ইমামের আগে সালাম ফেরালে নামাজ হবে কী?

অনলাইন ডেস্ক

ইমামের আগে সালাম ফেরালে নামাজ হবে কী?

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। আজকে আমরা আলোচনা করবো ইমামের আগে সালাম ফেরালে নামাজ হবে কী না।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


 

এমন প্রশ্নের জবাবে ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেছেন, ইমামের আগে একজন মুক্তাদি যদি ডানদিকে সালাম ফেরান, তাহলে তাঁর সালাত বাতিল হয়েছে। তিনি ইমামকে অনুসরণ করেননি। ইমামকে অনুসরণ করা তাঁর ওপর ওয়াজিব ছিল। 

যেহেতু তিনি ইমামের আগে সালাম ফিরিয়েছেন, সেহেতু তাঁর সালাত হয়নি। এটাই ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য এবং এটাই বিশুদ্ধ বক্তব্য।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ক্ষমতার দাপট ও ফেরাউনের শেষ পরিণতি

মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ

ক্ষমতার দাপট ও ফেরাউনের শেষ পরিণতি

আরবি শব্দ ফেরাউন। ইংরেজি ফারাও, বাংলা ফেরাউন। ৩২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে দেশীয় রাজা মেনেসের নেতৃত্বে সারা মিসর ঐক্যবদ্ধ হলে ফারাও রাজবংশের সূচনা। প্রাচীন মিসরীয় সম্রাটের রাজকীয় উপাধি ফারাও বা ফেরাউন। প্রচলিত ফেরাউন বলতে দ্বিতীয় রামসিসকে (১২৭৯-১২১৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) বোঝায়। সে তুতেন খামেন, কাবুস ইত্যাদি পরিচয়ে কুখ্যাত। ইবনে কাসিরে ফেরাউনের পূর্ণ নাম হলো ওয়ালিদ ইবনে মুসাইয়্যিব ইবনে রাইয়্যান। এই পাপিষ্ঠের নাম পবিত্র কোরআনের ২৭ সুরায় ৭৪ বার আছে। ফেরাউনের কিছু ভালো গুণও ছিল! সেগুলো হলো—

(ক)       গভীর রাতে আল্লাহর ইবাদত।

(খ)        সারা দিনের অপকর্মের জন্য রাত জেগে অনুতাপ ও ক্ষমা প্রার্থনা।

(গ)        আশ্রয়হীন, ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষকে সাহায্য।

(ঘ)        গোপনে আল্লাহকে স্বীকার করা, তাঁরই সাহায্য কামনা।

(ঙ)        দুর্বলের প্রতি শক্তি দেখানোতে বিরত থাকা।

(চ)        সাধ্যমতো দান-খয়রাত।

প্রাচীন মিসরের রাজধানী পেন্টাটিউক দ্বিতীয় রামসিস নামধারী ফেরাউনের আবাসস্থল। তার ছিল ১১১ পুত্র ও ৬৭ কন্যা। বর্ণিত আছে, একবার ফেরাউন দারুণ দুঃস্বপ্ন দেখে, ব্যাখ্যাকারীর মাধ্যমে জানতে পারে, বনি ইসরাঈল গোত্রে জন্মগ্রহণকারী এক পুত্রসন্তানের নেতৃত্বে ফেরাউনের রাজত্বের অবসান ঘটবে। তখন ফেরাউন গুপ্তচর লাগিয়ে দেয়, যেন কোনো পুত্রশিশুর জন্ম না হয়। পবিত্র কোরআনের ভাষায়, ‘ফেরাউন পৃথিবীতে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছিল এবং সে তার জনগণকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করেছিল। তাদের এক শ্রেণিকে সে অত্যন্ত দুর্বল করে রেখেছিল, যাদের পুত্রসন্তানকে সে জবাই করত ও নারীদের (ভোগের জন্য) জীবিত রাখত...।’ (সুরা : কাসাস, আয়াত : ০৪)

এমন পরিবেশে হজরত মুসা (আ.)-এর জন্ম হয়। ক্ষমতার দাপট, ঔদ্ধত্যে বিভোর ফেরাউন নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রতিপালক ‘রাব্বুল আলা’ ঘোষণা করে। পবিত্র কোরআনের ভাষায়, ‘সে বলল, আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিপালক বা রব। পরিণামে সে আল্লাহর ইহ-পারলৌকিক শাস্তিতে নিপতিত হলো। নিশ্চয়ই এর মধ্যে আছে ধর্মভীরুদের জন্য পরম শিক্ষা।’ (সুরা : নাজিয়াত, আয়াত : ২৪-২৬)

যখন চরমে পৌঁছে ফেরাউনের অবাধ্যতা ও অনাচার, তখন নিপীড়িত জনতার আর্তি পৌঁছায় আল্লাহর দরবারে : ‘হে আমাদের রব!  আমাদের এই অত্যাচারীর জনপদ থেকে মুক্তি দাও...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৭৫)

শুধু তা-ই নয়, ফেরাউন ছয় হাজার কিবতি সেনা নিয়ে মুসা (আ.)-এর অনুসারীদের তাড়া করে লোহিত সাগরের তীরে নিয়ে আসে। তখনই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ফেরাউনের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হলো। আল্লাহ ঘোষণা করলেন, ‘সুতরাং আমি তাকে ও তার বাহিনীকে ধরলাম এবং তাদের সাগরে নিক্ষেপ করলাম।’ (সুরা : কাসাস, আয়াত : ৪০)

অত্যাচারী ফেরাউনের পতন ও পরাজয় হয়। মুসা (আ.)-এর দুর্বল, অসহায় অনুসারীরা পেল মুক্তি-স্বাধীনতা। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি বনি ইসরাঈলকে সাগর পার করিয়ে দিলাম। তখন ফেরাউন ও তার বাহিনী অত্যাচার ও সীমা লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল। তারপর যখন সে ডুবে মরার উপক্রম হলো, তখন বলতে লাগল, আমি বিশ্বাস করলাম, বনি ইসরাঈল যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমি অনুগতদের অন্তর্ভুক্ত। (আল্লাহর পক্ষ থেকে জবাব এলো) এখন ঈমান আনছিস? অথচ এর আগে তো তুই অবাধ্যতা করেছিস এবং তুই তো অশান্তি সৃষ্টিকারীদের মধ্যে ছিলি।’ (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ৯৯, ৯১)

আরও পড়ুন


ভারতকে ১৪টি প্রাচীন শিল্প নিদর্শন ফেরত দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

ফল খাওয়ার উপযুক্ত সময় কোনটি জেনে নিন

জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করল ইসরায়েল

ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিরতি নিলেন বেন স্টোকস

১৮৮১ সালে মিসরের নিলের উপত্যকায় ফেরাউনের লাশ পাওয়া যায়। সম্পূর্ণ অবিকৃত ওই লাশ তখনো মমি হয়নি। ১৮৮১, মতান্তরে ১৮৯৮ সালে মমি করে ফেরাউনের লাশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা হয়। সাগরে ডুবে মরার কারণে ফেরাউনের শরীরে স্পষ্ট লবণাক্ততা। তিন হাজার ১১৬ বছরের অধিককাল ফেরাউনের লাশ সংরক্ষিত থাকার মধ্যে পবিত্র কোরআনের বাণীর নিত্যতা প্রমাণিত হয়—‘আজ আমি তোর দেহ সংরক্ষণ করব, যাতে তুই তোর পরবর্তীকালের মানুষের জন্য নিদর্শন হয়ে থাকিস...।’ (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ৯২)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান

ইসলামিক স্টাডিজ, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ

কাপাসিয়া, গাজীপুর

news24bd.tv রিমু 

 

পরবর্তী খবর

সূরা বাকারা: আয়াত ১১-১৩, নিফাক বা কপটতা

অনলাইন ডেস্ক

সূরা বাকারা: আয়াত ১১-১৩, নিফাক বা কপটতা

পবিত্র কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ সূরা আল-বাকারা আলোচনার আজকের পর্বে ১১ থেকে ১৩ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হবে। এই সূরার ১১ ও ১২ আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন -

وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ لَا تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ قَالُوا إِنَّمَا نَحْنُ مُصْلِحُونَ (11) أَلَا إِنَّهُمْ هُمُ الْمُفْسِدُونَ وَلَكِنْ لَا يَشْعُرُونَ (12
‘‘তাদেরকে (মুনাফিকদেরকে) যখন বলা হয়-পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে আমরা তো কেবল সংস্কার সাধনকারী।’’ (২:১১) 

‘‘জেনে রাখ এরাই অশান্তি সৃষ্টিকারী। কিন্তু তারা তা বুঝতে পারে না।’’ (২:১২)

নিফাক বা কপটতা এক ধরনের সংক্রামক রোগ। যদি এ রোগের চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এ রোগে সমাজের বহু মানুষ আক্রান্ত হবে। সমাজ কলুষিত হয়ে পড়বে ভণ্ডামী, তোষামোদী, মিথ্যা বলা, পরচর্চা, কুৎসা রটনার মত নানা রকম ব্যাধিতে। মুনাফিক যেহেতু নিজে ধর্মীয় নির্দেশ মেনে চলে না, তাই চায় মুমিন ব্যক্তিরাও তার মত হয়ে যাক। বিভিন্নভাবে সে মুমিনদেরকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালায়। আল্লাহর নির্দেশকে অবিরাম তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে মানুষকে তাদের কর্তব্যের প্রতি অমনোযোগী করে তোলে। মুনাফিকদের এ ধরনের অন্যায় আচরণের কিছু উদাহরণ পবিত্র কোরআনের সূরা তওবায় উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তুলে ধরা হয়েছে কিভাবে এ মুনাফিকরা ইসলামের দুশমনদের সাথে লড়াইয়ের সময় যুদ্ধ থেকে পালিয়ে যেত, মুজাহিদদের মনোবল দুর্বল করতো কিংবা দানের ক্ষেত্রে ঈমানদারদেরকে উপহাস করতো। সমাজে সব রকম অপরাধের উৎসই হলো নিফাক বা কপটতা। মুনাফিক আসলে সত্যকে দেখার শক্তি হারিয়ে ফেলে। তাই সে নিজের অন্যায় অপরাধকে সংস্কার বলে মনে করে। কপট ব্যক্তির দৃষ্টিতে শত্রুর সাথে আপোষ করে চলার মধ্যে সমাজের মঙ্গল নিহিত। তাই যেভাবেই হোক আন্দোলন কিংবা যুদ্ধের সূচনা যাতে না হয় সে দিকে তারা খেয়াল রাখে। এর ফলে যদি মুসলমানরা দুর্বল হয়ে পড়ে তাতেও মুনাফিকের কিছু আসে যায় না।

এই দুই আয়াত থেকে আমরা এই শিক্ষা নিতে পারি যে, নিফাকের প্রভাব শুধু ব্যক্তির মধ্যেই নয় বরং সমাজের ওপরও এর প্রভাব পড়ে এবং সমাজকে নিয়ে যায় অশান্তির দিকে। আর নিফাকের একটি বৈশিষ্ট্য হলো আত্মগর্ব। মুনাফিকরা বলে-আমরাই কেবল উপযুক্ত ব্যক্তি এবং সংস্কার সাধনকারী,অন্য কেউ নয়। কোন ব্যক্তির অন্তরে যদি নিফাক অনুপ্রবেশ করে তাহলে তার উপলব্ধি ক্ষমতা লোপ পায় এবং সত্য কথা শুনতে ও দেখতে চায় না।

আরও পড়ুন


শোকাবহ আগস্টের প্রথমদিন আজ

১৬ ঘন্টার জন্য গণপরিবহন চালু

৫ তারিখের পর কী হবে, সেটা প্রধানমন্ত্রী জানাবেন : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

যে কয় ঘন্টা চলবে লঞ্চ


এর পর সূরা বাকারার ১৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-

وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ آَمِنُوا كَمَا آَمَنَ النَّاسُ قَالُوا أَنُؤْمِنُ كَمَا آَمَنَ السُّفَهَاءُ أَلَا إِنَّهُمْ هُمُ السُّفَهَاءُ وَلَكِنْ لَا يَعْلَمُونَ (13

‘‘যখন মুনাফিকদেরকে বলা হয় অন্যান্যদের মত তোমরাও ঈমান আনো, তখন তারা বলে আমরাও কি নির্বোধদের মত ঈমান আনবো? জেনে রাখ এরা নিজেরাই নির্বোধ, কিন্তু এরা তা বুঝতে পারে না।’’ (২:১৩)

গর্ব, অহঙ্কার, অন্য মানুষকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা, এ সবই নিফাকের বৈশিষ্ট্য। তারা নিজেদেরকে বুদ্ধিমান, প্রজ্ঞাবান ও চালাক মনে করে। আর মুমিনদেরকে ভাবে নির্বোধ,সহজ-সরল ও বোকা। তাই কপট বা মুনাফিক ব্যক্তিদেরকে যখন বলা হয়, কেন তোমরা নিজেদেরকে অন্যান্য মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছ এবং তাদের মত ঈমান আনো না? তখন তারা ঈমানদার ও বিশ্বাসীদেরকে বোকা বলে অভিহিত করে। যে মুমিন ব্যক্তিরা সুখ-দুঃখ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ঝড়-ঝঞ্ঝা সর্বাবস্থায় তাদের ধর্ম ও নেতার পাশে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করে, তাদেরকে মুনাফিকরা নির্বোধ বলে মনে করে। আর পবিত্র কোরআন তাদের এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথার জবাবে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছে-যারা মুমিনদেরকে নির্বোধ মনে করে, তারাই আসল নির্বোধ। তবে সমস্যা হলো তারা তাদের এই মূর্খতা ও নির্বুদ্ধিতা সম্পর্কে জানে না। তারা তাদের অজ্ঞতা সম্পর্কেই কিছু জানে না। তাই তারা ভাবে অন্যরা কেউ কিছু জানে না আর তারা সব কিছু জানে বোঝে।

এই আয়াতের কয়েকটি শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, মুমিনদের খাটো করা, অপমান করা মুনাফিকদের একটি পন্থা। এভাবে তারা নিজেদেরকে অন্যদের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করতে চায়। অহঙ্কারী ব্যক্তির সাথে তার মতো আচরণ করা উচিত। যে ব্যক্তি মুমিনদের হেয় করে তাকেও সমাজে হেয় করতে হবে যাতে তার মিথ্যা অহঙ্কার ও দর্প চূর্ণ হয়। আল্লাহপাক মুনাফিকদেরকে এ দুনিয়াতেই অপদস্ত করেন। এবং তাদের কদর্য চেহারা উন্মোচিত করেন।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সুরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

সূরা আন-নাস (আরবি: سورة الناس‎‎; মানবজাতি)। আল-কুরআনের ১১৪ নম্বর এবং সর্বশেষ সূরা। এর আয়াত, অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৬ এবং রূকু, তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১। সূরা আন-নাস মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। যদিও কোন কোন বর্ণনায় একে মক্কায় অবতীর্ণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এর প্রতিটি আয়াতের মাধ্যমে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব ধরনের অনষ্টিতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে।

অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ:

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্ল­াহর নামে (শুরু করছি)

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ

কুল আউযু বিরাব্বিন নাস

বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

مَلِكِ النَّاسِ

মালিকিন্ নাস

মানুষের অধিপতির।

إِلَهِ النَّاسِ

ইলাহিন্ নাস

মানুষের মা’বুদের।

مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ

মিন্ শররিল ওয়াস্ ওয়াসিল খান্নাস

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ

আল্লাযী ইউওযাসবিসু ফী ছুদুরিন্নাস

যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে।

مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ

মিনা জিন্নাতি ওয়ান্নাস

জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যে কারণে কোরআনে ৮২ বার নামাজের কথা বলা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে কোরআনে ৮২ বার নামাজের কথা বলা হয়েছে

ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি। এর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় ভিত্তি হলো নামাজ। নামাজ আল্লাহর পক্ষ থেকে মহান রব্বুল আলামিনের নৈকট্য অর্জন করার জন্য মুসলমানের প্রতি মিরাজের উপহার। একজন কাফির ও মোমিনের মধ্যে পার্থক্য হলো নামাজ।

নবীজি ইরশাদ করেন, ‘কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার সালাত বা নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। যদি সালাত ঠিক হয় তবে তার সব আমল সঠিকভাবে হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। আর যদি সালাত বিনষ্ট হয় তবে তার সব আমলই বিনষ্ট বিবেচিত হবে।’ তিরমিজি।

আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য কোরআনে ৮২ বার নামাজের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘পাপীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তোমরা কেন জাহান্নামে যাচ্ছ? তারা বলবে আমরা নামাজি ছিলাম না, মিসকিনদের আহার করাতাম না, অন্যের দোষ তালাশকারীদের সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত ছিলাম, যার কারণে আজ আমরা জাহান্নামে যাচ্ছি।’ সুরা মুদ্দাসসির, আয়াত ৪০-৪৫।

অন্য আয়াতে আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘মোমিনরা সফলকাম, যারা তাদের সালাতে নম্রতা ও ভয়ভীতির সঙ্গে দন্ডায়মান হয়।’ সুরা মোমিনুন, আয়াত ১-২। আল্লাহ অন্যত্র ইরশাদ করেন, ‘আর যারা তাদের নামাজে যত্নবান তারাই জান্নাতের ওয়ারিশ, যারা ফিরদৌসের ওয়ারিশ হবে এবং তথায় তারা চিরকাল থাকবে।’ সুরা মোমিনুন, আয়াত ৯-১১। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই নামাজ অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে।’

আরও পড়ুন


লকডাউনে প্রাণবন্ত মিরপুর চিড়িয়াখানার প্রাণীরা

ফাইভ জি ইন্টারনেট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ

শনিবার আসছে অক্সফোর্ডের আরও ৮ লাখ ডোজ টিকা

নামাজ মহান রব্বুল আলামিনের নৈকট্য লাভ করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা বেশি বেশি করে আল্লাহর জন্য সিজদা, সালাত আদায় করতে থাক, তোমার প্রতিটি সিজদার কারণে আল্লাহ তোমার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং তোমার গুনাহ মাফ করবেন।’

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নামাজ প্রত্যেক মোমিনের ওপর ফরজ। একজন অসুস্থ, মুসাফির, এমনকি ভয়াবহ ইসলামী যুদ্ধে লিপ্ত মুজাহিদের জন্যও নামাজ ছেড়ে দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। মহান আল্লাহ সকলকে নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

সূরা বাকারা, আয়াত ৮-১০, প্রকৃত মুসলমানের পরিচিতি

অনলাইন ডেস্ক

সূরা বাকারা, আয়াত ৮-১০, প্রকৃত মুসলমানের পরিচিতি

সূরা বাকারা পবিত্র কুরআনের দ্বিতীয় সূরা। সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি সূরা যা মদিনায় অবতীর্ণ। এতে মোট ২৮৬টি আয়াত আছে। আজকের পর্বে সূরা আল-বাকারা’র ৮ থেকে ১০ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হবে। এই সূরার অষ্টম আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন -

وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَقُولُ آَمَنَّا بِاللَّهِ وَبِالْيَوْمِ الْآَخِرِ وَمَا هُمْ بِمُؤْمِنِينَ (8

‘‘আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে,আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ আদৌ তারা ঈমানদার নয়।’’ (২:৮)

সূরা বাকারা’র প্রথম থেকে এ পর্যন্ত ৪টি আয়াতে মুমিনদের এবং দু’টি আয়াতে কাফেরদের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এ আয়াত এবং পরবর্তী কয়েকটি আয়াতে তৃতীয় একটি দলের পরিচয় বর্ণনা করা হয়েছে। প্রথম দলের সদস্যদের মধ্যে যে ঈমানী নূর রয়েছে তা এ দলের সদস্যদের মধ্যে নেই। আবার দ্বিতীয় দলের সদস্যদের মতো ঔদ্ধত্য ও উগ্র মানসিকতা এদের মধ্যে নেই। তৃতীয় এ দলের সদস্যদের অন্তরে আসলে ঈমান নেই কিন্তু মুখে এরা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে কিছু প্রকাশ করে না। এরা হচ্ছে ভীতু মুনাফিক যারা কিনা অন্তরের অবিশ্বাস ও কুফরী গোপন করে রাখে এবং বাহ্যিকভাবে নিজেদেরকে মুসলমান দাবি করে।

বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের পর বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মুশরিকরা ওই যুদ্ধে মুসলমানদের হাতে পরাজয় বরণ করার পর, মক্কা ও মদীনার কিছু লোক মন থেকে ইসলামে বিশ্বাস না করলেও জান-মাল রক্ষা কিংবা মুসলমানদের মধ্যে কোন উঁচু পদে আসীন হওয়ার অভিপ্রায়ে বাহ্যিকভাবে নিজেদেরকে মুসলমান দাবী করে। তারা বাহ্যিকভাবে আচার-আচরণে নিজেদেরকে অন্যদের সাথে মিশিয়ে ফেলে। এটা স্পষ্ট যে, এ ধরনের লোকেরা ভীতু, কারণ কাফেরদের মত প্রকাশ্যে মুসলমানদের বিরুদ্ধাচরণ করার সাহস তাদের মধ্যে নেই। যেকোন সামাজিক পরিবর্তন ও বিপ্লবের মধ্যে বহুরূপী ও দ্বিমুখী চরিত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। তাই যারা মুখে ঈমানের কথা বলে, তারা অন্তরেও যে একই ধরনের বিশ্বাস পোষণ করে সে কথা ভাবা ঠিক নয়। এমন বহু লোক আছে যারা বাহ্যিকভাবে ধর্ম পরায়ণ মুসলমান, অথচ সবার অলক্ষ্যে তারা ইসলামের ওপর আঘাত হানে।

সূরা বাকারা’র ৮ নম্বর আয়াতের প্রধান শিক্ষণীয় বিষয় হলো- ঈমান অন্তরের ব্যাপার, মৌখিক কিছু নয়। তাই কোন ব্যক্তিকে চেনার জন্য শুধু তার মৌখিক ব্যক্তব্যকে যথেষ্ঠ মনে করা উচিত নয়।

সূরা বাকারা’র ৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-

يُخَادِعُونَ اللَّهَ وَالَّذِينَ آَمَنُوا وَمَا يَخْدَعُونَ إِلَّا أَنْفُسَهُمْ وَمَا يَشْعُرُونَ (9

‘‘তারা আল্লাহ ও বিশ্বাসীদেরকে প্রতারিত করতে চায়। অথচ তারা যে নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে প্রতারিত করে না, তা তারা বুঝতে পারে না।’’ (২:৯)

মুনাফিকদের ধারণা তারা অত্যন্ত চালাক এবং তাদের চালাকি কেউ ধরতে পারে না। তারা নিজেদেরকে ঈমানদার হিসাবে প্রকাশ করে মনে করে মুসলমানদের মতো বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে পারবে এবং আল্লাহকে ধোঁকা দিতে পারবে। তারা পয়গম্বর ও ঈমানদারদেরকে ধোঁকা দিয়ে মোক্ষম সময়ে ইসলামের ওপর আঘাত হানতে চায়। কিন্তু আল্লাহ তাদের অন্তরের বিশ্বাস অবিশ্বাস এবং দ্বিমুখী চরিত্র সম্পর্কে জানেন। উপযুক্ত সময়ে তিনি তাদের মুখোশ উন্মোচিত করেন এবং মুমিনদের কাছে এদের কদর্য চেহারা প্রকাশ করে দেন। কোন অসুস্থ লোক যদি চিকিৎসকের দেয়া ব্যবস্থাপত্র মেনে না চলে চিকিৎসককে মিথ্যা কথা বলে তাহলে সে নিজেকেই ধোঁকা দিল। সে মনে করতে পারে যে মিথ্যা বলে চিকিৎসককে ধোঁকা দিতে পেরেছে। কিন্তু কার্যত সে নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হলো। কোরআনে বর্ণিত মুনাফিকরাও এরকম। এই বহুরূপী লোকেরা মনে করে তারা আল্লাহকে ধোঁকা দিয়েছে। আসলে তারা নিজেরাই নিজেদেরকে প্রতারিত করে থাকে।

সূরা বাকারা’র ৯ নম্বর আয়াতের কয়েকটি শিক্ষণীয় বিষয় এবার তুলে ধরা যাক।

প্রথমত: মুনাফিকরা ধোঁকাবাজ। বাহ্যিক চেহারা ও আচরণ দেখে মানুষকে চেনা যায় না। তাই মুসলমানদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।

দ্বিতীয়ত: অন্যদের সাথেও প্রতারণা করা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। কারণ প্রতারণার কুফলে খোদ প্রতারকই আক্রান্ত হয়।

তৃতীয়ত: মুনাফিক ব্যক্তি নিজেকে খুব চালাক বলে মনে করে, অথচ সে নির্বোধ। সে জানে না যে তার প্রতিপক্ষ আল্লাহ সবার মনের গোপন খবর রাখেন।

আরও পড়ুন


লকডাউনে প্রাণবন্ত মিরপুর চিড়িয়াখানার প্রাণীরা

ফাইভ জি ইন্টারনেট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ

শনিবার আসছে অক্সফোর্ডের আরও ৮ লাখ ডোজ টিকা

শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত সোমবারের মধ্যে


এর পরের আয়াতে বলা হয়েছে-

فِي قُلُوبِهِمْ مَرَضٌ فَزَادَهُمُ اللَّهُ مَرَضًا وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ بِمَا كَانُوا يَكْذِبُونَ (10

‘‘তাদের অন্তরে রোগ আছে। এরপর আল্লাহ তাদের রোগ বৃদ্ধি করেছেন ও তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি, কারণ তারা মিথ্যাচারী।’’ (২:১০)

অন্তরের অসুস্থতার যদি চিকিৎসা করা না হয় তাহলে ক্রমেই তা বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তার মনুষ্যত্ব ধ্বংস করে দেয়। 'নিফাক' বা কপটতা আত্মার অন্যতম বিপজ্জনক ব্যাধি যা আমাদের সবার মন ও আত্মার জন্য হুমকির সৃষ্টি করে। সুস্থ ব্যক্তি বহুরূপী নয়। তার দেহ ও আত্মার মধ্যে রয়েছে পূর্ণ সমন্বয়। মনে যা আছে তাই সে বলে এবং তার চিন্তার সাথে আচরণের মিল থাকে। কপটতার রোগ অন্তরে অন্যান্য রোগ ছড়িয়ে দেয়। ব্যক্তির মধ্যে হিংসা, লোভ, কৃপণতা এসব কিছু সহজেই দেখা যায় কপটতা থেকে। এই কপটতা ক্যান্সারের মত দিন দিন মুনাফিক ব্যক্তির মনে-প্রাণে ছড়িয়ে পড়ে। পবিত্র কোরআন মিথ্যাচারকে 'কপটতা' রোগের মূল উৎস বলে অভিহিত করে। মিথ্যা থেকেই এ কপটতা শুরু হয় এবং মিথ্যার মাধ্যমেই তা অব্যাহত থাকে। আর মিথ্যা বলা থেকে তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোন মৃত দেহ যখন পানিতে পড়ে থাকে তখন সেটা থেকে ভীষণ দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। বৃষ্টির পানিতে ওই লাশের দুর্গন্ধ মোটেও কমে না বরং পঁচে গলে ওই লাশ থেকে আরো বিকট গন্ধ বের হতে থাকে। নিফাককে ঠিক লাশের সাথে তুলনা করা যায়। এই নিফাক বা কপটতা যদি কোন ব্যক্তির মনে শিকড় গেড়ে বসে তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে যত হুকুম নাযিল হোক না কেন কোন লাভ হবে না। বরং মুনাফিক ব্যক্তি নিজেকে পরিশুদ্ধ করার পরিবর্তে বাহ্যিকভাবে ভালো ও সৎ ব্যক্তির মত আচরণ করে। ফলে তার কপটতা বাড়তে থাকে এবং এটি তার মনের মধ্যে স্থায়ী আসন গেড়ে নেয়।

নিফাক শব্দটির অর্থ বেশ ব্যাপক, মানুষের কথা ও কাজের মধ্যে যে কোন ধরনের অসংগতিও এই শব্দের আওতায় পড়ে। একজন মুমিন ব্যক্তির মধ্যেও এ ধরনের অসামঞ্জস্য থাকতে পারে। ইবাদতের মধ্যেও নিফাক কপটতা থাকতে পারে। যদি কোন লোক আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে ইবাদত করে সেটাও এক ধরনের নিফাক। রাসূলে খোদা (সা.) বলেছেন, কোন ব্যক্তি যত নামাজ রোজাই করুক না কেন তিনটি বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হলে সেই হবে মুনাফিক। আমানতের খিয়ানত করা, মিথ্যা কথা বলা এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা।

এ আয়াতের কয়েকটি শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে-

প্রথমত: নিফাক হচ্ছে এক ধরনের মানসিক রোগ। সে পুরোপুরি সুস্থও নয় আবার মৃতও নয়। মুমিনও নয় আবার কাফেরও নয়।

দ্বিতীয়ত: নিফাক ক্যান্সারের মতো সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যদি এর চিকিৎসা না হয় তাহলে মানুষের পুরো অস্তিত্ব হুমকিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

তৃতীয়ত: মিথ্যাই হচ্ছে নিফাকের উৎস। মুনাফিকদের সাধারণ বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে মিথ্যা বলা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর