থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণ ও সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণ ও সমাধান

বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটি মানুষ থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন। আর দেশে সেই সংখ্যাটি  অন্তত পাঁচ কোটি। দেশে প্রায় ৩ কোটি অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি রোগীই জানেন না, তাদের এই সমস্যা রয়েছে। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) তথ্য অনুযায়ী, নারীদের থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

থাইরয়েডের হরমোনের তারতম্যজনিত সমস্যা দুই রকম হতে পারে। যেমন শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে বা হাইপোথাইরয়েডিজম, আবার বেড়ে গেলে হাইপারথাইরয়েডিজম। হাইপোথাইরয়েডিজমের রোগের সংখ্যা হাইপারথাইরয়েডিজমের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের দেশে সেটি আরও প্রকট। বাংলাদেশের আয়োডিন ঘাটতিজনিত ব্যাপক জনগোষ্ঠী এ সমস্যায় আক্রান্ত। আমাদের সামগ্রিক জীবনমানের ওপরে থাইরয়েড হরমোন ঘাটতি সুগভীর ঋণাত্মক প্রভাব বিস্তার করে আছে। আমাদের দেশে ব্যাপক সংখ্যক নির্বোধ মানুষ, বন্ধ্যা দম্পতি ও স্থুলদেহী জনগোষ্ঠীর পেছনে হাইপোথাইরয়েডিজম অন্যতম কারণ।

সাধারণ লক্ষণসমূহ
অবসাদগ্রস্ততা, ঘুম ঘুম ভাব।
ওজন বৃদ্ধি।
ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা।
গলার স্বরের কোমলতা কমে যাওয়া এবং অনেকটা ভারী বা কর্কশ শোনানো।
গলগণ্ড নিয়ে প্রকাশ করতে পারে।

হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যা
হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, বুকে ব্যথা অনুভব করা অথবা হার্ট ফেইলর হতে পারে।
 হৃদযন্ত্রের আবরণে অথবা ফুসফুসের আবরণে পানি জমা।

স্নায়ু ও মাংসপেশির সমস্যা
মাংসপেশিতে ব্যথা বা শক্ত চাপ অনুভব করা।
স্নায়ু ও মাংসপেশি নির্ভর রিফ্লেক্স কমে যাওয়া।
বিষণ্নতা ও মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা।
মাংসপেশির টান কমে যাওয়া।

চর্ম বা ত্বকের সমস্যা
 শুষ্ক, খসখসে ও ব্যাঙের ত্বকের মতো হয়ে যাওয়া।
ভিটিলিগো নামক এক ধরনের শে^তী রোগে আক্রান্ত হওয়া।
চর্মে মিক্সিডিমা নামক এক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়া।

প্রজননতন্ত্রে সমস্যা
মাসিকের সময় বেশি রক্তপাত হওয়া।
বাচ্চা হওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হওয়া।
প্রজননে অক্ষমতা।

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা
পায়খানা শক্ত হওয়া।
পেটে পানি জমতে পারে 

হাইপোথাইরয়েডিজম হলে শিশুদের বেলায় অবর্ধনজনিত রোগ বা ক্রিটিনিজম হবে এবং উঠতি বয়স্কদের বা প্রাপ্তবয়স্কদের মিক্সিডিমা হয়। ক্রিটিনিজমের লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মাংসপেশি ও হাড় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক বর্ধন না হওয়া। ফলে শিশু বেটে হয়, বোকা বা বুদ্ধিহীন হয়ে থাকে। জিহ্বা বড় হবে ও মুখ থেকে বেরিয়ে আসে এবং নাভির হার্নিয়া হয়। হাইপোথাইরয়েডিজম হওয়ার উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে অটোইমিউন ধ্বংসপ্রাপ্ত, ওষুধ, টিএসএইচ স্বল্পতা, গর্ভাবস্থায় মায়ের থাইরয়েড হরমোন স্বল্পতা ইত্যাদি।

কম হরমোনের চিকিৎসা
রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতিও ভিন্ন। তবে অধিকাংশ রোগীই ভোগেন হাইপোথাইরয়েডিজম অর্থাৎ তাদের
থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে কম পরিমাণ থাইরয়েড হরমোন থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য ডাক্তাররা তাদের থাইরক্সিন ট্যাবলেট খাবার পরামর্শ দেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীকে ১০০ থেকে ২০০ মাইক্রোগ্রাম থাইরক্সিন দেওয়া হয়।

ওষুধ খাওয়ার নিয়ম
সারা জীবন ওষুধ খেতে হবে কি না তা রোগের ধরনের ওপর নির্ভরশীল। যার থাইরক্সিন ঘাটতি সামান্য, উপসর্গও কম তার সারা জীবন ওষুধ খাবার প্রশ্নই ওঠে না। ৬ মাস থোক ২ বছরেই সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে। অনেক ওষুধ ছাড়াও সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু যার একেবারেই থাইরক্সিন নিঃসরণ হয় না বা কোনো কারণে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডটাকেই কেটে বাদ দিতে হয়েছে তাদের সারা জীবন ওষুধ না খেয়ে উপায় নেই।

ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা যেতে পারে। তবে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলে অল্প দিনের মধ্যেই রোগটা ভয়ঙ্করভাবে ফিরে আসবে। জীবন সংশয় হতে পারে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়

অনলাইন ডেস্ক

স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়

প্রতিবছর সারাবিশ্বে সাত লাখ লোক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। এদের মধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার লোক মারা যায়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই তথ্য জানা যায়। মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর তৃতীয় কারণ স্ট্রোক। আমাদের দেশেও এ সংখ্যা কম নয়। স্ট্রোকে আক্রান্তদের দুই-তৃতীয়াংশই মারা যায় বা চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে ও অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। আর একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় স্ট্রোক বলে।

স্ট্রোক দুই প্রকার। ইসকেমিক স্ট্রোকে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যায়। সাধারণত রক্তনালির ভেতর জমাট বাধা রক্তপিণ্ড এ সমস্যা করে থাকে। মোট স্ট্রোকের শতকরা ৮০ ভাগই এ ধরনের স্ট্রোক। 

মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে গেলে রক্তক্ষরণ হয়। এটি হেমোরেজিক স্ট্রোক।

বয়স কম হোক কিংবা বেশি- অনেকেই হার্টের সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু চিকিৎসকেরা এর কারণ হিসেবে দায়ী করছেন অনিয়মিত জীবন যাপনকে। লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনলেই হার্ট অনেকটা সুস্থ থাকবে।

চলুন জেনে নিই জীবনযাপনে কী পরিবর্তন আনতে হবে- 

নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে হার্ট সুস্থ থাকে। নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন শরীরচর্চা করতে হবে।

মদ্যপান এবং ধূমপান থেকে দূরে থাকুন
ধূমপান একেবারে ছেড়ে দেয়া দরকার। অ্যালকোহলজাত পানীয় কম পান করুন।

রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখা দরকার
শরীরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শর্করা থাকলে তা কখনও ভালো নয়। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা এমনিই কমে যায়।

পর্যাপ্ত ঘুম দরকার
৭ ঘণ্টা ঘুম সুস্থ থাকার জন্য খুব জরুরি। স্ট্রেস থেকে দূরে থাকা দরকার। তার জন্য নিয়মিত যোগব্যায়াম করাও দরকার। নিয়মিত শরীরচর্চার মধ্যে থাকলে রাতের ঘুম ভালো হয়। রক্তকণিকা সুস্থ থাকে।

স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে
আপনার প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেড, আর ফ্যাট-এর পরিমাণে যেন সমতা থাকে। সতেজ ফল, শাক সবজি খান। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, এমন মাছ রাখুন রোজকার ডায়েটে। নুন, মিষ্টি, রেড মিট খাওয়া কমান।

news24bd.tv /আলী

পরবর্তী খবর

মাইগ্রেন থেকে ‍মুক্তির যত ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

মাইগ্রেন থেকে ‍মুক্তির যত ঘরোয়া উপায়

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে, সেগুলো মাথাব্যথার শুরুতে স্ফীত হয়ে যায়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।

সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়। দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসকের অধীনে এবং নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা উচিত। মাইগ্রেনের ব্যথা চোখের কোনো সমস্যার জন্য হয় না।

মাইগ্রেনের সমস্যা সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো সময় হঠাৎ করে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। মাইগ্রেনের কারণে মাথার একপাশে তীব্র ব্যথা হয়। বমিভাব, মাথা ঘোরা ও ক্লান্তি মাইগ্রেনের প্রধান লক্ষণ।

এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা মাইগ্রেনের সমস্যা কম করতে পারে।আসুন, সেসব খাবার সম্পর্কে জেনে নিই—

আদা
মাইগ্রেন থেকে মুক্তি দিতে পারে আদা। লেবু ও আদার রস একসঙ্গে বা আদা চা মাইগ্রেনের যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া আদা কুচি করে চিবালেও উপকার পাওয়া যায়।

সবুজ শাকসবজি 
সবুজ শাকসবজিতে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। মাইগ্রেনের ব্যথায় ম্যাগনেসিয়াম খুবই কার্যকর। শস্য, সামুদ্রিক খাবার এবং গমেও প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম থাকে।

মাছ
মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন-ই পাওয়া যায়। এ দুটি উপাদান মাইগ্রেনের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

বাদাম
কাজুবাদাম, ওয়ালনাট ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ, তাই মাইগ্রেনের সমস্যা দূর করতে এগুলো খেতে পারেন।

দুধ
মাইগ্রেনের সমস্যায় ফ্যাট-ফ্রি দুধ পান করা খুবই উপকারী। দুধে ভিটামিন-বি পাওয়া যায়, যা কোষকে এনার্জি জোগায়।

কফি
সাধারণ মাথাব্যথার ক্ষেত্রে যেমন কফি বা চা পান করা উপকারী হয়, তেমনই এটি মাইগ্রেনের ক্ষেত্রেও সহায়ক।


সব মুছতে চান শ্রাবন্তী, কিন্তু কেন?

সারাদেশে মদ পানে ১৫ জনের মৃত্যু, বাড়ছে উৎকণ্ঠা

স্মার্টফোনের বহুমুখী ব্যবহারে কমছে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা


আঙুর

মাইগ্রেনের যন্ত্রণা কমাতে আঙুর বা আঙুরের রস খেতে পারেন। অল্প পানিতে আঙুরের রস মিশিয়ে খেতে পারলে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

ব্রকলি
ব্রকলিতে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়, যা মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঔষধি গুণসম্পন্ন চকলেট!

অনলাইন ডেস্ক

ঔষধি গুণসম্পন্ন চকলেট!

চকলেট ছোটবড় সকলের পছন্দ হলেও এর স্বাস্থ্য অপকারিতার কথা শুনে অনেকেই চকলেটকে এড়িয়ে চলে। তবে চকলেটেরও রয়েছে কিছু গুণ যা জানলে হয়তো চকলেট সম্পর্কে আপনার নেতিবাচক ধারণা পাল্টে যাবে।

কয়েক বছর আগে একাধিক গুণসম্পন্ন চকলেট তৈরির দাবি জানিয়েছিলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কম্পানি। তাদের দাবি ছিল, বিশ্বে প্রথম একাধিক গুণসম্পন্ন চকলেট তৈরি করেছে তারা। এই চকলেট খেলে কমবে রক্তচাপ সেইসঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও ঠিক থাকবে।

চকলেটের মূল উপাদান কোকো বীজে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকে। তার সঙ্গেই এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু চকলেট তৈরির সময় এই কোকো বীজের কার্যকারিতা কিছুটা নষ্ট হয়ে যায়। কারণ চকলেট তৈরি করার সময় প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট ও চিনি মেশানো হয়।

একটি চকলেট বারে অন্তত ৭০ শতাংশ ফ্যাট ও চিনি থাকে। কিন্তু আমেরিকার কুকা এক্সোসিও নামের এক কোম্পানির দাবি, তাদের তৈরি নতুন চকলেট বারে ফ্যাট ও চিনির পরিমাণ মাত্র ৩৫ শতাংশ। তাই এই চকলেট শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং অধিক কার্যকর।


আরও পড়ুনঃ

ভাল থাকুক বিশ্বের সকল বাবা, যেভাবে দিবসটির শুরু

বিএনপি থেকে শফি আহমেদ চৌধুরীকে বহিষ্কার

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট রায়িসিকে অভিনন্দন জানাল হামাস

বিশেষ ট্রেন চালু, মাত্র এক ঘণ্টাতেই ঢাকা-গাজীপুর


ওই সংস্থার, মুখপাত্র গ্রেগরি আহারনিয়ানের দাবি, তারা কোকো গাছের নির্যাস ব্যবহার করে কোকো বিজের তিক্ততা কমিয়েছেন। কারণ চকলেট বারে চিনি, স্যাকারিন ও অতিরিক্ত ফ্যাট ব্যবহারের ফলে কোকো বিজের গুণ নষ্ট হয়ে যায়।

তাই নতুন চকলেটে চিনি ও ফ্যাটের পরিমাণ অর্ধেক কমিয়ে আনা হয়েছে। তাদের কম্পানি চিনি ও ফ্যাটের পরিমাণ ১০ শতাংশে নামিয়ে নতুন ধরনের চকলেট তৈরিরও চেষ্টায় রয়েছেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে যেসব খাবার

কিছু খাবার যেমন আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়, তেমনি বেশ কিছু ক্ষতিকর খাবার রয়েছে যা আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। অনেক সময় স্বাদের দিকে খেয়াল রাখতে গিয়ে আমরা ভুলে যাই কোন খাবারগুলো আমাদের শরীরের জন্য কতোটা ক্ষতিকর।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে আমাদের যেসব খাবার পরিহার করে চলা উচিত-

চিনি: সুস্বাস্থ্যের জন্য খাদ্যতালিকায় চিনির পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। খাবারে উচ্চমাত্রায় চিনির ব্যবহার রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে রোগপ্রতিরোধ প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রমের ক্ষতি করতে পারে।

লবণ:  প্যাকেজজাত চিপস, বেকারি জাতীয় খাবার এবং হিমায়িত খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। অতিরিক্ত লবণ শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে এমন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্যও ক্ষতিকর। তাই যতটা পারা যায় লবণ জাতীয় খাবার গ্রহণ কমিয়ে দিতে হবে।

ভাজাপোড়া খাবার: এগুলোতে এজিইএস (অ্যাডভান্সড গ্লাইকেশন ইন্ড প্রোডাক্টস) নামে এক ধরনের মোলেকালস থাকে। তাই অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খেলে প্রদাহ সৃষ্টিতে এবং স্যালুলার ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। উচ্চমাত্রায় এজিইএস দেহে প্রদাহ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং স্যালুলার কার্যক্রম ধ্বংস করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার- ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পটেটো চিপস, ফ্রাইড চিকেন, ফিশ এগুলো খাদ্যতালিকা থেকে কমাতে হবে।


আরও পড়ুনঃ

শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


অতিরিক্ত ক্যাফেইন: চা-কফিতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা স্বাস্থ্যকর। কিন্তু অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। যা প্রদাহ সৃষ্টি করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে। রাতে ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন গ্রহণ পরিহার করতে হতে।

অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান শরীরে রোগপ্রতিরোধের ওপর প্রভাব ফেলে। ফিমোনিয়া এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য অসুখে সহজে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ভারতের নতুন আতঙ্ক ‘গ্রিন ফাঙ্গাস’

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের নতুন আতঙ্ক ‘গ্রিন ফাঙ্গাস’

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস, হোয়াইট আর ইয়েলো এর পর এবার ভারতে নতুনভাবে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ‘গ্রিন ফাঙ্গাস’। মধ্যপ্রদেশে ৩৪ বছর বয়সী একজন করোনা আক্রান্ত রোগীর শরীরে গ্রিন ফাঙ্গাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ভারতে এটাই এই ফাঙ্গাসের শনাক্তের প্রথম ঘটনা। চিকিৎসকেরা বলছেন, করোনাকালে এই ফাঙ্গাস নতুন আতঙ্কের জন্ম দিতে পারে।


আরও পড়ুন

আবু ত্ব-হাকে খুঁজে বের করার দাবিতে সমাবেশ

ক্লাবে ঢুকে মদ না পেয়ে তারা ভাংচুর চালায় : ক্লাব কর্তৃপক্ষ (ভিডিও)

টিকা সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: চীনের আশ্বাস

জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে পরীমণিকে


ইন্দোরের শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের (এসএআইএমএস) বক্ষব্যাধি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক রবি দোশি বলেন, এটা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের নতুন একটি ঘটনা। এই ছত্রাকের বিষয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। গ্রিন ফাঙ্গাসে সংক্রমিত হলে রোগীর ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রবি দোশি জানান, ‘দুই মাস আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ওই রোগী। তবে তাঁর নাক থেকে রক্ত ঝরা, জ্বরের মতো উপসর্গ রয়ে গিয়েছিল। আমরা ভেবেছিলাম, তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে পরীক্ষার পরে দেখা যায়, ওই রোগী ব্ল্যাক নয়, বরং গ্রিন ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এটা তাঁর ফুসফুস, নসিকা গ্রন্থি ও রক্তে ছড়িয়েছে।

গ্রিন ফাঙ্গাস খুবই বিরল রঙের একটি ছত্রাক। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করা হলেও এটিকে সবথেকে মারাত্মক বলে ভাবা হচ্ছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর