বাঁশপাতার সুগন্ধী ও সুস্বাদু চা

হারুন আল নাসিফ

বাঁশপাতার সুগন্ধী ও সুস্বাদু চা

বাঁশের বিস্কুট আর বাঁশের ফুলের চাল তৈরি করে সকলকে চমকে দেয়ার পর উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবার তাদের নতুন চমক ‘বাঁশপাতার চা’ নিয়ে হাজির হয়েছে! এ নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এই চা বিদেশে রফতানির উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।

এই উদ্ভাবনের কৃতিত্বের মূল দাবিদার সমীর জামাতিয়া। ব্যাম্বু সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। বিশ্বের নানা দেশে ঘোরার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। যার মধ্যে অন্যতম চীন। ২০০৮ সালে বাঁশজাত পণ্যের ওপর ডিপ্লোমা অর্জনের জন্য চীনে গিয়ে ‘বাঁশের পাতার চা’র প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। 

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কী কী ধরনের বাঁশের কাজ হয়, সেই সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা আছে সমীরের। মূলত তার ব্য়ক্তিগত উদ্যোগেই ত্রিপুরায় এই ‘চা’ প্রকল্প শুরু করা হয়। বাঁশের কচি পাতা সংগ্রহ থেকে তা শুকিয়ে ‘চা’ তৈরি করা এবং সবশেষে তা বাক্সবন্দি করা, পুরোটাই হয়েছে সমীরের তত্ত্বাবধানে।

ইতিপূর্বে জামাতিয়া ন্যাশনাল ব্যাম্বু মিশন এবং ব্যাম্বু সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে কাজ করেছেন। বর্তমানে চীন, জাপান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ভারতে বাঁশচালের মতো একাধিক বাঁশজাত উদ্ভাবনী পণ্যের সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি।

এই চায়ের জন্য প্রয়োজন তিন চার মাস বয়সী শুকনো কচি পাতা। এগুলি বিভিন্ন আকারে কাটা যায় বা মাইক্রো বল তৈরি করতে হাতে রোল করা হয়, অথবা ধূলোর মতোও করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের দাবি এটি সম্পূর্ণ ভেষজ এবং মোটা হওয়ার সমস্যা দূরীকরণ, অ্যালঝাইমারস প্রতিরোধ করা, ডিটক্সিফিকেশনে সহায়তাসহ আরও অনেক ক্ষেত্রে উপকারী। বাঁশপাতা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক, বাঁশের পাতা থেকে তৈরি ‘চা’-এ প্রচুর পরিমাণে অ্য়ান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টিবায়োটিক গুণ থাকে। এই পাতায় মজুত সিলিকন চুল, ত্বক ও নখ সুস্থ রাখে। হাড় ও দাঁতের গঠনও মজবুত করে। 

ত্রিপুরায় প্রায় একুশ রকমের বাঁশ উৎপন্ন হয়। এর সবক’টি থেকেই ‘চা’ তৈরি করা যায়। প্রজাতি ভেদে এদের স্বাদ ও গন্ধও ভিন্ন হয়। ৪-৫ মিনিট সিদ্ধ করে বাঁশপাতার লিকার চা বানানো যায়। স্বাদ বাড়াতে এর মধ্যে লেবু, চিনি ইত্যাদি মেশানো যেতে পারে।

এই চা ভারতীয় মুদ্রায় ১২০ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। এ চায়ের সঙ্গে আদার নির্যাস অথবা লেমনগ্রাস মিশিয়ে এর মান আরও উন্নত করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা যায়।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

পাট থেকে নতুন অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান

অনলাইন ডেস্ক

পাট থেকে নতুন অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান

পাট থেকে একেবারে নতুন ধরনের একটি অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। এই অ্যান্টিবায়োটিকের গঠন ও বৈশিষ্ট্য দেখে মনে হচ্ছে, এটি শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে মানুষের জীবন বাঁচাতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে জীবাণুপ্রতিরোধী অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নিয়ে যখন ক্রমশই উদ্বেগ ও হতাশা বাড়ছে তখন এই আবিষ্কার আশার সঞ্চার করছে। নতুন এই অ্যান্টিবায়োটিকের নাম দেওয়া হয়েছে হোমিকরসিন। প্রাপ্ত ব্যাকটেরিয়া ও পাটের বৈজ্ঞানিক নাম মিলিয়ে এই অ্যান্টিবায়োটিকটির নামকরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞান বিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী নেচারের সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে সম্প্রতি এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ল্যাবে তিন বছর ধরে গবেষণার পর এই অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পাওয়া যায়। প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিভাগের শিক্ষক ড. হাসিনা খানের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পাট নিয়ে গবেষণা করছেন।

ড. হাসিনা খান জানান, পাটের জীবন রহস্য উদঘাটনের সময় তিনি এর ভেতরে বিভিন্ন ধরনের অণুজীবের সন্ধান পেয়েছিলেন। এদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকেই তিনি বিভিন্ন অণুজীবের ওপর গবেষণা শুরু করেছিলেন। তার এক পর্যায়ে অনেকটা আকস্মিকভাবেই তিনি এই অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পান। এটা অনেকটা অপ্রত্যাশিতই বলবো। পাট নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি পাটের অণুজীবের সন্ধান পেলাম। তখন সেগুলোকে খুব ইন্টারেস্টিং বলে মনে হলো।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পাটের তন্তুর খাঁজে খাঁজে বহু অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়া বাস করে। এদের মধ্যে তারা একটি ব্যাকটেরিয়ার খোঁজ পান যা তার নিজের শরীর থেকে এমন কিছু তৈরি করে, যাতে অন্য ব্যাকটেরিয়াগুলো মারা যায়।

বিজ্ঞানীরা যে অণুজীবের ভেতরে অভিনব এই ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান পান সেটি তারা পেয়েছেন পাটের বীজের ভেতরে। তারা দেখেন স্টেফাইলোকক্বাস হোমিনিস নামের এই ব্যাকটেরিয়াটি অ্যান্টিবায়োটিকের মতো কাজ করছে।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, যাদের দেহে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না অর্থাৎ অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে অণুজীবের প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে, তাদের চিকিৎসায় এই হোমিকরসিন অ্যান্টিবায়োটিক ভালোভাবেই কাজ করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, তারা যে হোমিকরসিন অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পেয়েছেন সেটি বেশ কিছু শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ভালো কাজ করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।


আরও পড়ুনঃ

জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষ: লস্কর-ই-তাইয়্যেবার কমান্ডারসহ নিহত ৩

যদি নারী অল্প পোশাক পরে ঘোরে তার প্রভাব পুরুষের উপর পড়তে বাধ্য: ইমরান

পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে সাইফুলকে ধরে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে: ফখরুল

ফেসবুকে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ


বিজ্ঞানীরা তাদের আবিষ্কৃত অ্যান্টিবায়োটিকের পাঁচটি ভ্যারিয়েন্টের সন্ধান পেয়েছেন। এরমধ্যে দুটো ভ্যারিয়েন্টের কথা সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি তিনটি ভ্যারিয়েন্টের কার্যকারিতা নিয়ে এখনও গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এই পাঁচ রকমের ভ্যারিয়েন্ট থেকে অন্তত পাঁচটি অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা যেতে পারে যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে তৈরি করতে পারে নতুন এক ইতিহাস। তবে এই হোমিকরসিন অ্যান্টিবায়োটিক এখনই চিকিৎসায় ব্যবহার করা যাবে না। এনিয়ে আরো গবেষণা ও পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রয়োজন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

কানের ইনফেকশন ও ব্যথা থেকে বাঁচার উপায়

অনলাইন ডেস্ক

কানের ইনফেকশন ও ব্যথা থেকে বাঁচার উপায়

শরীরের প্রতিটি অঙ্গই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে কান অন্যতম। তাই আলাদা করে কানের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। অনেকেই কানের ফাঙ্গাল ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়া, ব্যথা, চুলকানিসহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। তবে প্রাথমিকভাবে ঘরেই এর সমাধান করতে পারেন। জেনে নিন বর্ষায় কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে কানের ব্যথা, চুলকানি এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে মুক্তি পেতে পারেন-

>> কানের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ঠান্ডা বা গরম সেঁক দিতে পারেন। হিট প্যাড বা গরম পানিতে ভিজিয়ে পানি নিংড়ে নেওয়া কাপড়টি কানের পাশে রেখে সেঁক দিতে পারেন। কিংবা একটি টাওয়ালের মধ্যে কয়েক টুকরো বরফ নিয়েও সেঁক দিতে পারেন। এতে করে খুব সহজেই কানের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।

>> ঘুমানোর সময় কানে যেন চাপ না পড়ে। শক্ত বালিশে মাথা রেখে অনেকেই ঘুমিয়ে থাকেন। এতে করে কানে বেশি চাপ পড়তে পারে। যা আপনার কানের ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে। এক্ষেত্রে সোজা হয়ে ঘুমাতে পারেন।

>> শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, আদা বিভিন্ন সংক্রমণ এবং ব্যথা নিরাময়েও সহায়তা করতে পারে। আদায় উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যসমূহ কানের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। যা আপনার কানের ব্যথা দূর করার পাশাপাশি ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে মুক্তি দিবে।

>> রসুনে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য কানের সংক্রমণ ও ব্যথা দ্রুত সারায়। এজন্য রসুনের কয়েকটি কোয়া তেলে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এরপর ঠান্ডা হলে ২ ফোঁটা তেল আপনার কানে ড্রপার দিয়ে দিন। এভাবে ২-৩বার ব্যবহার করলেই আপনার কানে ব্যথা কমে যাবে।

>> আপেল সিডার ভিনেগার: ইনফেকশনের ক্ষেত্রে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে এমন উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপেল সিডার ভিনেগার বিশেষ কার্যকরী। কানে ব্যথা হলে কয়েক ফোঁটা আপেল সিডার ভিনেগার কানে প্রয়োগ করুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন ব্যথা কমে গেছে।

>> কানের ব্যথা কমানোর আরও একটি ঘরোয়া উপায় হলো আকুপাংচার। এটি আপনার কানের ভেতরে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করবে। যা কানের সংক্রমণ এবং ব্যথা থেকে খুব সহজেই মুক্তি দিতে পারে।

>> ফেসিয়াল রোলার ব্যবহারে মুখের ত্বকে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। যা ত্বক মসৃণ, টানটান রাখাসহ অনেক সমস্যার সমাধান করে। এক্ষেত্রে কানের পাশে আপনি ফেসিয়াল রোলার দিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং কানের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাবেন।

সূত্র: হেলথলাইন

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

রুপকথার বাস্তব গল্প ধ্বংস করছে ফেসবুকের নকল বিজ্ঞাপন

অনলাইন ডেস্ক

রুপকথার বাস্তব গল্প ধ্বংস করছে ফেসবুকের নকল বিজ্ঞাপন

কেরি সিবার্ট থাকেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। তিনি রবিন উইট নামে এক ভাস্করের কাজের বেশ বড় ভক্ত। ফেসবুকে প্রতিদিনই তার ভাস্কর্যের কিছু বিজ্ঞাপন তার সামনে আসে। ফলে তিনি একরকম নিশ্চিত হয়েই তার বাগানে সাজিয়ে রাখার জন্য অনলাইনে চারটি ভাস্কর্যের অর্ডার দেন। তবে এখনো কিছুই পাননি।

একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়ার পার্থে বাস করা ভিকি কানিংহ্যাম। ফেসবুকের একটি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে এটি তাকে আরেকটি ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি একই রকম দেখতে দুইটি ভাস্কর্যের অর্ডার দেন। তবে তিনিও এখনো কিছুই হাতে পাননি। পাবেন কিনা এটি নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা।

আরও একজন ২৮ ইউরো দিয়ে দুটো ভাস্কর্যের অর্ডার দিয়ে পেয়েছেন নিম্নমানের প্লাস্টিকের তৈরি এক ভাস্কর্য, ছবির সাথে যার কোন মিলই নেই।

এক দশক আগে রবিন রাইট ''ফ্যান্টাসিওয়্যার'' নামে শখের বশে একটি প্রতিষ্ঠানটি চালু করেন। যেখানে তিনি স্টিলের তার ব্যবহার করে কিছু ভাস্কর্য তৈরি করেন। স্থানীয়ভাবে তার কিছু ভাস্কর্য বিক্রিও হয়। এরপর একদিন অনলাইনে তার ভাস্কর্যের ছবি ভাইরাল হয়ে গেলে ফুলে ফেঁপে ওঠে রবিনের ব্যবসা। তার ভক্তের সংখ্যাও বেড়ে যায়। খুলে ফেলেন নিজস্ব ওয়েবসাইটও। একেকটি ভাস্কর্য তিনি বিক্রি করেন ১৫ হাজার পাউন্ডে।

তবে এখানেই দেখা দেয় বিপত্তি। তার ভাস্কর্যের ভুয়া বিজ্ঞাপন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। রবিনের ওয়েবসাইট থেকে ছবি নিয়ে প্রতারকেরা আরও কম দামে বিক্রির প্রস্তাব দেয়। ফলে বিভ্রান্ত হয়ে প্রতারিত হন অনেকেই। কেউ হয়তো নিম্নমানের প্লাস্টিকের পণ্য হাতে পান। কেউ কিছুই পান না।

তবে ভুয়া বিজ্ঞাপন বন্ধে ফেসবুকে সঙ্গে কথা বলেছেন রবিন। ফেসবুক তাকে সব বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা করে রিপোর্ট করতে বলে। কিন্তু এসব বিজ্ঞাপন সংখ্যায় এতো বেশি যার প্রত্যেকটিতে আলাদা করে রিপোর্ট করা সম্ভব নয়।

তিনি জানান, ভুয়া বিজ্ঞাপন বন্ধে ফেসবুক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে না। ভুয়া বিজ্ঞাপন দিতে নিরুৎসাহিতও করে না।


আরও পড়ুনঃ

ফ্যান্টাসিওয়্যার: ড্যান্ডেলিয়ন ফুল আর পরীর রাজ্য

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

হোটেলে নারী এনে জরিমানার মুখে চিলির ফুটবলাররা

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুমির ‘মুজা’র জন্মদিন পালন


বিজ্ঞাপনগুলো ভুয়া জানায় পরও ফেসবুক সরিয়ে নেয় নি। এর কারণ হিসেবে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নিয়ে অতিরিক্ত অর্থের লোভকেই দায়ী করেন তিনি। তার মতে, বিজ্ঞাপনের জন্য মোটা অর্থ পায় ফেসবুক।

এই বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারির জন্য শুধু বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভোক্তারাই নন, তিনি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্রঃ বিবিসি

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ফ্যান্টাসিওয়্যার: ড্যান্ডেলিয়ন ফুল আর পরীর রাজ্য

অনলাইন ডেস্ক

ফ্যান্টাসিওয়্যার: ড্যান্ডেলিয়ন ফুল আর পরীর রাজ্য

মাত্র ১০ বছর আগে শখের বসে রবিন ‘ফ্যান্টাসিওয়্যার’ নামে ছোট্ট একটি পারিবারিক ব্যবসা শুরু করেন। রবিন উইট একজন ভাস্কর। তিনি স্টেইনলেস স্টিলের তার ব্যবহার করে পরী ও ড্যান্ডেলিয়ন ফুলের ভাস্কর্য তৈরি করে থাকেন। তার স্ত্রী ও তার দুই ছেলে-মেয়ে একাজে সাহায্য করে তাকে।

অনলাইনে তার তৈরি ভাস্কর্য বেশ বিখ্যাত। এগুলো প্রশংসিত হয়েছে লাখো মানুষের কাছে। এমনকি কোন বিজ্ঞাপন ছাড়াই ইন্টারনেটে তার তৈরি ভাস্কর্যের ছবি অহরহ দেখা যায়।

সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য রবিনের তৈরি ভাস্কর্য বাচ্চাদের খেলার মাঠে ব্যবহারের চিন্তা ট্রেন্থাম গার্ডেনসের মার্কেটিং ম্যানেজার অ্যামান্ডা ডসনের মাথায় আসে। তিনি রবিনের কাছ থেকে কয়েকটি ভাস্কর্য কিনে তা বাগানে সাজিয়ে রাখেন।

অ্যামান্ডা জানান, এরপর থেকেই বাগানে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এমনকি ৭২৫ একর আয়তনের এই বিশাল বাগানে অবিস্কার করার মতো আরও অনেক কিছু থাকলেও শুধুমাত্র ভাস্কর্য রাখা জায়গাগুলোতেই ভিড় হতে থাকে।

একদিন এক দর্শনার্থী ভাস্কর্যগুলোর কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করলে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যায় রবিনের ভাস্কর্যগুলো। ফেসবুকে তার রয়েছে ৪৪ মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার। তার একেকটি ভাস্কর্য বিক্রি হয় ১৫ হাজার ইউরোতে।

বিশ্বজুড়ে তার ভক্তেরা ফেয়ারি ফ্যানস নামে পরিচিত। তার ফেসবুক গ্রুপে প্রতি সপ্তাহে তিনি তার বর্তমান কাজের আপডেট জানান।


আরও পড়ুনঃ

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

হোটেলে নারী এনে জরিমানার মুখে চিলির ফুটবলাররা

বেবি বাম্পের ছবি দিয়ে নুসরাতের লুকোচুরির ইতি

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুমির ‘মুজা’র জন্মদিন পালন


তবে এসবের সাথে সাথে একটি সমস্যাও দেখা দেয়। নেটদুনিয়ায় তার ভাস্কর্যের ছবি চুরি ও জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হয়! তার ওয়েবসাইটের ছবিগুলো অপরাধীরা চুরি করে তা বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির কাজে ব্যবহার করে।

এই প্রতারণায় ফেসবুকে তার ছবির ওপর ক্লিক করলে তা অন্য একটি পেইজ বা ওয়েবসাইটে নিয়ে যায় যেখানে হুবহু তার ছবিগুলো ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। পরে তাদেরকে নিম্নমানের পণ্য ধরিয়ে দেওয়া হয়, অথবা তারা কিছুই পান না।

এই বিজ্ঞাপনগুলো বন্ধের জন্য বারবার ফেসবুকের কাছে আবেদন করলেও প্রত্যাশিত সাড়া পাননি রবিন। মানুষের ভোগান্তি দূর করার চেয়ে বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া অর্থই ফেসবুকের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

সূত্রঃ বিবিসি

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ধূমপান ছাড়তে চান?

অনলাইন ডেস্ক

ধূমপান ছাড়তে চান?

ধূমপান ক্ষতিকর সেকথা সবাই জানে। মৃত্যুর কারণও হতে পারে  ধূমপান। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা বলছে হৃদরোগের জন্য ৫৪ ভাগ ক্ষেত্রেই দায়ী হলো ধূমপান। গবেষনায় দেখা গেছে, সাধারণের তুলনায় ধূমপায়ীদের হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে ছয় গুণ বেশি।

সুস্থ থাকতে চাইলে ধূমপান বর্জন করা জরুরি। কিন্তু অনেকেই ধূমপান ছাড়তে চাইলেও পারেন না। আর এটা চাইলেই একদিনে ছাড়া সম্ভব হয় না। চলুন জেনে নেওয়া যাক ধূমপান ছাড়ার কার্যকরী কিছু উপায়-

#ধূমপান ছাড়ার জন্য সবার আগে প্রয়োজন ইচ্ছাশক্তি। আপনি যদি একবার সিদ্ধান্ত নেন যে ধূমপান ছেড়ে দেবেন, তাহলে সেই সিদ্ধান্তে অটল থাকুন। 

#নিজের পকেটেই সিগারেট রাখুন। এতে অন্যের কিাছ থেকে চাওয়ার প্রবণতা কমবে। তবে সিগারেট খাওয়া থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন। 

#খেয়াল করুন, কোন সময়টাতে আপনার সিগারেট খেতে বেশি ইচ্ছা করে। হতে পারে তা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে, ফোনে কথা বলার সময়, টিভি দেখার সময়, খাবারের পর কিংবা চায়ের সঙ্গে। যে সময়েই হোক, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন। 

#কাজ করতে করতে সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস? আজ থেকে বাদ দিন।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর