পঞ্চগড়ে মরিচের বাম্পার ফলন, দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা

সরকার হায়দার

 

চলতি মৌসুমে পঞ্চগড়ে মরিচের আশানুরূপ উৎপাদন হয়েছে । কৃষকরা জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আসছে না । এ কারণে মরিচের নায্যমূল্যও পাচ্ছে না তারা । এ অবস্থায় উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে দিশেহারা তারা।

চলতি মৌসূমে বিভিন্ন জাতের মরিচের চাষ করেছেন পঞ্চগড়ের কৃষকরা । গেল বছর নানা রোগের কারণে মরিচের উৎপাদন অর্ধেক হলেও এ বছর ফলন ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


কৃষকরা জানান, গেল বছরের লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার আশায় এ বছর বেশি জমিতে মরিচের আবাদ করেছেন তারা । তবে করোনার কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা না আসায় মরিচের বাজারে ধ্বস নেমেছে। এ অবস্থায় লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা তারা ।

সংশ্লিস্টরা বলছেন, আবহাওয়ায় অনুকূলে থাকায় মরিচের আশানুরূপ ফলন হয়েছে । এবছর প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন মরিচ উৎপাদন হবে।

কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এবছর পঞ্চগড়ে প্রায় ১১ হাজার হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ঢাকা মহানগরের নতুন কমিটির সংগ্রামী ভূমিকার আশা

মারুফা রহমান

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বিএনপি। ঢাকা মহানগরের নতুন কমিটি, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভুমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সকালে উত্তরার বাসায় মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব এই প্রত্যাশা জানান।

নতুন কমিটির আহ্বায়করাও আন্দোলন সংগ্রামের পথ কে নতুন করে তৈরির কথা বলেন। 

মঙ্গলবার সকালে উত্তরার বাসায় মহানগর উত্তর-দক্ষিনের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ দেখা করতে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে। সেখানে একটি বৈঠক শেষে নবগঠিত কমিটি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন, মির্জা ফখরুল। দলের সংকটপূর্ণ এই সময়ে নতুন কমিটি আগামীর আন্দোলন সংগ্রামে নতুন মাত্রায় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে সরিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে বাধ্য করতে কাজ করবেন তিনি। আর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম বলেছেন, সাংগঠনিক অবস্থাকে দ্রুত ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করবেন তিনি।

এদিকে ঢাকা-মহানগরের নতুন এই কমিটিকে নিয়ে দলের ভেতরে ইতিমধ্যেই  নেতা-কর্মীদের বড় এক অংশের ভেতর অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সিলেটে রোগীর বাড়িতে অক্সিজেন পৌঁছে দিচ্ছেন জলিল

সৈয়দ রাসেল, সিলেট

সিলেটে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। হাসপাতালে দেখা দিয়েছে সাধারণ শয্যা ও আইসিইউ সংকট। 

এমন পরিস্থিতিতে প্রায় দেড় বছর ধরে বিনামূল্যে রোগীদের কাছে অক্সিজেন সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন প্রবীণ সমাজসেবক আব্দুল জব্বার জলিল। এ পর্যন্ত এ সেবা পেয়েছে হাজারো  করোনা রোগী। করোনা মহামারী যতদিন থাকবে ততদিন এই সেবা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি ।  

করোনার থাবায় এখন বিপর্যস্ত গ্রাম-গঞ্জ। শয্যা ও আইসিইউ না পেয়ে  রোগী নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছে স্বজনরা। এ অবস্থায় হাসপাতালে শয্যা  না পেয়ে ঘরে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকেই।

আর করোনায় আক্রান্ত শ্বাসকষ্টের রোগীদের বাড়িতে অক্সিজেন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন আব্দুল জব্বার জলিল ট্রাস্টের সদস্যরা। রোগীর চাহিদা অনুযায়ী বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন।

আব্দুল জব্বার জলিল জানান, তার দুটি হটলাইনে যে কেউ  ফোন করলেই পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও টেকনিশিয়ান।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


তিনি আরো জানান, সংক্রমণের উর্ধ্বগতি বিবেচনায় এ বছর মালয়েশিয়া থেকে নিজ উদ্যোগে সংগ্রহ করছেন পাঁচটি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর।

চিকিৎসকরা বলছেন, এ সেবা পেয়ে উপকৃত হচ্ছে করোনা রোগীরা। আর হাসপাতালের চাপও কিছুটা কমছে। মহামারীকালে করোনা রোগীদের পাশে দাঁড়াবেন বিত্তশালীরাও এমন প্রত্যাশা তাঁর।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

করোনার থাবায় এক বছর পেছালো মেট্রোরেলের টার্গেট

প্লাবন রহমান

করোনায় থাবায় পেছালো মেট্রোরেলের টার্গেট। চলতি বছরের ডিসেম্বরে মেট্রো চালুর কথা থাকলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। সেই জায়গায় ২০২২ সালের ডিসেম্বরে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। 

তবে-মতিঝিল পর্যন্ত কবে চালু করা যাবে যে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। মেট্রোরেলের আগাঁরগাও স্টেশন। রাস্তার অংশের কাজ শেষে এখন ভায়াডাক্টের উপরই বেশিরভাগ কর্মযজ্ঞ। করোনার পরিস্থিতির মধ্যেও থেমে নেই প্রকল্পের কাজ।

উত্তরা থেকে আগারগাও হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত পুরো পথে এমনই দৃশ্যমান মেট্রোরেল প্রকল্প। জুন মাস পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬৮ ভাগ। তবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত পূর্ত কাজ এগিয়েছে ৮৭ দশমিক ৮০ ভাগ। 

আসছে ডিসেম্বরের মধ্যে আগারগাঁও অংশের কাজ শেষের লক্ষ্য থাকলেও করোনার কারণে সেই লক্ষ্য এখন ২০২২ সালের ডিসেম্বর।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে মেট্রো প্রকল্পের কাজ। এরইমধ্যে দেশি-বিদেশি বেশিরভাগ কর্মীকে দেয়া হয়েছে করোনার দুই-ডোজ ভ্যাকসিন। এরপরও সবমিলিয়ে প্রকল্পে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৮০০ জন।

উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১.৭৩ কিলোমিটার ভায়াডাক্টের ওপর বসে গেছে রেলট্র্যাক। প্রথম পর্যায়ের ৯টি স্টেশনও দৃশ্যমান। দেশে চলে এসেছে ৪টি মেট্রোরেলের ২৪ সেট কোচ। আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ আরও পাঁচটি মেট্রোরেল জাপান থেকে আসার কথা।

আরও পড়ুন:


করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু


সবমিলিয়ে এজন্য-করোনা পরিস্থিতির ওপরই আবারও নির্ভর করতে হচ্ছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে। তবে এখন টিকা কার্যক্রম গতিশীল হওয়ায় আগামী ডিসেম্বরে আগারগাঁও পর্যন্ত চালুর ব্যাপারে জোর আশাবাদী প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে প্রতিদিনই দুইশতাধিক রোগি হাসপাতালে ভর্তি

মাহমুদুল হাসান

করোনার মাঝেই রাজধানীতে দ্রুতই বেড়ে চলেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। প্রতিদিনই প্রায় দুশোর মতো ডেঙ্গু রোগী রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। যদিও বড় হাসপাতালগুলো কোভিড ডেডিকেটেড হওয়ায়, ব্যাহত হচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সুযোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার মাঝেই, ডেঙ্গু আক্রান্তের এমন উর্ধমূখী হার- চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। 

প্রতি এক বছরের ব্যবধানে ভয়াবহভাবে ফিরে আসছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখেরও বেশি মানুষ। আর সেবার মৃত্যুবরণ করেন ১৭৫ জন। এ বছরও আক্রান্তের হার উর্ধমূখী। গত সাত মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২হাজার ৩ শ জন।

বেশিরভাগ রাজধানীবাসী সচেতন নন। আবার লকডাউনে রাজধানী ছেড়ে যাওয়াদের তালাবদ্ধ অনেক বাড়িই উর্বরক্ষেত্র হয়ে উঠেছে এডিস মশার বংশ বিস্তারের। একটু বৃষ্টিতেই খোলা পাত্র আর বারান্দার টবে জমছে পানি। মশক নিধনে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে দুই সিটি কর্পোরেশন।

প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী ভর্তি হচ্ছেন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে। রাজধানীর অনেক হাসপাতালই কোভিড ডেডিকেটেড হওয়ায় রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চিকিৎসা নিতে এসে। রাজধানীর মিডফোর্ড হাসপাতালে দেখা গেল ডেঙ্গু রোগীর বাড়তি ভিড়।

 করোনার পরিস্থিতির কারণে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলসহ অনেক হাসপাতালই পুরোপুরি কোভিড হাসাপাতালে রুপান্তরিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নন কোভিড রোগীদের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। গত বার এই হাসপাতালে ১২০ সিটের ডেঙ্গু ওয়ার্ড থাকলেও এবার রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না কোভিড ডেডিকেটেড হবার কারণে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে কোন উপায়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে ডেঙ্গুকে। করোনার হার এখন ক্রমেই উর্ধমূখী এর মধ্যে ডেঙ্গুও যদি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তবে ভেঙ্গে পড়তে পারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামে করেনা ও উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের মৃত্যু

পিয়াসা ও মৌ উচ্চবিত্তদের বাসায় ডেকে ব্ল্যাকমেইল করত : হারুন

৯৯৯ এ ফোন কলেবারান্দার কার্নিশ আটকে পড়া কিশোরী উদ্ধার

পোশাকের নেমপ্লেট খুলে চাঁদাবাজির অভিযোগে এসআই স্ট্যান্ড রিলিজ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

হঠাৎ কারখানা খোলার ঘোষণায় ঢাকামুখী মানুষের ঢল, পদে পদে দুর্ভোগ

নাঈম আল জিকো

চলমান লকডাউনে হঠাৎ শিল্প কারখানা খোলার ঘোষণায় ঢাকামুখী কর্মজীবী মানুষের স্রোত তৈরি হয়েছে। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে দিনভর ছিলো হাজার হাজার মানুষের লাইন। রাস্তায় গণপরিবহন না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পোহাতে হয় এই সব মানুষের। 

কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ রিক্সায়, যে যেভাবে পেড়েছেন ছুটেছেন গন্তব্যে। ভেঙে ভেঙে আসার কারণে তিন থেকে পাঁচ গুণ পর্যন্ত ভাড়া গোনার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। 

এদিকে ঢাকার সাথে পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার দুই ফেরি ঘাটেই ছিলো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। গাদাগাদি করে পার হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধির বালাই ছিলো না কোথাও। 

গাজীপুরের একটি গার্মেন্টে কাজ করবেন হালিমা বেগম। কারখানা বন্ধ থাকায় ঈদ করতে সপরিবারে কুমিল্লায় নিজ বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে হঠাৎ গার্মেন্টস সহ সকল শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ায় কর্মস্থলে যোগ দিতে সন্তান নিয়ে রওনা হয়েছেন গাজীপুরের উদ্দেশ্যে। কখনো পায়ে হেঁটে কখনোবা রিকশায় কখনো বা অটোরিকশার চড়ে এসেছেন রাজধানীতে।

হালিমারমত চরম ভোগান্তি সহ্যকরে একই ভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকা ফিরছেন হাজার হাজার মানুষ। তাই গণপরিবহন বন্ধ রেখে শিল্প-কলকারখানা খুলে দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

এদিকে, শনিবার সকাল থেকেই দৌলদিয়া-পাটুরিয়া ও শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে ছিল রাজধানী মুখি মানুষের ঢল। স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করেই মানুষ ছুটছেন কর্মস্থলে যোগ দিতে।

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


এদিন রাজধানীর রাজপথগুলোতে দেখা যায় গাড়ির বাড়তি চাপও। প্রত্যেকটি চেক পয়েন্টে ছিল গাড়ির লম্বা লাইন। যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।

সরকার ঘোষিত টানা ১৪ দিনের লকডাউনের মেয়াদ শেষ হবে ৫ আগস্ট। এর আগেই শিল্প কলকারখানা খুলে দেয়ার এমন সিদ্ধান্তে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর