূর্যডিম

সরকার হায়দার, পঞ্চগড়

তেঁতুলিয়ায় চাষ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি আম সূর্যডিম। দেশের মধ্যে এ আমের সবচেয়ে বড় বাগানটিও এখানে। আর এই বাগানটি গড়ে তুলেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী মাহবুবুর রহমান ও তার দুই মেয়ে। বিশ্ববাজারে এই আমের দাম ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা কেজি। তবে এখনো এই আমের কথা দেশের অনেকেই জানেন না। 

উপজেলা শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দুরে কাজী পাড়া গ্রাম। এই গ্রামের কাজী মাহবুবুর রহমান ২০১৭ সালে ভারতীয় সীমান্তের কোল ঘেঁষে একটি সমতল ভূমিতে সূর্যডিম আমের বাগান গড়ে তোলেন। শুরুতে তিনি দুইশ সূর্য ডিম আমের গাছ লাগালেও পরে এর সংখ্যা বাড়িয়ে ৩'শ ৩০টি করেন।

প্রত্যেকটি গাছে আম ধরে ৫০ থেকে ৬০ টি। ৪’শ থেকে ৫’শ গ্রাম ওজনের এই আম বিক্রী হচ্ছে হাজার টাকায়। কাজী মাহবুবুর রহামন জানান, প্রযুক্তি এবং সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে তেঁতুলিায়ার সূর্যডিম আম বিদেশে রপ্তানী করা সম্ভব।

এছাড়াও ৮ একর জমিতে তিনি পিউজাই, বারি ফোর, বানানা এবং রেড পালমা আমের চাষ করছেন। আমের এই বাগান দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন এখানে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, তেঁতুলিয়ার সমতল ভূমি সূর্যডিম আম চাষের জন্য উপযোগী।

সূর্যডিম মূলত জাপানের একটি বিখ্যাত প্রজাতির আম। জাপানের মিয়াজাকি এলাকায় এই আম প্রথম চাষ হয় বলে সেখানে এটি মিয়াজাকি নামে পরিচিত। রেড মেঙ্গো বা এগস অফ সান নামেও পরিচিত এই আম।

আরও পড়ুন:


চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!

পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড, দাফনের ১৫ দিন পর তরুণীর লাশ উত্তোল

পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

রোটারী ইন্টারন্যাশনালকে কোরবানির গিফট কার্ড দিলো ‘সদাগর.কম’

অনলাইন ডেস্ক

রোটারী ইন্টারন্যাশনালকে কোরবানির গিফট কার্ড দিলো ‘সদাগর.কম’

দেশের জনপ্রিয় হোলসেল ই-কমার্স মার্কেট প্লেস ‌‘সদাগর.কম’ এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হলো রোটারী ইন্টারন্যাশনাল ডিসট্রিকট ৩২৮১। চুক্তি মতে সদাগর.কম এর পরিবেশ বান্ধব উদ্যোগ “ডিজি-কাউ’ এর উপহার হিসেবে কোরবানীর গিফট কার্ড পাচ্ছেন রোটারী ইন্টারন্যাশনালের দুই হাজারের বেশী সদস্য।

কুরবানীর পশু কেনা, পশু ডিলিভারী, নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই, পাকেজিং, আত্মীয় স্বজনের বাসায় মাংস পৌঁছানো এবং সর্বোপরি পশু বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনাসহ কোরবানীর ওয়ান স্টপ সার্ভিস পেতে ব্যবহার করা যাবে এই গিফট কার্ড। মিলবে ৫০% ডিসকাউন্ট।

বৃস্পতিবার রোটারীর গভর্নর অফিসে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রোটারী ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮১ এর গভর্নর ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ্ ফারুকী ও ডেপুটি গভর্নর  এম ইকবাল কাবির, চেয়ার ইবরাহিম খলিল আল জায়াদ এবং সদাগর.কমের পক্ষে সিইও আরিফ চৌধুরী, সিএসও জাহিদ শাহ এবং প্রজেক্ট ডিরেক্টর নোমান রবিন। 

আরিফ চৌধুরী বলেন, ঢাকার তেজগাঁ এলাকায় ‘ডিজি-কাউ’ এর অস্থায়ী স্লটারিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কাছে এ ব্যাপারে সহযোগীতার আশ্বাস পাওয়া গেছে। ধীরে ধীরে জনগনকে পবিত্র মক্কা-মদিনার আদলে কোরবানী দেয়ায় অভ্যস্ত করতে হবে। তাহলে কোরবানী উত্তর ভয়াবহ বর্জ্য দূষণ থেকে রক্ষা পাবে রাজধানীবাসী। রোটারি সর্বদা মানুষ ও দেশের কল্যাণে নিবেদিত। আমাদের উদ্যোগ সফল করতে তাদের সহযোগীতা কামনা করছি।

গভর্নর ব্যারিস্টার ফারুকী বলেন, রোটারী ইন্টারন্যাশনালে এই বছর থেকে নতুন লক্ষ্য হিসেবে ‘পরিবেশ উন্নয়ন’ যুক্ত হয়েছে। সদাগর ডিজি-কাউ এর পরিবেশ বান্ধব সুদূর প্রসারি উদ্যোগের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। রোটারিয়ানরা সবসময় টেকসই ইতিবাচক কাজের সাথে যুক্ত থাকে। তারা এই উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


উল্লেখ্য, প্রায় দুই শতাধিক দক্ষ কসাই যুক্ত হয়েছে সদাগর ডিজি-কাউ এর সাথে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি

অনলাইন ডেস্ক

সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি

গ্রাহক পণ্যের সরবরাহ বুঝে পাওয়ার পরই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো সেই পণ্যের মূল্য পাবে, ই-কমার্সের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল।

আজ বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ই-কমার্স নিয়ে বহুপক্ষীয় বৈঠক হয়। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ক্রেতাদের কাছে পণ্য ডেলিভারির পরই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো মূল্য পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এসব লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করবে।

ই–ভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল এ বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘গণমাধ্যমের সূত্রে বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিষয়টিকে আমরা স্বাগত জানাই। এ ছাড়া শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে একটি পরিচালন নির্দেশিকা করা হবে, যাতে পণ্য ডেলিভারির আগে পেমেন্ট নেওয়া না হয়। ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড যাদের আছে, তারা পেমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করবে।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ই-কমার্স নীতিমালা নেই। ই-ভ্যালি নিজেও দীর্ঘদিন এই নীতিমালার কথা বলে আসছে। আজকের এ সিদ্ধান্ত সেই নীতিমালা প্রণয়নের প্রথম ধাপ বলেই তিনি বিশ্বাস করেন। 

এর ফলে গ্রাহক, বিক্রেতা, ই-কমার্সসহ পুরো ইকো সিস্টেমই উপকৃত হবে। আর এ সিদ্ধান্ত শুধু ই–ভ্যালি নয়, বরং সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। সে জন্য তিনি একে সাধুবাদ জানান।

আরও পড়ুন:


চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!

পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড, দাফনের ১৫ দিন পর তরুণীর লাশ উত্তোল

পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাল ইভ্যালি

অনলাইন ডেস্ক

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাল ইভ্যালি

ই-কমার্স ইস্যুতে সদ্য গৃহীত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি। গ্রাহক পণ্যের সরবরাহ বুঝে পাওয়ার পরই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো সেই পণ্যের মূল্য পাবে এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ই-কমার্স ইস্যুতে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত আসে যে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে ক্রেতাদের কাছে পণ্য ডেলিভারির পরই টাকা পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের এসব লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করবে।

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


এ বিষয়ে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো ই-কমার্স নীতিমালা নেই যার জন্য ইভ্যালি নিজেও দীর্ঘদিন অ্যাডভোকেসি করে আসছে। আজকের এই সিদ্ধান্ত সেই নীতিমালা প্রণয়নের প্রথম ধাপ বলেই আমরা বিশ্বাস করি। এর ফলে গ্রাহক, মার্চেন্ট, মার্কেটপ্লেসসহ পুরো ইকো-সিস্টেমই উপকৃত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। যেকোনো রেগুলেটরি থেকে আসা সিদ্ধান্ত শুধু ইভ্যালি না বরং সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। আমরা এর সাধুবাদ জানাই।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ই-কমার্স

গ্রাহক পণ্য না পাওয়া পর্যন্ত টাকা থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংকে

অনলাইন ডেস্ক

গ্রাহক পণ্য না পাওয়া পর্যন্ত টাকা থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংকে

ই-কমার্স থেকে কেনাকাটায় গ্রাহকের অগ্রিম পেমেন্ট পণ্য ডেলিভারির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে থাকবে বলে জানিয়েছে সরকার।

দেশের ই-কমার্সগুলোর বিক্রেতা এবং ক্রেতার মধ্যকার পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে কাজ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দুপুরে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে 'ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা' বিষয়ক সভা শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক, ডাব্লিউটিও সেল) হাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, ই-কর্মাস মার্চেন্টকে যে অগ্রিম পেমেন্ট দেওয়া হবে সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকবে। কেবলমাত্র গ্রাহক পণ্য বুঝে পাওয়ার পর এই টাকা মার্চেন্ট বা ওই প্ল্যাটফর্মকে দেওয়া হবে।

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


 

news24bd.tv / তৌহিদ

 

পরবর্তী খবর