৯৯ শতাংশ সরকারি তথ্য প্রকাশে কোন গোপনীয়তা নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

৯৯ শতাংশ সরকারি তথ্য প্রকাশে কোন গোপনীয়তা নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী

শুধু রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণে ১ শতাংশ সরকারি তথ্য প্রকাশে গোপনীয়তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ হান্নান। এছাড়া বাকি ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে সরকারি তথ্য প্রকাশে কোন সমস্যা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে বিবিএস গ্লোসারি (কনসেপ্টস অ্যান্ড ডেফিনেশন) শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

আমলাতন্ত্রের প্রশংসা করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, 'আমলাতন্ত্রের বিকল্প হচ্ছে শূন্যতা। জীবনে শূন্যতা ভয়ংকর।'

তিনি বলেন, 'আমলাতন্ত্রের যে কত প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমিও একসময় ছোটখাটো আমলা ছিলাম। তবে সব পর্যায়ে কর্মকর্তাদের উচিত মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানো। ইউএনও, ডিসিসহ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের উচিত স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, এমনকি মেম্বারদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো।'

এম এ মান্নান বলেন, 'তথ্য লুকানোর কিছু নেই। ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে সরকারি তথ্য প্রকাশে কোনো সমস্যা নেই। শুধু রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণে ১ শতাংশ গোপনীয়তা রয়েছে। সেটির প্রতি গণমাধ্যম সম্মান দেখাবে অবশ্যই। আগামীতে হয়তো সেই ১ শতাংশও আর গোপন রাখার প্রয়োজন না-ও হতে পারে। সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছ।'


আরও পড়ুন


নতুন প্রজাতির ৯৮ ফুট দীর্ঘ ডাইনোসরের সন্ধান অস্ট্রেলিয়ায়

কম ভাড়ায় ৪ বিভাগে পুলিশ বাস সার্ভিসের যাত্রা শুরু আজ

আগের প্রেমিকার ঘরেও ছেলে আছে যশের, জানুন নুসরাত-যশের অজানা কাহিনী

জনসম্মুখে থাপ্পড় খেয়ে যা বললেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ


এম এ মান্নান আরো বলেন, 'কোনো তথ্য লুকাবেন না। আপনাদের জরিপে যদি কোনো ভয়ংকর কিছু আসে, সে ক্ষেত্রে মহাপরিচালক ও সচিবকে জানাবেন। তারা মনে করলে আমাকে জানাবেন। আমি মনে করলে সরকারপ্রধানকে জানাব।'

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর ডেভেলপমেন্ট অব স্ট্যাটিসটিকস (এনএসডিএস) প্রকল্পের পরিচালক দিলদার হোসেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বাংলাদেশ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘মানবিক বিবেচনায় আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। তবে এই সংকটটির সমাধান নিহিত রয়েছে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের ওপর, যা গত চার বছরে সম্ভব হয়নি। আমরা চাই প্রত্যাবর্তন বিষয়ে জাতিসংঘ স্পষ্ট একটি রোডম্যাপ তৈরি করুক।’

স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু লাউঞ্জে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার-বিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠককালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন।

আবদুল মোমেন আরও বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থানের নেতিবাচক দিক বিশেষ করে ওই এলাকায় বসবাসরত মূল জনগোষ্ঠীর ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। যদি শিগগিরই প্রত্যাবাসন শুরু না হয়, তাহলে এটি কেবল এই এলাকারই সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে না, বরং তা ওই অঞ্চল এবং এর বাইরেও অস্থিরতা তৈরি করবে।

আরও পড়ুন


সুপার লিগে সাকিবের খেলা নিয়ে শঙ্কা!

বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তেমন গদগদ হওয়ার মতো স্মৃতি আমার নাই

এবার আবু ত্ব-হা আদনানের সন্ধান চাইলেন আসিফ আকবর

সিলেটে মা ও ভাই-বোনকে হত্যা: নানাবাড়িতে থাকায় বেঁচে যায় আফসান


জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ভাসানচর প্রকল্পের কথা অবহিত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে রোহিঙ্গাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। জাতিসংঘ যাতে ভাসানচরে মানবিক সহায়তা প্রদান করে সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতকে ভাসানচর পরিদর্শনে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান ড. মোমেন।

এ ছাড়া জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের শান্তিরক্ষা সংশ্লিষ্ট উচ্চ পদগুলোতে আরও বেশি বাংলাদেশি সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য জেনারেল ল্যাক্রুয়াকে অনুরোধ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সারাদেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক ১৬ কোটির বেশি

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক ১৬ কোটির বেশি

দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১৬ কোটির বেশি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বুধবার (১৬ জুন) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ১৬ কোটিরও বেশি। গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের জন্য প্রতিবছর বিদেশ থেকে প্রায় দেড় কোটি হ্যান্ডসেট আমদানির পাশাপাশি কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবেও হ্যান্ডসেট আমদানির অভিযোগ রয়েছে।

মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিটিআরসি পহেলা জুলাই থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু করবে।

এর আগে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি মুঠোফোন বৈধ না অবৈধ, তা যাচাই করতে এনইআইআর নামে এ ব্যবস্থা চালু ও পরিচালনার জন্য দরপত্র আহ্বান করে। প্রযুক্তিগত সমাধান পেতে সংস্থাটি সিনেসিস নামে একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গত নভেম্বরে চুক্তি করে।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


এনইআইআর ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশে বৈধভাবে আমদানি ও উৎপাদিত মুঠোফোনের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মোবাইল নেটওয়ার্কে চালু হওয়া ফোনের আইএমইআই (মুঠোফোন শনাক্তকরণ নম্বর) মিলিয়ে দেখা হবে। অবৈধ, চুরি যাওয়া ও নকল মুঠোফোন দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না।

এদিকে দেশে আগামী ১ জুলাই থেকে অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধের প্রযুক্তি কার্যক্রম শুরু হবে। এ ফোনগুলো আর চালু করা যাবে না। তবে যাদের কাছে ইতোমধ্যে অবৈধ ফোন চালু আছে তাদের সময় দেবে বিটিআরসি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

চাকুরীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে গণধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

চাকুরীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে গণধর্ষণ

এক কিশোরীকে পোশাক কারখানায় চাকুরী দেয়ার গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে চার জনকে গ্রেফথার করেছে র‌্যাব। জড়িতরা হলেন জসিম উদ্দিন (২৭), নুরুল আজিম (২৮), জাবের আহাম্মদ (৪৮) এবং মোহাম্মদ নবী (২২)। মঙ্গলবার রাতে বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-৭ অধিনায়ক মশিউর রহমান জুয়েল জানান, চাকুরী দেয়ার কথা বলে ৭ জুন ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসার পর থেকে তার কোন খোঁজ না পেয়ে কিশোরীর বাবা র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কিশোরীকে উদ্ধার ও চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারের পর মেয়েটি জানায়, একটি বাসায় বন্দি করে তাকে টানা ধর্ষণ করা হয়েছে।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

লাঞ্ছনার সাজা তিন থাপ্পড়!

অনলাইন ডেস্ক

লাঞ্ছনার সাজা তিন থাপ্পড়!

থানায় অভিযোগ করলে গ্রামে থাকতে না পারার ভয়ে মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে গ্রামের মাতবরের কাছে যান নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের কৃষক। সেই সালিশে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তি হিসেবে তিনটি থাপ্পড় ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

ভিক্টিমের স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাঁর স্বজনেরা গ্রামের প্রভাবশালী। তাই এই বিচার মেনে নিতে হয়েছে তাদের।


আরও পড়ুন:

চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

এখনও খোঁজ মেলেনি আবু ত্ব-হা আদনানের, যা বলছে পুলিশ

রোনালদোকাণ্ডের পর এবার টেবিল থেকে বিয়ারের বোতল সরালেন পগবা


অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম খোদাবক্স (৪৪)। সালিস বৈঠকে বিচারের কাজ করেন তাঁর চাচাতো ভাই সেকেন্দারসহ গ্রামের মাতবর রাজ্জাক মণ্ডল। 
ভিক্টিমের স্বজনরা বলেন, শ্লীলতাহানির সত্যতা পাওয়ার পরও বৈঠকে দোষী ব্যক্তিকে উপযুক্ত সাজা দেওয়া হয়নি। বিচারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে জোর করে সাদা স্টাম্পে ছাত্রী ও বাবার স্বাক্ষর করে নেওয়া হয়েছে।

নবম শ্রেণির ছাত্রী ওই ভুক্তভোগীর  স্বজনেরা জানান, ১০ জুন বিকেলে কিশোরী বাড়িতে নিজের কক্ষে একাই ছিল। প্রতিবেশী খোদাবক্স ঘরে ঢুকে তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। কিশোরীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে খোদাবক্স পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা গ্রামের মাতবরের কাছে বিচার দাবি করেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেয়েটির বাবাকে  বলা হয়, অভিযুক্তকে তিনটি থাপ্পড় মারতে পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

ভাঙচুরের অভিযোগে পরিমণির বিরুদ্ধে জিডি

অনলাইন ডেস্ক

ভাঙচুরের অভিযোগে পরিমণির বিরুদ্ধে জিডি

গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাব নায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছে । গত ৮ জুন ক্লাবে ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। আজ বুধবার  রাজধানীর গুলশান থানায় জিডিটি করা হয়েছে। 

বিস্তারিত আসছে…

 news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর