ছেলের ফেসবুকে কলার পোস্ট : বাবাকে পেটাল ছাত্রলীগ নেতা!

অনলাইন ডেস্ক

ছেলের ফেসবুকে কলার পোস্ট : বাবাকে পেটাল ছাত্রলীগ নেতা!

প্রবাসী ছেলে কলা খেয়ে ফেসবুকে পোস্ট করার জন্য বাবাকে মারধর করেছে সিলেটের মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলা  ছাত্রলীগের সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল। মারধরের পর তাকে কান ধরে উঠবস করানো হয়। পরে ছেলের ফেসবুকে দেয়া কলার পোস্টের জন্য ক্ষমা চেয়ে ছাড়া পান বাবা।

এই ঘটনার বিচার চেয়ে জুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী স্বপন মিয়া।

জুড়ি থানায় স্বপন মিয়ার দেয়া লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, স্বপন মিয়া জুড়ি শিশুপার্ক এলাকার একজন চা দোকানদার। তার এক ছেলে নাইম আহমদ দুবাই প্রবাসী। সে কিছু দিন আগে দুবাইয়ে বসে কলা খেয়ে সেটি তার নিজ ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে। এ ছবি দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন জুড়ি উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল।

গত বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) রাতে তার অনুসারীদের দিয়ে প্রবাসী নাইম মিয়ার বাবা স্বপন মিয়াকে জোর পূর্বক দোকান থেকে উঠিয়ে জুড়ি মার্কেটে নিয়ে যায়।

সেখানে ছাত্রলীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল ও অনুসারীরা তাকে মারধর করে। সেই সাথে স্বপন মিয়াকে কান ধরে উঠবস করানো হয়। পরে তার ছেলের ফেসবুকে দেয়া কলার পোস্টের জন্য ক্ষমা চেয়ে ছাড়া পান।

এ ঘটনাটি পরদিন শুক্রবার রাতে স্থানীয় দুই আওয়ামী লীগ নেতার মধ্যস্থতায় থানায় সালিশ বৈঠক বসে। সেখানেও ছাত্রলীগ সভাপতি সাবেল তাকে দা নিয়ে ধাওয়া করেন। সালিশ সন্তোষজনক না হওয়ায় সাবেলসহ ঘটনাকারীদের বিরুদ্ধে তিনি জুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

জুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় চক্রবর্তী লিখিত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এলাকার লোকজনরা জানিয়েছেন, সাবেলের বাবা এক সময় কলা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। কলা খেয়ে আইডিতে পোস্ট দেয়াতে সে অপমানিত বোধ করায় স্বপন মিয়াকে মারধর করে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বিটকয়েন দিয়ে পর্ণছবি ক্রয়-বিক্রয়, মূল হোতা গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

বিটকয়েন দিয়ে পর্ণছবি ক্রয়-বিক্রয়, মূল হোতা গ্রেপ্তার

রাজধানীর দারুস সালাম এলাকা থেকে অবৈধ বিটকয়েন ক্রয়-বিক্রয় চক্রের অন্যতম হোতা হামিমসহ চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪। রবিবার (২০ জুন) দুপুরে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাবের লিগাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

হামিম ২০১৩ সালে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে কম্পিউটারের উপর দক্ষতা লাভ করে। এরপর নিজেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলে ৫০ জনকে বিটকয়েন জালিয়াতির প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছিলো।

এই চক্রের সদস্য সংখ্যা কয়েক হাজার। প্রতি মাসে তারা দেড় কোটি টাকা বিটকয়েনের মাধ্যমে লেনদেন করত। তারা ভার্চুয়াল জগতে অবৈধ ডার্ক পর্নোসাইট থেকে পর্নোগ্রাফি ক্রয় করে সেগুলো বেশি অর্থের বিনিময়ে দেশের বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ছড়িয়ে দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, সম্প্রতি র‍্যাবের গোয়েন্দা দল জানতে পারে, একটি চক্র অবৈধ ভার্চুয়াল মুদ্রা, ক্রিপ্টো কারেন্সি, বিটকয়েন লেনদেনের সঙ্গে জড়িত। চক্রটি ডার্ক সাইট থেকে ভার্চুয়াল মুদ্রা, ক্রিপ্টো কারেন্সি, বিট কয়েন ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি কেনাবেচার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে র‍্যাব-৪ এর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তিনি বলেন, গ্রেফতাররা ভার্চুয়াল জগতে বা ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইট থেকে অ্যাকাউন্ট করে ভার্চুয়াল মুদ্রা, ক্রিপ্টো কারেন্সি, বিটকয়েন ক্রয়-বিক্রয় করে থাকে। তারা মোবাইল ব্যাংকিং বা ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে বাংলাদেশি বেশকিছু অসাধু ডোমেইন হোল্ডার ও ব্যবসায়ী চক্রের সঙ্গে অর্থ লেনদেন করে। তারা ভার্চুয়াল জগতে অবৈধ ডার্ক পর্নোসাইট থেকে পর্নোগ্রাফি ক্রয় করে। এরপর পর্নোগ্রাফিগুলো বেশি অর্থের বিনিময়ে দেশের বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ছড়িয়ে দেয়।


আরও পড়ুনঃ

ভাল থাকুক বিশ্বের সকল বাবা, যেভাবে দিবসটির শুরু

বিএনপি থেকে শফি আহমেদ চৌধুরীকে বহিষ্কার

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট রায়িসিকে অভিনন্দন জানাল হামাস

বিশেষ ট্রেন চালু, মাত্র এক ঘণ্টাতেই ঢাকা-গাজীপুর


এছাড়া তারা বেশকিছু আগ্রহীদেরকে প্রলুব্ধ করে। তারা তাদের কাছ থেকে নেয়া কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি গ্রুপের সঙ্গে জড়িত যেখানে বিটকয়েন ব্যবসায় আগ্রহীরা যুক্ত করত। গ্রুপের কয়েক হাজার সদস্য রয়েছে। তারা প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন করে।

বিটকয়েন চক্রের অন্যতম হোতা হামিম প্রিন্স খান (৩২)। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- রাহুল সরকার (২১), সঞ্জিব দে ওরফে তিতাস (২৮) ও মো. সোহেল খান (২০)। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুইটি ল্যাপটপ ও দুইটি ডেবিট কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় মুহূর্তে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় মুহূর্তে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা

মসজিদে নামাজে দাঁড়ানোর অবস্থায় এক শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।  ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শনিবার রাত ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় শনিবার বিকালে আসরের নামাজে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পূর্ব বিরোধের জেরে উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের পলাশবাড়িয়া উত্তর-পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিক্ষকের নাম মো. পাখি মাস্টার (৫৫)। তিনি পলাশবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হক মোল্যার ছেলে ও পলাশবাড়িয়া পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

পুলিশ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছু দিন ধরে পাখি মাস্টারের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত মুন্নাফ মোল্যার ছেলে বাঁশি মোল্যার বিরোধ চলে আসছিল।

শনিবার বিকালে আসরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে যায় পাখি মাস্টার। মসজিদে একা নামাজ আদায় করতে গেছে জানতে পেরে একই গ্রামের রবিউল মোল্যা এবং বাঁশি মোল্যা একই সময়ে মসজিদে প্রবেশ করে।  

নামাজে দাঁড়ানোর মুহূর্তে পাখি মাস্টারকে পেছন থেকে জাপটে ধরে ফেলে মসজিদের ভেতরে বাটাম দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে।

মাস্টারের চিৎকার শুনে পার্শ্ববর্তী লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন। তখন রবিউল মোল্যা ও বাঁশি মোল্যা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পাখি মাস্টারকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় রাত ১১টার দিতে তিনি মারা যান।

মহম্মদপুর থানার ওসি তারক বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


নরসিংদীতে মাইক্রোবাস-ট্রাক সংর্ঘষে নিহত ৫

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বার বার ধর্ষণ, আসামি গ্রেপ্তার

বিগো লাইভ-ফ্রি ফায়ার-পাবজি-টিকটক বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

আবারও জিততে ব্যর্থ স্পেন


news24bd.tv / কামরুল

পরবর্তী খবর

স্বামী সঙ্গে বোনের পরকীয়ার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড করেন মেহজবিন!

অনলাইন ডেস্ক

স্বামী সঙ্গে বোনের পরকীয়ার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড করেন মেহজবিন!

রাজধানী ঢাকার কদমতলীতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মা-বাবা ও বোনকে হত্যা করেছেন বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন। তবে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন ঘাতকের স্বামী ও সন্তান। ঘটনার পর মেহজাবিনকে আটক করেছে কদমতলী থানা পুলিশ। শনিবার দুপুরে তাকে আটকের পর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশের ভাষ্য, আটক মেহজাবিন নিহত দম্পতির মেয়ে। পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবা, মা ও বোনকে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করার পর শ্বাস রোধ করে মেহজাবিনই হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। শুধু হত্যাই নয়, পরিবারের তিনজনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর খবরের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। অন্যথায় স্বামী ও সন্তানকেও মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।  

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ১০টার দিকে কদমতলী থানা এলাকার মুরাদপুরের ২৮ নম্বর লালমিয়া সরকার রোডের ছয়তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে মেহজাবিনের মা মৌসুমী ইসলাম (৪০), বাবা মাসুদ রানা (৫০) এবং বোন জান্নাতুলের (২০) লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে নিহত মাসুদ-মৌসুমী দম্পতির আরেক মেয়ের জামাইকে।

কেন এই হত্যাকাণ্ড, জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে এ ঘটনার পেছনে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। তা বিশ্লেষণ করে মনে হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে মেহজাবিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

আটক মেহজাবিনের চাচাতো বোন শিলা বলেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মেহজাবিনের প্রথম বিয়ে হয়েছিল। প্রথম স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর ফের মেহজাবিনের বিয়ে হয়। তাঁর পরের স্বামীরও আগে বিয়ে হিয়েছিল। সেই ঘরের এক সন্তান নিয়ে দুই দিন আগে স্বামীর সঙ্গে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন মেহজাবিন। এসেই তাঁর ছোট বোন জান্নাতুলের সঙ্গে তাঁর স্বামীর পরকীয়া প্রেম রয়েছে বলে মা-বাবার কাছে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে অনেক কথা-কাটাকাটি হয়। এমন আরও অনেক ঘটনার জেরেই হয়তো এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি।

আরও জানা যায়, পরিবারের সঙ্গে মেহজাবিনের বিরোধ চলছিল। বিশেষ করে জায়গা-সম্পত্তি নিয়েও পরিবারের সঙ্গে বিরোধ ছিল তাঁর। সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য মা-বাবাকে অনেক চাপ দিতেন তিনি। এ নিয়ে এর আগে সালিসও হয়েছে, তবে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। 

এদিকে এই ঘটনায় সংকটাপন্ন অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলামকে ঢাকা মেডিক্যাল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল বলেন, ‘আমার বাসা কদমতলীর বাগানবাড়িতে। শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম। গত রাতে খাবার ও চা খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ি। এতে আমার মেয়েও অচেতন হয়ে যায়। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে দেখি হাসপাতালে।’

তিনি বলেন, ‘শ্বশুরের পরিবারের সঙ্গে আমার স্ত্রী মেহজাবিনের বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তারই জের ধরে এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে।’ সূত্র জানায়, মেহজাবিনের মা একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। খুনের দায়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি হত্যা মামলায় পাঁচ বছর জেল খেটে জামিনে ছিলেন তিনি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, মা-বাবা ও বোনকে মেহজাবিনই হত্যা করেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে মেহজাবিন পুলিশকে বলেছিলেন, ওই বাসায় দ্রুত না গেলে তিনি তাঁর স্বামী ও সন্তানকেও মেরে ফেলবেন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তিনটি লাশ উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে অন্যদের উদ্ধার করে। মেহজাবিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। 

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দীন মীর বলেন, ‘গৃহকর্তা মাসুদ রানা, তাঁর স্ত্রী মৌসুমী ও কন্যা জান্নাতুলকে আমরা বাসার ভেতর মৃত অবস্থায় পাই। তাঁদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘খুনের আগে রাতে মা-বাবা, বোনসহ পরিবারের সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান মেহজাবিন। সবাই অচেতন হয়ে পড়লে মা-বাবা ও বোনকে রশি দিয়ে বেঁধে শ্বাস রোধ করে হত্যা করেন। রাতে তাঁদের হত্যা করা হতে পারে। স্বামী ও শিশুসন্তানকেও ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। তারা অল্পের জন্য বেঁচে গেছে। সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা মরদেহগুলো হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পেয়েছি। সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে না গেলে দ্বিতীয় স্বামী শফিকুল ইসলাম এবং তাঁর আগের ঘরের মেয়ে তৃপ্তিয়াকে হয়তো মেরে ফেলতেন তিনি।’

ওসি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, ঘুমের ওষুধের পাশাপাশি বিষ ও নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। আলামত সংগ্রহ করছি।’

আরও পড়ুন:


নরসিংদীতে মাইক্রোবাস-ট্রাক সংর্ঘষে নিহত ৫

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বার বার ধর্ষণ, আসামি গ্রেপ্তার

বিগো লাইভ-ফ্রি ফায়ার-পাবজি-টিকটক বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

আবারও জিততে ব্যর্থ স্পেন


news24bd.tv / কামরুল

পরবর্তী খবর

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বার বার ধর্ষণ, আসামি গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বার বার ধর্ষণ, আসামি গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলার আসামি সাইফুলকে পঞ্চগড় তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশ। পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারি উপজেলায় আসামির নিজ বাসায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিরা জামিনে রয়েছে। তবে সাইফুল মামলায় জামিন না নেয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর কয়েকদিন আগে আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি করে জেলা শহরে একটি রেস্তোরায় সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভুগী পরিবার।

উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও জেলার একজন নিরিহ নির্যাতিতা নারী। নাসিং এর উপড় ডিপ্লোমা শেষ করে প্রায় তিন বছর আগে পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারি উপজেলার নিউ পপুলার ও ডায়গনষ্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে নার্সের চাকুরিতে যোগদান করেন। চাকুরি শুরু করতে না করতেই ওই ক্লিনিকের মালিক সাইফুল ইসলাম বিবাহের তথ্য গোপন করে মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়।

বার বার প্রত্যাখান করলেও পরবর্তীতে কৌশলে ক্লিনিকের একটি কক্ষে নিয়ে জোর পূর্বক মেয়েটিকে ধর্ষক করে সাইফুল। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দু বছর যাবৎ মেলামেশা করে। গত ৩১ মে ২০২১ইং তারিখে বিবাহের আলোচনার কথা বলে ঠাকুরগাঁও শহরের টিকাপাড়াস্থ তার ভায়রা আলমগীরকে দিয়ে সন্ধ্যায় মেয়েকে ডেকে নেয়। 

সেখানেও সাইফুল একটি কক্ষে ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে এবং দুই লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি বারাবারি করতে নিষেধ করে। তা মানতে অস্বীকার করলে সাইফুল তার ভায়রা আলমগীরসহ পরিবারের লোকজন বেধরক পারপিট করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় পুলিশ খবর পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে মেয়েটি বাদী হয়ে সাইফুলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভীর হাসান জানান, আসামি সাইফুলকে ভোর রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


নরসিংদীতে মাইক্রোবাস-ট্রাক সংর্ঘষে নিহত ৫

বিগো লাইভ-ফ্রি ফায়ার-পাবজি-টিকটক বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

আবারও জিততে ব্যর্থ স্পেন


news24bd.tv / কামরুল

পরবর্তী খবর

মুঠোফোনে আপত্তিকর ছবি বেচাকেনা, গ্রেপ্তার ৬

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

মুঠোফোনে আপত্তিকর ছবি বেচাকেনা, গ্রেপ্তার ৬

মুঠোফোনের মাধ্যমে আপত্তিকর ছবি বেচাকেনা করার অভিযোগে ছয় তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে লালপুর থানা পুলিশ। গতকাল দুপুরে নাটোরের লালপুর উপজেলার মঞ্জিলপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া তরুণেরা হলেন- লালপুরের রামপাড়া গ্রামের মো. মানিক উদ্দিনের ছেলে মো. সোহাগ আলী (১৯),রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রামের মো. শুকচাঁদ মিয়ার ছেলে মো. মাজেদুল ইসলাম (২৪), বানিয়াপাড়া গ্রামের মো. শাহাদুল ইসলামের ছেলে মো. জিসান আহম্মেদ (১৬), নওপাড়া গ্রামের মো. জিন্নাত আলীর ছেলে মো. সামিরুল ইসলাম ওরফে সামী (২১), মো. হুরমত আলীর ছেলে মো. সেলিম রেজা (২১) এবং বিলমাড়িয়া গ্রামের মো. আনারুলের ছেলে মো. শান্ত (২২)। 

লালপুর থানা-পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে মঞ্জিলপুকুর উচ্চবিদ্যালয়ের দোতলা ভবনের বারান্দায় বসে ছয় তরুণ মুঠোফোনে অন্য তরুণদের সঙ্গে অশ্লীল ছবি কেনাবেচার সময় পুলিশ গিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন, ১২টি সিম কার্ড, নগদ ২ হাজার ৪২৫ টাকা জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


বাব-মা-বোনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে যা বলেছিলো মেহজাবিন

দুর্লভ আবাসিক পাখি ‘জল ময়ূর’

কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে ইসরাইলি সেনাদের মনোবল চাঙ্গা হবে না: হামাস

বিবস্ত্র করা ছবি তুলে ফাঁদে ফেলে প্রবাসীর স্ত্রী, মামলায় আ.লীগ নেতাও আসামি


লালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া তরুণেরা নিজেরা আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ধারণ করে, তা অন্য তরুণদের কাছে বিক্রি করেন। আবার অন্যদের কাছ থেকে ছবি কিনে নিয়ে, তা বেশি টাকার বিনিময়ে তরুণদের কাছে বিক্রি করেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর