এ সরকারের বড় সফলতা মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া : ডা. জাফরুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

এ সরকারের বড় সফলতা মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া : ডা. জাফরুল্লাহ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিদ্যুৎ খাতসহ বেশ কিছু বিষয়ে সরকারের প্রশংসা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দুপুরে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের বীর উত্তম মেজর হায়দার মিলনায়তনে ‘সচেতন নাগরিকদের দৃষ্টিতে ২০২১-২০২২ জাতীয় বাজেট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ প্রশংসা করেন তিনি।

এ সময় ডা. জাফরুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, এ সরকারের বড় সফলতা দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া। এজন্য সরকার কৃতিত্বও পেতে পারে। সরকারের বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। ৫ হাজার মেগাওয়াট থেকে শুরু করে সরকারের বারো বছরে তার ২৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে।

৬ লাখ কোটি টাকার বাজেটের ১৮ শতাংশ আমলাদের জন্য বরাদ্দ উল্লেখ করে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আমলাদের খুশি রাখতেই এমন বরাদ্দ রেখেছে সরকার। এর এক তৃতীয়াংশ বরাদ্দ কমানোর আহ্বান জানান তিনি।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, বাজেটের ব্যাপারে আমলাদের খাতির করা হয়েছে। আমলাদের বেতন অনেক বাড়ানো হয়েছে। গাড়ি কেনার জন্য ত্রিশ লাখ টাকা দেওয়া হয়। ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয় তা মেইনটেইন করার জন্য। উপকার পেয়েছে উচ্চ শ্রেণি। আমরা মধ্যম আয়ের দেশ কিন্তু মনোবৃত্তিটা পরিবর্তন হয়নি।

ডা. জাফরুল্লাহ আরও বলেন, বাজেট হওয়া উচিত নাগরিকদের জন্য। আমি বাজেটটি দেখার চেষ্টা করেছি অর্থমন্ত্রীর শ্রেণি চরিত্রের আলোকে। বাজেটের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার পেশা ও শ্রেণির প্রভাব পড়েছে। বাজেটে দুর্নীতিকে বহাল রাখার ফাঁক রয়ে গেছে। এটার উল্টাটা হওয়া উচিত ছিলে। তাদের সংসদে আসার আগে সবার সাথে আলোচনা করা উচিত ছিল। জনগণের মতামত নেওয়া উচিত ছিল।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়ার আমলে ভুলের কারণে জনগণের এখানে ভোগান্তি হয়েছে। অগ্রিম ইনকাম ট্যাক্স দুর্নীতির একটি বড় কারণ। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে লাভ হবে না, যদি না কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনা যায়।

অর্থনীতিবিদ ডা. রেজা কিবরিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মূল বক্তা ছিলেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হুইপ সামশুলের বাড়ির পাশে অবৈধ টিকাদান কেন্দ্র!

হুইপ সামশুলের বাড়ির পাশে অবৈধ টিকাদান কেন্দ্র!

হুইপ সামশুল হক চৌধুরী

দেশের গ্রাম পর্যায়ে আগামী ৭ আগস্ট থেকে গণহারে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রস্তুতি কার্যক্রম চলছে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর গ্রামের বাড়ির পাশে অবৈধভাবে সিনোফার্মের টিকা দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমতি ছাড়াই দুই দিন ধরে এই টিকাদান কার্যক্রম চলছে। আর এই টিকাদান কার্যক্রম হুইপ সামশুল সশরীরে পরিদর্শনও করেছেন।

অবৈধভাবে টিকাদান কার্যক্রম শুরুর এই ঘটনায় চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিষয়টি তদন্তে শনিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালকের (স্বাস্থ্য) কার্যালয় থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারির সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. অজয় দাশ। অন্য দুই সদস্য হলেন সদস্যসচিব চট্টগ্রাম জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান এবং একই কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো. নুরুল হায়দার।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর গতকাল বিকেলে বলেন, ‘৭ আগস্টের আগে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা কার্যক্রম কেউ শুরু করতে পারে না। অভিযোগ পাওয়ার পর সিভিল সার্জনকে নির্দেশনা দিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে সুনির্দিষ্ট মতামত দিতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি। কমিটিকে দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।’

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, কাউকে না জানিয়ে কেউ টিকা দিতে পারে না। সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ করোনার টিকা দিয়ে থাকলে তা ঠিক হয়নি। তদন্তে আসল বিষয় উঠে আসবে।

গতকাল বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন সম্পর্কিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক কভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি উদ্বোধনের পর ৭ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু হয়ে এখনো চলমান। কভিড-১৯ ভ্যাকসিন উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য সরকারিভাবে ইউনিয়ন পর্যায়ে কভিড-১৯ (সিনোফার্ম) টিকা প্রদানের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা প্রক্রিয়াধীন।

রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ব্যতিরেকে উপজেলা, জেলা কিংবা বিভাগীয় পর্যায় থেকে কোনো প্রকার   অনুমতি না নিয়ে চট্টগ্রাম জেলাধীন পটিয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওই স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) মো. রবিউল হোসেন কর্তৃক গত ৩০ ও ৩১ জুলাই কভিড-১৯ সিনোফার্ম ভ্যাকসিন অন্যত্র নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে রেজিস্ট্রেশনবিহীন লোকদের প্রদান করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সরেজমিন তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর অনুগত মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) মো. রবিউল হোসেনসহ কয়েকজন স্বাস্থ্য সহকারী প্রশাসনের কারো অনুমতি না নিয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছেন। সরকারিভাবে শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন টিকা দেওয়া হয় না। তবে গত শুক্রবার সামশুল হক চৌধুরীর বাড়ি থেকে কয়েক শ গজ দূরে শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের রশিদাবাদ গ্রামে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করেন তাঁরা।

শুক্রবার রশিদাবাদ কমিউনিটি সেন্টারে এবং গতকাল শোভনদণ্ডী উচ্চ বিদ্যালয় ও শোভনদণ্ডী ডিগ্রি কলেজে সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হয়। হুইপ সামশুল এদিন ওই কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম সশরীরে পরিদর্শন করেন। এভাবে গত দুই দিনে এখানে আড়াই থেকে তিন হাজার লোককে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।

আরো গুরুতর অভিযোগ হলো, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এসব টিকা নিয়ে গেলেও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সব্যসাচী নাথসহ চিকিৎসকরা বিষয়টি জানেন না। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মজুদ থেকে এসব টিকা নিয়ে গিয়ে এমপির এলাকায় গণহারে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সব্যসাচী নাথ এ ব্যাপারে বলেন, ‘হুইপ মহোদয় কিংবা সিভিল সার্জন মহোদয়ের লিখিত কোনো অনুমতি ছিল না এই টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে। সেহেতু আমি জানি না। আমাকে কেউ এ বিষয়ে বলেনি। টিকাগুলো আমাকে না জানিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে কে বা কারা নিয়ে গেছে। শনিবার সিভিল সার্জন মহোদয়ের নির্দেশনা পেয়ে আমি শোভনদণ্ডীতে গিয়ে দেখেছি যে সেখানে টিকা দেওয়া হচ্ছে।’

‘ঝুঁকি’ নিয়ে টিকা : সরকারিভাবে দেশে করোনা টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন, টিকা গ্রহণের কেন্দ্র, মেডিক্যাল টিম, চিকিৎসক-কর্মকর্তাদের বিশেষ টিম, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে প্রয়োজনীয় ওষুধ, অ্যাম্বুল্যান্স প্রস্তুতসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হয়। কিন্তু শোভনদণ্ডী ইউনিয়নে টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি এসব নির্দেশনার কোনোটাই মানা হয়নি। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, ঝুঁকি নিয়ে এসব টিকা দেওয়া হচ্ছে। টিকা প্রদানে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে এর দায়ভার কে নেবে?

অভিযোগ উঠেছে, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) মো. রবিউল হোসেন এই পদে চলতি দায়িত্বে আছেন। তাঁর মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্স নেই। তাঁর নিয়মিত পদ স্বাস্থ্য সহকারী। হুইপের অনুগত হওয়ার সুযোগে চলতি দায়িত্ব নিয়ে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের কাজ করছেন। আর তাঁর নেতৃত্বেই চলছে ওই টিকাদান কার্যক্রম। এ ছাড়া হুইপের অনুসারী আরো কয়েকজন সরকারি কর্মচারী (পটিয়া স্বাস্থ্য বিভাগে) রয়েছেন। তাঁদের দাপটে স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে অসহায়।

জানা গেছে, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনোফার্মের প্রথম ডোজ টিকা প্রদান শুরু হয়েছে গত ২০ জুন। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সাত হাজার ৭৬৯ জন প্রথম ডোজ নিয়েছেন বলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়। গতকাল টিকা নিয়েছেন তিন হাজার ২৬০ জন। এ নিয়ে গতকাল পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম ডোজের টিকা মজুদ রয়েছে চার হাজার ৭৫০টি।

কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের না জানিয়ে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এমপির বাড়ির পাশে কমিউনিটি সেন্টার ও স্কুল-কলেজে বুথ বানিয়ে কোনো হিসাব-নিকাশ না করে যথেচ্ছ টিকা দেওয়ায় উপজেলায় টিকার মজুদ ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে। এতে উপজেলায় টিকার জন্য যাঁরা রেজিস্ট্রেশন করেছেন তাঁদের ওই টিকা পাওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

পটিয়ায় ‘হুইপ পোষ্যে’র টিকাবাণিজ্যে তোলপাড়

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে আর একটা বেড রাখারও জায়গা নাই: স্বাস্থ্য ডিজি

অনলাইন ডেস্ক

হাসপাতালে আর একটা বেড রাখারও জায়গা নাই: স্বাস্থ্য ডিজি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেছেন, মানুষ যেভাবে ঢাকামুখী হচ্ছে তাতে সংক্রমণ বাড়বে। হাসপাতালে আর একটা বেড রাখারও জায়গা নাই।

আজ এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বাড়ানো হয়েছে লঞ্চ চলাচলের সময়

অনলাইন ডেস্ক

বাড়ানো হয়েছে লঞ্চ চলাচলের সময়

পোশাক শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরাতে গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এখনো ঢাকামুখী মানুষের চাপ অব্যাহত থাকায় লঞ্চ চলাচলের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। জানানো হয়েছে লঞ্চ চলাচল অব্যাহত থাকবে। তবে ঠিক কোন সময় পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পরিচালক (নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘লঞ্চ চলাচল অব্যাহত থাকবে, এমন একটি নির্দেশনা আমরা পেয়েছি। অনেক যাত্রী, সরকার যে উদ্দেশ্যে লঞ্চ চলাচল খুলে দিয়েছে সেটা ১২টার মধ্যে পূরণ হবে না। সেজন্য সময় বাড়ানো হয়েছে।’

কোন সময় পর্যন্ত চলবে- জানতে চাইলে বলেন, ‘লঞ্চ চলবে আপাতত এটা বলতে পারি। কোন সময় পর্যন্ত চলবে সেটা এখন বলতে পারছি না। সেই সিদ্ধান্তটা আমরা এখনও পাইনি।’

আরও পড়ুন


এবার পর্নোগ্রাফি শুটিংয়ের অভিযোগে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার

সাকিবের সামনে রেকর্ড গড়ার হাতছানি, যেখানে তিনিই হবেন প্রথম

চিত্রনায়িকা একার বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় দুই মামলা

বরিশাল শেবাচিমে আরও ১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্তের হার কমেছে


কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রোববার থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা খুলে দিয়েছে সরকার। এই ঘোষণার পর গতকাল শনিবার ঢাকামুখী মানুষের ঢল নামে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঈদে বাড়ি গিয়ে কঠোর বিধিনিষেধে আটকে পড়া শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে সীমাহীন দুর্ভোগ সয়ে কর্মস্থলে ফিরছেন।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

শিমুলিয়া ঘাটে আজও ঢাকামুখী মানুষের ঢল

অনলাইন ডেস্ক

শিমুলিয়া ঘাটে আজও ঢাকামুখী মানুষের ঢল

পোশাক কারখানার খোলার ঘোষণার পর থেকে ঢাকামুখী হাজার হাজার মানুষ। যে যেভাবে পারছে ছুটছে কর্মস্থলে। গত দু’দিনের মতো আজও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

এদিকে গতকাল থেকে লঞ্চ চালুর ঘোষণার পর থেকে ফেরিতে যাত্রী উপস্থিতি তুলনামূলক কম। আর, সড়কে গণপরিবহন চলায় বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়াঘাটে পৌঁছে যাত্রীরা পাড়ি দিতে পারছে গন্তব্যে, ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।

এদিকে, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার এবং শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌরুটের লঞ্চে যাত্রীর উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। আজ রোববার সকাল থেকে এই দুই নৌরুটে চলাচল করছে ৮৬টি লঞ্চ। শিমুলিয়াঘাটে আসা প্রতিটি লঞ্চে দেখা যাচ্ছে যাত্রীর ভিড়। ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। এতে লঞ্চে উপেক্ষিত থাকছে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব। পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে, শিমুলিয়াঘাটে পৌঁছে বাসসহ বিভিন্ন পরিবহনে যাত্রীরা ঢাকাসহ গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে। বাড়তি যাত্রীর উপস্থিতিতে আজও অনেক কর্মস্থলমুখী মানুষকে ট্রাকসহ স্বল্পগতির যানবাহনে গন্তব্যে ছুটতে দেখা গেছে।

ঢাকামুখী যাত্রীরা বলছেন, কোনো ভোগান্তি ছাড়াই লঞ্চে এসে শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছেছি। তবে, বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনেকেই।

আরও পড়ুন


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ২০ কি.মি অংশ জুড়ে যান চলাচলে ধীরগতি

খুলনায় দ্বিতীয় দিনের মতো করোনায় মৃত্যু ৪

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে হাত বোমা নিক্ষেপ, একজন নিহত

বিচার চাইতে গিয়ে চেয়ারম্যানের হাতে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ


বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক মাহবুব রহমান জানান, নৌরুটে ছোট- বড় মিলিয়ে বর্তমানে ১০টি ফেরি সচল রয়েছে। আজও ফেরিতে প্রচুর যাত্রী আসছে। তবে, লঞ্চ চালু হওয়ায় গতকালের তুলনায় যাত্রীর চাপ কমেছে অনেকটাই। শতাধিক ছোট-বড় গাড়ি রয়েছে পারাপারের অপেক্ষায়, এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা বেশি।

অন্যদিকে, বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া লঞ্চঘাটের পরিদর্শক মো. সোলেইমান জানান, দুই নৌরুটে ৮৬টি লঞ্চ সচল আছে। দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীর সংখ্যা কম। তবে, ঢাকামুখী যাত্রী চাপ রয়েছে। দুপুর পর্যন্ত সব লঞ্চ চলবে। তিনি জানান, স্বাস্থ্যবিধি মানতে যাত্রীদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

৮ আগস্ট থেকে ১৮ বছর বয়সীরাও টিকা নিতে পারবেন

অনলাইন ডেস্ক

৮ আগস্ট থেকে ১৮ বছর বয়সীরাও টিকা নিতে পারবেন

মহামারী করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে ৮ আগস্ট থেকে ১৮ বছর বয়সীরাও টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। তবে, যাদের জাতীয় পরিচয় পত্র নেই তারাও পাবেন করোনার টিকা। 

শনিবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এসব কথা জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এর আগে শনিবার বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাপান থেকে আসা উপহারের অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান গ্রহণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এসময় তিনি জানিয়েছেন, এনআইডি না থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় টিকা দেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, আগামী ৭ আগস্ট থেকে সারাদেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। এই টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে বয়স্কদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বয়স্করা যদি শুধুমাত্র এনআইডি কার্ড নিয়েও টিকাদান কেন্দ্রে আসেন, তারপরও তাদের টিকা দেওয়া হবে। কারণ করোনাভাইরাসে বয়স্করাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তারাই বেশি মারা যাচ্ছেন। আমরা মৃত্যুর হার কমাতে চাই। তাই এ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি।

আরও পড়ুন


হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ 'নেত্রী' ছিলেন না

স্বামীর পর্নকাণ্ড: এবার শিল্পা শেঠির সমর্থনে বলি-অভিনেত্রী

আজ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতি শুরু

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম জানিয়েছেন, সবাইকে টিকার আওতায় আনতে ধারাবাহিকভাবে বয়সসীমা কমিয়ে আনা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,  দেশে প্রথম ৫৫ বছরের ওপরে সবার টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এ বছরের ২৭ জানুয়ারি থেকে। পরে তা নামিয়ে আনা হয় ৪০ বছরে। চলতি মাসের শুরুতে ওই বয়সসীমা আরো কমিয়ে নামানো হয় ৩৫ বছরে, এরপর নামে ৩০ বছরে। বৃহস্পতিবার তা নামিয়ে ২৫ বছর করা হয়।

news24bd.tv রিমু 

 

 

 

পরবর্তী খবর