এবারের সামারটা পুরোপুরি উপভোগ করতে চায় কানাডা

শওগাত আলী সাগর

এবারের সামারটা পুরোপুরি উপভোগ করতে চায় কানাডা

বাইরে আজ ঝকমকে রোদ,গত কয়েকদিনের গা পোড়ানো গরমটাও আজ যেনো সত্যিকার অর্থেই নাতিশীতোষ্ণ। আজ চাইলেই  সঙ্গে কাউকে নিয়ে স্টার বাকস, টিম হর্টন বা ম্যাকডোনাল্ডস এর বাইরে বসে চায়ের কাপ ধোঁয়া তুলতে তুলতে আড্ডা দেয়া যায়, রেস্টুরেন্টের প্যাটিওতে বসে  এক টেবিলে সর্বোচ্চ চারজনকে নিয়ে ভুরিভোজ করা যায়, যারা পান করেন তারা নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ায় প্যাটিওতে বসে খোলা আকাশের নীচে পানও করতে পারেন। 

বাইরে যে কোনো স্থানে ১০ জনের আড্ডা জামানোর অনুমতিও আছে আজ থেকে। 

অর্থনীতির চাকা একটু একটু করে খুলে দেয়ার প্রথম ধাপে প্রভিন্স অন্টারিও আজ থেকে এই টুকু উদার। সবকিছু ঠিকঠাক চললে ধীরে ধীরে আরো কিছু খুলে যাবে সামনে।প্রভিন্স অন্টারিও,কানাডা তাকিয়ে আছে সেপ্টেম্বরের দিকে। 

এবারের সামারটা পুরোপুরি উপভোগ করতে চায় কানাডা, যতোটা সম্ভব স্বাভাবিকভাবে।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv/আলী

 

 

পরবর্তী খবর

সানিয়া যে একা ছিলেন এমন না, ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা

মিল্লাত হোসেন

সানিয়া যে একা ছিলেন এমন না, ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা

এই ফুটফুটে বিচারক দম্পতিটি আর কখনোই এভাবে ছবি তুলতে পোজ দেবেন না। ঝালকাঠির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সানিয়া আক্তার কালব্যাধি করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন আজ সকালে। সানিয়া যে একা ছিলেন এমন না; ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

তার স্বামী ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এইচ এম ইমরানুর রহমানও কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ম্যাজিস্ট্রেসি একটি ২৪ ঘণ্টার কাজ। এই লকডাউনে যখন অন্যান্য সরকারি অফিসের সাথে সাথে আদালতগুলোও বন্ধ তখনও সমগ্র বাংলাদেশের সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণকে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় দায়িত্বপালন করতে হয়। তারাসহ এই বিশ্বমারীকালে দায়িত্বরত সকল সরকারি, বেসরকারি ব্যক্তিবর্গ, তাদের পরিবারের সুস্থতা কামনা করছি।

এই বিশ্বমারী কীভাবে দূর হবে বা আর কতো দিন থাকবে - তা এখনো কেউ বলতে পারে না। টিকা আর সর্বজনের সতর্কতাই এখন শেষ ভরসা।

আরও পড়ুন


এবার কঙ্গনাকে কড়া বার্তা দিলেন আদালত

করোনায় ইন্দোনেশিয়ায় রেকর্ড মৃত্যু, শনাক্ত ৪৫ হাজারের বেশি

দাঁড়িয়েছিলেন করোনা পরীক্ষার জন্য, সেখানেই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

বরিশালে টিসিবি পণ্য কিনতে দীর্ঘ লাইন, ক্রেতাদের অভিযোগ


সানিয়া-ইমরান দম্পতির পরিবারের কাছে এই ক্ষতি অপূরণীয়। এর কোনো সান্ত্বনাই হতে পারে না। অনুজপ্রতিম ইমরানের দ্রুত আরোগ্য ও তাদের পরিবার যেনো প্রকৃতির এই নিষ্ঠুর রাহসিকতা থেকে উদ্ভূত শোক কাটিয়ে উঠতে পারে, এই কামনাই থাকলো।

আর সেই মানবশিশুটি যে, মাতৃজঠর থেকে বেরিয়ে পৃথিবীর আলো দেখারই সুযোগ পেলো না, অনাগত দেবদূতটির জন্য কোনো শোকগাথাই যথেষ্ট নয়। তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ছাড়া আর কীইবা চাওয়ার আছে?

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কর্মসংস্থানের নামে মানুষের ছোটাছুটি বন্ধ হোক

মুম রহমান

কর্মসংস্থানের নামে মানুষের ছোটাছুটি বন্ধ হোক

মুম রহমান

মানুষ তার সারা জীবন লড়াই করে, পরিশ্রম করে, অন্ন- বস্ত্র-বাসস্থান আর প্রিয়জনের জন্য। কাল এক প্রিয়জনের সঙ্গে কথা হচ্ছিলো; সে বললো- ভাই, আমি কষ্ট করি, কারণ ভাতের কষ্ট কি আমি জানি। আমার সন্তানকে আমি এই কষ্ট জানাতে চাই না।

মানুষ সব সময়ই চায় ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’। দুধ-ভাত মানে আয়েশ করে খাওয়া। এই নগরে, ঢাকা নগরে, প্রতিদিন লক্ষ মানুষ ছুটছে, লড়াই করছে, সাধনা করছে দুটো ভাত-কাপড়ের জন্যই। কিন্তু তারা এই নগরের নয়। 

বড় শহর, রাজধানী, সেই কারণে এখানে এসেছে দিনমজুর, রিকশাঅলা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কিংবা বাধা-ধরা চাকরিজীবি। এদের কারো জীবন কিন্তু এই নগরের সঙ্গে কোনো মায়ার টানে জড়িত নয়। এরা অনেকটা সাময়িক উদ্বাস্তু কিন্তু আংশিক শরণার্থী। নিজের ছোট্ট শহরে বা গ্রামে নেই তার উপার্জনের উপায়। সেই উপায় খুঁজতেই এখানে ট্রাফিক জ্যাম আর পরিবেশ দূষণ ঠেলে ঘুরছে সে। কখনো-বা দিকভ্রান্ত। 

এই দিকভ্রান্ত মানুষের শেকড় আছে, নাড়ির টান আছে, মায়ের মায়া আছে। সেটা আমরা বলি ‘দেশ’; দেশের বাড়ি। কি অদ্ভূত আর বিস্ময়কর ব্যাপার! আপনার দেশ কোথায়? বাংলাদেশ। দেশ তো আমাদের একটাই। অথচ কি অবলীলায় আমরা সবাই প্রশ্ন করি ‘আপনার দেশের বাড়ি কোথায়?’ কিংবা ‘আপনার দেশ কোথায়’। 

আর উত্তরদাতা বলেন, কুমিল্লা কিংবা সরিষাবাড়ি, কিংবা পঞ্চগড়, কিংবা শ্যামনগর, কিংবা কালাচাঁদপুর কিংবা সাতকানিয়া। যারা উত্তর দেন, নিঃসন্দেহে তারা প্রথমেই বাংলাদেশী। কিন্তু তাদের বুকের ভেতরে যে বাংলাদেশের ছবি তারা এঁকেছেন সেটা তার নিজের জন্ম শহর কিংবা গ্রামের ছবি। যেখানে তার মা আছে, বাবা আছে, আছে পরিবার পরিজন, তারচেয়েও বেশি করে আছে তার বেড়ে ওঠার স্মৃতি, শৈশবের প্রথম পাঠ, কৈাশোরের প্রথম প্রেম, আরো সব প্রথম স্বাদ-গন্ধের আনন্দ-বিষাদ। 

সারাদিন-রাত এই বিরাট দালান, অনেক দামী গাড়ি আর বড় বড় মার্কেটের চক্করে পাক খেয়েও এই দেশের অধিকাংশ মানুষ একটু ছুটি পেলে, আয়-রোজগারের ফাঁকে সামান্য অবসর পেলে ছুটে যায় তাই তার দেশে। দিনের পর দিন এই ঢাকায় বাস করলেও ঢাকা তার দেশের বাড়ি হয় না। কেউ কেউ হয়তো অতি উচ্চাকাঙ্খায় স্বপ্ন দেখেন- এই ঢাকায় তার একটা বাড়ি হবে, নিদেন পক্ষে ফ্লাট। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বড় হবে রাজধানীতে।

কিন্তু প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ফারাকটা বাড়তেই থাকে। বাপ-দাদার ভিটা থেকে সরতে থাকে মানুষ। এই সরতে থাকা মানুষ শৌখিন নয়। দুটো উপার্জন, খাদ্য, পোশাক, মাথা গোজার স্থায়ী নিরাপত্তার কারণেই মানুষ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যায়। এই স্থানান্তর তীব্র হয়ে আমাদের চোখে পড়েনি তেমন। ঈদে টিভি চ্যানেল বা পত্রিকায় নদীপথে ফেরিতে বা সড়কপথে তীব্র যানজটের ছবি বা প্রতিবেদনে প্রতি বছর ধরা পড়ে। 

বাড়ি যাওয়া, নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, দেশে গিয়ে ঈদ-পূজা করার এই যাতায়াত প্রবণতায় ঝরে গেছে অনেকের প্রাণ; দুর্ঘটনায়। কিন্তু পৃথিবী এখন বড় অসুস্থ। সড়ক-নদী কিংবা বিমানপথের দুর্ঘটনার চেয়েও বেশি মানুষ এখন নতুন ভাইরাসের কারণে হিমশিম খাচ্ছে। 

সার্বক্ষণিক মুখোশ, নিয়মিত হাত ধোয়ার অবধারিত এই সংকটকালেও মানুষ মানছে না নৈকট্যের বাধা। গায়ে গা ঘেঁষে ছুটে চলছে দেশের টানে, স্বজন আর স্মৃতির পানে। এই ছুটে চলায় বাড়ছে কোভিড ১৯-এর ঝুঁকি। সকলের মাঝে একজন দুজনের অসচেতনতায় ছড়িয়ে পড়ছে করোনা নামের অসুখ। আর আমরা, ঘরে বসে দুষছি একে অপরকে। 

কিন্তু সহজ জিনিসগুলো আমরা ভুলতে বসেছি এই কঠিন সময়ে। প্রথম কথাটাই তো- মানুষ হবে মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল। মানুষ মানুষের কথাই ভাববে আগে। সেটা যদি ভাবি, তবে এখন ভেবে দেখার সময়, এই যে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের দেশ, এর প্রতিটি কোণা দেশ হয়ে উঠুক। যেখানে জন্মেছে যে, সে সেখানেই তার বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে পাক। 

কর্মসংস্থানের নামে মানুষের ছোটাছুটি বন্ধ হোক। তাতে করে সকল দুর্ঘটনা আর রোগের বিস্তার যেমন কমবে তেমনি বাড়বে স্থানীয় উন্নয়ন। হ্যাঁ, আজকের একবিংশ শতাব্দীর প্রান্তে এসে আমাদের ভাবতে হবে, উন্নয়ন কোনো প্রক্ষিপ্ত ব্যাপার নয়। খালি বেশি বেশি খেয়ে ভূঁড়ি বানালে যেমন সুস্থ থাকা যায় না, তেমনি কেন্দ্রীভূত উন্নয়নের জোয়াড় দিয়ে দেশকে, দেশের মানুষকে সুস্থ রাখা যায় না। 

বিকেন্দ্রীকরণের কথাটা আমাদের মুরব্বীরা বহু বছর ধরেই বলে আসছে। কিন্তু শুনছে কি কেউ? এমন তো হতেই পারতো ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে নানা রকম পেশার মানুষ। ধরা যাক, কুমিল্লা কিংবা ময়মনসিংহে গড়ে উঠলো তথ্য-প্রযুক্তির প্রধান প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলো। খুলনা কিংবা রাজশাহীতে গড়ে উঠলো পোশাক শিল্প। রংপুর কিংবা চট্টগ্রামকে করা হলো খাদ্য ও ওষুধ শিল্প। ইত্যাদি ইত্যাদি। 

আরও পড়ুন:


এবার তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বহিষ্কার করলেন প্রেসিডেন্ট

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ

গ্রামীণফোনকে হু্মায়ূন পরিবারের আইনি নোটিশ


এভাবে অন্তত পক্ষে মানুষের এই বিচ্ছিন্নতা থাকবে না। বাস করবে এক জায়গায়, পরান পড়ে থাকবে আরেক জায়গায়- এভাবে তো কোনো মানুষ নিজেও শান্তি পায় না, অন্যকেও শান্তি দেয় না। শান্তি আর স্বস্তির জন্য মানুষ যদি তার নিজের সীমানাতেই দুটো ভালো খেতে পারে, সুন্দরভাবে বসবাসের সুযোগ করে নিতে পারে তবে সে তো ছুটবে না। তখন সে হয়তো ঢাকা আসবে বেড়াতে, কুমিল্লা কিংবা পাবনা যাবে বেড়াতে। আত্মীয়তা, বেড়ানো, ভ্রমণ তার মধ্যেই একদিন বিনিময় হবে ভালোবাসার। 

অহেতুক এই দেশে নগরীতে ফেরার টানাপড়েন স্বীকার করে দুর্ঘটনায় কিংবা রোগ বিস্তারে মরবে না এই দেশের মানুষ। এমন একটা স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়তো করা যায়, যাবে, কোনো একদিন।

লেখাটি মুম রহমান-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

একজন আইনজীবির মৃত্যু ও আমাদের জন্য বার্তা

জাকির হোসেন

একজন আইনজীবির মৃত্যু ও আমাদের জন্য বার্তা

৫৯ বছর বয়সী মোখলেছুর রহমান পেশায় একজন আইনজীবী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত সহসভাপতি ছিলেন তিনি। শখ করে বাড়ির কাজ শুরু করেছিলেন। মোখলেছুর রহমানের তিনতলাবিশিষ্ট স্বপ্নের বাড়ির নির্মাণকাজ চলছিল। তিন তলার ছাদও হয়ে গিয়েছে। গত ২৬ জুলাই নির্মাণাধীন বাড়ির তিনতলার ছাদে ওঠেন মোখলেছুর রহমানের।

এ সময় তিনি সঙ্গে তার এক সন্তানকেও ছাদের ওপর নিয়ে যান। নিজ বাড়ির প্রতি যত্ন-ভালোবাসার তাগিদে ছাদের ওপরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে শুরু করেন তিনি। এ সময় ছাদের ওপর থেকে রেলিং ধরে নিচে ময়লা ফেলতে গেলে রেলিং ভেঙে  নিচে পড়ে যান মোখলেছুর রহমান। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

করোনা দানবের তান্ডব থেকে বাঁচতে মানুষ টিকাসহ নানা সতর্কতা অবলম্বন করছে। মোখলেছুর রহমানও হয়তো প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে করোনার টিকা নিয়েছিলেন, মাস্ক পরতেন, নিয়মিত হাত ধুতেন, স্যনিটাইজার ব্যবহার করতেন। তিনি ঘুণাক্ষরেও হয়তো ভাবেননি নিজের স্বপ্নের বাড়ির রেলিং ভেঙে মারা যাবেন। মোখলেছুর রহমানের কত পরিকল্পনা ছিল এই বাড়িকে ঘিরে! কোন ঘরে তিনি থাকবেন, কেমন টাইলস হবে, পর্দার রং কী হবে সবই হয়তো মনে মনে ঠিক করা ছিল।


আরও পড়ুন:

অবশেষে ঘুচলো ৯৭ বছরের সোনার আক্ষেপ

নির্মাতাকে বাসায় ডেকে সাইনিং মানি ফেরত দিলেন পূর্ণিমা

কখন লকডাউন বাড়ানো লাগবে না জানালেন তথ্যমন্ত্রী

দাম্পত্য বিষাক্ত হতে শুরু করলে বেরিয়ে আসা উচিত: নুসরাত


কেউ জানে না কার, কোথায়, কিভাবে মৃত্যু হবে। মানুষের মৃত্যুর স্থান ও সময় জানেন শুধু একজন। তিন মহান রাব্বুল আলামিন। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, “প্রত্যেক ব্যক্তির নির্ধারিত সময় যখন উপস্থিত হবে, তখন আল্লাহ তা’য়ালা কাউকে অবকাশ দেবেন না।” (সূরা মুনাফিকুন: ১১)।

মৃত্যু আমাদের পাশেই ওঁত পেতে রয়েছে। যে কোনো সময় যে কারও কাছে চলে আসতে পারে কোনো নোটিশ ছাড়াই। যে মরে গেল তার আমল করার সুযোগ চিরতরে শেষ হয়ে গেল। এ কঠিন সত্যটাকে যেন আমরা ভুলে যেন না যাই।

জাকির হোসেনঅধ্যাপকআইন বিভাগচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

প্রাণহীন যে জীবন, সে জীবনে গতি নেই

শওগাত আলী সাগর

প্রাণহীন যে জীবন, সে জীবনে গতি নেই

“Change is hard at first, messy in the middle and gorgeous at the end.”  কানাডীয়ান লেখক রবিন শর্মার উক্তি এটি। কোম্পানি প্রতিদিন নানা ধরনের উদ্দীপনামুলক উদ্ধৃতি, ভিডিও ক্লিপ, ছবি পাঠায়। আজ পাঠিয়েছে এটি।

পরিবর্তন প্রথমে খুবই কঠিন। মাঝপথে এটি হ-য-ব-র-ল। আর উপসংহারে ‘গর্জিয়াস’। কোম্পানি তার কর্মীদের পরিবর্তনের উৎসাহ দিচ্ছে। কোন পরিবর্তন সেটা!

প্রাণহীন যে জীবন, সে জীবনে গতি নেই, গতি নেই বলে সেই জীবন বদলাতে পারে না, না নিজেকে, না অন্য কাউকে। তার মধ্যে কোনো পরিবর্তন ঘটে না। পরিবর্তন কী তা হলে জীবণের গতি? প্রাণ?


আরও পড়ুন:

শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা

কখন লকডাউন বাড়ানো লাগবে না জানালেন তথ্যমন্ত্রী

১০ আগস্ট থেকে বিদেশি মুসল্লিদের জন্য চালু হচ্ছে পবিত্র ওমরাহ

পরকীয়ায় ধরা মসজিদের ইমাম! রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী


প্রথমে পরিবর্তনটা কঠিন, মাঝ পথে সেটি হ-য-ব-র-ল। তবু পরিবর্তনই জীবন, জীবনে পরিবর্তন আসুক। উপসংহারে পরিবর্তন হচ্ছে ‘গর্জিয়াস’।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

কারো মাথায় আসলো না এই ভয়ানক বার্তা দেবার আগে?

বন্যা মির্জা

কারো মাথায় আসলো না এই ভয়ানক বার্তা দেবার আগে?

মিডিয়া আমাদের অনেকেরই জীবনধারনের জায়গা ঠিকই, আর রুটিরুজির জায়গা নিয়ে আলাদা করে কঠোর কিছু বলতে বাধেও। কিন্তু মিডিয়া একই সঙ্গে নানাবিধ ধ্যানধারণা প্রকাশের একটা জায়গাও বটে। বিপজ্জনক, আক্রমণাত্মক, বিদ্বেষমূলক ধারণা সম্প্রচার করে তারপর ক্ষমা চাইলেই যথেষ্ট দায়মোচন ঘটে না। 

অটিজম বলুন আর প্রতিবন্ধিত্ব -- এসব নিয়ে এরকম ভয়ানক ধারণা সম্প্রচার করেছেন মানেই হলো আপনার/আপনাদের মাথায় এইসব উদ্ভট চিন্তা কাজ করে। একটা সিরিয়ালে কত্তগুলো লোক কাজ করেন - লেখক আছেন, পরিচালক আছেন, অভিনেতাবৃন্দ আছেন, প্রযোজক দল আছেন, সম্পাদকেরা আছেন, কৃৎ-কুশলী আছেন। কারো মাথায় আসলো না এই ভয়ানক বার্তা দেবার আগে?

আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর


এই দুর্ঘটনা আমাদের আরেকটা বিষয়েও সতর্ক করল কিন্তু! এইসব এওয়ারনেস মার্কা এনজিও কার্যক্রম আসলে প্রগ্রাম এরিয়া বাড়ানো ছাড়া কোনোরকম কিছু অশ্বডিম্ব তৈরি করতে পারেনি সমাজে। চিন্তাভাবনার বদল কেবল ঢোলপিটানিতে হয় না। ওটা সমাজে দর্শনচর্চার প্রসঙ্গ।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর