বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম: কাদের

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতিতে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং হাওয়া ভবনের প্রতিষ্ঠাতা বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম।

তিনি আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শূন্য সহিষ্ণুতা নীতিতে অটল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন মন্ত্রী, এমপি, ব্যবসায়ী, আমলা যারাই দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর।

দুদক স্বাধীন ভাবে তদন্তের মাধ্যমে কাজ করছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলীয় অনেক এমপিরও সাজা হয়েছে, কেউই রেহাই পাচ্ছে না এবং দলীয় পরিচয়ের অনেকেই দুর্নীতির অভিযোগে জেলে আছেন।

দুর্নীতি ও অপকর্মের সাথে জড়িত কোনো মনোনয়ন প্রত্যাশী আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে কোনভাবেই মনোনয়ন পাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন ওবায়দুল কাদের।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


দুদকের মতে তথ্য প্রমাণের অভাবে অনেক মামলা এগুচ্ছে না, কাজেই ঢালাও ভাবে অভিযোগ না করে এবং অন্ধকারে ঢিল না ছুড়ে সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ দিতে বিএনপির প্রতি আহবান জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন দুর্নীতি করে যারা দেশ-বিদেশে অর্থ পাচার করেছে বা সম্পদ গড়েছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা সরকার গণমাধ্যম বান্ধব সরকার উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাংবাদিক সমাজের সুখ দুঃখের সাথে তিনি জড়িয়ে আছেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গণমাধ্যমের ব্যাপক সম্প্রসারণ সরকারের উদারনীতির সাক্ষ্য বহন করে।

করোনাকালে মিডিয়া কর্মীদের বন্ধু ও স্বজন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পাশে দাঁড়িয়েছেন জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পেশাগত মর্যাদা ও আর্থিক সুরক্ষায় নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন গণমাধ্যম কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তায় আইনগত সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

বিএনপির উদ্দেশ্যমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্যের বিপরীতে ওবায়দুল কাদের বলেন দেশের গণমাধ্যম কর্মীদের স্বার্থের বিপক্ষে কোনো কাজ শেখ হাসিনা সরকার করেনি, করবেও না।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির শাসনামলে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের রেকর্ড গড়েছিলো তারা এবং তাদের শাসনামলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার অভিযোগও এনেছিলো বিএনপি। 

গণমাধ্যমের সেই শত্রু ও নির্যাতনকারী বিএনপি আজ সাংবাদিকদের বন্ধু সেজেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, তাদের মুখোশ সবার জানা, বিভিন্ন পেশায় কর্মরতদের উস্কানি দিয়ে বিদ্যমান স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায় বিএনপি। 

ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো ভাবেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ হবে না বলেও জানান।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে

অ্যামনেস্টির বক্তব্য তথ্যমন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান

অনলাইন ডেস্ক

অ্যামনেস্টির বক্তব্য তথ্যমন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ বিষয়ে সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।  

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ এবং এদেশের সরকারের বিরুদ্ধে নানা বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে আসছে উল্লেখ করে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সময়ে সময়ে সরব আবার অনেক সময় প্রচন্ড নিরব থাকে৷ 

সংস্থাটির গ্রহণযোগ্যতা হারানোর বিষয়ে ড. হাছান বলেন, 'এদেশে শত শত মানুষকে পেট্রোলবোমায় পুড়িয়ে হত্যা-দগ্ধ করার সময় যখন  অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কোনো বিবৃতি দেয় না, ফিলিস্তিনে যখন পাখি শিকারের মতো মানুষ হত্যার সময় যখন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক সপ্তাহ চুপ থাকে, আবার যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বিবৃতি দেয়, তখন এই সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা আসলে হারিয়ে গেছে।' 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয় ব্যাখ্যা করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্যই এ আইন। একজন গৃহিণী, সাংবাদিক, রিকশাচালক বা কর্মকর্তা, সবার ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্যই এই আইন। আগে যখন ডিজিটাল বিষয়টি ছিল না, তখন আইনেরও প্রয়োজন ছিল না। এখন যখন বিষয়টি এসে গেছে, মানুষের ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আইনেরও প্রয়োজন আছে। ডিজিটাল মাধ্যমে কারো চরিত্রহনন করা হলে, অসত্য অপপ্রচার হলে, তাকে সুরক্ষা দেবার জন্য এ আইন এবং সাধারণ মানুষই এ আইনের আশ্রয় নেয়। 

বিশ্বব্যাপী এধরনের আইনের উদাহরণ তুলে ধরে ড. হাছান বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুরসহ অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ আইন করা হয়েছে এবং হচ্ছে। সুতরাং এনিয়ে বারংবার কথা বলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

এসময় বিএনপিনেতা রিজভী আহমেদের করোনার টিকা গ্রহণ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী আহমেদ আগে টিকা নিয়ে সমালোচনা করলেও এখন টিকা নেয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান। মন্ত্রী বলেন, এটা শুভবুদ্ধির উদয় এবং এতে তিনি স্বীকার করে নিলেন যে, টিকা নিয়ে তার পূর্বের অপপ্রচার মিথ্যা ছিল। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফেসবুক লাইভে অঝোরে কাঁদলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুক লাইভে অঝোরে কাঁদলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর, ভিডিও ভাইরাল

আবারো খবরের শিরোনাম হলেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য পদ হারানো হেলেনা জাহাঙ্গীর। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত শনিবার আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপ-কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয় তাকে। 

সম্প্রতি ফেসবুকে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের নাম আসে। সে কারণেই তাকে উপ-কমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানান আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি।

বহিষ্কারের ঠিক একদিন পর ফেসবুক লাইভে এসে অঝোরে কাঁদলেন নিজেকে আইপি টিভি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া হেলেনা।

সোমবার (২৬ জুলাই) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, আমি সরকারের জন্য একটা চ্যানেল চালাচ্ছি। সেটা জয়যাত্রা টেলিভিশন। সেই চ্যানেল আমি ভতুর্কি দিয়ে চালাচ্ছি প্রায় চার বছর যাবৎ। আমি চ্যানেলের বাইরে কোনো কাজ করতে পারি না, এত মনোযোগ দিতে হয় আমাকে। জয়যাত্রা ছোট হোক, চ্যানেল তো। আমি তো চালাচ্ছি সরকারের জন্য। 

তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে ও লালন করে চলছি। এ বি এম রিয়াজুল কবির কায়সার গতকালকে বলেছিল, হেলেনা জাহাঙ্গীর আসছে, আমি চলে যাব। আমি বললাম, ভাই, আপনি থাকেন আমি চলে যাই, আমি বের হয়ে গেছি। কেন? আজকেও সেই অবস্থা বলছেন। হ্যাঁ, ’৭১ টিভিতে একটা প্রোগ্রাম ছিল সেই প্রোগামে তিনি বলছেন, উনার নাম কামাল ভাই। উনাকে আমি বললাম, ভাই, আপনি আমাকে এভাবে অপমান করতে পারেন না।

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, তারপরেও পুরুষরা এত খারাপ কেন, সব পুরুষ না, কিছু কিছু পুরুষ। এত খারাপ মেয়েদের পেছনে লেগে থাকে। লজ্জা করে না আপনাদের, মেয়েদের পেছনে লেগে থাকতে। মেয়েরা না মায়ের জাতি। মা না থাকলে আপনার জন্ম হতেন না। সেই মেয়েদেরকে আপনারা অপমান করেন, লেলিয়ে দেন; হেলেনা জাহাঙ্গীরের পেছনে লাগো। 

তিনি বলেন, মন্ত্রী মহোদয় আছেন, এমপিরা আছেন। আপনাদের যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে ছাতার ভেতরে আগলিয়ে রাখে, আপনাদের যদি পরামর্শ দেয়, আপনাদের পরামর্শ শুনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সেখানে আপনারা আমাদের পরামর্শ দেবেন। আমাদের কাজ করার সুযোগ দেবেন। আপনারা আমাদের অপমান করেন, অ্যারেস্ট করার হুকুম দেন। আপনি কি অ্যারেস্ট করার হুকুম দিতে পারেন। আপনি কি বড় জন? আপনি আমাকে অ্যারেস্ট করার ইয়া বলতে পারেন... পারেন না কখনোই। 

আরও পড়ুন:


কক্সবাজারের উখিয়ায় পাহাড় ধসে ৫ রোহিঙ্গা নিহত

৫ অতিরিক্ত সচিবকে বদলি 

ভারত সফর বাতিল করলেন আফগান সেনাপ্রধান

একজন আইনজীবির মৃত্যু ও আমাদের জন্য বার্তা


তিনি আরও বলেন, আমি যদি আজকে এই কথাগুলো শেয়ার না করতাম, তাহলে আমি হয়তো হার্ট অ্যাটাক করে মারা যেতে পারতাম। স্ট্রোক করেও মরতে পারতাম। আমার যে কষ্ট, এগুলো অবশ্যই শেয়ার করতে হবে। যদি মরেও যাই জাতি যেন মনে রাখে। যারা লেলিয়ে দিচ্ছে এবং যারা কমেন্ট করছেন; সাইবার ক্রাইমকে অনুরোধ, ওরা কারা, ওরা কোত্থেকে এসেছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন:

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরেই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরেই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেছেন, উন্নয়ন ও অর্জনের স্থপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় আসন্ন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরেই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকালে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অগ্রসরমান ডিজিটাল প্রযুক্তি: পথিকৃৎ মুজিব হতে সজীব’ শীর্ষক ওয়েবিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ আশা প্রকাশ করেন।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের সদস্যপদ গ্রহনের মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিমুখী অভিযাত্রা শুরু করেন। ১৯৭৫ সালে ১৪ জুন বঙ্গবন্ধু বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের যাত্রা শুরু করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ।

সততা, নিষ্ঠা এবং দক্ষতার সাথে সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবতায়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

মহামারি করোনায় যখন থমকে গেছে গেটা বিশ্ব তখন একের পর এক লকডাউনে স্থবির সরকারি সেবা আর ব্যবসা-বাণিজ্য উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন আমরা বুঝেছি ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে কী? করোনাকালে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা বাণিজ্যসহ প্রতিটি খাতে তথ্যপ্রযুক্তির যাদুকরী স্পষ্ট অনুভব করেছে বাংলাদেশ। 

তিনি বলেন করোনাজনিত ছন্দপতনের মাঝেও ডিজিটাল সেবায় দেশের জনগণ পেয়ে যাচ্ছে গতিময় সেবা।কোন কিছুই থেমে নেই,এগিয়ে চলেছে ডিজিটাল সেবার আওতায়।

সজিব ওয়াজেদ জয়কে এক নির্মোহ, নিবেদিত প্রাণ, দেশপ্রেমিক এবং স্বপ্নবান বিজ্ঞানী বলে অভিহিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন  যাকে নিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত গর্ববোধ করি,আর আইসিটি খাতের এ পরিবর্তনের নীরব স্থপতি সজীব ওয়াজেব জয়।

২০০৮ সালে নির্বাচনের ম্যানিফেস্টোতে যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন ঘোষণা করা হয়েছিলো তখন মানুষ এ নিয়ে নানান ব্যঙ্গ করেছিলো,- জনগণ ব্যঙ্গাত্বক করে বলতো ডিজিটাল বাংলাদেশ আবার কী? এমনটা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন আজ মাত্র একযুের ব্যবধানে এদেশের মানুষকে বুঝাতে হয় না, মানুষ উল্টো বুঝিয়ে দিচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে কী?

আজকের বাংলাদেশ আর একযুগের আগের বাংলাদেশ এক নয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা এখন নতুন বাংলাদেশের বাসিন্দা, বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এখন পারমানবিক ও স্যাটেলাইট  বিশ্বের সদস্য।

তিনি বলেন বদলে যাওয়া বাংলাদেশ আজ জয় করেছে অসীম সম্ভাবনার সুনীল সমুদ্রসীমা, বাংলাদেশ আজ তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে।

পিতার অর্জনের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুস্পষ্ট অভিলক্ষ্যে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন আর এ লক্ষ্য অর্জনের প্রভাবক হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি। 

প্রযুক্তির বদলে যাওয়া হাওয়া যে জাতি ধরতে পেরেছে তারাই এগিয়েছে টেকসই উন্নয়নের গতিময় পথনকশা ধরে,আর এখানেই দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন ভবিষ্যত বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, যিনি ডিজিটাল বিশ্বে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করেছেন "রোয়ারিং টাইগার " হিসেবে। 

বিএনপি শেখ হাসিনা সরকারকে নিয়ে নানান মিথ্যাচার করছে কিন্তু শেখ হাসিনার পুত্র -কন্যা নিজ নিজ যোগ্যতা  ও অধিক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানান তাঁরা হাওয়া ভবনের মতো বিকল্প কোথাও কোন ক্ষমতা কেন্দ্র বা সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করে বাধা সৃষ্টি করেনি যা বিএনপির শাসনামলে ছিলো নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

আরও পড়ুন


৩০ হাজার টাকার জন্য ৩ বন্ধু মিলে গলা কেটে হত্যা করে উজ্জলকে

অক্সিজেন পাচার নয়, নতুন কৌশলে টাকা আত্মসাৎ করত তারা

পর্নগ্রাফিকাণ্ডে আগাম জামিন নিলেন শার্লিন চোপড়া

বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ৭৩টি সুন্ধি কচ্ছপ আটকের পর খানজাহান দিঘিতে অবমুক্ত


আওয়ামী লীগের সাধারণ আবারও  বলেন এখন কোন রাজনীতি নেই,এখন রাজনীতি হচ্ছে মানুষকে বাঁচানো এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো। দেশের মানুষকে বাঁচাতে মানুষের সুরক্ষায় এখন দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসারও আহবান জানান তিনি।

দেশ ও জনগণের এই সংকট বিএনপি এখনও অসহায় মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে ধান ভানতে শীবের গীত গেয়ে যাচ্ছে অবিরাম, মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বিএনপির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বক্তব্য প্রসঙ্গে বলেন মানুষ বেঁচে না থাকলে কাকে দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বিএনপি? 

ওবায়দুল কাদের আবারও বিএনপিকে এই সংকটকালে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডক্টর হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে  ওয়েবিনারে আরো সংযুক্ত ছিলেন উপকমিটির সদস্য সচিব ইন্জিনিয়ার আবদুস সবুর,ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ডুয়েটের উপাচার্য ডক্টর হাবিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মুনাজ আহমেদ নূর। ওয়েবিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আজ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

অনলাইন ডেস্ক

আজ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। ১৯৯৪ সালের এই দিনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক নেতাদের সমন্বয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন।

গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রাম ও সাফল্যের পথ বেয়ে সংগঠনটি ২৭ বছরে পদার্পণ করলো। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন আওয়ামী লীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সকাল ৯টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ।

বিকেল সাড়ে ৪টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিক-নির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন।

এতে সংগঠনের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ স্বাগত বক্তব্য রাখবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বক্তব্য রাখবেন।

সভার শুরুতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিগত এক বছরের কার্যক্রম নিয়ে ৫ মিনিট ৩১ সেকেন্ডের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং ‘স্বেচ্ছাসেবার ১ বছর’ ২০১৯-২০২০ইং শিরোনামে প্রকাশিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর


 

আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা ও তার সুস্বাস্থ্য কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাত্র দুদিন বাকী থাকতে সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ স্থগিত

হাবিবুল ইসলাম হাবিব

মাত্র দুদিন বাকী থাকতে সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করলেন হাইকোর্ট। সোমবার এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। করোনায় দেশব্যাপী লকডাউন থাকায় নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ২৮ জুলাই উপনির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিটটি দায়ের করে কয়েকজন ভোটার ও হাইকোর্টের ৭ আইনজীবী। 

দেশে করোনা সংক্রমণ যখন উর্ধ্বমুখি তখন সংসদীয় আসন সিলেট-৩ ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জে নির্বাচনী আমেজ। মাত্র দুদিন বাদে ২৮ জুলাই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।  নির্বাচনকে উপলক্ষ করে চলছিল শেষ মুহুর্তের প্রচার প্রচারনা।

নির্বাচন নাকের ডগায় থাকায় সিলেটের আইন শৃঙ্খলা বানিহীর সাথে গেল শনিবার এক বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ঐ বৈঠকে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় পেছানোর কোন সুযোগ নেই এবং নির্বাচনী এলাকা লকডাউনের আউতামুক্ত থাকবে।

কিন্তু করোনার প্রকোপ উর্ধ্বোমুখি থাকায় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন কয়েকজন ভোটার ও ৭ আইনজীবী। রিটের শুনানী নিয়ে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বাচন  স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর


 

সংবিধানের ১২৩ এর দফা ৪ এর শর্তানুসারে নির্বাচনি আসন শূণ্য হওয়ার প্রথম ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে না পারলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। সে অনুযায়ী সিলেট উপ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় সীমা এবছরের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর