আমরা কি ইরানকে সহজে ছেড়ে দেব : মোসাদের সাবেক প্রধান

অনলাইন ডেস্ক

আমরা কি ইরানকে সহজে ছেড়ে দেব : মোসাদের সাবেক প্রধান

ইরাক ত্যাগ করে যদি যুক্তরাষ্ট্র চলে যায় তাহলে ইরান অঞ্চলটি দখল করে নেবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান ইয়োসি কোহেন। 

সম্প্রতি ‘ফ্রেন্ডস অব ইলহানে’ ইসরাইলের আমেরিকান বন্ধুদের কাছে সাবেক মোসাদ প্রধান এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন। ইসরাইলকে যারা প্রচুর অর্থ দিয়ে সহায়তা করে তাদের নিয়ে ‘ফ্রেন্ডস অব ইলহান’ গঠিত। 

ইসরাইলে যুক্তরাষ্ট্রের দাতাদের সঙ্গে আলোচনায় ইসরাইলের ভয়ংকর গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান বলেন, আমরা কি ইরানকে সহজে ছেড়ে দেব? আমরা কি তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দেব, আমরা কি দূতাবাসগুলো ধ্বংস হতে দেব?

মোসাদের সাবেক প্রধানের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে নরম হচ্ছে।  ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে ফিরবে আশঙ্কা করেই এ মন্তব্য করেছেন তিনি। এছাড়া, ইরাকের মার্কিন ঘাঁটি থেকে সৈন্যসংখ্যা কমিয়ে আনা নিয়েও সতর্ক বার্তা দিয়েছেন ইয়োসি কোহেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শত শত বছর ধরে লিভ ইনে বিশ্বাসী তারা

অনলাইন ডেস্ক

শত শত বছর ধরে লিভ ইনে বিশ্বাসী তারা

পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে অনেকেই ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে বিশ্বাস করে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি এই উপমহাদেশেরই একটি উপজাতি রয়েছে যারা বিয়ে নয় বরং ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে বিশ্বাস করে। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই ঘটে আসছে শত শত বছর ধরে সেখানে।

ভারতের রাজস্থান ও গুজরাটে বসবাসকারি গারাসিয়া নামের এই উপজাতিদের মধ্যে এ ধরনের লিভ-ইন সম্পর্কের প্রচলন রয়েছে। পরিবারের লোকজনই এ ধরনের সম্পর্কের সম্মতি দেয়। এমনকি সঙ্গী খুঁজতে বসে মেলার আসরও। 

মূলত রাজস্থানের পালি, সিরোহী, উদয়পুর ও দুঙ্গারপুর জেলা এবং গুজরাটের সবরকণ্ঠ ও বনশকণ্ঠ জেলায় বসবাস করে এই উপজাতি। তাদের মধ্যেই এ ধরনের ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে থাকার নিয়ম রয়েছে। গত ১০০০ বছর ধরে এই রীতি চলে আসছে। রীতি অনুযায়ী, বিয়ে ছাড়াই কোনও জুটি একসঙ্গে থাকতে পারে।

আসলে গারাসিয়া উপজাতির মধ্যে অনেকেই রয়েছে, যারা বিয়েতে বিশ্বাসী নন অর্থাৎ বিয়ে করতে চান না। কিন্তু তারা চাইলেই বিয়ে না করে সঙ্গীর সঙ্গে ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তাদের যদি কোনও সন্তান জন্মায় তাহলে ওই জুটিকেই সেই সন্তানের দায়িত্ব নিতে হবে। এমনকি সঙ্গী খুঁজতে বিশেষ মেলাও বসে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্যের আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্যের আত্মহত্যা

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‌‘সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশেষ করে পুরানো সেনা সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্য অথবা ছয় বছরের অভিজ্ঞ সেনা সদস্য আত্মহত্যা করেছে।’

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে পেন্টাগন জানিয়েছে, ‘তারা এই আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে।’

এদিকে, বিভিন্ন খবরে জানা গেছে মার্কিন সেনা সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার সামাজিক প্রভাবের বিষয়ে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ওইসব সেনা সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নজিরবিহীনভাবে আত্মহত্যার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে যতটানা মার্কিন সেনারা প্রাণ হারিয়েছে তার চেয়ে বেশি মারা গেছে আত্মহত্যার মাধ্যমে। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ক্যারল গিয়াকোমো এ ব্যাপারে বলেছেন, 'প্রতিদিন গড়ে ২০ জন মার্কিন সেনা আত্মহত্যা করছে।’

ধারণা করা হচ্ছে, ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধে যেসব মার্কিন সেনা অংশ নিয়েছিল তাদের মধ্যেই আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ গত দুই দশকে মার্কিন সরকারগুলো অযথা বিভিন্ন দেশে যেসব যুদ্ধ শুরু করেছে তা সেনাদের আত্মহত্যার পেছনে অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।

১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার পর সন্ত্রাস নির্মূলের অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এসব যুদ্ধ শুরু করে এবং এ পর্যন্ত বহু মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এ সব যুদ্ধে কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি এবং কতদিন এ যুদ্ধ চলবে তারও কোনো ঠিক ছিল না। ফলে সেনাদের মধ্যে মারাত্মক হতাশা দেখা দেয়। এসব হতাশা থেকেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে সবচেয়ে বেশি। ১১ সেপ্টেম্বরের পর আত্মহত্যার মাত্রা চারগুণে বেড়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, পেন্টাগনের পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় মার্কিন সেনাদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা ও হতাশা বিরাজ করছে যা কিনা গত দুই দশকের ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের প্রভাব। কেননা প্রচণ্ড মানসিক চাপ সহ্য করে তাদেরকে যুদ্ধের দিনগুলো পার করতে হয়েছে।

এ ছাড়া, শুধু আফগানিস্তানের যুদ্ধেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে দুই ট্রিলিয়ন ৪০ হাজার কোটি ডলার। আফগানিস্তানে মার্কিন হামলার পর গত ২০ বছরের সহিংসতায় এ পর্যন্ত ২৪০০ এর বেশি মার্কিন সেনা নিহত এবং আহত হয়েছে আরো হাজার হাজার সেনা।

এরপর ২০০৩ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই মার্কিন সরকার ইরাকে হামলা চালিয়ে দেশটি দখল করে নেয়। ইরাক যুদ্ধে অন্তত ৫০০০ মার্কিন সেনা নিহত এবং আরো হাজার হাজার সেনা আহত হয়েছে। লক্ষ্যহীন ও বিরামহীন এসব যুদ্ধে জড়িয়ে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং এমনকি দেশে ফিরে গিয়েও তারা মানসিক ও পারিবারিক সংকট থেকেও মুক্ত হতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত এমনসব সংকটের সম্মুখীন তাদেরকে হতে হয়েছে বা এখনো হচ্ছে যে আত্মহত্যার  পথ বেছে নিতে হচ্ছে তাদেরকে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রায় সব মার্কিন সেনা ৪০ দিনের বেশি সম্মুখ ফ্রন্টে থেকে যুদ্ধ করেছে এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত হয়তো তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগে ভুগতে হবে।

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিন সেনাদের হতাশা ও মানসিক রোগের আরেকটি কারণ হচ্ছে ইরাক ও আফগানিস্তানে যুদ্ধ চলাকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের অমানবিক আচরণ ও সেনা কমান্ডারদের দুর্ব্যবহার। বিশেষ করে অযথা সামরিক অভিযান পরিচালনার সময় সাধারণ মানুষের ওপর তারা যে হত্যাকাণ্ড ও নৃশংসতা চালিয়েছে পরবর্তীতে এর প্রভাব সেনাদের ওপরও গিয়ে পড়েছে। অর্থাৎ অপরাধবোধ থেকে মানসিক রোগ এবং সেখান থেকে আত্মহত্যার পথে তারা পা বাড়িয়েছে। এসব কারণে পেন্টাগনে  উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্কুলকেই শারীরিক সম্পর্কের নিরাপদ জায়গা বানালেন তারা!

অনলাইন ডেস্ক

স্কুলকেই শারীরিক সম্পর্কের নিরাপদ জায়গা বানালেন তারা!

শিক্ষিকা ও স্কুলের বিবাহিত প্রিন্সিপাল যেন স্কুলেই মেতে উঠতেন যৌনতায়। স্কুলের লাইব্রেরি থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত সব জায়গায় চলে তাদের যৌনতার এই খেলা। এমনকি মাঝে মাঝে ক্লাস চলাকালেও তারা যৌনতা ক্রীড়ায় লিপ্ত হতেন । 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কুইন্সের একটি এলিমেন্টরি স্কুলকে এই ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনার পর ওই স্কুলটির সহকারী প্রিন্সিপাল সার্জিও হেরেরা এবং তার অধীনস্থ জেসেনিয়া জাপাটার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। তাদের সম্পর্কের কথা জেনে যাওয়ায় স্কুল কর্মীদের হুমকিও দিয়েছিলেন এই দুজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, ভয়ের মাধ্যমে স্কুলটি চালানো হতো। কিছু বলতে ভয় পেতো সবাই। আমাদের কি করার ছিল তা আমরা জানতাম না।

ক্লাস চলাকালেই এই দুজন স্কুলে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলেন এমন বেশ কিছু ক্ষুদে বার্তা বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তার হাতে এসেছে বলে জানিয়েছে ওই সূত্রগুলো।

২০১৯ সালের অক্টোবরে নিজের এক সহকর্মীকে জাপাটা লিখেন, তার অফিসে আমরা যৌনতা লিপ্ত হয়েছিলাম। আমরা এখন লাইব্রেরিতে। ঝুঁকি নেয়াটা যথার্থই ছিল।

পরে আরেকটি মেসেজে দেখা যায়, সায়েন্স রুমে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তারা। একই বছরের ডিসেম্বরে জাপাটা লিখেন, আমরা ল্যাবে যৌনতায় মেতেছি। এমনকি মাঝে মাঝে ছুটি নিয়ে হোটেলেও যেতেন তারা।

nws24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

১০৭ বছর বয়সে মারা গেলেন স্ত্রী-পরিজন বিহীন সেই মুসল্লি

অনলাইন ডেস্ক

১০৭ বছর বয়সে মারা গেলেন স্ত্রী-পরিজন বিহীন সেই মুসল্লি

ইমাম বুখারীর জন্মস্থানেই তার জন্ম বলে তিনি জানিয়েছিলেন। স্ত্রী-পরিজন বিহীন এ মানুষটির নাম শায়খ মুহিউদ্দীন হাফিজুল্লাহ। মদিনার এক সৎকর্মশীলের বাসায় বসবাস করতেন তিনি। গত শনিবার (১৯ জুন) বাদ ফজর তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

তার এ ১০৭ বছরের জীবনে ৫০ বছরই একনাগাড়ে মসজিদে নববীর সান্নিধ্যে কাটিয়েছেন।
 
স্ত্রী-পরিজন বিহীন এই মানুষটি মদিনার এক সৎকর্মশীলের বাসায় থাকতেন।

তাকে বলা হতো কোরআনের বন্ধু। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তিনি মসজিদে নববিতে জামায়াতের সঙ্গে আদায় করতেন। তাকে আল-বাকি বরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এখানে রাসুলের (সা.) সাহাবিদেরও কবর রয়েছে।

খবর: আল-জাজিরা

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর

রাত ৯টার আগে টিভিতে ফাস্টফুডের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক

রাত ৯টার আগে টিভিতে ফাস্টফুডের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ

যুক্তরাজ্যের টিভি চ্যানেল গুলোতে ফাস্ট ফুডের বিজ্ঞাপন রাত নয়টার আগে দেখানো নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে সরকার। অর্থাৎ দেশটির  টিভি চ্যানেল গুলোতে ফাস্ট ফুডের বিজ্ঞাপন দেখতে রাত নয়টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। 

টিভি চ্যানেল গুলোতে ফাস্ট ফুডের বিজ্ঞাপন বন্ধের প্রসঙ্গে পাবলিক হেলথ মিনিস্টার জো চার্চিল জানান, বরিস জনসনের পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই টিভি চ্যালেনে নির্দিষ্ট সময়ের পর ফাস্ট ফুডের বিজ্ঞাপন চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। যা খুব দ্রুত কার্যকর করা হবে। 

তিনি বলেন, শিশুরা যখন টিভি দেখেন তখন এই ধরনের বিজ্ঞাপনের কারনে তারা আরও বেশি অস্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকে পরছে। এতে তাদের খাদ্যাভাস পরিবর্তন হচ্ছে। একই সাথে যখন তাদের শরীরে পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন তখন এই সব বিজ্ঞাপন দেখে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছে। 

চার্চিল আরো জানান, শিশুরা দিনের একটি বড় অংশ অনলাইনে কাটায়। তখন তারা এমন লোভনীয় খাবারের বিজ্ঞাপন দেখে অভিভাবকদের কাছে তার জন্য আবদার করে। যা বেশিরভাগ সময় অভিভাবকরা পূরন করতে বাধ্য হন।

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর