আপনার শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি আছে কিনা যেভাবে বুঝবেন!

অনলাইন ডেস্ক

আপনার শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি আছে কিনা যেভাবে বুঝবেন!

একেক জনের শরীরের প্রোটিনের চাহিদা একেক রকম। আমাদের শরীরে প্রোটিন ও ভিটামিনের প্রয়োজন আছে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে প্রোটিন অনেক জরুরি।

উদাহরণস্বরূপ, যে ব্যক্তি নিয়মিত জিম করেন তার অন্যান্যদের তুলনায় আরও বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন। প্রোটিনের ঘাটতিতে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

১.অতিরিক্ত মেদ কমাতে পারছেন না

আপনি কি নিরলসভাবে কাজ করছেন, ঠিকঠাক খাচ্ছেন কিন্তু তারপরেও অতিরিক্ত মেদ কমছে না? তবে আপনার প্রোটিন দরকার। আপনি যখন পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করবেন না, তখন দেহের পেশিগুলো ঠিকঠাক কাজ করতে পারে না এবং শরীরের ভেতরের কার্যকলাপ কম গতিসম্পন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় খাবারের অভাবে মেটাবলিক সিস্টেমের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার কারণে খাবারের ক্যালোরি চর্বি হয়ে শরীরে জমা হতে শুরু করে। তাই প্রোটিনযুক্ত খাওয়ার খেতেই হবে।

২. খিটখিটে মেজাজ:

কম প্রোটিন গ্রহণের ফলে আমাদের মন, মেজাজ খিটখিটে হয়।আমাদের মেজাজের জন্য দায়ী বিভিন্ন হরমোন এবং নিউরোট্রান্সমিটার সংশ্লেষণের জন্য প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন সেরোটোনিন হরমোন যা একজনকে ফুরফুরে মেজাজ রাখতে সাহায্য করে। প্রোটিনের উপর আমাদের মানসিক অবস্থারও ওঠানামা হতে পারে।

৩. ক্লান্তি:

পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন গ্রহণ না করলে তা আমাদের রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়। যার ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়। এছাড়াও প্রোটিন শরীরের অন্যতম প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস। যদি শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে তা হলে শরীর খিদের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে তা মেটানোর চেষ্টা করে। ফলে ওজন বেড়ে যেতে পারে এবং হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

৪. হাড়ের ক্ষয়

পেশি গঠনে ও মজবুত করতে সাহায্য করে প্রোটিন। তাই বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, যারা বডি বিল্ডিং করেন বা মাসল বিল্ডিং করেন, তারা প্রোটিন জুস বা শেক খেয়ে থাকেন। যদি শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে, তা হলে পেশিতে জোর থাকবে না। কোনও ভারী জিনিস তুলতেও সমস্যা হবে। প্রোটিন আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অ্যান্টিবডি নির্মাণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোয় সাহায্য করে। সুতরাং যখন প্রোটিনের ঘাটতি হয় তখন রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। এছাড়াও হাড়ের জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি ডায়েটরি প্রোটিন দরকার। কারণ প্রোটিন হাড়ের স্বাস্থ্য দীর্ঘদিন মজবুত রাখতে সহায়তা করে।

৫. ত্বক, চুল এবং নখের সমস্যা:

ত্বক, চুল এবং নখ প্রাথমিক ভাবে প্রোটিন দিয়ে তৈরি, এবং তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রোটিনের ঘাটতি তাদের উপরও পড়ে। প্রোটিনের ঘাটতিতে ত্বকে লালচে ভাব সহ আরও নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও এটি চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, চুল পড়া এবং নখের সাদা হওয়ার কারণও হতে পারে। যার ফলে ত্বকের বলিরেখা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হাড় এবং পেশি দুই’ই প্রোটিনের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই শক্তিশালী হাড়ের জন্য প্রোটিন জরুরি।এছাড়াও প্রোটিনের অভাবে দেহে ফোলাভাব তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন:


পাট ক্ষেত থেকে পাওয়া গেল রক্তাক্ত দুই লাশ

ভারতে পাচার হওয়ার পর ফিরে আসা সেই নারীর স্বামী গ্রেপ্তার

পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাস উল্টে ২০ জনের মৃত্যু

যৌনকর্মীদের সাহায্যে হাত বাড়ালেন ঋতুপর্ণা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বাচ্চাদের উচ্চতা নিয়ে যা করবেন!

অনলাইন ডেস্ক

বাচ্চাদের উচ্চতা নিয়ে যা করবেন!

পারফেক্ট হাইট পেতে কে না চায়! কিন্তু এর জন্য দরকার কৌশল। যাদের জিনেই লম্বা হওয়ার রসদ রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে আলাদা বিষয়। কিন্তু যাদের নেই, তাদের পরিশ্রম করতে হবে।

কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে স্কিপিং, দৌড় ঝাঁপ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা করেও কোনও লাভ হচ্ছে না। তখনই সন্তানের উচ্চতা নিয়ে ভাবতে বসেন বাবা মায়েরা। খবর জি টুয়েন্টিফোরের।

মনে রাখবেন, উচ্চতার জন্য প্রয়োজন পুষ্টি, ব্যায়াম। ১৮ বছর বয়সের পর আরও লম্বা হওয়ার সুযোগ থাকে। উচ্চতার উপর হরমোনের প্রভাব রয়েছে। হরমোন জনিত কারণেই অনেকের হাইট কম বেশি হয়। ১৬ বছরের পর মেয়েদের উচ্চতা তেমন ভাবে বাড়েনা। কিন্তু যদি খেলা ধূলোর মধ্যে থাকেন, তাহলে ১৮ বছর পর্যন্ত উচ্চতা বাড়ার সুযোগ থাকে।

১. শিরদাঁড়াতে চোট থাকলে উচ্চতা বাড়তে ব্যহত হয়।

২. পেশির গঠনের ওপর নির্ভর করে উচ্চতা। শরীরে অপুষ্টি থাকলে উচ্চতা বাড়ে না।

৩. যাদের উচ্চতা প্রথম থেকেই কম, ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই লম্বা হওয়ার যাবতীয় কৌশল প্রয়োগ করে ফেলতে হবে। রুটিনের মধ্যে নিয়ে আসুন জীবনযাত্রা।

৪. ১৮ বছরের পরও ডায়েট চার্টে রাখুন ক্যালশিয়াম, ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন ডি, প্রোটিনে ভরা খাবার।

৫. নিয়মিত খেলাধূলা শরীর চর্চা করুন। অ্যারোবিক ডান্সের অভ্যাস করতে পারলে খুবই ভালো।

৬. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম। হরমোনের সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখিয়ে নিন।

৭. প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কারও কাছে শিখে নিয়মিত যোগা করুন। নিয়মিত যোগাভ্যাসে উচ্চতা বাড়বে। মেয়েদের বা ছেলেদের বয়স যখন ১৪ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে, তখন থেকেই শুরু করে দিন এই রুটিন।

আরও পড়ুন:


ইউরোপের দেশ উত্তর মেসিডোনিয়াতে ২০ বাংলাদেশি আটক

দেশে ১০ বছরে বজ্রপাতে মৃত্যু ২২৭৬

রাশিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম

আজ মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

উৎপাদন বাড়লেও আমদানি বন্ধ না হওয়ায় হতাশ শুটকি ব্যবসায়ীরা

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে চলছে শুঁটকি উৎপাদনের মহা উৎসব। বিষমুক্ত নানা প্রজাতির শুঁটকি উৎপাদনে ব্যস্ত শত শত উদ্যোক্তা।

এদিকে উৎপাদন বাড়লেও শুটকি আমদানি বন্ধ না হওয়ায় দাম নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীরা।আমদানিকারকরা বলছেন ,বাংলাদেশের শুটকি যেখানে আগে রপ্তানি হত ৬০ শতাংশের বেশি এখন বাংলাদেশে চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কমে যাওয়ায় রপ্তানি বন্ধ করেই আমদানি নির্ভর হতে হচ্ছে তাদের।

মাত্র কয়েক বছর আগেও চট্টগ্রামে উৎপাদিত শুটকি বিদেশের বাজার দখল করলেও নানান জটিলতায় থমকে যাচ্ছে শুটকি উৎপাদন।আর এই সুযোগে উল্টো ভারত মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশের শুটকি দখল করছে বাংলাদেশের বাজার।তাই দাম পাচ্ছেননা  শুটকি উৎপাদনকারীরা।

আগে যেখানে বছরে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার মেট্রিক টন শুঁটকি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হতো তার বিপরীতে এখন সেখানে আমদানি হচ্ছে প্রায় ৮ হাজার মেট্রিক টন।দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি শুঁটকি বাজার চট্টগ্রামের চাক্তাই ও আছাদগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কম হওয়ায় বিদেশি শুটকির উপর নির্ভর হতে হচ্ছে তাদের।

আরও পড়ুন: 


এনআইডির দায়িত্ব ইসিতে থাকা উচিত: সিইসি

খুলনায় করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু

চার ম্যাচ নিষিদ্ধ সাকিব

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


 

শুটকি আমদানি-রপ্তানিকারকরা বলছেন, দেশের মানুষের শুটকির চাহিদা মেটাতে ৭০ শতাংশ শুটকি আমদানি করতে হচ্ছে তাদের।

এ আমদানি নির্ভরতার জন্য দেশিয় শুঁটকির উৎপাদন কমে যাওয়া, পরিবহন ব্যয় এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতার অভাবকেই দায়ী করছেন শুটকি ব্যবসায়ীরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

গরমে ঠোঁট ফাটা সমস্যায় যে সাতটি কাজ করতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক

গরমে ঠোঁট ফাটা সমস্যায় যে সাতটি কাজ করতে পারেন

শুধু শীতকালেই ঠোঁট ফাটে কথাটি ঠিক নয়। গরমেও অনেকের মধ্যে ঠোঁট ফাটার সমস্যা দেখা দেয়। এর পেছনে মূল কারণ হচ্ছে পানিশূন্যতা।

তীব্র গরমে ঠোঁটে তেল বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করা বেশ বিড়ম্বনার বিষয়। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক গরমে ঠোঁট ফাটা রোধে আমাদের করণীয় কী-

>> টোনার হিসেবে ঠোঁটে ব্যবহার করুন গোলাপজল।

>> হালকা ধরনের কোনো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

>> বেসনের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে ঘষে ঘষে ঠোঁট পরিষ্কার করুন।

>> কোকো বাটার আছে এমন লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন ঠোঁটে।

>> সপ্তাহে একদিন তিলের তেল ঘষে ঠোঁটের মরা চামড়া উঠিয়ে নিন।

আরও পড়ুন: 


এনআইডির দায়িত্ব ইসিতে থাকা উচিত: সিইসি

খুলনায় করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু

চার ম্যাচ নিষিদ্ধ সাকিব

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


 

>> প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পানির অভাবে শরীর শুষ্ক হয়ে ফাটতে পারে ঠোঁট। খেতে পারেন তরমুজের মতো রসালো ফল।

>> বিভিন্ন ধরনের ফল ও ফলের বীজ দিয়ে সালাদ বানিয়ে খান। ফ্লাক্স সিড, পেঁপের বীজ, তিল মিশিয়ে বানানো সালাদ নিয়মিত খেতে পারলে ত্বক ভেতর থেকে থাকবে নরম।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

চোখের পাপড়ি ঘন করতে চান?

অনলাইন ডেস্ক

চোখের পাপড়ি ঘন করতে চান?

চোখের মাধ্যমে মনের ভাষা বোঝা যায়! যার চোখ যত সুন্দর; তার সৌন্দর্যও তত আকর্ষণীয়। আর চোখের সৌন্দর্য অনেকাংশেই নির্ভর করে চোখের পাপড়ির উপর। ঘন পাপড়ি চোখের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়।


আরও পড়ুন:

শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের চলমান ছুটি বাড়ল

উপ-নির্বাচনে তিন আসনের আ.লীগের প্রার্থী ঘোষণা

১০০ কোটি টিকা দরিদ্র দেশগুলোতে দেবে বিশ্ব নেতারা

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


যাদের আইলেশ পাতলা তারা বিকল্প হিসেবে ফেক আইলেশসহ মাশকারা ব্যবহার করে সৌন্দর্য বাড়ান। তবে ঘরোয়া উপায়েও কিন্তু চোখের পাপড়ি ঘন করা যায়। জেনে নিন কয়েকটি উপায়-

>> প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্যাস্টর অয়েল, সরিষার তেল বা নারকেল তেল চোখের পাপড়িতে লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। দেখবেন এক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন আইলেশ গজানো শুরু হয়ে যাবে।

>> চুল ঘন করতে ভিটামিন ই অনেক কার্যকরী। দ্রুত চোখের পাপড়ি ঘন করে এই উপাদানটি। প্রতিদিন আপনার ডায়েটে ভিটামিন ই অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি ভিটামিন ই অয়েল চোখের পাপড়িতে ব্যবহার করুন।

>> শরীরকে ডিটক্সিফাই করার পাশাপাশি গ্রিন টি চোখের পপড়ি ঘন করতেও সাহায্য করে। এজন্য গ্রিন টি ১৫ মিনিট পানিতে ফুটিয়ে তারপর ঠান্ডা করে চোখের পাপড়িতে ব্যবহার করে সারারাত রেখে দিন। দ্রুত ফল পাবেন।

>> পেট্রোলিয়াম জেলিও আইলেশ ঘন করে। এজন্য একটি পুরোনো মাশকারা ব্রাশে সামান্য পেট্রোলিয়াম জেলি নিয়ে চোখের পাপড়িতে লাগান।

>> শিয়া বাটার ত্বকের জন্য যেমন উপকারী; তেমনই চোখের পাপড়ি ঘন করে এই উপাদানটি। ভিটামিন এ এবং ই সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি চোখের পাপড়ি দ্রুত ঘন করে।

এজন্য আধা চা চামচ শিয়া বাটার আঙুলের সাহায্যে নিয়ে চোখের পাপড়িতে ম্যাসাজ করে ব্যবহার করুন এবং সারারাত রেখে দিন। এই ঘরোয়া উপায়গুলো অনুসরণ করলে খুব দ্রুত চোখের পাপড়ি ঘন হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

ফ্রিজে দীর্ঘদিন খাবার সতেজ রাখার ৪টি টিপস

অনলাইন ডেস্ক

ফ্রিজে দীর্ঘদিন খাবার সতেজ রাখার ৪টি টিপস

ফ্রিজে দীর্ঘদিন খাবার তাজা রাখার চারটি টিপস দিয়েছে লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট ‘বোল্ড স্কাই’। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই:

>> ফ্রিজে জিনিস রাখালেই হবে না, স্টোরেজের জন্য সঠিক বাক্স ব্যবহার করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্লাস্টিকের বাক্সগুলোর পরিবর্তে স্টিলের বাক্সগুলিতে পণ্যগুলি সঞ্চয় করুন।

>> বাজার থেকে শাকসবজি আনার পরে সেগুলো ভালো করে পরীক্ষা করে নিন। অনেক সময় শাকসবজির কিছু অংশ পচা বা শুকনো হয়। সেই অংশটি কেটে বাদ দিন। এর ফলে আপনি সবজিগুলো পচে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারবেন এবং এগুলো আরও বেশিদিন ধরে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। কাটার পরে, সবজিগুলোকে একটি অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রীজারে রেখে দিন।

>> টমেটো জাতীয় জিনিস ফ্রিজে রাখলেও খুব বেশিদিন স্থায়ী হয় না। সুতরাং, এগুলো পিষে পিউরি তৈরি করুন। এটি তেল দিয়ে এটি রান্না করুন। তারপরে, এটি ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার পর ফ্রীজারে রাখুন।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


 

>> বার্গার, প্যাটিস, সবুজ মটর এবং ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় সামগ্রী, যেগুলো আমরা প্রায়শই বাচ্চাদের জন্য সঞ্চয় করি, এগুলো বেশিদিন ধরে ভালো রাখতে ফ্রীজারে রাখুন। ফলে এগুলো বেশ কয়েক সপ্তাহের জন্য সতেজ থাকবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর