পুরোনো দলে ফিরে খুব ভালো লাগছে: মুকুল রায়

অনলাইন ডেস্ক

পুরোনো দলে ফিরে খুব ভালো লাগছে: মুকুল রায়

(ছবি- বাঁদিক থেকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে বসে আছেন মুকুল রায়

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ছেড়ে নিজের পুরনো ঠিকানা তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে এলেন  মুকুল রায়। প্রায় দুই দশকে তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন তিনি।

আজ বিকেলে কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য দপ্তর তৃণমূল ভবনে মুকুল রায়কে আবারও দলে টেনে নিলেন মমতা, বললেন মুকুল রায় তৃণমূল পরিবারের সদস্য ছিলেন। আজ তিনি নিজের ঘরে ফিরতে পেরে শান্তি পেলেন।

পশ্চিমবঙ্গে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মমতার তৃণমূলের কাছে ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। নরেন্দ্র মোদি–অমিত শাহের ক্যারিশম্যাটিক জুটি মমতার রাজনীতির কাছে পাত্তা পায়নি। ভোটের আগে অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। এখন অনেকেই ঘরে (তৃণমূলে) ফিরতে চাইছেন। এই তালিকায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নাম মুকুল রায়।

তবে মমতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একটি কথাও খরচ করেননি মুকুল। তাই তৃণমূল আজ তাঁকে পরিবারের সদস্য হিসেবে ফিরিয়ে এনেছে। তবে যারা বিজেপিতে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছে, নিন্দা করেছে, তাদের ফেরানো হবে না।

মমতার পাশে বসে মুকুল রায় সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বিজেপিতে কাজ করার মতো সুযোগ ছিল না। তাই পুরোনো দলে ফিরে এলাম। খুব ভালো লাগছে। বাংলা আবার নিজের জায়গায় ফিরবে। তৃণমূল আরও জোরদার হবে মমতার নেতৃত্বে।’

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


 

১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস নামে নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন দল গড়ার অন্যতম কান্ডারি ছিলেন মুকুল রায়। এরপরের ইতিহাস সবার জানা। পরবর্তী দুই দশকে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন মুকুল। দলে মমতার পরেই তাঁর জায়গা। তবে মমতা–মুকুল জুটিতেও আসে ভাঙন। বনিবনা না হওয়ায় তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন মুকুল। 

২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মুকুল তৃণমূল ছেড়ে যান তিনি। ওই সময় তিনি দলটির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। একই বছরের ৩ নভেম্বর তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মুকুল বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি হন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মুকুল নদীয়ার কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন। জয়ও পেয়েছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

স্ত্রী ও পুত্রকে বের করে দিয়ে তিন বছর ধরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করতেন বাবা!

অনলাইন ডেস্ক

স্ত্রী ও পুত্রকে বের করে দিয়ে তিন বছর ধরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করতেন বাবা!

প্রায় তিন বছর ধরে নিজ ঘরে বাবার হাতে ধর্ষণের স্বীকার হতেন নাবালক মেয়ে। মেয়েকে নির্বিঘ্নে ধর্ষণের জন্য আগেই ঘর থেকে স্ত্রী ও সন্তানকে বের করে দিতেন বাবা। এরপির নিজ মেয়ের ওপর চালাতেন  পৈশাচিক শারিরিক নির্যাতন। যখন মেয়েটিকে প্রথম ধর্ষন করা হয় তখন সে নাবালক ছিলো। এখন তার বয়স ১৯।  অবশেষে ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

এ ঘটনায় মধ্যপ্রদেশের রাজধানী আইশবাগ এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমবার যখন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়, তখন তিনি নাবালিকা ছিলেন। গত সোমবার ফের মেয়ের উপর অত্যাচার শুরু করে বাবা। এসময় তার মা ও ভাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় বাবা। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হয় মা ও মেয়ে। তখনই ধর্ষণের অভিযোগ জানানো হয়।

মেয়েটি পুলিশকে জানিয়েছে, তাদের বাড়িতে একটিই ঘর। বেশিরভাগ সময়ই মা ও ভাইকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে এমন নারকীয় ঘটনা ঘটতো তার সঙ্গে। প্রায় তিন বছর ধরে তিনি এমন ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

এর আগে প্রতিবারই ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে বার বার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন ওই কিশোরী। কিন্তু সোমবার শেষ পর্যন্ত কোনও কিছু না ভেবেই পুলিশের দ্বারস্থ হন মা ও মেয়ে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শত শত বছর ধরে লিভ ইনে বিশ্বাসী তারা

অনলাইন ডেস্ক

শত শত বছর ধরে লিভ ইনে বিশ্বাসী তারা

পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে অনেকেই ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে বিশ্বাস করে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি এই উপমহাদেশেরই একটি উপজাতি রয়েছে যারা বিয়ে নয় বরং ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে বিশ্বাস করে। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই ঘটে আসছে শত শত বছর ধরে সেখানে।

ভারতের রাজস্থান ও গুজরাটে বসবাসকারি গারাসিয়া নামের এই উপজাতিদের মধ্যে এ ধরনের লিভ-ইন সম্পর্কের প্রচলন রয়েছে। পরিবারের লোকজনই এ ধরনের সম্পর্কের সম্মতি দেয়। এমনকি সঙ্গী খুঁজতে বসে মেলার আসরও। 

মূলত রাজস্থানের পালি, সিরোহী, উদয়পুর ও দুঙ্গারপুর জেলা এবং গুজরাটের সবরকণ্ঠ ও বনশকণ্ঠ জেলায় বসবাস করে এই উপজাতি। তাদের মধ্যেই এ ধরনের ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে থাকার নিয়ম রয়েছে। গত ১০০০ বছর ধরে এই রীতি চলে আসছে। রীতি অনুযায়ী, বিয়ে ছাড়াই কোনও জুটি একসঙ্গে থাকতে পারে।

আসলে গারাসিয়া উপজাতির মধ্যে অনেকেই রয়েছে, যারা বিয়েতে বিশ্বাসী নন অর্থাৎ বিয়ে করতে চান না। কিন্তু তারা চাইলেই বিয়ে না করে সঙ্গীর সঙ্গে ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তাদের যদি কোনও সন্তান জন্মায় তাহলে ওই জুটিকেই সেই সন্তানের দায়িত্ব নিতে হবে। এমনকি সঙ্গী খুঁজতে বিশেষ মেলাও বসে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্যের আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্যের আত্মহত্যা

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‌‘সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশেষ করে পুরানো সেনা সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। ৪৫ হাজারের বেশি পুরানো সেনা সদস্য অথবা ছয় বছরের অভিজ্ঞ সেনা সদস্য আত্মহত্যা করেছে।’

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে পেন্টাগন জানিয়েছে, ‘তারা এই আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে।’

এদিকে, বিভিন্ন খবরে জানা গেছে মার্কিন সেনা সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার সামাজিক প্রভাবের বিষয়ে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ওইসব সেনা সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নজিরবিহীনভাবে আত্মহত্যার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে যতটানা মার্কিন সেনারা প্রাণ হারিয়েছে তার চেয়ে বেশি মারা গেছে আত্মহত্যার মাধ্যমে। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ক্যারল গিয়াকোমো এ ব্যাপারে বলেছেন, 'প্রতিদিন গড়ে ২০ জন মার্কিন সেনা আত্মহত্যা করছে।’

ধারণা করা হচ্ছে, ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধে যেসব মার্কিন সেনা অংশ নিয়েছিল তাদের মধ্যেই আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ গত দুই দশকে মার্কিন সরকারগুলো অযথা বিভিন্ন দেশে যেসব যুদ্ধ শুরু করেছে তা সেনাদের আত্মহত্যার পেছনে অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।

১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার পর সন্ত্রাস নির্মূলের অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এসব যুদ্ধ শুরু করে এবং এ পর্যন্ত বহু মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এ সব যুদ্ধে কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি এবং কতদিন এ যুদ্ধ চলবে তারও কোনো ঠিক ছিল না। ফলে সেনাদের মধ্যে মারাত্মক হতাশা দেখা দেয়। এসব হতাশা থেকেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে সবচেয়ে বেশি। ১১ সেপ্টেম্বরের পর আত্মহত্যার মাত্রা চারগুণে বেড়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, পেন্টাগনের পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় মার্কিন সেনাদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা ও হতাশা বিরাজ করছে যা কিনা গত দুই দশকের ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের প্রভাব। কেননা প্রচণ্ড মানসিক চাপ সহ্য করে তাদেরকে যুদ্ধের দিনগুলো পার করতে হয়েছে।

এ ছাড়া, শুধু আফগানিস্তানের যুদ্ধেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে দুই ট্রিলিয়ন ৪০ হাজার কোটি ডলার। আফগানিস্তানে মার্কিন হামলার পর গত ২০ বছরের সহিংসতায় এ পর্যন্ত ২৪০০ এর বেশি মার্কিন সেনা নিহত এবং আহত হয়েছে আরো হাজার হাজার সেনা।

এরপর ২০০৩ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই মার্কিন সরকার ইরাকে হামলা চালিয়ে দেশটি দখল করে নেয়। ইরাক যুদ্ধে অন্তত ৫০০০ মার্কিন সেনা নিহত এবং আরো হাজার হাজার সেনা আহত হয়েছে। লক্ষ্যহীন ও বিরামহীন এসব যুদ্ধে জড়িয়ে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং এমনকি দেশে ফিরে গিয়েও তারা মানসিক ও পারিবারিক সংকট থেকেও মুক্ত হতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত এমনসব সংকটের সম্মুখীন তাদেরকে হতে হয়েছে বা এখনো হচ্ছে যে আত্মহত্যার  পথ বেছে নিতে হচ্ছে তাদেরকে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রায় সব মার্কিন সেনা ৪০ দিনের বেশি সম্মুখ ফ্রন্টে থেকে যুদ্ধ করেছে এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত হয়তো তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগে ভুগতে হবে।

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিন সেনাদের হতাশা ও মানসিক রোগের আরেকটি কারণ হচ্ছে ইরাক ও আফগানিস্তানে যুদ্ধ চলাকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের অমানবিক আচরণ ও সেনা কমান্ডারদের দুর্ব্যবহার। বিশেষ করে অযথা সামরিক অভিযান পরিচালনার সময় সাধারণ মানুষের ওপর তারা যে হত্যাকাণ্ড ও নৃশংসতা চালিয়েছে পরবর্তীতে এর প্রভাব সেনাদের ওপরও গিয়ে পড়েছে। অর্থাৎ অপরাধবোধ থেকে মানসিক রোগ এবং সেখান থেকে আত্মহত্যার পথে তারা পা বাড়িয়েছে। এসব কারণে পেন্টাগনে  উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্কুলকেই শারীরিক সম্পর্কের নিরাপদ জায়গা বানালেন তারা!

অনলাইন ডেস্ক

স্কুলকেই শারীরিক সম্পর্কের নিরাপদ জায়গা বানালেন তারা!

শিক্ষিকা ও স্কুলের বিবাহিত প্রিন্সিপাল যেন স্কুলেই মেতে উঠতেন যৌনতায়। স্কুলের লাইব্রেরি থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত সব জায়গায় চলে তাদের যৌনতার এই খেলা। এমনকি মাঝে মাঝে ক্লাস চলাকালেও তারা যৌনতা ক্রীড়ায় লিপ্ত হতেন । 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কুইন্সের একটি এলিমেন্টরি স্কুলকে এই ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনার পর ওই স্কুলটির সহকারী প্রিন্সিপাল সার্জিও হেরেরা এবং তার অধীনস্থ জেসেনিয়া জাপাটার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। তাদের সম্পর্কের কথা জেনে যাওয়ায় স্কুল কর্মীদের হুমকিও দিয়েছিলেন এই দুজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, ভয়ের মাধ্যমে স্কুলটি চালানো হতো। কিছু বলতে ভয় পেতো সবাই। আমাদের কি করার ছিল তা আমরা জানতাম না।

ক্লাস চলাকালেই এই দুজন স্কুলে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলেন এমন বেশ কিছু ক্ষুদে বার্তা বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তার হাতে এসেছে বলে জানিয়েছে ওই সূত্রগুলো।

২০১৯ সালের অক্টোবরে নিজের এক সহকর্মীকে জাপাটা লিখেন, তার অফিসে আমরা যৌনতা লিপ্ত হয়েছিলাম। আমরা এখন লাইব্রেরিতে। ঝুঁকি নেয়াটা যথার্থই ছিল।

পরে আরেকটি মেসেজে দেখা যায়, সায়েন্স রুমে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তারা। একই বছরের ডিসেম্বরে জাপাটা লিখেন, আমরা ল্যাবে যৌনতায় মেতেছি। এমনকি মাঝে মাঝে ছুটি নিয়ে হোটেলেও যেতেন তারা।

nws24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

১০৭ বছর বয়সে মারা গেলেন স্ত্রী-পরিজন বিহীন সেই মুসল্লি

অনলাইন ডেস্ক

১০৭ বছর বয়সে মারা গেলেন স্ত্রী-পরিজন বিহীন সেই মুসল্লি

ইমাম বুখারীর জন্মস্থানেই তার জন্ম বলে তিনি জানিয়েছিলেন। স্ত্রী-পরিজন বিহীন এ মানুষটির নাম শায়খ মুহিউদ্দীন হাফিজুল্লাহ। মদিনার এক সৎকর্মশীলের বাসায় বসবাস করতেন তিনি। গত শনিবার (১৯ জুন) বাদ ফজর তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

তার এ ১০৭ বছরের জীবনে ৫০ বছরই একনাগাড়ে মসজিদে নববীর সান্নিধ্যে কাটিয়েছেন।
 
স্ত্রী-পরিজন বিহীন এই মানুষটি মদিনার এক সৎকর্মশীলের বাসায় থাকতেন।

তাকে বলা হতো কোরআনের বন্ধু। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তিনি মসজিদে নববিতে জামায়াতের সঙ্গে আদায় করতেন। তাকে আল-বাকি বরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এখানে রাসুলের (সা.) সাহাবিদেরও কবর রয়েছে।

খবর: আল-জাজিরা

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর