লিচুর পর আম নিয়েও সফলতার স্বপ্ন দেখছে দিনাজপুরের চাষিরা

ফখরুল হাসান পলাশ

লিচুর জন্য বিখ্যাত দিনাজপুরের চাষিরা আম নিয়েও সফলতার স্বপ্ন দেখছেন। বিশেষ করে নবাবগঞ্জ উপজেলার আম এখন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অনেক জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। স্বাদ এবং আকারে ভিন্নতা থাকায় দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে সেখানে উৎপাদিত ফল। এরই মধ্যে সংগঠন করে তার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

ক্ষিরসাপাত, ল্যাংড়া আম্রপালির পাশাপাশি রংপুর অঞ্চলের জনপ্রিয় হাড়িভাঙ্গা আমও উৎপাদন হচ্ছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায়। মাটির গুণাগুণের কারণে মানের দিক থেকে অন্য অনেক জেলা থেকে এ অঞ্চলের আম ভালো। তাই বাজারও সম্প্রসারণ হচ্ছে দ্রুত।

চলতি মৌসুমের আম এরইমধ্যে পাকা শুরু হয়েছে। আনাগোনা বেড়েছে বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীদের। এছাড়া অনেক বাগানি অনলাইনে বিক্রি করছেন পণ্য। এতে সফলতাও পেয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন:


মাদারীপুরে সেপটিক ট্যাংক পরিস্কার করতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

জামালপুর পৌর এলাকা লকডাউন

‘খালেদা জিয়ার করোনার জন্য আ.লীগ দায়ী’, বলতে পারেন ফখরুল: তথ্যমন্ত্রী

বগুড়ায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু


আমের বাজারজাত নিয়ে সমস্যায় আছেন চাষিরা। উপজেলা পর্যায়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা এর অন্যতম কারণ।

এ বছর উৎপাদন কিছুটা কম হলেও মান ভালো হওয়ায়, কৃষক খরচ পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে দাবি কৃষি কর্মকর্তাদের।

চলতি বছর নবাবগঞ্জে ৮২৫ হেক্টর জমিতে আমের বাগান করা হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে প্রতিদিনই দুইশতাধিক রোগি হাসপাতালে ভর্তি

মাহমুদুল হাসান

করোনার মাঝেই রাজধানীতে দ্রুতই বেড়ে চলেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। প্রতিদিনই প্রায় দুশোর মতো ডেঙ্গু রোগী রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। যদিও বড় হাসপাতালগুলো কোভিড ডেডিকেটেড হওয়ায়, ব্যাহত হচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সুযোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার মাঝেই, ডেঙ্গু আক্রান্তের এমন উর্ধমূখী হার- চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। 

প্রতি এক বছরের ব্যবধানে ভয়াবহভাবে ফিরে আসছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখেরও বেশি মানুষ। আর সেবার মৃত্যুবরণ করেন ১৭৫ জন। এ বছরও আক্রান্তের হার উর্ধমূখী। গত সাত মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২হাজার ৩ শ জন।

বেশিরভাগ রাজধানীবাসী সচেতন নন। আবার লকডাউনে রাজধানী ছেড়ে যাওয়াদের তালাবদ্ধ অনেক বাড়িই উর্বরক্ষেত্র হয়ে উঠেছে এডিস মশার বংশ বিস্তারের। একটু বৃষ্টিতেই খোলা পাত্র আর বারান্দার টবে জমছে পানি। মশক নিধনে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে দুই সিটি কর্পোরেশন।

প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী ভর্তি হচ্ছেন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে। রাজধানীর অনেক হাসপাতালই কোভিড ডেডিকেটেড হওয়ায় রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চিকিৎসা নিতে এসে। রাজধানীর মিডফোর্ড হাসপাতালে দেখা গেল ডেঙ্গু রোগীর বাড়তি ভিড়।

 করোনার পরিস্থিতির কারণে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলসহ অনেক হাসপাতালই পুরোপুরি কোভিড হাসাপাতালে রুপান্তরিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নন কোভিড রোগীদের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। গত বার এই হাসপাতালে ১২০ সিটের ডেঙ্গু ওয়ার্ড থাকলেও এবার রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না কোভিড ডেডিকেটেড হবার কারণে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে কোন উপায়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে ডেঙ্গুকে। করোনার হার এখন ক্রমেই উর্ধমূখী এর মধ্যে ডেঙ্গুও যদি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তবে ভেঙ্গে পড়তে পারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামে করেনা ও উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের মৃত্যু

পিয়াসা ও মৌ উচ্চবিত্তদের বাসায় ডেকে ব্ল্যাকমেইল করত : হারুন

৯৯৯ এ ফোন কলেবারান্দার কার্নিশ আটকে পড়া কিশোরী উদ্ধার

পোশাকের নেমপ্লেট খুলে চাঁদাবাজির অভিযোগে এসআই স্ট্যান্ড রিলিজ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

হঠাৎ কারখানা খোলার ঘোষণায় ঢাকামুখী মানুষের ঢল, পদে পদে দুর্ভোগ

নাঈম আল জিকো

চলমান লকডাউনে হঠাৎ শিল্প কারখানা খোলার ঘোষণায় ঢাকামুখী কর্মজীবী মানুষের স্রোত তৈরি হয়েছে। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে দিনভর ছিলো হাজার হাজার মানুষের লাইন। রাস্তায় গণপরিবহন না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পোহাতে হয় এই সব মানুষের। 

কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ রিক্সায়, যে যেভাবে পেড়েছেন ছুটেছেন গন্তব্যে। ভেঙে ভেঙে আসার কারণে তিন থেকে পাঁচ গুণ পর্যন্ত ভাড়া গোনার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। 

এদিকে ঢাকার সাথে পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার দুই ফেরি ঘাটেই ছিলো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। গাদাগাদি করে পার হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধির বালাই ছিলো না কোথাও। 

গাজীপুরের একটি গার্মেন্টে কাজ করবেন হালিমা বেগম। কারখানা বন্ধ থাকায় ঈদ করতে সপরিবারে কুমিল্লায় নিজ বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে হঠাৎ গার্মেন্টস সহ সকল শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ায় কর্মস্থলে যোগ দিতে সন্তান নিয়ে রওনা হয়েছেন গাজীপুরের উদ্দেশ্যে। কখনো পায়ে হেঁটে কখনোবা রিকশায় কখনো বা অটোরিকশার চড়ে এসেছেন রাজধানীতে।

হালিমারমত চরম ভোগান্তি সহ্যকরে একই ভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকা ফিরছেন হাজার হাজার মানুষ। তাই গণপরিবহন বন্ধ রেখে শিল্প-কলকারখানা খুলে দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

এদিকে, শনিবার সকাল থেকেই দৌলদিয়া-পাটুরিয়া ও শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে ছিল রাজধানী মুখি মানুষের ঢল। স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করেই মানুষ ছুটছেন কর্মস্থলে যোগ দিতে।

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


এদিন রাজধানীর রাজপথগুলোতে দেখা যায় গাড়ির বাড়তি চাপও। প্রত্যেকটি চেক পয়েন্টে ছিল গাড়ির লম্বা লাইন। যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।

সরকার ঘোষিত টানা ১৪ দিনের লকডাউনের মেয়াদ শেষ হবে ৫ আগস্ট। এর আগেই শিল্প কলকারখানা খুলে দেয়ার এমন সিদ্ধান্তে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পদ্মা সেতুতে জুনে যান চলাচলের আশা

মেগা প্রকল্পে ভর করেই বদলে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

প্লাবন রহমান:

মেগা প্রকল্পে ভর করেই বদলে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

মেগা প্রকল্পের ওপর ভর করেই বদলে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। যদিও-প্রায় দেড় বছর ধরে চলা করোনা বাস্তবতায় গতি কিছুটা হারিয়েছে বেশিরভাগ প্রকল্প। 

ফলে-সময়মত এসব প্রকল্প শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে। তবে-এর মধ্যেও শেষপর্যায়ে পদ্মা সেতুর কাজ। আগামী বছরের জুনে এই সেতু দিয়ে যান চলাচলের লক্ষ্য কর্তৃপক্ষের। সব প্রকল্প সময়মত শেষ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। 

নানা বাধা পেরিয়ে একেবারেই শেষপর্যায়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ। সেতুর ওপরে এরইমধ্যে হয়েছে পরীক্ষামূলক এমন পিচ ঢালাই।

দেশে করোনার ভয়াবহ অবস্থার মধ্যেও পুরোদমে এগুচ্ছে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের পদ্মা সেতুর কর্মযজ্ঞ। ৪২ খুটির ওপর ৪১ স্প্যানে দৃশ্যমান এই সেতু দিয়ে আগামী বছরের জুনে যানবাহন চলাচলের লক্ষ্য কর্তৃপক্ষের।

বাস্তবায়নের পথে চট্টগ্রামের সম্ভাবনা কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প। নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত চার লেন বিশিষ্ট ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেলের একটি টিউবের খননকাজ শেষ। দ্বিতীয় টিউবের কাজও এগুচ্ছে দ্রুত গতিতে। প্রকল্পের অগ্রগতি প্রায় ৭০ ভাগ। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এই প্রকল্প শেষের আশা কর্তৃপক্ষের।

করোনার মধ্যেও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে। সংশ্লিষ্টদের আশা-২০২৬ সাল নাগাদ জাহাজ ভিড়বে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দরে।

তবে-করোনার থাবায় কাজ চলমান থাকলেও প্রত্যাশামত এগোয়নি রাজধানীর তিন মেগা প্রকল্প। রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটের মেট্রোরেল প্রকল্পে এরইমধ্যে দৃশ্যমান বিভিন্ন স্টেশন। দেশে পৌঁছেছে লাল সবুজ এমন মেট্রোরেল সেট। তবে- এ বছরের ডিসেম্বরে মেট্রোরেল চালু হওয়ার কথা ফলাও করে বলা হলেও হচ্ছে না তা। নতুন টার্গেটও দিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। 

রাজধানীর এয়ারপোর্ট থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে কাজ চলছে বটে। তবে- মহামারী করোনার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে। সবমিলিয়ে-নয় বছরে চারবার সময় পিছিয়েও প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র প্রায় ৩০ ভাগ।

হিমশিম খাচ্ছে রাজধানীর আরেক মেগা প্রকল্প বাস র‌্যাপিড ট্র্যানজিট বিআরটি প্রকল্প। গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার বাসের জন্য আলাদা লেন প্রকল্পে অগ্রগতি অর্ধেক। ব্যাস্ততম এই পথের দুর্ভোগ কবে কাটবে এখনও নিশ্চিত না। 

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হকের মতে-করোনার ধাক্কায় সময়মত মেগা সব প্রকল্প সময়মত শেষ করা কঠিন হবে। এজন্য মেগাপ্রকল্পগুলোর গতি ধরে রাখা কর্তৃপক্ষদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকছে সামনের সময়গুলোয়।

আরও পড়ুন:


জলাবদ্ধতার সাথে মশা, ব্যাঙ বিষাক্ত প্রাণীর সাথে বসবাস

দক্ষিণের পথে পথে ঢাকামুখি মানুষের স্রোত

বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গে ৯ জনের মৃত্যু

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ১২ দিন পর চালু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

দুর্ভোগের সমাধানে চলছে প্রতিশ্রুতি

জলাবদ্ধতার সাথে মশা, ব্যাঙ বিষাক্ত প্রাণীর সাথে বসবাস

তালুকাদার বিপ্লব:

চারদিকে জলাবদ্ধতায় বেহাল দশা তার সাথে প্রতিনিয়ত মশা, ব্যাঙ বিষাক্ত প্রানীর সাথে বসবাস। বছরের পর বছর ধরে এমন দুর্ভোগের সমাধানে চলছে প্রতিশ্রুতি। তবু জলমগ্ন রাস্তার বেহাল দশা কাটছেনা, হচ্ছে না কোন সমাধান। 

ফলে এক দশকের দুর্ভোগের চিত্রও হয়নি বদল। এমন অভিযোগ ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশনের ৪৯ নাম্বার ওয়াড দক্ষিনখান গাওয়াইন স্কুল রোড বাসিন্দাদের। তবে অঙ্গীকার রক্ষা করে এই বছরই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। 

চারদিকে নর্দমার পানি আর খানাখন্দ দেখে বুঝার উপায় নেই এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কোন রাস্তা। এই চিত্র ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশনের ৪৯ নাম্বার ওয়াড এর দক্ষিন খান গাওয়াইন স্কুল রোড এলাকার।

প্রায় অধ লক্ষাধিক পরিবারের ব্যবহারের এই রাস্তাটির আশে পাশে নেই কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে একটু বৃষ্টি হলে দূরগন্ধযুক্ত কোমড় পানিতেই বসবাসের এই নিয়তি। 

শুধু কি তাই নয়  জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্তি পেতে বাসাবাড়ি ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র ভাড়া থাকছেন অনেকে। বৃস্টির পানিতে বাসা-বাড়ি দখল নিয়েছে মশা,ব্যাঙ এবং বিষাক্ত সাপ এর মতো প্রানীরা। 

পরিস্থিতি জানেন এবং নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন স্থানীয় ওয়াড কাউন্সিলর। একই সাথে এই বছরই সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেন তিনি।

তবে ভুক্তভোগিদের অভিযোগ জন-প্রতিনিধিদের দেয়া এমন প্রতিশ্রুতি এবারই প্রথম নয়। তবুও প্রত্যাশায় থাকেন, স্বয়ং রাজধানীতেও পোকামাকড়ের সাথে এই দীর্ঘ বসতির, অবসানের। 

আরও পড়ুন:


পর্যটকদের জন্য খুলছে সৌদির দরজা

বাংলাদেশসহ চার দেশে দুবাইগামী ফ্লাইট বন্ধ ৭ আগস্ট পর্যন্ত

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা

হেলেনাকে সম্মানের সঙ্গে ছাড়তে বললেন সেফুদা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

লকডাউনে চিড়িয়াখানায় বন্যপরিবেশ, বেড়েছে প্রাণীদের চঞ্চলতা

আলী তালুকদার

নিজ জগৎ থেকে বন্দী বনের রাজা সিংহ আর সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার যেনো ফিরে পেয়েছে তার আপন রাজ্য। প্রাকৃতিক অপরুপ সৌন্দর্য্যে নৃত্যের ছন্দে ময়ূর মেলেছে পেখম। চিত্রা হরিণের দল ছুটে বেড়াচ্ছে পুরো মাঠ জুড়ে। 

এই সুযোগে দর্শনার্থীদের জন্য প্রানবন্ত করতে ঢালাও ভাবে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন চিড়িয়াখানার পরিচালক। খাঁচার এতো কাছ থেকে হয়তো সিংহের গর্জন শুনেননি কোন দর্শনার্থী। 

এভাবেই আন্দন্দে মেতেছে আফ্রিকা থেকে আনা পুরুষ সিংহ দীপ ও তার সাথী মণি। লকডাউনে দর্শনার্থী শূন্য কোলাহলমুক্ত মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানার এমন দৃশ্য দেখতে পাওয়া দুষ্কর।

মাইক্রোফোন ধরতেই শোনা যায় ভারতের মরুভূমি থেকে আসা সিংহ রাজার গর্জন। পাশের খাঁচায় বন্দী সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার টগর। বন্দীদশা থেকে মুক্ত না হতে পারা টগর, ক্যামেরা দেখতেই শুরু করে পায়চারী। করোনার বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে টগর আপন করে নিতে ভুলেনা অচেনা মানুষকেও।

জল ছেড়ে ডাঙ্গায় জলের রাজা জলহস্তী। মায়ের পরম আদরে দুগ্ধপান জেব্রার বাচ্চার এমন দৃশ্য থমকে দেয় জিরাফের গর্ব করা উচ্চতা। করোনার এই লকডাউনে বেড়ে পশুপাখির প্রজনন ক্ষমতা। ইনকিউবেটরে পরিচর্যায় আছে একশো ময়ূরের বাচ্চা।

আরও পড়ুন:


লকডাউন আরও যে কয়দিন বাড়াতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হচ্ছে

মেঘনায় ট্রলার ডুবে জেলের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

পর্যটকদের জন্য খুলছে সৌদির দরজা


লকডাউনে দর্শনার্থী শূন্য থাকায় পশুপাখি কতোটা স্বস্তিতে জানান চিড়িয়াখানা পরিচালক।

পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য ও পরিচর্যায় বেড়েছে চিত্রা হরিণের সংখ্যা। পশুপ্রেমীদের কাছে নিয়মানুযায়ী বিক্রিসহ ভবিষৎ পরিকল্পনার কথাও জানান এই কর্মকর্তা।

করোনার দুর্যোগ কাটিয়ে পুরোদেশ স্বাভাবিক হলে দর্শনার্থীতে মুখরিত হয়ে উঠার অপেক্ষায় আছে আরো সবুজ হয়ে উঠা প্রিয় চিড়িয়াখানা। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর