রংপুর মেডিকেলে ১০ দালাল আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

রংপুর মেডিকেলে ১০ দালাল আটক

রংপুর মেডিকেলে অভিযান চালিয়ে ১০ দালালকে আটক করেছে মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ। আজ দুপুরে এ অভিযান চালানো হয়। 

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি অ্যান্ড মিডিয়া) ফারুক আহমেদ বলেন, দুপুরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে টানা হেঁচড়া করার সময় ১০ জন দালালকে আটক করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়, হাসপাতালে রোগী পরিবহনের ট্রলি ব্যবহারের জন্য অবৈধভাবে ফি আদায়, অননুমোদিতভাবে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রবেশ করা, অবৈধভাবে বিভিন্ন পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের নামে নানাভাবে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিতেন।  

আরও পড়ুন:


করোনা: ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত-মৃত্যু দুটোই বেড়েছে

বাংলাদেশসহ ২৬ দেশের ওপর পাকিস্তানের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

কোনো অবস্থাতেই ভারত থেকে যেন কোরবানির পশু না আসে: এলজিইডি মন্ত্রী


 

আটক ব্যক্তিরা হলেন- পরশুরাম থানার লাল মিয়ার ছেলে মো. মোরশেদ আলম (২৪), দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রফিজ উদ্দীনের ছেলে মো. মাসুদ শাহ (২৭), মাহিগঞ্জ পাঠানপাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে মো. মিজানুর রহমান (৩৫), পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. মাহবুব আলম (৩৪), হাজিরহাটের জগদীশপুর এলাকার মৃত আজিবর রহমানের ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম (৩২), পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রমেশচন্দ্রের ছেলে উত্তম কুমার (২৩), উত্তরখলেয়া এলাকার মনোরঞ্জনের ছেলে আপন কুমার (২৩), নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শোলমারী এলাকার মঈনুল হাসানের ছেলে মো. রিফাতুল ইসলাম (২১), গঙ্গাচড়ার বিষ্ণুরায় এলাকার উজ্জ্বল রায় (২৪) ও জলঢাকার চেরেঙ্গা এলাকার দীনেশ রায়ের ছেলে কমল রায়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে খেয়ে, না খেয়ে দিন কাটছে অর্ধলাখ মৎস্যজীবীর

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি:

রাঙামাটিতে খেয়ে, না খেয়ে দিন কাটছে অর্ধলাখ মৎস্যজীবীর

রাঙামাটি শহরের পাশে কাপ্তাই হ্রদের একটি দ্বীপের নাম জালিয়া পাড়া। এ দ্বীপে বসবাস করে প্রায় ২৮০ জেলে পরিবার। একটা সময় হ্রদে জাল ফেলে নৌকা ভাসিয়ে শুরু হতো তাদের দিন। আর সন্ধ্যা বেলা নৌকা ভরে মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরতো তারা। সে মাছ বাজারাজাত করে আনন্দ কেটে যেত তাদের সংসার। কিন্তু এখন পুরাই ভিন্ন চিত্র। অভাব যেন তাদের পিছু ছাড়ে না। ছেলে-মেয়েদের মলিন মুখের দিকে তাকিয়ে হ্রদ পাড়ে বসে কাটে দিন।

মৎস্যজীবি জগদীস দাস দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার করে চালাচ্ছেন জীবন ও জীবিকা। মাছ বিক্রি করে চলে তার সংসার। তবে বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকার কারণে বেকার সময় কাটছে দিন। একই অভিযোগ কমলা দাস ও বিফলা দাসের। তারাও জানান, কর্ম নেই। তাই টাকাও নেই। নুন আনতে পান্তা ফুরাচ্ছে। কখনো খেয়ে, আবার কখনো না খেয়ে কাটছে দিন। খেতে না পেয়ে মানুষের বাসা বাড়িতে যে ঝিয়ের কাজ করবো সে সুযোগও নেই। করোনার কারণে মানুষ এখন আগের মতো বাসা-বাড়িতে কাজের লোক রাখে না। শুধু রাঙামাটির জালিয়া পাড়া নয়, এমন দুর্দশার চিত্র এখন রাঙামাটি জেলার প্রায় ৮টি উপজেলায়।

জানা গেছে, বর্তমানে রাঙামাটিতে কর্মহীন রয়েছে অর্ধ লাখ মৎস্যজীবী পরিবার। গত ১ মে কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন ও বংশ বিস্তারে লক্ষ্যে সব ধরনের মাছ শিকার ও আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর বেকার হয়ে পড়ে তারা। বিকল্প কোনো পেশা বা কর্মসংস্থান না থাকায় জেলে ও শ্রমিকসহ মাছের ওপর নির্ভরশীল মানুষগুলো মধ্যে চরম আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে। 

সরকারি হিসেবে রাঙামাটিতে ২৫ হাজার ২৯টি মৎস্যজীবী পরিবারের কথা উল্লেখ থাকলেও অনিবন্ধিত রয়েছে প্রায় অর্ধ লাখ জেলে পরিবার। এমনটা দাবি সংশ্লিষ্টদের। নিবন্ধিত মৎস্যজীবী পরিবারগুলোকে সরকারিভাবে ভিজিএফ কার্ডে মাধ্যমে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হলেও, সুবিধাবঞ্চিত রয়েছে অনিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলো।  ফলে অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা। অনিশ্চত হয়ে পড়েছে ছেলে-মেয়েদের ভবিষৎ। টানাপড়েনের মধ্যে কাটছে তাদের জীবন।

অন্যদিকে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে ১ আগস্ট থেকে মাছ শিকার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তার আর হচ্ছে না। হ্রদে পানি কম থাকায় মাছ শিকার বন্ধ থাকবে আগামি ১০ আগস্ট পর্যন্ত। বুধবার রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বিএফডিসির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেন জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান ।

তবে বিএফডিসি সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস বন্ধকালীন রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণের সাথে জড়িত দরিদ্র জেলে পরিবাগুলোকে খাদ্যশস্য বরাদ্ধ দিয়েছে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের রাঙামাটি জেলা ব্যবস্থাপক লে. কমান্ডার এম. তৌহিদুল ইসলাম (ট্যাজ) জানান, সাধারণত  তিন মাসের  মাথায় খুলে দেওয়া হয় কাপ্তাই হ্রদ। কিন্তু এবার কাপ্তাই হ্রদে পানি কম থাকায় মাছ শিকার করা সম্ভব না। কারণ কম পানিতে মাছ শিকার করলে প্রজনন নষ্ট হয়ে যাবে। তাই বন্ধকালীন সময়টা বাড়িয়ে আগামি ১০ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে পানি না বাড়লে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বন্ধকালীন সময় আরও দীর্ঘ করা হবে। 

আরও পড়ুন:


বিভিন্ন জেলায় করোনায় প্রায় দেড় শতাধিক মৃত্যুর

সিলেট বিভাগে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু নতুন রেকর্ড

বগুড়ায় ৭০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

তিনটি নব-নির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেছেন আইজিপি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

তিনটি নব-নির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেছেন আইজিপি

'মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ নোয়াখালী জেলা' গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও পুলিশ লাইন্সে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য 'নির্ভিক' এবং নোয়াখালী জেলা পুলিশের তিনটি নব-নির্মিত ভবনের অনলাইনে উদ্বোধন করেছেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। 

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পুলিশ লাইন্সে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান, মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। চারতলা বিশিষ্ট তিনটি ভবনের প্রতিটি সুধারাম মডেল থানা, সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ি ও নারী পুলিশ ব্যারাক নামে ব্যবহৃত হবে।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) পিটিসি নোয়াখালী এসএম রোকনউদ্দিন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি (এ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যন্স) মো. ইকবাল হোসেন, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান।

আরও পড়ুন:


বিভিন্ন জেলায় করোনায় প্রায় দেড় শতাধিক মৃত্যুর

সিলেট বিভাগে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু নতুন রেকর্ড

বগুড়ায় ৭০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

নাটোরে করোনায় আরও চার জনের মৃত্যু

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরে করোনায় আরও চার জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় নাটোর সদর হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ জন মারা গেছেন। মৃত চারজনই নাটোর শহরের বাসিন্দা ছিলেন। এদের মধ্যে ২ জন পুরুষ ২ জন নারী। তাদের বয়স পঞ্চাশোর্ধ।

এ পর্যন্ত এ জেলায় মোট মৃত্যু ১১০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৮০ জন। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৮.৯৯ শতাংশ।

২৪ হাজার ৯০৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত ৬ হাজার ৬২৪ জন। চিকিৎসার জন্যে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬৪ জন। 

এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭৪২ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৩৭৭৬ জন। সিনোভ্যাক্সের টিকা পেয়েছেন ৩৬৫৯ জন। এদিকে ভ্যাক্সিনের জন্যে প্রতিদিন ভীড় জমাচ্ছেন সাধারণ নাগরিকরা। অনেকে ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন:


বিভিন্ন জেলায় করোনায় প্রায় দেড় শতাধিক মৃত্যুর

সিলেট বিভাগে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু নতুন রেকর্ড

বগুড়ায় ৭০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ৩০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ৩০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ৩০০ অসহায় ও অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ বুধবার কালের কণ্ঠ শুভসংঘের সহযোগিতায় উপজেলার দুপচাঁচিয়া দারুস সুন্নাহ্ ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা মাঠে বসুন্ধরা গ্রুপের এই ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া সকলের মাঝে মাস্ক বিতরণ ও করোনা সুরক্ষায় সচেতনতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।

দুপচাঁচিয়া ধাপসুখানগাড়ীর বাসিন্দা সাহেরা খাতুন। দুই কুলে তার এক ছেলে সায়েদ ছাড়া কেউ নেই। তিনিও পঙ্গু হয়ে ঘরে বসে আছেন। তার স্ত্রী নাজমা খাতুন মানুষের বাড়ি কাজ করে মাসে ৩ হাজার টাকা আয় করেন। সাহেরার বয়স্ক ভাতা, ছেলের প্রতিবন্ধী ভাতা আর বউয়ের সামান্য উপার্জনেই চলে তাদের মানবেতর জীবনযাপন। বসুন্ধরা গ্রুপের খাদ্যসামগ্রী পেয়ে সাহেরা বলেন, 'আল্লাহ বসুন্ধরা গ্রুপকে হেদায়েত দান করুক, ভালোভাবে থুক। হায়াত দান করুক। বেধির হাত থেকে রক্ষা করুক। তার এই সাহায্য দিয়া হামরা ২০-২৫ খাতে পারমু।'

শ্বাসকষ্ট সমস্যা নিয়েই পথে পথে গান গেয়ে বেরান বাউল সন্তোষ মালি। এতেই মানুষের মন ভরে কিছু টাকা রোজগার করে সংসারের ঘানি টানেন। তার মতো বাউল হারান মহন্ত-জগদীশরাও পেয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণসামগ্রী। সহায়তা পেয়ে আশীর্বাদ করেন তারা। বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকের মনের আশা পূরণ করুক। স্রষ্টা তার যেন ভালো রাখুক।

আরও পড়ুন


সানিয়া যে একা ছিলেন এমন না, ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা

এবার কঙ্গনাকে কড়া বার্তা দিলেন আদালত

করোনায় ইন্দোনেশিয়ায় রেকর্ড মৃত্যু, শনাক্ত ৪৫ হাজারের বেশি

দাঁড়িয়েছিলেন করোনা পরীক্ষার জন্য, সেখানেই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু


এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহা. আবু তাহির। তিনি বলেন, আজকেও বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় আমাদের উপজেলার ৩০০ অসহায় পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে। তারা করোনার এই ক্রান্তিকালেও দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। তাই তাদের ধন্যবাদ জানাই। আর বসুন্ধরা গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাই আমাদের উপজেলার অসহায় মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার জন্য। দেশে বর্তমানে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এই সময়ে আপনার কেউ অযথা ঘর থেকে বের হবেন না, সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। করোনা মোকাবেলা করতে আমাদের সহযোগিতা করবেন।

এছাড়া ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে আরো উপস্থিত ছিলেন দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান আলী, কালের কণ্ঠ শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান লিমন বাসার, শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরীফ মাহ্দী আশরাফ জীবন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি আবদুস সালাম বাবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক, মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউসুফ আলী শুভসংঘের বগুড়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শিশির মুস্তাফিজসহ অন্যান্যদের মধ্যে মশিউর রহমান জুয়েল, আদমদীঘি উপজেলা শাখার উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম ও লায়ন ফরিদ আহমেদ, সভাপতি জিল্লুর রহমান কমল, আহসান হাবীব তুহিন, সাগর, উত্তরা ইউনিভার্সিটির সাবেক সভাপতি আলমগীর হোসেন রনি ও গণবিশ্ববিদ্যালয় শাখার অর্থ সম্পাদক মিম খান, দুপচাঁচিয়া উপজেলার প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ফারুক ও সেচ্ছাসেবী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, মোস্তাফিজুর রহমান, সজিব, রনি, সত্য ও রহিমা প্রমুখ।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

নাটোরে কঠোর লকাউন মানছে না কেউ

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরে কঠোর লকাউন মানছে না কেউ

নাটোরে কঠোর লকাউন মানছে না কেউ। লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে শুধু মাত্র যাত্রীবাহী বাস বাদে মানুষ এবং অন্যান্য যানবাহন চলাচল ছিল অনেকটা স্বাভাবিক। শহরের বিভিন্ন মোড়ে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী চেক পোষ্ট বসিয়ে নানা ভাবে বাধা দিলেও তা কোন কাজে আসছে না।

জীবিকার প্রয়োজন ছাড়াও অনেকে নানা অযুহাতে অপ্রয়োজনে বের হয়ে আসছে বাড়ি থেকে। রিক্সা ও অটোরিক্সার সাথে সাথে সিএনজি চলাচল ছিল অনেক বেশি। ব্যক্তিগত গাড়িও চলাচল করতে দেখা গেছে। 

শুধুমাত্র প্রধান সড়কেই যেন লকডাউন মানা হচ্ছে। শুধু জেলা শহরে নয় জেলার প্রতিটি উপজেলাতে একই অবস্থা বিরাজ করছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনের একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছে।

আরও পড়ুন:


বিভিন্ন জেলায় করোনায় প্রায় দেড় শতাধিক মৃত্যুর

সিলেট বিভাগে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু নতুন রেকর্ড

বগুড়ায় ৭০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর