সাল্ফ ন্যাশনাল চাপ্টারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে তিনজন নির্বাচিত

অনলাইন ডেস্ক

সাল্ফ ন্যাশনাল চাপ্টারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে তিনজন নির্বাচিত

সাউথ এশিয়ান ল’ইয়ার্স ফোরামের সাধারণ সভায় (সাল্ফ) ন্যাশনাল চ্যাপ্টারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে পর্যায়ক্রমে প্যানেলে দায়িত্ব পালনের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে তিনজনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। তারা হলেন সংগঠনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট সুরাইয়া বেগম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মোঃ গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ।

সাউথ এশিয়ান ল' ইয়ার্স ফোরাম (সাল্ফ) এর প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও ন্যাশনাল চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সম্পাদক প্রার্থী আবদুন নূর দুলাল, অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা, অ্যাডভোকেট ড. মোঃ ইকবাল করিম, অ্যাডভোকেট মোঃ আইয়ুবুর রহমান, অ্যাডভোকেট মোঃ জগলুল কবির, অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম ইকবাল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিরাজুল হক স্বপন, অ্যাডভোকেট ড. ইদ্রিস ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হুমায়ুুন কবির প্রমুখ।

মঙ্গলবার সাউথ এশিয়ান ল' ইয়ার্স ফোরাম (সাল্ফ) এর প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সাউথ এশিয়ান ল' ইয়ার্স ফোরাম ইন্টারন্যাশনাল চ্যাপ্টারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্যানেল সদস্য হিসাবে সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডক্টর মোঃ ইকবাল করিমকে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জগলুল কবিরকে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এদিকে, অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম ইকবাল ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিরাজুল হকের নেতৃত্বে সাউথ এশিয়ান ল' ইয়ার্স ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট চ্যাপ্টার এবং অ্যাডভোকেট মোঃ আইয়ুবুর রহমান ও মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মোল্লার নেতৃত্বে সাউথ এশিয়ান ল' ইয়ার্স ফোরাম ঢাকা বার চ্যাপ্টার আগামী এক বছরের জন্য সাধারণ সভায় অনুমোদন দেয়া হয়।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে গোলাম রাব্বানীর ৭৫টি সেলাই মেশিন বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে গোলাম রাব্বানীর ৭৫টি সেলাই মেশিন বিতরণ

বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে ৭৫টি সেলাই মেশিন বিতরণ করেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হাতিরপুলে ৭৫জন অসহায় মানুষকে নিজ উদ্যোগে এসব সেলাই মেশিন বিতরণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণের আয়োজন বলে জানান তিনি। এসময় সেলাই মেশিন নিতে আসা অসহায় মানুষরা তার এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে এক অসহায় মা গোলাম রাব্বানীকে জড়িয়ে ধরে দোয়া করেন। বলেন, এমন আরো মানুষকে সাহায্যের সুযোগ করে দিক আল্লাহ।

আরও পড়ুন


প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আইইউবিতে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী

বিমানবালার ভাইরাল সেই নাচ দেখা হল ৬ কোটি বার! (ভিডিও)

আবারও কুয়াকাটা সৈকতে মৃত ডলফিন

শিক্ষর্থীদের চুল কেটে দেওয়া সেই শিক্ষিকার পদত্যাগ, তদন্ত কমিটি গঠন


ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার জননী। তার জন্মদিনে মানবতাকে এগিয়ে দিতে এই উদ্যোগ। অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করলে তা একটি দিনের জন্য হতো। অসহায় এসব মানুষ  একদিনের জন্য হাসতো। কিন্তু, এই একটি সেলাই মেশিন অসহায় এসব মানুষের দীর্ঘ দিনের কাজের ব্যবস্থা করে দেবে। তারা কিছু একটা করতে পারবে।

সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে ব্যতিক্রমী এই সেবামূলক উপহার পেয়ে সবাই প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আইইউবিতে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আইইউবিতে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী

বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি) এ বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন আইইউবি’র উপাচার্য তানভীর হাসান। এসময় আইইউবি’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান, ট্রেজারার খন্দকার মো. ইফতেখার হায়দার, রেজিস্ট্রার এম আনোয়ারুল ইসলামসহ শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv এসএম

আরও পড়ুন


বিমানবালার ভাইরাল সেই নাচ দেখা হল ৬ কোটি বার! (ভিডিও)

আবারও কুয়াকাটা সৈকতে মৃত ডলফিন

শিক্ষর্থীদের চুল কেটে দেওয়া সেই শিক্ষিকার পদত্যাগ, তদন্ত কমিটি গঠন

ত্যাগীদের মূল্যায়ন - বড় তামাশা; বড় দায়!


 

পরবর্তী খবর

থানায় জিডি করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

থানায় জিডি করবেন যেভাবে

জেনারেল ডায়েরি বা জিডি হল অপরাধ ও অন্যান্য সংবাদবিষয়ক রেজিস্টার। ফৌজদারি কার্যবিধিতে বলা হয়েছে, পুলিশ স্টেশন হল ফৌজদারি জুরিসডিকশনের সর্বনিম্ন ইউনিট। যেখানে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণ তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া বা ঘটতে যাচ্ছে এমন সব ঘটনা সম্পর্কে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

 কিন্তু সব ঘটনার জন্য এজাহার দায়ের করা যায় না। কাউকে কোনো প্রকার হুমকি প্রদর্শন করলে এজাহার না করে তা সাধারণত থানায় রক্ষিত ‘সাধারণ ডায়েরিতে’ লিপিবদ্ধ করা হয়ে থাকে; যাকে সংক্ষেপে জিডি বলা হয়।  

জিডি কোথায় করা হয়: কোন মূল্যবান জিনিসপত্র বা দলিল হারিয়ে গেলে, ভবিষ্যতে কারো দ্বারা কোনো ব্যক্তির জীবন বা সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে ওই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত আবেদনটি করতে হয়।

অনলাইনেও করা যায়: বর্তমানে অনলাইনেও জিডি করা যায়। এর জন্য www.police.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Citizens help request’–এ ক্লিক করতে হবে। তবে অনলাইনে, শুধু হারানো এবং প্রাপ্তি সংক্রান্ত জিডি করতে পারবেন।

মাত্র তিন ধাপে সম্পন্ন হবে ডিজিটাল জিডি। অনলাইনে জিডি সাবমিট করার পর জিডি সার্টিফিকেট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। জেনে নিতে পারবেন জিডির সর্বশেষ অবস্থা।

অনলাইনে জিডি করার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং জন্ম তারিখ লাগবে। প্রথমে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, মোবাইল নম্বর ও জন্ম তারিখ লিখে সাবমিট করতে হবে। আপনার পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য এসএমএস এর মাধ্যমে একটি কোড আপনার দেওয়া মোবাইল নম্বরে পাঠানো হবে। ওই কোডটি আপনি পরবর্তীতে পাসওয়ার্ড হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন এবং আপনার মোবাইল নম্বরটিই হবে আপনার ইউজার নেইম।

এরপর  দ্বিতীয় ধাপে আপনি কার জন্য জিডি করবেন তা উল্লেখ করতে হবে। নিজের জন্য নাকি অন্যের পক্ষে জিডি করবেন সেটি নির্বাচন করুন। জিডির ধরন এবং আপনি কি হারিয়েছেন অথবা খুঁজে পেয়েছেন তা নির্বাচন করুন। কোন জেলার কোন থানায় জিডি করতে চান তা নির্বাচন করুন, ঘটনার সময় ও স্থান লিখে ‘পরবর্তী ধাপ’ বাটনে ক্লিক করুন। 

তৃতীয় ধাপে 

আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং ঘটনা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত বর্ণনা লিখুন। জিডি সম্পর্কিত কোনো ডকুমেন্ট থাকলে সেগুলো সংযুক্ত করুন। আপনার ইমেইল এড্রেস লিখুন। ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করে জমা দিন। আবেদন সম্পন্ন হলে লগইন করে আপনি আপনার জিডির সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারবেন।

আরও পড়ুন:


গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে যা জানালেন হেফাজতের নতুন আমির

‌‌‘অশান্তিতে আছি’ বলতেই পরীমনিকে যা বললেন কারা কর্মকর্তা

যে সময় দোয়া করলে আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না


জিডি’র ফি: সরকারিভাবে জিডি করার জন্য কোনো ফি নির্ধারণ করা নেই। তাই ভুক্তভোগী বিনামূল্যে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত আকারে আবেদন করতে পারেন। কেউ জিডি লিখতে না পারলে কর্তব্যরত অফিসারের সাহায্য নিতে পারেন।

জিডি’র কপি: জিডির একটি কপিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিডি নম্বর লিখে তারিখসহ স্বাক্ষর করেন এবং অফিস সীল মেরে দেন। এরপর জিডির একটি অনুলিপি ভুক্তভোগীকে সংরক্ষণের জন্য দেওয়া হয়। অন্য একটি কপি থানায় নথিভুক্ত করা হয়। এরপর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিডির বিষয়বস্তু আমলে নিয়ে ঘটনার সত্যতা ও গুরুত্ব অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মাদরাসা খুলে দেওয়ার আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক

মাদরাসা খুলে দেওয়ার আহ্বান

কওমী মাদ্রাসা গুল খুলে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন দেশের প্রধান প্রধান কওমী মাদরাসাগুলোর মুহতামিমরা।

আজ এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকার লকডাউন তুলে দেওয়ায় জনমানুষের মধ্য স্বস্তি ফিরে এসেছে। অসহায় গরিব মেহনতী মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারছে। আমরা এজন্য সরকারের ধন্যবাদ জানাই।

তারা বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এতে করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা সরকার কাছে অনুরোধ করবো সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য। বিশেষভাবে কওমী মাদরাসাগুলো খুলে দেওয়ার জন্য আমরা আবেদন জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে বলা হয়, কওমী মাদরাসাগুলো দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। এসব মাদরাসায় কুরআন ও হাদিসের পাঠদান করা হয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কওমী মাদরাসার শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা পরিবার পরিজন নিয়ে নানা সমস্যায় ভুগছেন। শিক্ষার্থীরা মাদরাসার পরিবেশ থেকে দূরে থাকায় নানারকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি এই অসহায় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে মাদরাসাগুলো খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, কওমী মাদরাসাগুলো খুলে দিলে সেখানে দ্বীনি ইলমের চর্চা হবে, কুরআনের তিলাওয়াত হবে, হাদীসের দরস দেওয়া হবে, তাহাজ্জুদের আমল হবে, করোনার মহামারী থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে নিয়মিত দুয়ার আয়োজন হবে। এতে করে দেশ আল্লাহর রহমতে করোনা মহামারী থেকে মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের সকল কওমী মাদরাসা খুলে দেওয়ার জন্য আমরা সরকারের কাছে উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।

বিবৃতিদাতারা হলেন, আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ, মুহতামিম, জামিয়া ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসা চট্টগ্রাম। আল্লামা নুরুল ইসলাম, মুহতামিম, খিলগাও মাখজানুল উলুম মাদরাসা, ঢাকা। মুফতী আব্দুস সালাম চাটগামী, মুহতামিম পরিষদের প্রধান, দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী। মুফতী আব্দুল হালিম বোখারী, মুহতামিম, জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া। আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মুহতামিম, জামিয়া নুরিয়া কামরাঙ্গিরচর মাদরাসা। মাওলানা মুহিব্বুল্ল হক (গাছবাড়ী), মুহতামিম, কাসেমুল উলুম দরগাহ মাদরাসা, সিলেট। মাওলানা আব্দুল হক্ব, মুহতামিম, জামিয়া ফয়জুর রহমান রহ. মোমেনশাহী। মাওলানা ইয়াহয়া, দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী। মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুহিতামিম, দারুল আরকাম মাদরাসা বি-বাড়িয়া। দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুহতামিম, দাওয়াতুল হক মাদরাসা, কাপাসিয়া। মাওলানা সালাহ উদ্দীন নানুপুরী, মুহতামিম, নানুপুর মাদরাসা, চট্টগ্রাম। মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মুহতামিম মারকাজুক উলুম আল ইসলামিয়া, নারায়নগঞ্জ। মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া, মুহতামিম, আরজাবাদ মাদরাসা। মাওলানা মোবারকুল্লাহ, মুহতামিম, জামিয়া ইউনুছিয়া, বি-বাড়িয়া। মাওলানা সাব্বির রহমান রশীদ, মুহতামিম, কিশোরগঞ্জ জামিয়া এমদাদিয়া। মাওলানা ফয়জুল্লাহ সন্দীপী, মুহতামিম, মাদানী নগর মাদরাসা। মাওলানা আনওয়ারুল করীম, মুহতামিম, রেলস্টেশন মাদরাসা, যশোর। মাওলানা আনাস, মুহতামিম, মদীনাতুল উলূম মাদরাসা, ভোলা। মাওলানা ইয়াহয়া মাহমুদ, মুহতামিম, দারুল উলূম মাদরাসা রামপুরা। মাওলানা মুহাম্মাদ আলী, মুহতামিম, আফতাবনগর মাদরাসা। মাওলানা মুসতাক আহমদ, মুহতামিম খুলনা দারুল উলুম।

পরবর্তী খবর

বিলীনের পথে রাজা লক্ষণ সেনের স্মৃতি বিজড়িত ষাঁড়বুরুজ

মো. রফিকুল আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বিলীনের পথে রাজা লক্ষণ সেনের স্মৃতি বিজড়িত ষাঁড়বুরুজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে পরিচিত। উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রহনপুরসহ আশেপাশে রয়েছে অগণিত প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন। ইতিহাসবিদদের মতে, রাজা লক্ষণ সেনের আমলে রহনপুর বাণিজ্য নগরী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এর কারণে রহনপুরেই তিনি গড়ে তোলেন সুরম্য অট্টালিকা ষাঁড়বুরুজ, যা বর্তমানে অবৈধ দখলদারদের কারণে বিলীন হতে চলেছে।

জনশ্রুতি রয়েছে, ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাত এই অট্টালিকাটির প্রকৃত নাম শাহ্বুরুজ। শাহ্ শব্দের অর্থ বাদশা আর বরুজ শব্দের অর্থ অট্টালিকা বা বালাখানা। যা পরে লোকমুখে ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাতি লাভ করে। এ অট্টালিকার অদুরে গোলাকার গুম্বুজ আকৃতির একটি ভবন আছে। এটিই রাজা লক্ষণ সেনের বৈঠকখানা ছিল এবং এখানেই তিনি তার দরবার চালাতেন বলে জানা যায়। 

এছাড়াও জনশ্রুতি রয়েছে বাংলা বিজয়ী ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী এপথে বাংলায় আগমন করেন এবং এস্থানে কিছু সময় অবস্থান করেন। ইতিহাসে পরিচিত নদীয়া এ অট্টালিকার পার্শ্বেই অবস্থিত। যা পরে নওদা নামে পরিচিত লাভ করে। লোক মুখে শোনা যায় বখতিয়ার খিলজির আগমনের সংবাদে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রাজা লক্ষণসেন এ স্থান থেকে নদী পথে পলায়ন করেন। বর্তমানে রাজা লক্ষণ সেনের ঐতিহ্য মন্ডিত অট্টালিকাটি ভেঙ্গে একটি পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এর চারপাশে বিভিন্ন বনজ গাছ লাগালেও বর্তমানে আশপাশে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি। শুধু তাই নয় অবৈধ দখলদাররা পাহাড় কেটে অট্টালিকাটির ইট ও খোঁয়া নিয়ে যাচ্ছে। এ অট্টালিকাটির ভেতর মূল্যবান মূর্তি ও বিভিন্ন সম্পদ আছে এমন ধারণা থাকায় রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা মাটি খোঁড়ার চেষ্টা করেছে এমন আলামতও পাওয়া যায়।

এলাকাবাসী জানান, রাতে এখানে মাদক সেবীদের নিয়মিত আসর বসে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের একটি অনুসন্ধানী দল এখানে এসে পরিদর্শন করে গেলেও পরে আর কোনো অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী নওদাপাড়ায় নির্মিত ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বিলীন হতে চলেছে। বর্তমানে বিলীনের পথে এই ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনটি অবৈধ দখল মুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা যেতে পারে বলে মনে করেন অনেকেই।

পরবর্তী খবর