যে পরিমান নতুন ডাক্তার বের হয়, অনেক দেশে সে পরিমান জনসংখ্যাও বাড়ে না

সাইফুল ইসলাম

যে পরিমান নতুন ডাক্তার বের হয়, অনেক দেশে সে পরিমান জনসংখ্যাও বাড়ে না

ডিউটির শুরুতেই নার্স বলল

: আট নাম্বার বেডের রোগীর ক্যানুলা করা লাগবে।

- আচ্ছা এখনই করে দিব।

: তোমাকে আগেই সাবধান করে দিচ্ছি রোগী কিন্তু ক্ষেপে আছে।

- কেন?

: আগের শিফটে দুইবার ক্যানুলার অ্যাটেম্পট করা হইছে, ফেইল্ড।

- ঠিক আছে, আমি দেখছি।

এখানে রোগীদেরকে স্যার- ডিয়ার- হানি- মাই লাভ- ডার্লিং এসব বলে ডাকা খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার।

আমি একজন হেল্থ এসিস্ট্যান্ট কে শ্যাপ্রন হিসেবে সাথে নিয়ে রোগীর কাছে গেলাম। নিজের পরিচয় দিয়ে, জাদু সোনা বলে রোগীকে রাজি করালাম।

সে হেল্থ কেয়ার এসিস্ট্যান্ট এর সাথে কথা বলতে লাগল আর আমি মিনিট তিনেক পর ক্যানুলা শেষ করে রোগীকে ধন্যবাদ দিলাম।

রোগী-

: ক্যানুলা করা শেষ?

- হুম্ শেষ।

: বাহ্ আমি তো বলতে গেলে টেরই পেলাম না। আর কি টাইডি করে করেছ, এক ফোঁটা রক্ত লেগে নাই। আগে যখন দুইবার ট্রাই করেছিল তখন ব্যথা যেমন পেয়েছি তেমন বিছানায় রক্ত লাগিয়ে বিচ্ছিরি অবস্থা হয়েছিল।

- তোমার কমপ্লিমেন্টের জন্যে অনেক ধন্যবাদ।

: তোমার দেশ কোথায় ডক?

- বাংলাদেশ।

: ওয়াও! এখানে কতোদিন ধরে কাজ করছ?

- নয় মাস।

: বাহ্! খুব ভাল লাগল তোমার সাথে পরিচিত হয়ে। তোমার দেশের নাম আমি আগে শুনেছি, এখানে অনেক ব্র্যান্ডের পোশাক তোমার দেশ থেকে আসে।

- হ্যাঁ, আমাদের গার্মেন্টস শিল্প বেশ ভাল।

: তোমার দেশের ডাক্তাররাও নিশ্চয়ই তোমার মত ভাল?

- না। আমার দেশের ডাক্তাররা আমার চেয়ে অনেক বেশি ভাল।

: তুমি এখানে মুভ করলে যে?


আরও পড়ুন


নতুন প্রজাতির ৯৮ ফুট দীর্ঘ ডাইনোসরের সন্ধান অস্ট্রেলিয়ায়

কম ভাড়ায় ৪ বিভাগে পুলিশ বাস সার্ভিসের যাত্রা শুরু আজ

আগের প্রেমিকার ঘরেও ছেলে আছে যশের, জানুন নুসরাত-যশের অজানা কাহিনী

জনসম্মুখে থাপ্পড় খেয়ে যা বললেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ


- আসলে চাহিদার চেয়ে বেশি জিনিস আমরা বিদেশে রপ্তানি করি।

: মানে? বুঝতে পারছিনা!

- মানে, আমাদের দেশে বছরে যে পরিমান নতুন ডাক্তার বের হয় সে পরিমান জনসংখ্যাও অনেক দেশে বৃদ্ধি হয় না। তাই আমরা নানান দেশে চাকরি বাকরি খুঁজে বেড়াই।

: ঠাট্টা করছ?

- না, সত্যি বলছি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

চুরার দল কুহাঙ্কার

রাখি নাহিদ

চুরার দল কুহাঙ্কার

রাখি নাহিদ

আমার লেখা চুরি করে নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করেই ক্ষ্যান্ত হয় না। লোকজন যখন বাহবা দেয় তখন নিজের মনে করে ক্রেডিটও নেয়। 

কেউ প্রশংসা করলে মোম এর মত গলে যায়। মনে মনে নিশ্চয়ই বলে এ আর এমন কি? আমি তো আরো ভালো চুরি করি।

আমার লেখা এত চুরি হয় যে আমি আজকাল পাথর হয়ে গেছি। কেউ চুরি করসে দেখলে হৈমন্তীদির মত গান গাই-আমার বলার কিছু ছিল না না গো ও ও ও, চেয়ে চেয়ে দেখলাম লেখা নিয়ে গেল। চেয়ে চেয়ে দেখলাম...

কিন্তু আমিও তো মানুষ। মাঝে মাঝে খুব রাগ হয়। মনে হয় বিদ্রোহী বধূ সিনেমার শাবানার মত চিৎকার করে বলি-ওই চোরদের বলে দেবেন চৌধুরী সাহেব, দুই চারটা লাইক কমেন্ট পেলেও, স্ট্যাটাস চুরি করে কেউ কোনদিন সেলিব্রিটি হতে পারেনা...।

রাখী নাহিদ, নিউইয়র্ক (ফেসবুক থেকে নেয়া)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক কোনো পক্ষের হয়ে গেলে তিনি আর সাংবাদিক থাকেন না

শওগাত আলী সাগর

সাংবাদিক কোনো পক্ষের হয়ে গেলে তিনি আর সাংবাদিক থাকেন না

কানাডিয়ান মিডিয়া আপনার লেখাটা খুলে দেখার আগে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট এর দিকে নজর দেয়। ওখানে আপনি কী করেন, কী লেখেন, সেইগুলোর ভেতর দিয়ে ঘুরে এসে আপনার লেখাটা খুলে বসেন।’ – এইটুকু শুনে চমকে উঠেছিলাম। কানাডার কর্পোরেট অফিসগুলোর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া নীতিমালা আছে, সাংবাদিকদেরও আছে, কিন্তু লেখা ছাপা হওয়া না হওয়ার সাথে লেখকের, সাংবাদিকের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টের সম্পর্ক কী?

সেই সম্পর্কটাই ব্যাখ্যা করছিলেন রজার বেলগ্রেভ, টরন্টো স্টারের কলামিষ্ট। অভিবাসী সাংবাদিকদের কানাডিয়ান জার্নালিজমের ধারায় তৈরি করতে ‘নিউ কানাডিয়ান মিডিয়ার (এনসিএম) এর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কথা এর আগেও বলেছিলাম।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

মুমিনদের সম্পর্কের গুরুত্ব, ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ হক

‘তা হলে কানাডিয়ান মিডিয়া বাইরের লেখকদের (যারা প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত নন) লেখা কিভাবে মূল্যায়ন করে? মানে কোন লেখাটা ছাপা হবে, কোন লেখাটা ছাপা হবে না- এই সিদ্ধান্তটা কীভাবে হয়!’- প্রশ্নটা আসলে আমাদের সবারই মনের প্রশ্ন। আমরা মানে- আমাদের যাদের পরিচয়- এথনিক সাংবাদিক, পলিটিশিয়ানদের অনেকেই এখন ‘কালচারাল মিডিয়া’ নামেও ডাকে। আমরা যারা কানাডিয়ান মূলধারার পত্রপত্রিকায় আমাদের লেখা ছাপ হোক- তেমন স্বপ্ন দেখি, তাদের জন্য তো অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

কিন্তু লেখা দেখার আগে লেখকের সোশ্যাল মিডিয়ার দিকে তারা নজর দেয় কেন? কারো লেখা প্রকাশের আগে কানাডিয়ান মিডিয়া নিশ্চিত হতে চায়, যিনি লিখছেন, যে বিষয়ে লিখছেন, এই বিষয়ে তিনি এক্টিভিজম করছেন কী না। যেই বিষয় নিয়ে কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক্টিভিজম করছেন- সেই বিষয় নিয়ে তার লেখা প্রকাশ না করার নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে কানাডিয়ান মিডিয়া।

টরন্টো স্টারের রিপোর্টারদের জন্য যে লিখিত নীতিমালা আছে, তাতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, একজন সাংবাদিক একই সাথে সংবাদ এবং সাংবাদিক- দুই ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারবেন না। যিনি সাংবাদিক তিনি কেবল সাংবাদিকতাই করবেন, সংবাদ হবেন না, তিনি যখন সংবাদ হয়ে উঠবেন- তখন তার সাংবাদিকতার ইতি। এক্টিভিজমকে সংবাদ হিসেবে দেখে তারা, ফলে এক্টিভিষ্টকে সংবাদ কিংবা সংবাদপত্রের লেখক হিসেবে তারা অনুমোদন করে না।

এক্টিভিষ্টের সাংবাদিক হওয়ায় সমস্যা কোথায়? সমস্যা আছে। একজন এক্টিভিষ্ট একটি পক্ষের হয়ে তার লড়াইটা করেন। কিন্তু সাংবাদিককে কোনো পক্ষের হলে চলে না। তিনি যখন কোনো পক্ষের হয়ে যান- তখন তিনি আর সাংবাদিক থাকেন না, তখন তিনি হয়ে যান এক্টিভিষ্ট।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বিপদটা এখানেই

গুলজার হোসেন উজ্জল

বিপদটা এখানেই

ক্রিটিক্যাল থিংকিং একটু আনকমন জিনিস। স্টেরিওটাইপ চিন্তার বাইরে মানুষ যেতে পারেনা সহজে। অধিকাংশ মানুষ চালিত হয় সেন্টিমেন্ট দিয়ে। এটাকে আমরা বলি পাবলিক সেন্টিমেন্ট।

তাই যারা একটু চালাক তারা সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগায়। এরা আমাদের সমাজে সাক্সেসফুল হিসেবে পরিচিতি পায়। 
ইদানিং ফেসবুক পাবলিক সেন্টিমেন্ট উৎপাদনের এক উর্বর জমিতে পরিণত হয়েছে৷ তাই যারা একটু বেশি চালাক তারা ফেসবুকের আম আদমীদের সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়ে অল্প চাপে বেশি পানি বের করছেন। সাধারণভাবে যা সহজে পারা যায় না ফেসবুক সেন্টিমেন্ট ক্রিয়েট করে তা সহজেই হাসিল করা যাচ্ছে৷ বেশ সফলতাও আসছে তাতে।

আমাদের আটোপৌরে আম ফেসবুকাররা একটি ঘটনার যেকোন একটি ন্যারেটিভকেই সত্য বলে ধরে নেয়। সেই সত্যকে তারা বিবেচনা করে কখনো ধর্মীয় মূল্যবোধের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, কখনো প্রগতিবাদের চোখ দিয়ে, কখনো পুরুষতন্ত্রের প্রতিনিধি হয়ে, কখনো বা নারীবাদের দৃষ্টিকোণ থেকে।

বস্তুত অপরাধ মনস্তত্ত্ব মানুষের প্রবৃত্তির একটি ফল। এর সাথে আরো কিছু উপাদান থাকে।  এটি প্রায় সকল মতবাদের উর্ধে। তাই যে কোন অপরাধমূলক ঘটনাকে দেখতে হয় একদম উপর থেকে নির্লিপ্ত দর্শকের চোখ দিয়ে। নাহলে যে কেউ যখন তখন অন্যায়ভাবে ভিক্টিমাইজ হতে পারে।

একারণেই মানুষ সভ্য হবার সাথে সাথে বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে৷ বিচার ব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করতে  উকিলের প্রচলন করেছে।

আইনের শাসন যেখানে আছে সেখানে একজন খুনীরও উকিল থাকে। সেই উকিল অভিযুক্তের হয়ে তার পক্ষের যুক্তিগুলো উপস্থাপন করে। আবার ভিক্টিমেরও উকিল তার মক্কেলের পক্ষে বলে। দুটো ভিন্ন ন্যারেটিভকে বিবেচনায় নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে বিচারের কাজটি করা হয়। উকিল মূলত একাধিক ন্যারেটিভ তৈরির কাজটিই করে দেন যেন বিচার প্রক্রিয়ায় বিচারক একটি বিস্তৃত দৃশ্যপট দেখতে পান। একাধিক ন্যারেটিভকে বিবেচনায় রেখে মতামত দেওয়াটা সভ্য ও পরিণত সমাজের বৈশিষ্ট্য। 
আম ফেসবুকাররা ইদানিং এক নতুন বিচার ব্যবস্থা কায়েম করেছে, সেটিকে বলা হচ্ছে মিডিয়া ট্রায়াল। এটি টানেল ভিশনের একটি প্রতিফলন।  এখানে এক পক্ষের উকিল আরেক পক্ষের উকিলকে মানতে পারেনা। পারেনা তো পারেইনা৷ এখানে একাধিক ন্যারেটিভকে একসাথে দেখার চল নাই।

মিডিয়া ট্রায়াল বিচারকে প্রভাবিত করছে অনেকটা।  অন্তত প্রাথমিকভাবে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করে সামাজিকভাবে হেয় করছে। যদিও পরে দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া যাকে ফেরেশতা ভেবেছিল সেই আসল অপরাধী। উদাহরণ দিয়ে বলি,  কিছুকাল আগেও বরগুনার মিন্নি এবং পুলিশ অফিসার বাবুলকে আমি ভাল মানুষ ভেবেছিলাম। যারা এদের সন্দেহ করেছিলো আমি তাদের জটিল মানুষ ভেবেছিলাম। পরে কি বেরুলো  সবাই তো জানেন।  কিন্তু একটা অন্তত ভাল কাজ আমি করেছি। সেইসব ইস্যুতে আমি মতামত দেইনি। কারণ এটুকু আমি জানতাম "যে কোন কিছুই হতে পারে।’

ফেসবুক রাস্তার মোড়ের চায়ের দোকান কিংবা গ্রামের পুকুর ঘাটের সমাজ বিশ্লেষণের আধুনিক রূপান্তর হলেও অনেক ক্ষেত্রেই সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভূমিকা রাখছে। এটি ভাল এবং মন্দ দুটোই। নির্ভার হয়ে ভাল বলা যেতো যদি এর ব্যবহারকারীরা ন্যুনতম বুদ্ধি রাখে সেই নিশ্চয়তা পেতাম।

কিন্তু বিপদটা হলো এখানে আসলে সবাই সেন্টিমেন্টাল হয়ে যায়৷ কলেজ পড়ুয়া টিনএজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পর্যন্ত। সবার উদ্দেশ্য থাকে একটাই "সর্বোচ্চ শুদ্ধ নীতি কথা বলতে হবে"। নিজকে নীতিবান হিসেবে প্রচার করার এই উদ্দেশ্য হাসিল করতে যেয়ে নীতি বিরুদ্ধ হতেও তাদের বাধে না।

ফেসবুক যেন  আজব নেশা। মধ্যরাতে ক্লাবে গিয়ে মদ খেয়ে মাতলামি করার মতই ফেসবুকে মাতাল হতে আসে ছেলেবুড়ো অনেকেই। মাতালে মাতালে ঝগড়া করে এর ওর নামে দল বেধে বিষোদগারও করে।

মদ তবু একটি নিরপেক্ষ জিনিস৷ ফেসবুকের মাতালরা মাতলামি করে সমাজ ও রাষ্ট্রের সিরিয়াস ইস্যু নিয়ে। এরা রীতিমত দার্শনিকের চরিত্রে অভিনয় করে। অনেকেই এদেরকে সিরিয়াসলিও নেয়।  বিপদটা এখানেই।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

অবস্থান মেপে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন আজ ভ্যাকসিন পাবেন কী না

শওগাত আলী সাগর

অবস্থান মেপে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন আজ ভ্যাকসিন পাবেন কী না

এমপিপি ডলি বেগমের অফিস থেকে কাল বিকেলেই ইমেইলে সবাইকে জানানো হয়েছিলো ওয়ার্ডেন হিলটপের আজকের ভ্যাকসিন ক্রিনিকের কথা। ‘আগে আসলে আগে পাবেন  ভিত্তিতে’ বা যতোক্ষণ সাপ্লাই থাকে ভিত্তিতে ভ্যাকসিন দেয়া হবে সেটিও জানানো হয়েছিলো। 

সকাল সাড়ে ৮টায় ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হলেও প্রথম ব্যক্তিটি লাইনে এসে দাঁড়িয়েছেন রাত ১.৩০ মিনিটে। সকালে ভ্যাকসিন ক্লিনিক খোলার আগে সেই লাইনটা কোথায় গিয়েছে? 

মূলধারার মিডিয়ার ফটোগ্রাফাররা অনেক কসরত করেও অপেক্ষমান মানুষের পুরো লাইনের ধারনা পাওয়া যায়- এমন একটি ছবি তুলতে সক্ষম হননি।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দ্বিতীয় ডোজ পেতে আগ্রহীদের জন্য ভ্যাকসিন পাবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিলো এই ভ্যাকসিন ক্লিনিকে।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


মাত্র ২ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার সক্ষমতা আছে আজকের ক্লিনিকে। কাজেই যারা লাইনে আছেন, তারা তাদের অবস্থান মেপে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন- আজ ভ্যাকসিন পাবেন কী না।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এখানে লকডাউন মানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি, আর সব কিছু চলবে!

রাখাল রাহা

এখানে লকডাউন মানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি, আর সব কিছু চলবে!

সরকার বলছে দেশে করোনা শনাক্তের হার ৫% এর নীচে না নামলে সে স্কুল-কলেজ খুলবে না! কিন্তু সরকার যেভাবে করোনা টেষ্ট করছে চাইলেই এই হার তার পক্ষে আরো কয়েক বছর ধরে ৫%-এর উপরে রাখা সম্ভব! তাহলে কি এভাবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বছরের পর বছর?

১৫১ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে! দেশে আত্মহত্যার হার বেড়েছে প্রায় ৪৫%! দুনিয়ার কোনো সভ্য দেশ এভাবে একটানা ৪৫৬ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে করোনা মোকাবেলা করছে না! সবচেয়ে আক্রান্ত দেশগুলোও সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে করোনা মোকাবেলা করছে!

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে করোনা দূর করার কসরৎ উত্তর কোরিয়া, বার্মা, কম্বোডিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব, ফিলিপাইন, ইরাক, আজারবাইজান, মাদাগাস্কার এরকম ১৬টি দেশ, যাদের অধিকাংশই করোনায় সবচেয়ে কম আক্রান্ত দেশ। সুতরাং দেখুন, কোনো সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, বাংলাদেশ এই ১৬টি দেশের মধ্যে রয়েছে! আর এখানে লকডাউন মানে শুধুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি, আর সব কিছু চলবে! এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি! 

তাহলে এমন পরিস্থিতিতে কিভাবে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো টিকবে, শিক্ষার্থীরা বাঁচবে?
কথা বলবেন সহজপাঠ (ঢাকা) ও ফুলকি (চট্টগ্রাম) স্কুল; উদয়ন (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) ও ইকবাল সিদ্দিকী (গাজীপুর) কলেজ; এবং তামিরুল মিল্লাত (টঙ্গী) ও মাদ্রাসাতুল মদীনা (বগুড়া) মাদ্রাসার প্রধানগণ। 

আজ ১৫ই জুন ২০২১ মঙ্গলবার রাত ৯টায়। 

লাইভ সম্প্রচার লিংক :https://www.facebook.com/shishir.movement

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর