কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি বিএফইউজে ও ডিইউজে’র

নিজস্ব প্রতিবেদক

কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি বিএফইউজে ও ডিইউজে’র

কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। রোববার (১৩ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংগঠন দুটির আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা এ দাবি জানান।

গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় বিচার বিভাগের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে বিচার বিভাগকে মুক্তসাংবাদিকতার পক্ষে ভূমিকা নেয়া উচিত। 

তারা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আদালত আজ মুক্ত সাংবাদিকতার পক্ষে রায় দিচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো সংবিধান বিরোধী আইন বন্ধে আদালতের ভূমিকা আমরা দেখতে পাইনি। সাংবাদিকরা গ্রেপ্তার হচ্ছেন। বছরের পর জেল খাটছেন অথচ জামিন দেয়া হচ্ছে না। দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন বলা হয়। কিন্তু কতটুকু স্বাধীন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। দেশের বিচার বিভাগ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারলে রুহুল আমিন গাজী মুক্তি পেতেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে শওকত মাহমুদ বলেন, এ সরকারের প্রধান প্রতিপক্ষ গণমাধ্যম। আর সত্য হচ্ছে প্রধান শত্রু। সত্য প্রকাশের জন্য অনেক সাংবাদিককে আটক করে রাখা হয়েছে। অনেক সাংবাদিক খুন হয়েছেন।  মামলা-নির্যাতনে হয়রানি করা হচ্ছে অহরহ। এ সরকারের আমলে এমন একটি দিন পাবেন না যেদিন সাংবাদিক জেলে ছিল না। 
 
রুহুল আমিন গাজীসহ সকল কারাবন্দি সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, মামলার মেরিট দেখে আর সংবিধান প্রদত্ত অধিকার প্রয়োগ করে বিচার বিভাগ রায় দিলে এসব মামলা টিকতে পারে না। 

এ প্রসঙ্গে শওকত মাহমুদ আমাদের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে প্রেস ফ্রিডম নেই। অথচ ওই দেশের বিচারপতিরা সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অনেক মামলার আসামিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় সাংবাদিক আটককে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার মূল লক্ষ্য তাদের অপশাসনকে দীর্ঘায়িত করা। 

তিনি মুক্ত সাংবাদিকতা বিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সকল কালা কানুন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, কোনো সভ্যদেশে এমন ভয়ংকর আইন কল্পনাও করা যায় না। আমেরিকার সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয় মিডিয়ার স্বাধীনতা রক্ষায়। এতে বলা হয়, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করে এমন কোনো আইন কখনো মার্কিন কংগ্রেসে পাস করবে না। এরাই হলো সভ্য। 

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের সংবিধানেও সংশোধনী এনে মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা দরকার।

বিএফইউজে মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন বলেন, সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, ৭৫ পূর্বে সংবাদপত্র বন্ধ করে এবং নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে তৎকালীন সরকার নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। 

তিনি বলেন, বিচার বিভাগ নিরপেক্ষ অবস্থান নিলেই রুহুল আমিন গাজীসহ কারাবন্দি সকল সাংবাদিকের মুক্তি সম্ভব।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, এ সরকার অবৈধ। এ সরকার কর্তৃত্ববাদী। টিকে থাকার জন্য এ সরকার কিছু করতে পারে।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং শওকত মাহমুদসহ অন্যদের মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, রুহুল আমিন গাজী কিডনি সমস্যাসহ অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত। অথচ তার চিকিৎসার কোন ব্যবস্থা নেই।

ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ। 

বক্তব্য রাখেন, বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালীন নোমানী, রফিকুল ইসলাম আজাদ সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, বিএফইউজের সহসভাপতি মোদাব্বের হোসেন, বিএফইউজের কোষাধ্যক্ষ খায়রুল বাশার, ডিইউজের সহ-সভাপতি শাহীন হাসনাত ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের সহকারি মহাসচিব শহীদুল্লাহ মিয়াজী, ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য একেএম মহসীন, ডিইউজে নেতা শাহজাহান সাজু, দেওয়ান মাসুদা, সাখাওয়াত হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক খুরশীদ আলম, দপ্তর সম্পাদক তোফায়েল হোসেন, নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, ডিইউজের সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ আলী আসফার, ডিইউজের নির্বাহী সদস্য জেসমিন জুঁই প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার ও কোষাধ্যক্ষ গাজী আনোয়ারুল হক উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভারি বর্ষণে বাগেরহাট শহরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মোংলায় তলিয়ে গেছে ৪৫০ চিংড়ি খামার

শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট

ভারি বর্ষণে বাগেরহাট শহরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাট জেলা শহর, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা ও সরকারী খালগুলো প্রভাবশালীরা দখল করে নেওয়ায় রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে একাকার হয়ে গেছে।

বাগেরহাট, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা পৌরসভার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেকের রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাটে হাটু পানি জমায় কেউ বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না। বাগেরহাট শহরের রাহাতের মোড়, সাধনার মোড়, মিঠাপুকুর পাড়, আলীয়া মাদ্রাসা রোড়, নাগেরবাজার, বাসাবাটি, খারদার, মুনিগঞ্জ ও হাড়িখালী সড়কে পানি উঠেছে।

এদিকে মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টি পানিতে তলিয়ে জলাবদ্ধতায় এক রকম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় মোংলা উপজেলায় ইতিমধ্যে ৪৫০টি চিংড়ি খামার (ঘের) তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে ঘেরের বাগদা চিংড়ি ও সাদা মাছ। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে স্থানীয় চিংড়ি চাষীরা। এ বৃষ্টি দীর্ঘায়িত হলে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তিনি। তবে বেশি ক্ষতি হয়েছে চিলা, জয়মনি ও কামারডাঙ্গা এলাকার ঘেরগুলো।

আরও পড়ুন:


করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা রোগীদের জরুরি চিকিৎসা সেবায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) মেয়র ইকরামুল হক টিটু ও তার অগ্রজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ’র সভাপতি আমিনুল হক শামীম (সিআইপি) এসব সিলিন্ডার দেন।

এছাড়াও একই অনুষ্ঠানে মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে করোনা রোগীদের সেবায় একটি অ্যাম্বুল্যান্স ও আটটি অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ফজলুল কবীরের হাতে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন তারা।

এসময় সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, ‘কোভিড রোগীর চিকিৎসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অক্সিজেন। সেই অক্সিজেনের সংকটে যেন না পড়তে হয় সেজন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আহবানে সাড়া দিয়ে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার আমরা দিয়েছি।’

করোনা মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে ময়মনসিংহ চেম্বারের সভাপতি আমিনুল হক শামীম বলেন, হাসপাতালের যেকোনা সংকট মোকাবিলায় আমরা আপনাদের সাথে আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।

এসময় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. চিত্তরঞ্জন দেবনাথ, বিএমএ'র সভাপতি ডা. মতিউর রহমান ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক এইচ এ গোলন্দাজ, মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি অনুপম সাহা ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হাসানসহ প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচ কে দেবনাথ, ময়মনসিংহ চেম্বারের সহসভাপতি শংকর সাহাসহ প্রমুখ।

আরও পড়ুন:

করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

এসএম রেজাউল করিম, ঝালকাঠি

করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঝালকাঠি আদালতের এক নারী বিচারক মারা গেছেন। সা‌নিয়া আক্তার (২৯) নামে ওই বিচারক ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জু‌ডি‌শিয়াল ম্যা‌জি‌স্ট্রেট কাঁঠালিয়া আদালতের দায়িত্বরত ছিলেন।

তাঁর স্বামী এইচএম ইমরানুর রহমানও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ঝালকাঠি সদর কোর্ট)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঝালকাঠি আদালতের সরকারি কৌশলী(পিপি) আব্দুল মান্নান রসূল জানান, বরিশাল শের ই বাংলা মে‌ডিকেল ক‌লেজ হাসপাতা‌লের ক‌রোনা ওয়া‌র্ডে বুধবার সকাল সা‌ড়ে ১০ টায় বিচারক সোনিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এর আ‌গে গত ১৬ জুলাই সকাল সোয়া ৭ টায় তা‌কে এই হাসপাতালের করোনা ওয়া‌র্ডে ভ‌র্তি করা হয়।

হাসপাতালের প‌রিচালক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বিচারক সোনিয়া সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সম্প্র‌তি তি‌নি ক‌রোনা ভাইরাসে শনাক্ত হন। ১২ জুলাই সা‌নিয়া আক্তার ঝালকা‌ঠি‌তে রে‌পিড এন্টিজেন্ট টেস্ট করালে তাঁর শরীরে করোনা  ভাইরাস ধরা পড়ে।

 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আগস্ট মাসের দুই দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

আগস্ট মাসের দুই দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

মহামারি করোনভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। তবে সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় আগস্ট মাসের ১ ও ৪ তারিখ এই দুই দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

বাকি তিনদিন, ২, ৩ ও ৫ আগস্ট ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ২:৩০ পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপার ভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম আজ বুধবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছেন

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর

ঢাকাতেই ডেঙ্গু রোগী ১৪২, বাইরে মাত্র একজন

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকাতেই ডেঙ্গু রোগী ১৪২, বাইরে মাত্র একজন

ঢাকাতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। একদিনে সর্বোচ্চ ১৪৩ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এরমধ্যে ১৪২ জনই ঢাকার এবং একজন ঢাকার বাইরের।

বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের ভাবতে হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র একজন ঢাকার বাইরের।

ডা. নাজমুল বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৫০৯ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঢাকার ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে গতকাল পর্যন্ত ৫০০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবগুলো জেলা মিলিয়ে নয়জন রোগী রয়েছেন। ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত এক হাজার ৯৪৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে এক হাজার ৪৩৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। সন্দেহজনক তিনটি মৃত্যুর তথ্য আমাদের কাছে এসেছে, সেটি আইইডিসিআর-এর মাধ্যমে আমরা পরীক্ষা করে দেখছি।

আরও পড়ুন


৫ আগস্টের পর লকডাউন বাড়ানো হবে কি না জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বুদ্ধিবাজি বা বৌদ্ধিক মাস্তানি

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ৩০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

সানিয়া যে একা ছিলেন এমন না, ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা


করোনা প্রসঙ্গে বলেন, বিভাগওয়ারি তথ্যে করোনায় ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। তারপর চট্টগ্রাম বিভাগে, এরপর খুলনায়। সবচেয়ে কমসংখ্যক রোগী মারা গেছেন সিলেট বিভাগে। জেলার তথ্যে ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছে, চার লাখ ১৯ হাজার ১২৮ জন। এরপরই বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অবস্থান। সেখানে ৭৪ হাজার ১৯৩ জন রোগী এবং সবচেয়ে কম রোগী ১৮ হাজার ৮৩৮ জন শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী জেলায়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর