বিপদটা এখানেই

গুলজার হোসেন উজ্জল

বিপদটা এখানেই

ক্রিটিক্যাল থিংকিং একটু আনকমন জিনিস। স্টেরিওটাইপ চিন্তার বাইরে মানুষ যেতে পারেনা সহজে। অধিকাংশ মানুষ চালিত হয় সেন্টিমেন্ট দিয়ে। এটাকে আমরা বলি পাবলিক সেন্টিমেন্ট।

তাই যারা একটু চালাক তারা সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগায়। এরা আমাদের সমাজে সাক্সেসফুল হিসেবে পরিচিতি পায়। 
ইদানিং ফেসবুক পাবলিক সেন্টিমেন্ট উৎপাদনের এক উর্বর জমিতে পরিণত হয়েছে৷ তাই যারা একটু বেশি চালাক তারা ফেসবুকের আম আদমীদের সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়ে অল্প চাপে বেশি পানি বের করছেন। সাধারণভাবে যা সহজে পারা যায় না ফেসবুক সেন্টিমেন্ট ক্রিয়েট করে তা সহজেই হাসিল করা যাচ্ছে৷ বেশ সফলতাও আসছে তাতে।

আমাদের আটোপৌরে আম ফেসবুকাররা একটি ঘটনার যেকোন একটি ন্যারেটিভকেই সত্য বলে ধরে নেয়। সেই সত্যকে তারা বিবেচনা করে কখনো ধর্মীয় মূল্যবোধের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, কখনো প্রগতিবাদের চোখ দিয়ে, কখনো পুরুষতন্ত্রের প্রতিনিধি হয়ে, কখনো বা নারীবাদের দৃষ্টিকোণ থেকে।

বস্তুত অপরাধ মনস্তত্ত্ব মানুষের প্রবৃত্তির একটি ফল। এর সাথে আরো কিছু উপাদান থাকে।  এটি প্রায় সকল মতবাদের উর্ধে। তাই যে কোন অপরাধমূলক ঘটনাকে দেখতে হয় একদম উপর থেকে নির্লিপ্ত দর্শকের চোখ দিয়ে। নাহলে যে কেউ যখন তখন অন্যায়ভাবে ভিক্টিমাইজ হতে পারে।

একারণেই মানুষ সভ্য হবার সাথে সাথে বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে৷ বিচার ব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করতে  উকিলের প্রচলন করেছে।

আইনের শাসন যেখানে আছে সেখানে একজন খুনীরও উকিল থাকে। সেই উকিল অভিযুক্তের হয়ে তার পক্ষের যুক্তিগুলো উপস্থাপন করে। আবার ভিক্টিমেরও উকিল তার মক্কেলের পক্ষে বলে। দুটো ভিন্ন ন্যারেটিভকে বিবেচনায় নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে বিচারের কাজটি করা হয়। উকিল মূলত একাধিক ন্যারেটিভ তৈরির কাজটিই করে দেন যেন বিচার প্রক্রিয়ায় বিচারক একটি বিস্তৃত দৃশ্যপট দেখতে পান। একাধিক ন্যারেটিভকে বিবেচনায় রেখে মতামত দেওয়াটা সভ্য ও পরিণত সমাজের বৈশিষ্ট্য। 
আম ফেসবুকাররা ইদানিং এক নতুন বিচার ব্যবস্থা কায়েম করেছে, সেটিকে বলা হচ্ছে মিডিয়া ট্রায়াল। এটি টানেল ভিশনের একটি প্রতিফলন।  এখানে এক পক্ষের উকিল আরেক পক্ষের উকিলকে মানতে পারেনা। পারেনা তো পারেইনা৷ এখানে একাধিক ন্যারেটিভকে একসাথে দেখার চল নাই।

মিডিয়া ট্রায়াল বিচারকে প্রভাবিত করছে অনেকটা।  অন্তত প্রাথমিকভাবে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করে সামাজিকভাবে হেয় করছে। যদিও পরে দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া যাকে ফেরেশতা ভেবেছিল সেই আসল অপরাধী। উদাহরণ দিয়ে বলি,  কিছুকাল আগেও বরগুনার মিন্নি এবং পুলিশ অফিসার বাবুলকে আমি ভাল মানুষ ভেবেছিলাম। যারা এদের সন্দেহ করেছিলো আমি তাদের জটিল মানুষ ভেবেছিলাম। পরে কি বেরুলো  সবাই তো জানেন।  কিন্তু একটা অন্তত ভাল কাজ আমি করেছি। সেইসব ইস্যুতে আমি মতামত দেইনি। কারণ এটুকু আমি জানতাম "যে কোন কিছুই হতে পারে।’

ফেসবুক রাস্তার মোড়ের চায়ের দোকান কিংবা গ্রামের পুকুর ঘাটের সমাজ বিশ্লেষণের আধুনিক রূপান্তর হলেও অনেক ক্ষেত্রেই সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভূমিকা রাখছে। এটি ভাল এবং মন্দ দুটোই। নির্ভার হয়ে ভাল বলা যেতো যদি এর ব্যবহারকারীরা ন্যুনতম বুদ্ধি রাখে সেই নিশ্চয়তা পেতাম।

কিন্তু বিপদটা হলো এখানে আসলে সবাই সেন্টিমেন্টাল হয়ে যায়৷ কলেজ পড়ুয়া টিনএজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পর্যন্ত। সবার উদ্দেশ্য থাকে একটাই "সর্বোচ্চ শুদ্ধ নীতি কথা বলতে হবে"। নিজকে নীতিবান হিসেবে প্রচার করার এই উদ্দেশ্য হাসিল করতে যেয়ে নীতি বিরুদ্ধ হতেও তাদের বাধে না।

ফেসবুক যেন  আজব নেশা। মধ্যরাতে ক্লাবে গিয়ে মদ খেয়ে মাতলামি করার মতই ফেসবুকে মাতাল হতে আসে ছেলেবুড়ো অনেকেই। মাতালে মাতালে ঝগড়া করে এর ওর নামে দল বেধে বিষোদগারও করে।

মদ তবু একটি নিরপেক্ষ জিনিস৷ ফেসবুকের মাতালরা মাতলামি করে সমাজ ও রাষ্ট্রের সিরিয়াস ইস্যু নিয়ে। এরা রীতিমত দার্শনিকের চরিত্রে অভিনয় করে। অনেকেই এদেরকে সিরিয়াসলিও নেয়।  বিপদটা এখানেই।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ 'নেত্রী' ছিলেন না

আশরাফুল আলম খোকন

হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ 'নেত্রী' ছিলেন না

হেলেনা জাহাঙ্গীর কখনো আওয়ামীলীগ “নেত্রী” ছিলেন না। ঢাকা শহর ব্যাপী রং বেরঙের পোস্টার ছাপিয়ে আর ফেসবুকে উদ্ভট লাইভ করে তিনি অনেক আগেই আলোচিত।

বছর দুয়েক হলো আওয়ামীলীগের উপ কমিটিতে হয়তো কোনো কায়দা কানুন(!) করে তিনি ঢুকেছেন। এর মানে কি হেলেনা জাহাঙ্গীর “নেত্রী” হয়ে গেলেন? উনি রাজনীতি কবে কোথায় করেছেন? তিনি নিজেও দাবী করেন, তিনি সোশ্যাল ওয়ার্ক করতেন।
 
“নেত্রী” অনেক বড় ও ওজনদার শব্দ। সুতরাং কেউ যদি সংবাদে কিংবা লেখায় সাবেক আওয়ামীলীগ “নেত্রী” লিখেন একটু সিক্সথ সেন্স কাজ করানো উচিত। কেউ লটারিতে অনেক অনেক টাকা পেয়ে গেলে যেমন আমরা তাকে ব্যবসায়ী বলিনা, ভাগ্যবান বলি। ঠিক তেমনি কোন অনুকম্পায় হঠাৎ মন্ত্রী এমপি কিংবা পদপদবী পেয়ে গেলেই তিনি “নেতা কিংবা নেত্রী” হবেন না। “নেতা-নেত্রী” খেতাব অনেক সাধনার ফসল। হুদাই লিখে লিখে কাউকে এই খেতাব দিয়েন না।

আরও পড়ুন


ক্ষমতার দাপট ও ফেরাউনের শেষ পরিণতি

স্বামীর পর্নকাণ্ড: এবার শিল্পা শেঠির সমর্থনে বলি-অভিনেত্রী

ফল খাওয়ার উপযুক্ত সময় কোনটি জেনে নিন

যাকে তাকে নেতা-নেত্রী বানিয়ে প্রকৃত নেতা নেত্রীকে ছোট করা হয়।

লেখাটি আশরাফুল আলম খকন- এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

বেশিরভাগ অনলাইন টিভির মালিক তথাকথিত কিছু মহিলা উদ্যোক্তা

আশরাফুল আলম খোকন

বেশিরভাগ অনলাইন টিভির মালিক তথাকথিত কিছু মহিলা উদ্যোক্তা

মূলধারার পত্রিকা কিংবা টেলিভিশন এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তাদের দেখা যেত না। কিন্তু নাম সর্বস্ব এবং অনুমতিবিহীন এইসব অনলাইন টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তাদের সরব উপস্থিতি থাকে। এই “তাদের” বলতে যাদের বুঝিয়েছি তারা বিভিন্ন পেশার হোমরা চোমরা। আর এই বেশির ভাগ অনলাইন টিভির মালিক হচ্ছে নামিদামি তথাকথিত কিছু মহিলা উদ্যোক্তা(!)। অনেক ছেলে উদ্যোক্তাও এই অনলাইন টিভি করেছেন। কিন্তু তাদের টিভির কোন অনুষ্ঠানে এইসব হোমরা চোমরাদের দেখা যায়না।

যেখানে একটি টিভি চ্যানেল চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন মূলধারার টিভি চ্যানেল এর মালিকরা সেখানে এই নামসর্বস্বরা নামীদামী হোটেলে জমকালো অনুষ্ঠান করে। তাদের আয়ের উৎস কি কেউ জানেনা। ঐসব অনুষ্ঠানে ফুল নিয়ে সেজেগুজে হোমরা চোমরা’রা হাজির হয়ে যান। দেখলে মনে হয় বিয়ে বাড়িতে আসছেন।

আরও পড়ুন:

বাংলাদেশসহ চার দেশে দুবাইগামী ফ্লাইট বন্ধ ৭ আগস্ট পর্যন্ত

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা

হেলেনাকে সম্মানের সঙ্গে ছাড়তে বললেন সেফুদা

সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন বেসামরিক পদে ছয় শতাধিক নিয়োগ


হেলেনা জাহাঙ্গীরের টিভির মতো এমন অবৈধ ভুঁইফোড় অনেক অনলাইন টিভি আছে। মাননীয় তথ্যমন্ত্রী বললেন, এর সবই অবৈধ। এটা বন্ধ হলে ওই অবৈধগুলোও বন্ধ হওয়া উচিত। অধিকাংশের কাজই হচ্ছে কোন না কোন ঝান্ধা আর ব্ল্যকমেইল করা।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

হেলেনাকে সম্মানের সঙ্গে ছাড়তে বললেন সেফুদা

অনলাইন ডেস্ক

হেলেনাকে সম্মানের সঙ্গে ছাড়তে বললেন সেফুদা

সম্প্রতি নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জেরে আওয়ামী লীগ থেকে বাদ পড়া হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার পর আলোচিত অস্ট্রিয়া প্রবাসী সেফাত উল্লাহ সেফুদার নাম উঠে আসে। হেলেনার সঙ্গে সেফুদার নিয়মিত যোগাযোগ ছিলো বলে জানা যায়।

এবার হেলেনা ইস্যুতে মুখ খুলেছেন সেফুদা। তাকে সম্মানের সঙ্গে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার ফেসবুক লাইভে এসে এ আহ্বান জানান তিনি।

ওই ভিডিও বার্তায় সেফুদা বলেন, আমার নাতি হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অসম্মানজনকভাবে, একজন সিআইপিকে অ্যারেস্ট করা হলো। আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। হেলেনা জাহাঙ্গীরের মেয়ে আমার ভাগ্নি জেসির একটি সাক্ষাৎকার দেখলাম একটি টেলিভিশনে। হেলানাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তিলকে তাল করে র‍্যাবদেরকে দিয়ে তছনছ করা হয়েছে। ভাবটা এমন যে, চোর ধরা পড়েছে।

সেফুদা আরও বলেন, আমার সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরের দেখা হয়নি। তবে টেলিফোনে কথা হতো। হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন স্মার্ট নারী, তিনি দুঃসাহসের সঙ্গে কথা বলতেন। অবিলম্বে এবং সম্মানের সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন


আফগানিস্তানের জাতিসংঘের দপ্তরে হামলা, এক পুলিশ নিহত

হত্যা চেষ্টার অভিযোগে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা মিজোরাম পুলিশের

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় আরও এক মামলা

হামলার শিকার ইসরাইলি জাহাজের ২ ক্রু নিহত


এদিকে, শুক্রবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অস্ট্রিয়া প্রবাসী আলোচিত সেফুদা নাতনী বলে ডাকতেন। সেফুদার সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং তার সঙ্গে লেনদেনও ছিল হেলেনা জাহাঙ্গীরের।

তিনি বলেন, সেফুদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের মাধ্যমে দেশবাসীর নজর কাড়তে চেষ্টা করেন। তার সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃতের নিয়মিত যোগাযোগ ও লেনদেন রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

এই যুক্তিতে লকডাউন উঠিয়ে দেওয়া যায়

অনলাইন ডেস্ক

এই যুক্তিতে লকডাউন উঠিয়ে দেওয়া যায়

অতিমারি ভাইরাস করোনায় দেশে মৃত্যু ও শনাক্ত যখন উদ্বেগজন পর্যায়ে ঠিক তখনই রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সরকারের এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নতুনদেশ’র প্রধান সম্পাদক, শওগাত আলী সাগর।

এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেছেন, গার্মেন্টস শ্রমিকরা কোভিডে আক্রান্ত হবেন না- এই ধরনের তথ্য যদি সরকারের কাছে থাকে, তা হলে একই ধরনের যুক্তিতে সারা দেশ থেকেই লকডাউন উঠিয়ে দেওয়া যায়।

তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‌‘রপ্তাণিমূখী তৈরি পোশাক শিল্পকারখানায় যারা কাজ করেন বা করবেন- তাদের কোভিড স্পর্শ করবে না- এমন কোনো তথ্য উপাত্ত কী কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পাওয়া গেছে? সরকার যে গার্মেন্টস কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার পেছনে কী তথ্য উপাত্ত কাজ করেছে?

তারা কীভাবে নিশ্চিত হলেন- গার্মেন্টসকর্মীরা নিজেরা কোভিড আক্রান্ত হবেন না- তারা যখন বাড়িতে কিংবা অন্যকোথাও যাবেন তখন কোভিড ভা্ইরাস ছড়াবেন না!

গার্মেন্টস শ্রমিকরা যে যুক্তিতে কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ এর আওতামুক্ত থাকবেন- একই যুক্তিতে তো সারা দেশের মানুষই এই ধরনের বিধি নিষেধ থেকে অব্যহতি চাইতে পারেন!

গার্মেন্টস শ্রমিকরা কোভিডে আক্রান্ত হবেন না- এই ধরনের তথ্য যদি সরকারের কাছে থাকে, তা হলে একই ধরনের যুক্তিতে সারা দেশ থেকেই লকডাউন উঠিয়ে দেওয়া যায়।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

আরও পড়ুন:


বিট লবনের যত উপকার

ধানখেতে ৮ ফুট অজগর

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুরকারীদের গ্রেপ্তার দাবি হানিফের


 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

করোনা আক্রান্তকে সমাজচ্যুত করার মানসিকতা বন্ধ করি

জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু

করোনা আক্রান্তকে সমাজচ্যুত করার মানসিকতা বন্ধ করি

আপা কেউ যেন না জানে! সিকিউরিটি গার্ডও না। plz..খাবারটা চুপচাপ পাঠায়েন! অক্সিমিটারটা ব্যাগে ভরে দিয়েন! স্যাম্পল নিতে যিনি আসবেন তাকে আমার আত্মীয়ের পরিচয় দিতে বলবেন!

স্বেচ্ছাসেবক ফোরামে আমরা যারা কাজ করছি তারা প্রতিদিন রোগী বা তাদের স্বজনের কাছে এসব কথা শুনেই যাচ্ছি! অথচ যে কেউ যে কোন সময়ে এতে আক্রান্ত হতে পারেন!

বছর পেরিয়ে গেছে! এই রোগের সাথে লড়তে লড়তে ক্লান্ত, দিশেহারা আমরা। কিন্তু বের হতে পারিনি নিজেদের সামাজিক ট্যাবু থেকে, হীন মানসিকতা থেকে! পাশের বাড়ির মানুষটাও জানেন না বা জানতে চাননা আপনি করোনা আক্রান্ত!

অনেকে তো টেস্ট করাবেনই না! বৃষ্টিতে জ্বর, এসির ঠান্ডা, গরমে ঘেমে কাশি....কত বাহানা! অথচ শুরু থেকেই সচেতন হলে বেঁচে যেত জীবন বা টাকা!!

আরও পড়ুন


অপহরণের ৪ দিন পর শিশু উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেপ্তার

আগস্টের শোককে আমরা শক্তিতে রূপান্তরিত করবো: আব্দুর রহমান

চার মাস ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নায়ক ফারুক

বগুড়ার শেরপুর ও ধুনটে ৬০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ


এই মহামারি আপনার আমার সবার জন্যই মহাবিপদ! তাই আর লুকিয়ে না থাকি, করোনা আক্রান্তকে সমাজচ্যুত করার মানসিকতা বন্ধ করি! তার পাশে না যাই অন্তত মানসিক ও সামাজিক সাপোর্টটা দিই plz..পুরো জীবনটাই তো নিজের বলে কাটিয়ে দিলাম এবার সবাই মিলে একটু বাঁচার চেষ্টা করি!! 

সবাই সচেতন হই, মাস্ক পড়ি, টেস্ট করাই! করোনা আক্রান্তদের পাশে থাকি- যে যেভাবে পারি! বিপদ কিন্তু যেকোন সময় আপনার দরজাতেও কড়া নাড়বে!

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর