এতো মন্ত্রণালয় থেকে কী হবে?

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

এতো মন্ত্রণালয় থেকে কী হবে?

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হচ্ছে ভালো কথা। যুক্তি বোঝা যায়। যেটা বোঝা যায় না সেটা হলো শিক্ষার ব্যাপারে পরিকল্পনা কি?

কিভাবে ভালো ভাবে ক্লাস নেওয়া যাবে অনলাইনে? কোনো নতুন হাল্কা (লাইট) সফটওয়ার কেনা হয়েছে? পরীক্ষা পদ্ধতির ব্যাপারে কোনো চিন্তা ভাবনা?

অনলাইনে বেশী মানুষকে কিভাবে এনগেজ করা হবে তার কোনো পরিকল্পনা? বিশ্বের অন্যদেশ অনলাইনে কিভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে তার কোনো গবেষণা কি হয়েছে?

কিভাবে ছাত্রদের সৃজনশীলতার বাড়ানো যাবে তার ব্যাপারে কেউ কি কিছু ভেবেছে?

অনলাইনে কিউ এস রাংকিং এর অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রাম পার্টনারশিপ করছে। অল্প কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে। বাকিরা?

ছাত্রদের মোটিভেট করতে কোনো মাস্টারপ্লান আছে?

যেহেতু কোনো ফল দেখছিনা তাই ধরে নেওয়া যায় প্রশ্ন গুলোর পজিটিভ উত্তর নাই।

তাহলে এত মন্ত্রনালয় থেকে কি হয়? কি হবে? দেশের সেরা মেধাবীদের নিয়ে তৈরি, দেশ সেবায় নিয়জিত ক্যাডার সার্ভিসের মানুষজন কি ভাবে শিক্ষার উন্নয়নে তাদের সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন?


আরও পড়ুন:


ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ: মাঠে যাওয়ার সময় আম্পায়ারদের গাড়িতে হামলা

১০ বছরের জেল হতে পারে নেতানিয়াহুর: ইসরাইলি আইনজীবী

এবার ফিলিস্তিনি নারীকে গুলি করে হত্যা ইসরাইলি বাহিনীর

বিয়ের আসরে নকল গহনা, মারামারি পরে ক্ষতিপূরণ রেখে তালাক


আগেও বলেছি করোনার আগের শিক্ষা ব্যবস্থা আর পরেরটা একই থাকবে না। বদল হবে। হবেই।

এই কথা সরকার-মন্ত্রানালয়-শিক্ষক-ছাত্র-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যত দ্রুত বুঝবে ততই মঙ্গল।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

আমার বন্ধু ভাগ্য অনেক ভালো

পীর হাবিবুর রহমান

আমার বন্ধু ভাগ্য অনেক ভালো

পীর হাবিবুর রহমান

বন্ধু মানে ডাকলেই ছুটে যাওয়া, ডাকলেই ছুটে আসা। করোনার দেড় বছরে আমার বন্ধুদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ নেই। আড্ডা নেই। একা বন্ধুবিহীন জীবন। ছোটবেলা থেকেই আমি দূড়ন্ত আমুদে প্রানবন্ত আড্ডাবাজ বন্ধু পাগল। বন্ধু ভাগ্য আমার অনেক ভালো।

পাড়া থেকে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। বন্ধুত্ব মানেই আত্নার গভীরে বহন করা টান। বিশ্বাসের প্রবল শক্তি। দলবেধে ছুটে চলা। জীবনের সব কিছুই ভাগাভাগি করা। চায়ের আসর থেকে সব। তুমুল তর্ক ঝগড়া গলাগলি সব। বিপদে আপদে দৌড়ে আসা যাওয়া নি:স্বার্থ এক সম্পর্ক।

বন্ধুবিহীন জীবন ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষ ছাড়া কারও হয়না। শৈশব কৈশোরের খেলার মাঠ, তারুন্যের মিছিল, কবিতা পাঠের আসর, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, ছাত্র মিছিল জীবনের বড় একটা অংশজুড়েই বন্ধু। বন্ধুত্ব এমনিতেই হয়না, অন্তর থেকে জন্ম নেয় এবং গভীর আবেগে তা লালিত হয়।

আমার অসুখেও কত বন্ধু দেখতে আসতে চাইলে মন ভরে গেছে তবু আসতে দেইনি করোনার ভয়ে। এ কষ্ট আমার। তারা সবাই দোয়া করছে। নিজ শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, স্কুল কলেজ, দেশ বিদেশ কত পথ কত বন্ধুর সাথে ঘুরেছি হেটেছি। কত বৃষ্টিতে ভিজেছি, জোছনায় ভেসেছি। কত জায়গায় কত আড্ডা। কত রাত দিন আড্ডায় কত হাসি কত আনন্দ। আড্ডায় কেবল সেন্স অব হিউমার নয়, শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি রাজনীতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা, তর্কযুদ্ধ। এ জীবনের পরম পাওয়া। 

সুনামগন্জের প্রকৃতি পরিবার মাটি ও মানুষ পাঠ দিয়েছিলো নির্লোভ সাদামাটা জীবনের। সরলতা আবেগ বিশ্বাস জন্মগত পেয়েছিলাম। এর চড়া মূল্য দিলেও নিজেকে বদলাইনি, এ আমার শত্রু আমারই শক্তি।

পেশাগত জীবনে কত বন্ধু ছড়িয়েছে কতখানে, কত দেশে। তবু যোগাযোগ শেষ হয়নি। হৃদয়ে লালন করে রেখেছি। কত বন্ধু অকালে চলে গেছে, মনে পড়ে তাদের খুব। মন খারাপ করে। আল্লাহ তাদের বেহেসত দিন।

জীবিত সকল বন্ধু আনন্দময় দীর্ঘ জীবন লাভ করুক। বন্ধুরা ভালো থাকিস। বন্ধুত্বের কখনো মৃত্যু হয়না।

(মত-ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

জানিনা সামনে কি সময় আসছে

ডাঃ গুলজার হোসেন

জানিনা সামনে কি সময় আসছে

জানিনা সামনে কি সময় আসছে। গত দুইদিন ধরে বেশ কিছু রোগী রেফার্ড হচ্ছে আমার কাছে। এরা হাসপাতালে ভর্তি রোগী। কোভিড পজিটিভ। কেউ কেউ সাস্পেক্টেড কোভিড৷ কেউ কেউ আই সি ইউতে আছেন৷ 

 এদের প্লেইটলেট অনেক কম। পঞ্চাশ হাজারের আশেপাশে।  সেকারণেই আমার কাছে রেফার করছে মতামতের জন্য। আমি জ্বরের ইতিহাস অনুযায়ী এন্টিজেন এবং এন্টিবডি পরীক্ষা করে পেলাম এদের ডেংগি হয়েছে। 

হাসপাতালে ভর্তি হয়ে এরা এর মধ্যেই দুই চারদিন রেমডিসিভির ইঞ্জেকশন, চামড়ার নিচে ব্লাড থিনার ইঞ্জেকশন সহ নানারকম ফর্দ করা ইঞ্জেকশন ও ওষুধ নিয়ে ফেলেছে। একজনের  এই ফাঁকে রক্তক্ষরণও শুরু হয়েছে৷ 

একটু চিন্তিত বৈকি। জাহিদুর রহমান  ভাই এবং Maliha কে ফোন দিলাম কোনভাবে কি ডেংগি পেশেন্টের শরীরে ডেংগি ভাইরাস থাকবার কারণে করোনা পরীক্ষা ফলস পজিটিভ আসতে পারে? দুজনই মত দিলেন 'না, পারেনা'। (ফলস পজিটিভ এমনিতেই নানা কারণে আসতে পারে। সে প্রসংগ আলাদা।)  
তার মানে এই রোগীদের দুটোই হয়েছে।  কোভিড ১৯ এবং ডেংগি। 

আসলে না হবার তো কারণ নেই। বাংলাদেশ, বিশেষ করে ঢাকা ডেংগির এন্ডেমিক জোন। এটা দূর হবেনা, থেকে যাবে। ইতিহাস তো এটাই বলে। যেখানে ডেংগি ঢুকেছে আর বের হয়নি। ফিরে ফিরে এসেছে। হয়ত দুই এক বছর প্রকোপ কম ছিলো।
 
গতবছর মশক নিধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থবির জনজীবনের কারণে ডেংগিবাহী মশা বংশ বিস্তারের মওকা পেয়েছে৷ মানুষ বাড়িতে থাকে। দিনের বেলায় কাজ নেই, শুয়ে,বসে,ঘুমিয়ে কাটাচ্ছে৷  হাসপাতাল রোগীতে ভর্তি। এক রোগী থেকে আরেক রোগীতে ছড়ানোও বেশ সহজ। ডেংগির প্রকোপ বাড়ার বিস্তর কারণ বিদ্যমান। 

সমস্যা আরো। দেখা গেল রোগী এসেছে জ্বর নিয়ে।  সবার নজর কোভিডে। কোভিড পরীক্ষা হলো।  পরীক্ষায় দেখা গেল পজিটিভ। ব্যাস,  রোগ তো পেয়ে গেলাম। দশ-বারোটি ওষুধ ছড়ড়া গুলির মত চালু হয়ে গেল। চামড়ার নিচে ব্লাড থিনার। এদিকে কোন ফাঁকে প্লেইটলেট কমে, উপরি হিসেবে ব্লাড থিনার পেয়ে শুরু হলো রক্তক্ষরণ। পরশু একটা রোগীকে এভাবে হারালাম। 

অর্থাৎ কোভিডের সাথে যে ডেংগি কো-ইনফেকশন হিসেবে আসছে,  আসতে পারে এবং আসতেই পারে এটাই মাথায় রাখতে হচ্ছে এখন।
হাসপাতালে করোনা রোগীরা আছে। হাজার হাজার টাকার এন্টিভাইরাল দিচ্ছেন। লাখ টাকার টসিলিজুম্যাব। সাথে দুইশ টাকার একটা মশারিও দেন। 
বাড়িতেও মশারি খাটান।  এটুকুই বলার ছিলো।

(মত-ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

ডা. গুলজার হোসেন, রক্তরোগ ও রক্তক্যান্সার বিশেষজ্ঞ|

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আর তাতে নেশা ফেশা কিছুই হবে না!

তসলিমা নাসরিন

আর তাতে নেশা ফেশা কিছুই হবে না!

পোস্ত আমাদের পূর্ব বঙ্গের খাবার নয়। তারপরও আমি মাঝে মাঝে  ঝিঙে পোস্ত রান্না করি। আজ প্রথম করলাম পোস্ত বড়া। যেহেতু ছোটবেলা থেকে পোস্ত বড়া খেয়ে অভ্যস্ত নই, তাই আমার ঘটি বন্ধুদের মতো নাচানাচি করিনি। খেয়েছি, ব্যস। নতুন একটা রান্না শিখলে যে আনন্দ, সেই আনন্দটুকুই শুধু হলো। 

হতো যদি আজ সেইসব বড়া, যেগুলো মা বানাতো, যেগুলো এখনও মুখে লেগে আছি, তাহলে নাচানাচি নিশ্চয়ই কিছুটা হতোই। আজ তবে কী দুঃখে পোস্ত বড়া বানাতে গেলাম? একটাই দুঃখে, দু'তিনদিন ঘুম ভালো হচ্ছে না। 

হচ্ছে না না বলে আসলে বলা উচিত নিজেকে আমি ঘুমোতে দিচ্ছি না। জীবনের সময় ফুরিয়ে আসছে বলে বালিশেই মাথা রাখছি না। বালিশে আমার মাথা মানেই দেড় মিনিটের মধ্যে গভীর ঘুমে চলে যাওয়া।দেখি পোস্ত আমার মাথাকে টেনে বালিশে নিতে পারে কিনা। 

অপিয়ামের বীজ। ভাবলেই গা কেঁপে ওঠে। যে অপিয়াম থেকে মরফিন আর হেরোইনের মতো ভয়াবহ জিনিস বেরোয়, সে অপিয়ামের বীজ মুঠো মুঠো খেয়ে নেব আর তাতে নেশা ফেশা কিছুই হবে না, শুধু একটু মাথা আর বালিশ হলেও হতে পারে,  ভাবাই যায় না।

(মত-ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

 

আরও পড়ুন:


দেশে একদিনে করোনায় মৃত্যু বাড়ল

দক্ষিণের পথে পথে ঢাকামুখি মানুষের স্রোত

বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গে ৯ জনের মৃত্যু

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ১২ দিন পর চালু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

পৃথিবী-মানবজাতি রক্ষায় সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে ভাবার বিকল্প নেই

শান্তা আনোয়ার

পৃথিবী-মানবজাতি রক্ষায় সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে ভাবার বিকল্প নেই

শান্তা আনোয়ার

১৯৭২ সালে, এমআইটি থেকে বিজ্ঞানীদের একটি দল ক্লাব অফ রোম নামের একটি শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, ব্যবসায়ী নেতা এবং রাজনীতিবিদদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে দায়িত্ব পাওয়ার পরে মানবজাতির ভবিষ্যত কেমন হতে যাচ্ছে তা জানার জন্য একটি কম্পিউটার মডেল ব্যবহার গবেষণা করেছিল।  

জনসংখ্যা, শিল্প উৎপাদন ও খাদ্য উৎপাদন দূষণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে জটিল মিথস্ক্রিয়াগুলি থেকে এই গবেষণার ভবিষৎবাণী করা হয়েছিলো। 

গবেষণায় দেখা যায় যে, যাকে আমরা "স্থিতিশীল বিশ্ব" পরিস্থিতি বলি-যেখানে বিশ্বব্যাপী সামগ্রিক পতন যেমন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধ, স্বাস্থ্য ইত্যাদি পতন এড়ানো এবং জীবনযাত্রার মান স্থিতিশীল রাখা তখনি সম্ভব হতে পারে, যদি সামাজিক মূল্যবোধগুলিতে অগ্রাধিকার দিয়ে নাটকীয় পরিবর্তন আনা হয়। 

পরিবেশকে ধ্বংস করে তথাকথিত অর্থনৈতিক বিকাশ অব্যাহত থাকলে তা খাদ্য সংকট সৃষ্টি করতে পারে এবং এমন সমাজ তৈরি করতে পারে যা মানব কল্যাণকে ডুবিয়ে দিতে দেবে। 

যেই সময় এমআইটির এই গবেষণাটা প্রকাশিত হয়েছিলো তখন সেটাকে নিয়ে তুমুল সমালোচনা এবং বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিলো। তবে আজকের বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে দেখলে অনুধাবণ করা যায় যে এম আইটির গবেষণার ভবিষ্যদ্বাণীটি বিস্ময়করভাবে সঠিক ছিলো।

২০২০ সালের নভেম্বরে জার্নাল অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোলজিতে হিসাবরক্ষণ সংস্থা কেপিএমজির পরিচালক গয়া হেরিংটন এর প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, কীভাবে গত কয়েক দশকের তথ্য ও উপাত্ত এম আইটির গবেষণার প্রাপ্ত ফলাফলকে সমর্থন করছে।  

গত কয়েক দশকের ডেটা বিশ্লেষণ করে, তিনি চারটি পৃথক সম্ভাব্য সিনারিও বা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছিলেন: প্রথম দুটি সিনারিও ছিল দুটি ভিন্ন ভিন্ন “বিজনেস এজ ইউজুয়াল” পরিস্থিতি বা যেভাবে সবকিছু চলছে সেভাবেই সবকিছু চালানো, তৃতীয় পরিস্থিতি বা সিনারিও ছিল একটি "স্থিতিশীল বিশ্ব পরিস্থিতি," এবং চতুর্থ সিনারিও ছিল “কম্পরেহেন্সিভ প্রযুক্তি নির্ভর” পরিস্থিতি , যেখানে মানবিক প্রযুক্তিগত বিকাশ ব্যবহার করে উন্নয়নের কারণে পরিবেশগত বিপর্যয়কে মোকাবেলা করার পথকে উদ্ভাবন করতে মানবজাতি সক্ষম হয়েছে । 

প্রথম দুই ধরণের  “বিজনেস এজ ইউজুয়াল পরিস্থিতি” বা যেই পরিস্থিতির মধ্যে আমরা ছিলাম তা চললে একবিংশ শতাব্দীর মধ্যে তা সামগ্রিক বৈশ্বিক পতনের সূত্রপাত করবে বলে দেখা গিয়েছিল। 

প্রথম দুইটা সিনারিওর একটি সিনারিওতে প্রাকৃতিক সম্পদ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার কারণে এবং দ্বিতীয় সিনারিওতে দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন বা পরিবেশ বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে কম্প্রিহেন্সিভ প্রযুক্তি পরিস্থিতি যা পরিবেশগত বিপর্যর মোকাবেলায় সক্ষম ছিলো তা একবিংশ শতাব্দীর পুরোটায় তার পতন এড়াতে সক্ষম হয়েছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে এই গবেষণার মানবকল্যাণ হ্রাস পেয়েছিল।

আরও পড়ুন:


হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হচ্ছে

মেঘনায় ট্রলার ডুবে জেলের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

পর্যটকদের জন্য খুলছে সৌদির দরজা

বগুড়ার গাবতলীতে ৩০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ


স্থিতিশীল বিশ্ব পরিস্থিতি সিনারিওতে, যেখানে বিশ্ব নাটকীয়ভাবে সামাজিক মূল্যবোধ এবং অগ্রাধিকারগুলি পরিবর্তন করেছে, সেই মডেল বা সিনারিও অনুসারে একবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে মানুষের জনসংখ্যা স্থিতিশীল হয়ে পড়েছিল এবং জীবনযাত্রার মান বজায় ছিল।

পৃথিবী রক্ষায়, মানবজাতিকে রক্ষায় আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে নতুন করে ভাবার কোন বিকল্প নাই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভুল করে ইতালিতে এক নারীকে ৬ ডোজ ফাইজারের টিকা দেয়া হয়েছিল

শওগাত আলী সাগর

ভুল করে ইতালিতে এক নারীকে ৬ ডোজ ফাইজারের টিকা দেয়া হয়েছিল

পৃথিবীর বিভিন্ন  দেশে কোভিড এর টিকা  দিতে গিয়ে টুকটাক ভুল ভ্রান্তি হচ্ছে। ইতালী প্রবাসী সাংবাদিক পলাশ রহমান ফেসবুকে এক পোষ্টে জানিয়েছেন,”ইতালিতে এক নারীকে এক সাথে ৬ ডোজ ফাইজারের টিকা দেয়া হয়েছিল ভুল করে। বিষয়টা যখন বোঝা যাওয়ার সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পর্যবেক্ষণে রাখা হয় দুদিন। বিশেষ কোনো অসুবিধা না হওয়ায় তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়। আরো কিছু দিন নিয়মিত তার স্বাস্থ্যের খোঁজ নেয়া হয় টেলিফোনে।

ওই নারী সুস্থ আছেন, ভালো আছেন। ৬ ডোজ টিকার জন্য তাকে বিশেষ কোনো অসুবিধায় পড়তে হয়নি। প্রায় একই রকম ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি এবং সিঙ্গাপুরেও ঘটেছে।”

কানাডায় কোভিডের টিকা  দিতে গিয়ে ’স্যালাইন ওয়াটার’ দিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ১৮ বছরের কম বয়ষী ডজনখানেক ছেলে মেয়েকে ভুল টিকা দেয়া হয়েছে। আঠারোর কম বয়েসীদের জন্য যখন কেবলমাত্র ফাইজারের টিকা  অনুমোদিত তখন এই ছেলেমেয়েদের মডার্নার টিকা দেয়া হয়েছে ভুল করে। 

এই ভুলটা নানা দেশেই হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করে ব্যবস্থা নিয়েছে, সতর্ক হয়েছে যাতে আর কেউ কোনো ধরনের ভুলের শিকার না হন।

একটা বিশ্বমহারীতে গণটিকার ক্ষেত্রে দু একটি ভুলের ঘটনা যাতে টিকা বিরোধী ক্যাম্পেইনে পরিণত না হয়, সে দিকে নজর রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর