পাঁচ-ছটি জন্মের তারিখ দিয়ে কেন ওনাকে বারবার জন্মালেন: তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

পাঁচ-ছটি জন্মের তারিখ দিয়ে কেন ওনাকে বারবার জন্মালেন: তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে এ প্রশ্ন রেখে বলেছেন, ‘আপনারা বেগম খালেদা জিয়াকে এভাবে পাঁচ-ছটি জন্মের তারিখ দিয়ে কেন বারবার জন্মগ্রহণ করালেন!’

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ প্রশ্ন রাখেন।

আরও পড়ুন:


ঢাকা বোট ক্লাবের সদস্য হতে লাগে ১৮ লাখ টাকা

নাসিরের বাসায় উঠতি বয়সী তরুণীদের দিয়ে চলত অনৈতিক কার্যকলাপ

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২


 

খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট ও করোনা টেস্ট রিপোর্টে তার জন্মতারিখের চিত্র নিজের আইপ্যাড থেকে সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, মেট্রিক পরীক্ষার ফরমে খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। আবার তার বিবাহ সনদে জন্মের তারিখ উল্লেখ আছে ৫ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। ১৯৯১ সালে তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তখন সরকারি নথিতে তার জন্মতারিখ উল্লেখ আছে ১৯ আগস্ট ১৯৪৭ সাল। আর বর্তমানে যে পাসপোর্ট তিনি ব্যবহার করছেন সেখানে তার জন্মতারিখ উল্লেখ আছে ৫ আগস্ট ১৯৪৬ সাল। এবং অতি সম্প্রতি তিনি যে করোনার টেস্ট করেছেন, সেখানে তার জন্মের তারিখ উল্লেখ আছে ৮ মে ১৯৪৬ সাল। কটি জন্ম তারিখ হলো?’

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় বিএনপি, নতুন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি

মারুফা রহমান

ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করছে বিএনপি।ঢাকা মহানগরের নতুন কমিটি ,দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভুমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করেছেন দলের মহাসচিব, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার সকালে উত্তরার বাসায় মহানগর উত্তর-দক্ষিনের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব এই প্রত্যাশা জানান । নতুন কমিটির আহ্বায়করাও আন্দোলন সংগ্রামের পথ কে নতুন করে তৈরির কথা বলেন। 

মঙ্গলবার সকালে উত্তরার বাসায় মহানগর উত্তর-দক্ষিনের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ দেখা করতে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে। সেখানে একটি বৈঠক শেষে নবগঠিত কমিটি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন, মির্জা ফখরুল। দলের সংকটপূর্ন এই সময়ে নতুন কমিটি আগামীর আন্দোলন সংগ্রামে নতুন মাত্রায় ভুমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।
ঢাকা মহানগর উত্তরের নতুন আহ্বয়াক আমানউল্লাহ আমান বলেন

আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে সরিয়ে নিদরলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে বাধ্য করতে কাজ করবেন তিনি।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


 

আর দক্ষিনের আহ্বায়ক আবদুস সালাম বলেছেন, সাংগঠনিক অবস্থাকে দ্রুত ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করবেন তিনি।

এদিকে ঢাকা-মহানগরের নতুন এই কমিটিকে নিয়ে দলের ভেতরে ইতিমধ্যেই  নেতা-কর্মীদের বড় এক অংশের ভেতর অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

করোনা মোকাবিবেলায় সমন্বয়হীনতা দূর করতে হবে: ইনু

অনলাইন ডেস্ক

করোনা মোকাবিবেলায় সমন্বয়হীনতা দূর করতে হবে: ইনু

মহামারি করোনা মোকাবিলায় সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি এবং সংসদ সদস্য হাসানুল হক ইনু।

মঙ্গলবার (০৩ আগস্ট) দুপুরে জাসদ কার্যালয়ে দলীয় কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও স্থায়ী কমিটির সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড হাবিবুর রহমান শওকতের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

হাসানুল হক ইনু বলেন, বৈষম্য-বঞ্চনা থেকে মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে সমাজতন্ত্রের পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েই হাবিবুর রহমান শওকতের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাসদের নেতা-কর্মীদের সংগ্রাম চলবে।

তিনি আরো বলেন, করোনা মহামারির কাছে আত্মসমর্পন করে জীবনও বাঁচবে না, জীবিকাও রক্ষা হবে না, অর্থনীতিও সচল হবে না। জনগণের অসচেতনাকে না দুষে, হাল না ছেড়ে দিয়ে করোনা মোকাবিলায় সমন্বয়হীতা ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাসদ সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার,  নুরুল আকতার, বীরমুক্তিযোদ্ধা সফি উদ্দিন মোল্লা, জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদের চৌধুরী, আব্দুল্লাহিল কাইয়ুম, শওকত রায়হান, মোঃ মোহসীন, রোকনুজ্জামান রোকন, ওবায়দুর রহমান চুন্নু, কোষাধক্ষ্য মোঃ মুনির হোসেন, দফতর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, সহ-দফতর সম্পাদক প্রকৌশলি হারুন অর রশিদ সুমন, তথ্য ও  প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কাজী সালমা সুলতানা, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এড. নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী, জাসদ ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সভাপতি ইদ্রিস বেপারী, সাধারণ সম্পাদক এড. মহিবুর রহমান মিহির, জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার খোরশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কনক বর্মন, প্রচার সম্পাদক মোহম্মদ আলী, জাতীয় কৃষক জোটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান ফসি, জাতীয় আইনজীবী পরিষদের এড. মোঃ সেলিম,  জাতীয় নারী জোটের সৈয়দা শামীমা সুলতানা হ্যাপি, জাতীয় যুব জোটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহম্মদ সামসুল ইসলাম সুমন, সহ-সভাপতি এড. আবু হানিফ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হক ননী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল রাজ বংশী, সহ-সম্পাদক হাসানুতুজ্জামান বাবু, সদস্য হাসান আজিজ জনি, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মারুফ হোসেন  প্রমুখ।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


 

স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক ও জাসদ সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার, জাতীয় নারী জোটের আহবায়ক ও জাসদ সহ-সভাপতি আফরোজা হক, ঢাকা মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়ক ও জাসদ সহ-সভাপতি নুরুল আকতার, মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রাম পরিষদের নেতা ও জাসদ সহ-সভাপতি সফি উদ্দিন মোল্লা ও জাতীয় শ্রমিক জোট-বাংলাদেশের সভাপতি ও দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাইফুজ্জামান বাদশা। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের মুখপাত্র

‘কোন ব্যক্তির নির্দেশে আ.লীগ কোন ব্যক্তির সম্পদে পরিণত হবেনা’

নোয়াখালী প্রতিনিধি

‘কোন ব্যক্তির নির্দেশে আ.লীগ কোন ব্যক্তির সম্পদে পরিণত হবেনা’

বাংলাদেশ আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু বলেছেন, আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদের। সারা জীবনে সততায় সমৃদ্ধ রাজনৈতিক জীবন যার, তার নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের অপরাজনীতি অনভিপ্রেত এবং অগ্রহণযোগ্য। এ বিষয়ে বার বার দাবি করেও আমরা কোন সমস্যার সমাধান পাইনি। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান তাদের চেয়ারে বসে অফিস করতে পারেনা। ২০০৮ সাল থেকে থেকে এখানে কে কমিশন বাণিজ্য করেছে?  

সোমবার (২ আগস্ট) রাত ৯টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগ ওবায়দুল কাদেরের সাথে আছে এবং জেলা আ.লীগের নির্দেশে গঠনতন্ত্র মোতাবেক কার্যক্রম চালাবে। কোন ব্যক্তির ইশারায়, কোন ব্যক্তির নির্দেশে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগ কোন ব্যক্তির সম্পদে পরিণত হবেনা। দুই একজন মানুষের লোভের কারণে ওবায়দুল কাদের ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এটি থেকে আপনার বের হওয়া উচিত। আমরা ছোট মানুষ আপনাকে পরামর্শ দেওয়ার যোগ্যতা ও সাহস কোনটাই আমরা রাখিনা। আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।

এ সময় মঞ্জু  প্রশ্ন রাখেন? কাদের মির্জা এখন যুক্তরাষ্ট্রে। পৌরসভায় যে সকল সশন্ত্র সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিয়ে রেখেছে? এটি কিসের আলামত। তারা কাকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। এ থেকে কি বুঝা যায়। এ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে কি ম্যাসেজ যাচ্ছে। যে সকল সন্ত্রাসী মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করেছে, লাইভে এসে মা-বোনকে গালি দিয়েছে, পৌরসভার তিনতলা থেকে বের হয়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলা করেছে এবং মানুষের হাত-পা ভেঙ্গেছে। তাদেরকে পৌরসভায় রেখে পুলিশী নিরাপত্তা দেওয়া কি কোন সভ্য সমাজের কাজ। দেশে কি কোন আইনের শাসন নেই। তাহলে কেন পুলিশ তাদেরকে সেখানে পাহারা দিয়ে রেখেছে।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


 

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি। আপনার এলাকায় আ.লীগের অফিসটা আপনার ভাই ভেঙ্গে চুরে নিয়ে গেছে। আপনার এলাকায় আ.লীগের কোন কার্যালয় নেই। কার্যালয় করতে গিয়ে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আপনার ভাইয়ের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে। সেই থেকে আমার বাসায় আ.লীগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপনি আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এখানে কার্যালয় থাকবেনা কেন। আমরা মিটিং করতে গেলে প্রশাসন নানান কথা বলে। কিন্তু করোনার মধ্যে পৌরসভা হলরুমে মিটিং গুলো কিভাবে হয়। আপনার বাড়ির সামনে বোমা পাঠানোর নাটক সৃষ্টি করা হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগের একটি কার্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেন। এখানে কার্যালয় না থাকলে আপনারই ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সরকারের বিবেচনাবোধ থাকলে শ্রমিকদের এই দুর্ভোগ হতো না: রব

অনলাইন ডেস্ক

সরকারের বিবেচনাবোধ থাকলে শ্রমিকদের এই দুর্ভোগ হতো না: রব

জনগণের সীমাহীন অমানবিক দুর্ভোগে রাষ্ট্র তথা সরকার দর্শকের ভূমিকায় থাকতে পারে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। তিনি বলেছেন, নাগরিকের দুর্ভোগে সরকারকে অবশ্যই মানবিক হতে হবে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরাকে কেন্দ্র করে তাদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগের প্রেক্ষিতে আজ গণমাধ্যমে এক বিবৃতি দেয় জেএসডি।

ওই বিবৃতিতে আ স ম রব বলেন, সরকারের উচিত এই অবর্ণনীয় দুর্ভোগ কষ্টের জন্য শ্রমিকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা। গার্মেন্টসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে যে গণপরিবহন খোলা রাখার বিষয়টি সম্পৃক্ত সরকারের মধ্যে এটুকু বিবেচনাবোধ থাকলে আর শ্রমিকদের এই দুর্ভোগ হতো না।

‌‘ঢাকামুখী মানুষের স্রোত, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, উপচে পড়া ভিড় সীমাহীন দুর্যোগ এবং দুর্ভোগের দৃষ্টান্তের ঘটনা নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র ও সরকারের অমানবিকতা প্রতিফলিত হয়েছে। এ ধরনের অদূরদর্শী ও অপরিকল্পিত ঘটনায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে’ বলে জানান রব।

তিনি আরও বলেন, জনগণ ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের মাধ্যমে বুকের রক্ত দিয়ে রাষ্ট্রের উপর মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করেছে, কারো বা কোনো প্রতিষ্ঠানের অবহেলা পাওয়ার জন্য নয়।

ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং যথাযথ পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

করোনায় স্বাস্থ্যবিধি শতভাগ মেনে শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য সরকারকে ছয়টি প্রস্তাব দেন এই প্রবীণ রাজনীতিক।

প্রস্তাবগুলো হলো- কর্মরত শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা প্রদানসহ প্রতিটি কারখানায় করোনা পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপন, আক্রান্ত শ্রমিকদের কারখানা মালিকের ব্যবস্থাপনায় আইসোলেশন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ, শ্রমিকদের কারখানায় যাওয়া আসার জন্য মালিকের ব্যবস্থাপনায় পরিবহন নিশ্চিত করা; চাকরিরত শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হলে সরকারি কর্মচারীদের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং বিভিন্ন উৎসবে ছুটি অথবা কারখানা বন্ধ বা খোলার সাথে সরকারের লকডাউন ঘোষণার সঙ্গে ও পরিবহন চলাচলের সমন্বয় করতে হবে।

আরও পড়ুন:


১১ তারিখ থেকে যানবাহন চলবে যে নিয়মে

৭, ৮, ৯ আগস্ট ভ্যাকসিন নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছি: মোজাম্মেল হক

১১ আগস্টের পর ভ্যাকসিন ছাড়া ঘোরাফেরা করলে শাস্তি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বিচার চাওয়ার অধিকার পর্যন্ত জিয়াউর রহমান কেড়ে নিয়েছিলেন: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিচার চাওয়ার অধিকার পর্যন্ত জিয়াউর রহমান কেড়ে নিয়েছিলেন: কাদের

বিএনপি কথায় কথায় মানবাধিকারের কথা বলে, গণতন্ত্রের কথা বলে, অথচ সপরিবারে জাতিরপিতাকে হত্যার একুশ বছর পর্যন্ত আমরা কোন বিচারই চাইতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিচার চাওয়ার অধিকার পর্যন্ত জিয়াউর রহমান কেড়ে নিয়েছিলেন। আর এখন মিষ্টি মিষ্টি কথায় নতুন ইতিহাসের প্রলাপ বকছেন।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সকালে মন্ত্রী তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে বহুদলীয় তামাশা আর কারফিউ গণতন্ত্রের চালু করেছিলেন জিয়াউর রহমান, ক্ষমতায় থেকে প্রহসনের নির্বাচন করেছিলেন। হ্যাঁ - না ভোটের মাধ্যমে এদেশের নির্বাচনের ইতিহাসকে কলংকিত করেছে জিয়াউর রহমান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আগস্ট মাস এলেই বিএনপি রক্তাক্ত অতীতের অন্তর্জালা নিয়ে অস্থির হয়ে পড়ে। বিএনপি আজ আষাঢ়ে গল্প ফেঁদেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যায় নাকি আওয়ামী লীগ জড়িত এবং সরকার নাকি জিয়াউর রহমানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে চাইছে - বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্য অনেকটা ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাইনা'র মতো বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। 

বঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলব কারা তা এখন জাতির কাছে স্পষ্ট উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন - কারা হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারী, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনী মোশতাক কাকে সেনাপ্রধান করেছিলো, জিয়ার ভূমিকা কি ছিলো,খুনীরা হত্যাকান্ড ঘটিয়ে কার কাছে রিপোর্ট করেছিলো, তখন জিয়ার মন্তব্য কি ছিলো? এসব ঐতিহাসিক সত্য বিএনপি নেতারা নতুন করে বাকপটুতায় ধামাচাপা দেওয়ার নির্লজ্জ ব্যর্থ চেষ্টা করছে, যা করেও কোন লাভ নেই। বিএনপির "শীবের গীত" জনগণের কাছে এখন পরিস্কার বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। 

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের কারা নিরাপদে  বিদেশে চলে যেতে সহযোগিতা করেছিলো? কারা পূনর্বাসন ও পরস্কৃত করেছিলো, দূতাবাসে কে চাকরি দিয়েছিলো,- এসব প্রশ্নের জবাব চেয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন তা না হলে জিয়াউর রহমানকে "ধোয়া তুলসি পাতা" বানানোর অপচেষ্টা জনগণ কখনো মেনে নেবে না।

রক্তমূল্যে অর্জিত স্বাধীন দেশের সংবিধানে খুনীদের রক্ষায় ইনডেমনিটির বিধান ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে কে সংযোজন করেছিলেন? ওবায়দুল কাদের আবারও বিএনপি মহাসচিবের কাছে জানতে চেয়ে বলেন জিয়াউর রহমান যদি এতই নিস্পাপ হয় তাহলে বিচার বন্ধ করলেন কেন? ওবায়দুল কাদের এতসব প্রশ্নের জবাব নিশ্চয়ই বিএনপি দিতে পারবে না বলেও মনে করেন।

আরও পড়ুন


বরিশাল শেবাচিমে অক্সিজেনের দাবীতে বাসদের বিক্ষোভ

টিকা নিন নইলে বেতন বন্ধ: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আরও ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আবারও বাড়ল লকডাউন


ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা জিয়ার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে যাবো কেন?  সময়ের ধারাবাহিকতায় চুল-চেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ইতিহাসই যার যার স্থান নির্ধারণ করে দেয়। তিনি বলেন ইতিহাসের ভিলেনকে জোর করে ইতিহাসের নায়ক বানানো যায় না।

এদেশের রাজনীতিতে খুন এবং হত্যাকান্ডের চর্চা বিএনপির নিজস্ব পেটেন্ট  উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন তারা এখনো হত্যার রাজনীতি ছাড়তে পারেনি,তার প্রমাণ ১৫ আগস্ট, ৩রা নভেম্বর ও ২১ আগস্ট।

বিএনপি রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে হাওয়া ভবন থেকে গ্রেনেড হামলার নির্দেশনা  ও  মনিটরিং করে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন বেগম জিয়া সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা নাকি বেনিটি ব্যাগে করে বোমা নিয়ে গিয়েছিলেন! তিনি প্রশ্ন রেখে আরও বলেন তাহলে জজ মিয়া নাটক কেন সাজিয়েছিলেন? কেন হত্যাকান্ডের আলামত নষ্ট করেছিলেন?

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন আওয়ামী লীগকে নসিহত না করে আগে নিজেরা পরিশুদ্ধ হোন। 

আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকে জনমানুষের রাজনীতি করে, মানুষের চোখের ভাষা ও মনের ভাষা বুঝেই শেখ হাসিনা রাজনীতি করছেন এবং সরকার পরিচালনা করছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন বিএনপি নিজেদের দর্গন্ধময় ইতিহাস থেকে বেরিয়ে আসুক, যদি তারা সত্যিকার অর্থে এদেশে সুস্স্থ্যধারার রাজনীতি করতে চায়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর