শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার

অনলাইন ডেস্ক

শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার

শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রখ্যাত সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে প্রখ্যাত এই লেখককে।

শ্বাসনালীতে গভীর সংক্রমণ রয়েছে বলে জানা গেছে। আর সে জন্যই শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল এই লেখকের। ইতোমধ্যেই তার চেস্ট এক্সরে, সিটি স্ক্যানসহ একাধিক রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তার করোনা পরীক্ষাও করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। 

গণমাধ্যমটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছিল সমরেশ মজুমদারের। ফলে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ঝুঁকি না নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গত ১০-১২ বছর ধরে ফুসফুসের জটিল রোগ ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজে (সিওপিডি) সমস্যায় ভুগছেন এই লেখক। বর্তমানে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। এর আগেও তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, তখন তাকে ভেন্টিলেশনও রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন


টঙ্গীতে বস্তিতে আগুন, শত শত ঘর পুড়ে ছাই

মূল বিষয়টি সবাই চাপা দিচ্ছে, স্বামীকে সমর্থন দিয়ে শিশিরের স্ট্যাটাস

সরকারের সমালোচনা এবং সরকারী বৃত্তি!

স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে কানাডার ফেডারেল রাজনীতিক গ্রেপ্তার


৭৯ বছর বয়সী সমরেশ মজুমদার দুই বাংলার পাঠককে দশকের পর দশক করে বিমুগ্ধ করে রেখেছেন তার লেখনিতে। ১৯৭৬ সালে দেশ পত্রিকায় তার প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’ প্রকাশিত হয়। এরপর একে একে সাতকাহন, তেরো পার্বণ, স্বপ্নের বাজার, উজান গঙ্গা, ভিক্টোরিয়ার বাগান, আট কুঠুরি নয় দরজা, অনুরাগ-এর মতো উপন্যাস উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে নিঃসন্দেহে তার সেরা সৃষ্টি ‘উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ’ ট্রিলজি।

সমরেশ মজুমদারের লেখনির গণ্ডি শুধু গল্প বা উপন্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি থেকে গোয়েন্দাকাহিনি, কিশোর উপন্যাস রচনায় তার জুড়ি মেলা ভার। তার ঝুলিতে পুরস্কারের সংখ্যাও অগণতি।

১৯৮২ সালে আনন্দ পুরস্কার, ১৯৮৪ সালে সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার, বঙ্কিম পুরস্কার এবং আইয়াইএমএস পুরস্কার জয় করেছেন সমরেশ মজুমদার।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

আজ হুমায়ূন আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী

হুমায়ূন আহমেদ

আজ হুমায়ূন আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক।  

২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন কিংবদন্তি এই কথাসাহিত্যিক। দেশের লাখ লাখ ভক্ত-পাঠক তার সুস্থতা কামনায় প্রার্থনায় নিমগ্ন ছিলেন। কিন্তু কোনো কিছুই তাকে ফেরাতে পারেনি। তিনি চলে যান না ফেরার দেশে। তাকে হারানোর শোক এখনো বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের মনে। তিনি না থাকলেও অগণিত পাঠকের মনে ঠিকই বেঁচে আছেন।

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সীমিত পরিসরে গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে কিছু আয়োজন থাকছে আজ। নুহাশ পল্লীর ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, আজ সকালে নুহাশপল্লীতে কুরআন খতমের আয়োজন করা হয়েছে। 

এরপর হুমায়ূন আহমেদের মাজারে ফুল দেওয়া হবে। প্রতিবছর এতিম বাচ্চাদের খাওয়ানোর যে আয়োজন হয় তা এ বছর হচ্ছে না। এই বাবদ যে টাকা খরচ হয় তা এবার গরিব মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। ঈদের আগেই সেই টাকা বিতরণ হবে। হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন সকালে নুহাশপল্লীতে যাবেন বলেও জানা গেছে।

হুমায়ূন আহমেদের স্মরণে শহিদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ, হুমায়ূন আহমেদ স্মৃতি সংসদ ও ঝংকার শিল্পী গোষ্ঠী করোনার কারণে সীমিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তার মধ্যে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও ঝংকার শিল্পী গোষ্ঠী হুমায়ূন আহমেদের লেখা গান পরিবেশন করবে।

হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক। উপন্যাসে নিজের প্রতিভার বিস্তার ঘটলেও তার শুরুটা ছিল কবিতা দিয়ে। এরপর নাটক, শিশুসাহিত্য, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি, চলচ্চিত্র পরিচালনা থেকে শিল্প-সাহিত্যের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি রেখে গেছেন নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর। হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির জনকও বটে।

 ১৯৭২ সালে প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশের পরপরই তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। উপন্যাসে ও নাটকে তার সৃষ্ট চরিত্রগুলো বিশেষ করে ‘হিমু’, ‘মিসির আলী’, ‘শুভ্র’ তরুণ-তরুণীদের কাছে হয়ে ওঠে অনুকরণীয়। জনপ্রিয়তার জগতে তিনি একক ও অনন্য।

হুমায়ূন আহমেদের শরীরে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মরণব্যাধি ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। সেখানে ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তিনি চলে যান লাইফ সাপোর্টে। ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ২৩ জুলাই দেশে ফিরিয়ে আনা হয় হুমায়ূন আহমেদের লাশ। ২৪ জুন তাকে দাফন করা হয় তার গড়ে তোলা গাজীপুরের নুহাশপল্লীর লিচুতলায়।

হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ডাকনাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা আর মা গৃহিণী। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। কথাসাহিত্যিক জাফর ইকবাল তার ছোট ভাই। সবার ছোট ভাই আহসান হাবীব নামকরা কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক। তার পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আগুনের পরশমণি’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘চন্দ্রকথা’ ও ‘নয় নম্বর বিপদসংকেত’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ প্রভৃতি।

বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৪ সালে ‘একুশে পদক’ লাভ করেন। এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮১), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩ ও ১৯৯৪), বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮) লাভ করেন।

আরও পড়ুন


বিয়ের মাত্র একদিন পরই মারা গেলেন কলেজ শিক্ষক

পর্যায়ক্রমে সবাইকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করলেন মাহি!

গোপনে বিয়ে করে মা হতে যাচ্ছেন পপি!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

খ্যাতনামা প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদ আর নেই

অনলাইন ডেস্ক

খ্যাতনামা প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদ আর নেই

প্রবীণ প্রকাশক দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) প্রতিষ্ঠাতা মহিউদ্দিন আহমেদ মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

সোমবার (২১ জুন) দিনগত রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। মঙ্গলবার (২২ জুন) মহিউদ্দিন আহমেদের মেয়ে ও ইউপিএলের পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দিন তার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।

ওই পোস্টে বলেন, তার বাবা প্রায় ২০ বছর ধরে মস্তিষ্কের রোগ পারকিনসন্সে ভুগছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হন।

মহিউদ্দিন আহমেদের নামাজের জানাজা মঙ্গলবার বাদ যোহর গুলশানের আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৪৪ সালে জন্ম নেওয়া মহিউদ্দিন আহমেদ পেশাগত জীবন শুরু করেন সাংবাদিকতার মাধ্যমে। তিনি প্রায় চার বছর লাহোরের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিষয়ে অধ্যাপনা করেন। পরে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসের পাকিস্তান শাখায় সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। এ সময় তার প্রকাশনার নানাবিধ বিষয়ে ব্যাপক পেশাগত প্রশিক্ষণ লাভের সুযোগ হয়।

তিনি স্বাধীনতার পর অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী নিযুক্ত হন। তিনি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠা থেকে এ পর্যন্ত তার প্রকাশক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপে কর্মরত আছেন।


আরও পড়ুনঃ

জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষ: লস্কর-ই-তাইয়্যেবার কমান্ডারসহ নিহত ৩

যদি নারী অল্প পোশাক পরে ঘোরে তার প্রভাব পুরুষের উপর পড়তে বাধ্য: ইমরান

পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে সাইফুলকে ধরে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে: ফখরুল

ফেসবুকে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ


তার রচিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই। তিনি দেশ-বিদেশে পুস্তক প্রকাশনা বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করে আসছেন।

পুস্তক প্রকাশনায় অবদান রাখার জন্য তিনি ১৯৯১ সালে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছেন।

২০১৪ সালে মহিউদ্দিন আহমেদকে ‘ইমেরিটাস প্রকাশক’ সম্মাননা দেয় বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

রম্য নাটিকা ‘আয়না’র রচয়িতা অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক না ফেরার দেশে

অনলাইন ডেস্ক

রম্য নাটিকা ‘আয়না’র রচয়িতা অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক না ফেরার দেশে

খুলনা বেতারের জনপ্রিয় রম্য নাটিকা ‘আয়না’র রচয়িতা অধ্যাপক অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো  ৭৮ বছর। তিনি স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 

শুক্রবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মহানগরীর গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তিনি।

অধ্যাপক অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নিঃসন্তান ছিলেন।

অধ্যাপক অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক কলেজে অধ্যাপনার পাশাপশি ছিলেন খ্যাতিমান গীতিকার, নাট্যকার, কথাসাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। খুলনার এ বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ছোট ভাই অপূর্ব কুমার ভৌমিক গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন। তিন বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। ফুসফুসে পানি জমে গিয়েছিল। আমাদের পৈত্রিক বাড়ি গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া। দেশ স্বাধীনের আগ থেকে ফুলতলার দামুদারে থাকতেন বড় ভাই অচিন্ত্য কুমার। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর অবস্থা খারাপ হলে রাত ৮টায় আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে রাতেই মারা যান। মরদেহ শনিবার দুপুর ১২টায় ফুলতলার দামুদার শ্মশান ঘাটে দাহ করা হবে।

আরও পড়ুন

  ইমামের সঙ্গে পরকীয়ার আগেও দুই পরকীয়া ও তিন বিয়ে ছিল আসমার

  ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে না কুয়েত, সংসদে বিল পাস

  মশার কয়েল থেকে আগুন, একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৩

  বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ কোটি ১ লাখ ছাড়াল

 

অচিন্ত্য কুমার ভৌমিকের স্ত্রী মিতা ভৌমিক জানান, তিনি খুলনার সরকারি সুন্দরবন কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজেসহ যশোর ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন কলেজে বাংলার অধ্যাপক ছিলেন। সর্বশেষ ২০০৪ সালে সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে অবসরে যান।

সমাজের অভ্যন্তরে বাসা বেঁধে থাকা নানা সমস্যা, অসঙ্গতি, ত্রুটি, বিচিত্র অপরাধের ধরণ প্রভৃতি অত্যন্ত চমৎকারভাবে আয়না অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতেন অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক। অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক রচিত ওই ধারাবাহিক নাটিকা পর্বের প্রধান আকর্ষণ ছিল সুরোত। সুরোত ছাড়াও আয়না’র আরো দু’টি চরিত্র হলো ‘ইজ্জত’ ও ‘ময়না ভাবী’। ত্রি-চরিত্রের সমন্বয়ে সংক্ষিপ্ত স্থিতির নাটিকায় সমাজের বিভিন্ন অপরাধের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত সফলভাবে তুলে ধরার পেছনে সুরোতের সুদক্ষ ও প্রাণবন্ত অভিনয় ছিল তুলনাহীন। আয়না প্রচারের নির্ধারিত দিনে শ্রোতাদের মনে করিয়ে দিতে হয় না, সবাই আগে থেকেই শুক্রবার হলে রেডিও খুলে বসে থাকেন আজ আয়না হবে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

আলী ইমামের পরিবার থেকে গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ

অনলাইন ডেস্ক

আলী ইমামের পরিবার থেকে গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ

সাহিত্যিক আলী ইমাম  অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালের ভেন্টিলেশন সাপোর্টে (লাইফ সাপোর্ট) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

আলী ইমামের ​ছেলে ডা. তানভীর ইমাম জানিয়েছেন, তার বাবার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তানভীর।

এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আলী ইমামের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। আলী ইমামের পরিবার থেকে গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

ছয় শতাধিক বইয়ের লেখক বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক, শিশু সংগঠক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আলী ইমাম ১৯৫০ সালের ৩১ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি কবি জয় গোস্বামী

অনলাইন ডেস্ক

করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি কবি জয় গোস্বামী

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কবি জয় গোস্বামী। রোববার দুপুরে করোনা পরীক্ষা করা হয় তার। এরপর রিপোর্ট পাওয়ার আগেই ওইদিন গতকাল সন্ধ্যায় তাঁকে কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কবির অবস্থা স্থিতিশীল আছে।

রোববার (১৬ মে) সকালে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে কবি জয় গোস্বামীর। সঙ্গে বমি হতে থাকে। এরপর শরীরের তাপমাত্রা ১০৩ থেকে ১০৪-এ পৌঁছে গেলে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ৬৬ বছর বয়সী এই সাহিত্যিককে প্রথমে নন-কোভিড ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে করোনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ এলে কোভিড ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয় তাকে।

কবির স্ত্রী কাবেরী গোস্বামীর মৃদু উপসর্গ থাকায় একইসঙ্গে তাকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তিনি ভাল আছেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

  ফিলিস্তিনিদের বাঁচাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান বাংলাদেশের

  ধ্বংসস্তূপে ওপর দাঁড়িয়ে র‍্যাপ গাইল ফিলিস্তিনি শিশু (ভিডিও)

  হাঙ্গর পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে জিপিএস হিসেবে ব্যবহার করে

  হামাসের সঙ্গে যদি এই অবস্থা হয় তাহলে ইরানের সঙ্গে কি হবে?: লিবারম্যান

 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জয় গোস্বামীর কন্যা দেবত্রী গোস্বামী বলেন, বাবা ও মায়ের অক্সিজেনের মাত্রা এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিক। সকাল থেকেই শরীর খারাপ ছিল। জ্বর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোভিড পরীক্ষা করা হয়। ফলাফল আসার আগেই ভর্তি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিই আমরা।

রাত প্রায় ১০টা নাগাদ কোভিড ফলাফল পজিটিভ আসতেই কোভিড ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয় জয় গোস্বামীকে। আগামীকাল কবির স্ত্রীর কোভিড পরীক্ষা করানো হবে বলে জানান তাঁদের কন্যা।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর