সেই কিশোরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি সরকার

অনলাইন ডেস্ক

সেই কিশোরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি সরকার

ছয় বছর আগে রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের দায়ে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় কাতিফ শহরে আটক এক কিশোরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির সরকার। এই কিশোরের বিরুদ্ধে উসকানি সৃষ্টি এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেয়ার অভিযোগ এনেছিল রিয়াদ।

এছাড়া, তার বিরুদ্ধে আরো ভিত্তিহীন নানা অভিযোগ এনেছিল সৌদি সরকার। কাতিফ হচ্ছে সৌদি আরবের শিয়া মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি অঞ্চল।

গতকাল মঙ্গলবার সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কিশোরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ব্যাপারে একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মুস্তাফা বিন হাশেম বিন ঈসা আল-দারভিশ নামে এই কিশোরের মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় দাম্মাম প্রদেশে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

আরও পড়ুন


এখনও খোঁজ মেলেনি আবু ত্ব-হা আদনানের, যা বলছে পুলিশ

দেশের নদীবন্দরে সতর্কতা

সংসদে এমপি চুন্নু বললেন, নাসির ‘ভালো লোক’

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সর্বশেষ তথ্য


সৌদি সরকার অভিযোগ করেছিল যে, মুস্তাফা দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলেছিল, সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার জন্য একটি সন্ত্রাসী চক্র গড়ে তুলেছিল এবং উসকানি দিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। সৌদি সরকারের এ সমস্ত অভিযোগ মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রত্যাখ্যান করে কিশোর মোস্তফার বিরুদ্ধে দেয়া মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু সৌদি সরকার এসব আহ্বানকে উপেক্ষা করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

২০১৫ সালে কাতিফ শহর থেকে মুস্তাফাকে আটক করা হয়। তখন তার বয়স ছিল ১৭ বছর। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

‌‘ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের চাপ প্রয়োগের নীতি শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে’

অনলাইন ডেস্ক

‌‘ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের চাপ প্রয়োগের নীতি শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে’

ইরান বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিনিধি রবার্ট ম্যালি

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিনিধি রবার্ট ম্যালি। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পের ওই নীতি তার দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এমএসএনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রবার্ট ম্যালি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি গ্রহণের পর তেহরান তার পরমাণু কর্মসূচি জোরদার করে।

রবার্ট ম্যালি হচ্ছেন বাইডেন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি যাকে ২০১৫ সালের পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে যখন ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পরমাণু সমঝোতা সই হয় তখন তিনি মার্কিন আলোচক দলের সদস্য ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক সাংবাদিক মেহেদী হাসান রবার্ট ম্যালির কাছে জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের আগে পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসবে কিনা। জবাবে তিনি বলেন, “আমরা খুব পরিষ্কারভাবে বলেছি- আমরা পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসতে প্রস্তুত যদি তারা তাদের পক্ষ থেকেও একই কাজ করে।” তিনি আরো বলেন, “ইরান যদি পূর্ণ সহযোগিতা নিয়ে পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসে এবং এই সমঝোতার সমস্ত বাধ্যবাধকতা মেনে চলে তাহলে আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে।”

রবার্ট ম্যালি জানান, ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা মার্কিন সরকারের টেবিলে রয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর ফলে আমেরিকার নিরাপত্তা কমে গেছে।

আরও পড়ুন


বাগেরহাটে করোনায় আরো ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০১

ঢাকায় এতো যে ‘ড্রাই ক্লিনার্স’ সেগুলোর কাপড় ধোওয়া হয় কোথায়?

ঝিনাইদহে আজও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৭৩

গায়ে আগুন দিয়ে হত্যা, যুবলীগ নেতা এখনও অধরা


মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলির একটি রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে রবার্ট ম্যালি বলেন, ইরানের কমান্ডারকে হত্যা করার জন্য সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সতর্ক করা হয়েছিল। জেনারেল মার্ক মিলি বলেছিলেন, ইরানি কমান্ডারকে হত্যা করা হল যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছিলেন, আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ইরানি সরকার এবং জনগণকে আমেরিকার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়া উচিত হবে না। এভাবে মার্কিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নগ্নভাবে তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের পথে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন।

অনুষ্ঠানের রবার্ট ম্যালি আরো বলেন, “আমেরিকাকে নিরাপদ রাখার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যা করে এবং তেহরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করে যে সমস্যা তৈরি করেছেন তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার আমেরিকার জনগণের আছে।” তিনি বলেন, “তিন বছরে এ কথা পরিষ্কার হয়েছে যে, আমেরিকা আগের চেয়ে এখন কম নিরাপদ কারণ ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি অনেক বাড়িয়েছে, পরমাণু কর্মসূচি জোরদার করেছে এবং আঞ্চলিক কর্মকাণ্ডে নিজের অংশগ্রহণ বাড়িয়েছে।” সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ভিয়েনা সংলাপকে বিপদগ্রস্ত করছে ইরান দাবি ফ্রান্সের

অনলাইন ডেস্ক

ভিয়েনা সংলাপকে বিপদগ্রস্ত করছে ইরান দাবি ফ্রান্সের

ইরানের কারণে পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের আলোচনা বিপদের মুখে পড়েছে বলে দাবি করেছে ফ্রান্স। দেশটি এই সমঝোতা থেকে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে বেরিয়ে যাওয়া এবং ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় দেশগুলোর এই সমঝোতা মেনে চলতে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টি উপেক্ষা করে বলেছে, ইরানের উচিত অবিলম্বে ভিয়েনায় পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের আলোচনায় ফিরে যাওয়া।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অ্যাগনেস ভন ডার মুল সোমবার প্যারিসে সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দাবি করেন, “ইরান ভিয়েনা সংলাপে ফিরে আসতে যত বেশি দেরি করবে পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে এই সংলাপ থেকে ফল পাওয়ার আশা তত কমে যাবে।”

তিনি আরো দাবি করেন, ইরান অবিলম্বে এই আলোচনায় ফিরতে ব্যর্থ হলে বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা আবার সক্রিয় করার ব্যাপারে একটি চুক্তিতে উপনীত হওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন


আবারও জার্মানির বর্ষসেরা ফুটবলার লেভানদোভস্কি

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফেরি শাহজালালের চালকসহ চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে

রাজশাহী মেডিকেলে করোনায় ১০ ও উপসর্গে ১১ জনের মৃত্যু

লকডাউনে বিয়ে: প্রশাসনের উপস্থিতিতে পালাল বরযাত্রী


ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এমন সময় এসব কথা বললেন যখন ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পরমাণু বিষয়ক প্রধান আলোচক সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, ভিয়েনা সংলাপে অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলোকে ইরানের পরবর্তী সরকারের ক্ষমতায় আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, ইরানে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি সরকার পরিবর্তিত হচ্ছে; কাজেই এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়া পর্যন্ত অপর পক্ষগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে।

ভিয়েনায় পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের সংলাপ গত এপ্রিল মাসের গোড়ার দিকে শুরু হয় এবং এ পর্যন্ত ছয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সপ্তম দফা আলোচনায় সমঝোতাটিকে আবার সক্রিয় করার ব্যাপারে পাঁচ জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের একটি চূড়ান্ত চুক্তি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে ইরানের নির্বাচিত-প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি ক্ষমতা গ্রহণ করা আগ পর্যন্ত ইরানের পক্ষে ভিয়েনা সংলাপে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী ৫ আগস্ট রায়িসি ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

অবশেষে ইরাক যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

অবশেষে ইরাক যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইরাকে ‘যুদ্ধের দায়িত্ব সমাপ্ত’ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ওয়াশিংটন সফররত ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা আল-কাজেমির সঙ্গে সাক্ষাতে সোমবার হোয়াইট হাউজে এ ঘোষণা দিয়েছে তিনি।

বাইডেন উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশের (আইএস) বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করে বলেন, ২০২১ সাল শেষে মার্কিন সেনারা ইরাকি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা করার দায়িত্ব পালন করবে; কিন্তু তারা সরাসরি কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না। তবে এ সাক্ষাতে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে কিনা- সে সম্পর্কে মুখ খোলেননি বাইডেন।

সাক্ষাতের পর দুই নেতা এক যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা করেন, “২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর ইরাকে আর কোনো মার্কিন সেনা যুদ্ধের ভূমিকা পালন করবে না।”

ইরাকি প্রধানমন্ত্রী কাজেমি রোববার রাতে এমন সময় আমেরিকা পৌঁছান যখন তার দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে ইরাকি পার্লামেন্টে পাস হওয়া আইন এখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি।  


আরও পড়ুন:

শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা

কখন লকডাউন বাড়ানো লাগবে না জানালেন তথ্যমন্ত্রী

১০ আগস্ট থেকে বিদেশি মুসল্লিদের জন্য চালু হচ্ছে পবিত্র ওমরাহ

পরকীয়ায় ধরা মসজিদের ইমাম! রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী


প্রধানমন্ত্রী কাজেমি আমেরিকা সফরে যাওয়ার আগে বাগদাদে বলেছিলেন, উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আর মার্কিন সেনাদের তার দেশে প্রয়োজন নেই। তবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক সময়সীমা ঘোষণা হবে চলতি সপ্তাহে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তানে বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি বৃদ্ধিতে জাতিসংঘের উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক

আফগানিস্তানে বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি বৃদ্ধিতে জাতিসংঘের উদ্বেগ

আফগানিস্তানের চলমান যুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি বৃদ্ধির ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে জাতিসংঘ। আফগানিস্তানে জাতিসংঘের রাজনৈতিক দপ্তর ইউনামা সোমবার তার সর্বসাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, ২০২১ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশটিতে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের সংখ্যা ছিল নজিরবিহীন।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের প্রথম ছয় মাসে আফগানিস্তানে এক হাজার ৬৫৯ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত ও তিন হাজার ২৫৪ জন আহত হয়েছেন। ২০২০ সালের এই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা শতকরা ৪৭ ভাগ বেশি। হতাহতদের প্রায় অর্ধেকই নারী ও শিশু বলে এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মে মাসে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার শুরু ও তালেবান হামলা বেড়ে যাওয়ার পর থেকে এই প্রাণহানি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়ে গেছে বলে ইউনামা জানিয়েছে। এটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আফগানিস্তানের সংঘাত উল্লেখযোগ্য মাত্রায় না কমলে ২০০৯ সালের পর বেসামরিক নাগরিকদের সর্বোচ্চ মাত্রার প্রাণহানি প্রত্যক্ষ করতে হবে। জাতিসংঘ ওই বছর থেকে আফগানিস্তানের বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানির রেকর্ড রাখতে শুরু করেছিল।

ইউনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের শতকরা ৩৯ ভাগ ঘটে তালেবানের হাতে, ২৩ ভাগ আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে, শতকরা ১৬ ভাগ অন্যান্য সরকার বিরোধী গোষ্ঠীর হাতে এবং উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশের (আইএস) হাতে হতাহত হন শতকরা নয় ভাগ বেসামরিক আফগান নাগরিক। এছাড়া শতকরা ১৩ ভাগ হতাহতের ঘটনা ঘটে সংঘর্ষরত পক্ষগুলোর ক্রসফায়ারের মধ্যে পড়ে।


আরও পড়ুন:

শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা

কখন লকডাউন বাড়ানো লাগবে না জানালেন তথ্যমন্ত্রী

১০ আগস্ট থেকে বিদেশি মুসল্লিদের জন্য চালু হচ্ছে পবিত্র ওমরাহ

পরকীয়ায় ধরা মসজিদের ইমাম! রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী


তবে তালেবান এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছে, তাদের হাতে কোনো বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি ঘটে না। আর আফগান সেনাবাহিনী বলেছে, তারা সব সময় যুদ্ধের আইন মেনে চলে এবং তারা বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানির জন্য দায়ী নয়।

সূত্রঃ পার্সটুডে

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

উজবেকিস্তানের সীমান্তবর্তী কালদার জেলা পুনরুদ্ধার করল আফগান সেনাবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক

উজবেকিস্তানের সীমান্তবর্তী কালদার জেলা পুনরুদ্ধার করল আফগান সেনাবাহিনী

তালেবানের কাছ থেকে আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় বল্‌খ প্রদেশের কালদার জেলার নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। জেলাটি তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত। তালেবান এর আগে আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী শতকরা ৯০ ভাগ জেলা দখল করার দাবি করেছিল।

বল্‌খ প্রদেশের গভর্নর ফরহাদ আজিমি নিজের ফেসবুক পেজে কালদার জেলা পুনরুদ্ধারের খবর দিয়ে লিখেছেন, “জেলাটি আফগানিস্তান প্রজাতন্ত্রের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

বলখ পুলিশের মুখপাত্র আদিল শাহ আদিল বলেছেন, “নিরাপত্তা বাহিনী সোমবার (২৬ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় কালদার জেলা শহরে প্রবেশ করেছে।” তালেবান সদস্যরা শহরটি থেকে বহু দূরে পশ্চাদপসরণ করেছে বলেও তিনি জানান। 

তবে তালেবান এ খবরের প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, তারা কালদার শহরের আশপাশে সরকারি বাহিনীর হামলা প্রতিহত করে দিয়েছেন।

উজবেকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ‘হিরতান’ এই জেলায় অবস্থিত বলে কৌশলগত দিক দিয়ে কালদার জেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।


আরও পড়ুন:

শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা

কখন লকডাউন বাড়ানো লাগবে না জানালেন তথ্যমন্ত্রী

১০ আগস্ট থেকে বিদেশি মুসল্লিদের জন্য চালু হচ্ছে পবিত্র ওমরাহ

পরকীয়ায় ধরা মসজিদের ইমাম! রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী


এ নিয়ে গত এক মাসে দুইবার কালদারের নিয়ন্ত্রণ হাতবদল হলো। সাম্প্রতিক সময়ের সহিংসতা ও যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় তালেবান আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা দখল করে নিয়েছিল। বর্তমানে বল্‌খ প্রদেশের ১৪ জেলার মধ্যে এখনও আট জেলা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর