নোয়াখালী-৫ আসন, মওদুদের উত্তরসূরী হতে চান স্ত্রীসহ ৭ জন

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী-৫ আসন, মওদুদের উত্তরসূরী হতে চান স্ত্রীসহ ৭ জন

কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে নোয়াখালী-৫ সংসদীয় আসন। এই আসন ভিআইপি আসন হিসেবেও পরিচিত। জীবদ্দশায় বিএনপির নেতৃত্বে নিজের আসনসহ নোয়াখালীতে সর্বেসর্বা ছিলেন প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি এবং বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুর পর এ আসনে বিএনপির নেতৃত্ব কে দেবেন তাই নিয়ে আলোচনা চলছে। 

এই আসনে মওদুদের উত্তরসূরী হিসেবে বিএনপির হাল ধরতে চান তার সহধর্মীনি হাসনা জসীম উদদীন মওদুদসহ ৭জন। নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের মধ্যে দলের ত্যাগী-পরিক্ষিত নেতা যেমন আছেন, তেমনি আছেন নতুন বিএনপি নেতাও। এ পরিস্থিতিতে যে কোনো মুহূর্তে আসতে পারে নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা বলে এমন আভাস পাওয়া গেছে।

নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন প্রয়াত ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের সহধর্মীনি সাবেক সংসদ সদস্য হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফোরকান ই আলম, ২০ দলীয় জোট সমর্থিত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট পারভীন কাউছার মুন্নি।
   
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত মওদুদ আহমদের সহধর্মীনি হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ এগিয়ে রয়েছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানায়, নোয়াখালী-৫ আসনের বিএনপি ছিল মওদুদ আহমদের মতো পাহাড়সম যোগ্যতার অধিকারী রাজনীতিবিদের নেতৃত্বে। আগামী দিনের রাজনীতিতে মওদুদ আহমদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধের ওপর নির্ভর করবে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা। এইটা ভুলে গেলে চলবে না।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মেহেদী হাসান টিপু বলেন, শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম মাঠ পর্যায়ের বিএনপির নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে রয়েছেন। দলকে সু-সংগঠিত করতে তাকে দলের নেতৃত্বে সুযোগ দেওয়া উচিত।

হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ বলেন, প্রিয়জন হারিয়ে আমি এখনো শোকের মধ্যে আছি। তবে আমাদের দল থেকে যখন যে সিদ্ধান্ত আসবে, সে হিসেবে আমি করণীয় ঠিক করব এবং সেটাই পালন করব। তবে এলাকার মানুষ চাইলে আমি বিয়টি প্রাধান্য দেব।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি বলেন, এখানে বলতে গেলে বিএনপির অস্তিই ছিল না। সদর-কোম্পানীগঞ্জে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থাটা আমি তৈরি করেছি।

বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ বলেন, মওদুদ সাহেবই এলাকার রাজনীতিতে আমাকে উৎসাহিত করেন। আমি চাচ্ছি না, মওদুদ সাহেবের মৃত্যুর পরপরই এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে। বরং আমি চাচ্ছি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই এলাকার রাজনীতির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড দেখভালের জন্য দায়িত্ব দিবেন। দলকে ভালোবেসে দলের দায়িত্ব নিতে আমার আগ্রহ থাকাটা স্বাভাবিক। তবে দলের হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্ত নিবে তা মেনেই আমরা রাজনীতি করব।

ফোরকান ই আলম বলেন, দল যদি আমাকে দায়িত্ব দেয় আমি দায়িত্ব পালনে আগ্রহী।

ফখরুল ইসলাম বলেন, এখন অনেককে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।  দল কাকে দিবে এটা দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। 

অ্যাডভোকেট পারভীন কাউছার মুন্নি বলেন, আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। বিভিন্নভাবে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দলের কাছে আমার বক্তব্য তুলে ধরব। দল যে সিদ্ধান্ত দিবে আমরা তা মেনে দলের জন্য কাজ করব।

এ বিষয়ে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, যারা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলের কাজ করবে তারাই নতুন নেতৃত্বে উঠে আসবেন।

স্থানীয়দের ধারণা, এ আসনটিতে যে প্রার্থী জয় পান, তার দল সরকার গঠন করে। ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনের সময় থেকেই এ আসনে লড়ে আসছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও মওদুদ আহমদ। যেবার মওদুদ জিতেছেন, সেবার বিএনপি সরকার গঠন করেছে, যেবার ওবায়দুল কাদের জিতেছেন, সেবার আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৬ মার্চ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যু হয়। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ১৯৪০ সালের ২৪ মে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

আরও পড়ুন


অভিনব কায়দায় ব্যাংকে চুরি করতে গিয়ে আটক

নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে কবিরাজ, অতঃপর

পাকিস্তানের সংসদে বাজেট অধিবেশনের সময় মারামারি (ভিডিও)

চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ভিএনসিসির অধ্যক্ষ পদে নির্দলীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি বিএনপির

অনলাইন ডেস্ক

ভিএনসিসির অধ্যক্ষ পদে নির্দলীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি বিএনপির

অবিলম্বে ভিকারুননেসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের দলবাজ, সন্ত্রাসী প্রিন্সিপালকে অপসারণপূর্বক ন্যায়-নিষ্ঠ, ভদ্র, আদর্শবান, সত, নির্ভিক ও নির্দলীয় শিক্ষককে প্রিন্সিপাল হিসেবে নিয়োগ দেয়ার আহবান জানিয়েছেন  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভিকারুননিসা নূনস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার এবং একজন অভিভাবকের ফোনালাপ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের পর মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই দাবী জানান। 

তিনি বলেন, ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে অতীতে স্বনামধন্য, যোগ্য শিক্ষকরাই দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। আজকে দূর্ভাগ্য যে, বর্তমান সরকারের আমলে শুরু থেকেই ক্রমাগত নির্লজ্জ দলীয়করণ, ভর্তি বানিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতি ইত্যাদির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের মান-মর্যাদা ধুলিস্যাত করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, অধ্যক্ষ কামরুন নাহার ও একজন অভিভাবকের ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ফাঁস হওয়ায় এখন সমালোচনার ঝড় বইছে। ফোনালাপের সময় অধ্যক্ষ কামরুন নাহার কথা বলার এক পর্যায়ে একজন অভিভাবককে বলেন, “আমি বালিশের নিচে পিস্তল রাখি। কোনো ... বাচ্চা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু ওর পেছনে লাগবো, আমি শুধু ভিকারুননিসা না, আমি দেশছাড়া করবো।”

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের মতো দায়িত্বশীল পদে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসী-ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রকাশিত ফোনালাপেই বোঝা যায় কি তার পরিচয়। কি তার চরিত্র। এরা শিক্ষক নামের কলঙ্ক। এই দলবাজ, সন্ত্রাসী মহিলা যিনি কথায় কথায় ক্ষমতার দাপটে অস্ত্র ও লীগ নামধারী সন্ত্রাসী বাহিনীর হুমকি দেয়, প্রকাশের অনুপযোগী অশ্রাব্য অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন, তার হাতে শিক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রী,অভিভাবকসহ কেউই নিরাপদ নয়। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

দলবাজ সরকার দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও বজায় রাখতে এরকমশিক্ষিকাকে বসিয়ে এই স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস ও ক্ষমতাসীন দলের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায়।  ভোটবিহীন সরকারের চরিত্র, ভাষা, ব্যবহার যে ধরণের, তাদের পছন্দের ব্যক্তিরাও একই ধরণের হবে-এটাই স্বাভাবিক।

তিনি অভিযোগ করে বলেন,দেশের প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই একই অবস্থা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে দলীয় অনুগত, এমনকি নৈতিক স্খলন ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তদেরকে ভিসি বা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার মর্যাদা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হচ্ছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল যুগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

ডিজিটাল যুগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধারণা আজ তার মাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাস্তবায়ন হচ্ছে। চতূর্থ শিল্প বিপ্লবের মধ্যে বাংলাদেশকে নিয়ে গিয়ে ইতোমধ্যেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ডিজিটাল যুগে তার মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত দোয়া ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। 

মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখন ২০০৮ সালে ডিজিটাল দেশ গড়ার ঘোষণা দেয়, তখনও ভারত এমনকি যুক্তরাজ্যও সেই ঘোষণা দেয়নি, তারা দিয়েছে আরো পরে। আজ। সেকারণেই প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্প বিপ্লবে আমরা পিছিয়ে পড়লেও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ধারণাতে ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সঠিক সময়ে সম্পৃক্ত হয়ে ডিজিটাল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছে।  দেশের আপামর জনগণ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করছে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এড. উম্মে কুলসুম স্মৃতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং কৃষক লীগের সহসভাপতি শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ বিটু, সংসদ সদস্য হোসনে আরা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে কৃষক লীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও গাছের চারা রোপণ করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে

অ্যামনেস্টির বক্তব্য তথ্যমন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান

অনলাইন ডেস্ক

অ্যামনেস্টির বক্তব্য তথ্যমন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ বিষয়ে সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।  

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ এবং এদেশের সরকারের বিরুদ্ধে নানা বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে আসছে উল্লেখ করে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সময়ে সময়ে সরব আবার অনেক সময় প্রচন্ড নিরব থাকে৷ 

সংস্থাটির গ্রহণযোগ্যতা হারানোর বিষয়ে ড. হাছান বলেন, 'এদেশে শত শত মানুষকে পেট্রোলবোমায় পুড়িয়ে হত্যা-দগ্ধ করার সময় যখন  অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কোনো বিবৃতি দেয় না, ফিলিস্তিনে যখন পাখি শিকারের মতো মানুষ হত্যার সময় যখন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক সপ্তাহ চুপ থাকে, আবার যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বিবৃতি দেয়, তখন এই সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা আসলে হারিয়ে গেছে।' 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয় ব্যাখ্যা করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্যই এ আইন। একজন গৃহিণী, সাংবাদিক, রিকশাচালক বা কর্মকর্তা, সবার ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্যই এই আইন। আগে যখন ডিজিটাল বিষয়টি ছিল না, তখন আইনেরও প্রয়োজন ছিল না। এখন যখন বিষয়টি এসে গেছে, মানুষের ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আইনেরও প্রয়োজন আছে। ডিজিটাল মাধ্যমে কারো চরিত্রহনন করা হলে, অসত্য অপপ্রচার হলে, তাকে সুরক্ষা দেবার জন্য এ আইন এবং সাধারণ মানুষই এ আইনের আশ্রয় নেয়। 

বিশ্বব্যাপী এধরনের আইনের উদাহরণ তুলে ধরে ড. হাছান বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুরসহ অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ আইন করা হয়েছে এবং হচ্ছে। সুতরাং এনিয়ে বারংবার কথা বলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

এসময় বিএনপিনেতা রিজভী আহমেদের করোনার টিকা গ্রহণ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী আহমেদ আগে টিকা নিয়ে সমালোচনা করলেও এখন টিকা নেয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান। মন্ত্রী বলেন, এটা শুভবুদ্ধির উদয় এবং এতে তিনি স্বীকার করে নিলেন যে, টিকা নিয়ে তার পূর্বের অপপ্রচার মিথ্যা ছিল। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফেসবুক লাইভে অঝোরে কাঁদলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুক লাইভে অঝোরে কাঁদলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর, ভিডিও ভাইরাল

আবারো খবরের শিরোনাম হলেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য পদ হারানো হেলেনা জাহাঙ্গীর। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত শনিবার আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপ-কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয় তাকে। 

সম্প্রতি ফেসবুকে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের নাম আসে। সে কারণেই তাকে উপ-কমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানান আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি।

বহিষ্কারের ঠিক একদিন পর ফেসবুক লাইভে এসে অঝোরে কাঁদলেন নিজেকে আইপি টিভি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া হেলেনা।

সোমবার (২৬ জুলাই) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, আমি সরকারের জন্য একটা চ্যানেল চালাচ্ছি। সেটা জয়যাত্রা টেলিভিশন। সেই চ্যানেল আমি ভতুর্কি দিয়ে চালাচ্ছি প্রায় চার বছর যাবৎ। আমি চ্যানেলের বাইরে কোনো কাজ করতে পারি না, এত মনোযোগ দিতে হয় আমাকে। জয়যাত্রা ছোট হোক, চ্যানেল তো। আমি তো চালাচ্ছি সরকারের জন্য। 

তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে ও লালন করে চলছি। এ বি এম রিয়াজুল কবির কায়সার গতকালকে বলেছিল, হেলেনা জাহাঙ্গীর আসছে, আমি চলে যাব। আমি বললাম, ভাই, আপনি থাকেন আমি চলে যাই, আমি বের হয়ে গেছি। কেন? আজকেও সেই অবস্থা বলছেন। হ্যাঁ, ’৭১ টিভিতে একটা প্রোগ্রাম ছিল সেই প্রোগামে তিনি বলছেন, উনার নাম কামাল ভাই। উনাকে আমি বললাম, ভাই, আপনি আমাকে এভাবে অপমান করতে পারেন না।

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, তারপরেও পুরুষরা এত খারাপ কেন, সব পুরুষ না, কিছু কিছু পুরুষ। এত খারাপ মেয়েদের পেছনে লেগে থাকে। লজ্জা করে না আপনাদের, মেয়েদের পেছনে লেগে থাকতে। মেয়েরা না মায়ের জাতি। মা না থাকলে আপনার জন্ম হতেন না। সেই মেয়েদেরকে আপনারা অপমান করেন, লেলিয়ে দেন; হেলেনা জাহাঙ্গীরের পেছনে লাগো। 

তিনি বলেন, মন্ত্রী মহোদয় আছেন, এমপিরা আছেন। আপনাদের যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে ছাতার ভেতরে আগলিয়ে রাখে, আপনাদের যদি পরামর্শ দেয়, আপনাদের পরামর্শ শুনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সেখানে আপনারা আমাদের পরামর্শ দেবেন। আমাদের কাজ করার সুযোগ দেবেন। আপনারা আমাদের অপমান করেন, অ্যারেস্ট করার হুকুম দেন। আপনি কি অ্যারেস্ট করার হুকুম দিতে পারেন। আপনি কি বড় জন? আপনি আমাকে অ্যারেস্ট করার ইয়া বলতে পারেন... পারেন না কখনোই। 

আরও পড়ুন:


কক্সবাজারের উখিয়ায় পাহাড় ধসে ৫ রোহিঙ্গা নিহত

৫ অতিরিক্ত সচিবকে বদলি 

ভারত সফর বাতিল করলেন আফগান সেনাপ্রধান

একজন আইনজীবির মৃত্যু ও আমাদের জন্য বার্তা


তিনি আরও বলেন, আমি যদি আজকে এই কথাগুলো শেয়ার না করতাম, তাহলে আমি হয়তো হার্ট অ্যাটাক করে মারা যেতে পারতাম। স্ট্রোক করেও মরতে পারতাম। আমার যে কষ্ট, এগুলো অবশ্যই শেয়ার করতে হবে। যদি মরেও যাই জাতি যেন মনে রাখে। যারা লেলিয়ে দিচ্ছে এবং যারা কমেন্ট করছেন; সাইবার ক্রাইমকে অনুরোধ, ওরা কারা, ওরা কোত্থেকে এসেছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন:

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরেই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরেই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেছেন, উন্নয়ন ও অর্জনের স্থপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় আসন্ন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরেই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকালে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অগ্রসরমান ডিজিটাল প্রযুক্তি: পথিকৃৎ মুজিব হতে সজীব’ শীর্ষক ওয়েবিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ আশা প্রকাশ করেন।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের সদস্যপদ গ্রহনের মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিমুখী অভিযাত্রা শুরু করেন। ১৯৭৫ সালে ১৪ জুন বঙ্গবন্ধু বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের যাত্রা শুরু করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ।

সততা, নিষ্ঠা এবং দক্ষতার সাথে সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবতায়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

মহামারি করোনায় যখন থমকে গেছে গেটা বিশ্ব তখন একের পর এক লকডাউনে স্থবির সরকারি সেবা আর ব্যবসা-বাণিজ্য উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন আমরা বুঝেছি ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে কী? করোনাকালে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা বাণিজ্যসহ প্রতিটি খাতে তথ্যপ্রযুক্তির যাদুকরী স্পষ্ট অনুভব করেছে বাংলাদেশ। 

তিনি বলেন করোনাজনিত ছন্দপতনের মাঝেও ডিজিটাল সেবায় দেশের জনগণ পেয়ে যাচ্ছে গতিময় সেবা।কোন কিছুই থেমে নেই,এগিয়ে চলেছে ডিজিটাল সেবার আওতায়।

সজিব ওয়াজেদ জয়কে এক নির্মোহ, নিবেদিত প্রাণ, দেশপ্রেমিক এবং স্বপ্নবান বিজ্ঞানী বলে অভিহিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন  যাকে নিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত গর্ববোধ করি,আর আইসিটি খাতের এ পরিবর্তনের নীরব স্থপতি সজীব ওয়াজেব জয়।

২০০৮ সালে নির্বাচনের ম্যানিফেস্টোতে যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন ঘোষণা করা হয়েছিলো তখন মানুষ এ নিয়ে নানান ব্যঙ্গ করেছিলো,- জনগণ ব্যঙ্গাত্বক করে বলতো ডিজিটাল বাংলাদেশ আবার কী? এমনটা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন আজ মাত্র একযুের ব্যবধানে এদেশের মানুষকে বুঝাতে হয় না, মানুষ উল্টো বুঝিয়ে দিচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে কী?

আজকের বাংলাদেশ আর একযুগের আগের বাংলাদেশ এক নয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা এখন নতুন বাংলাদেশের বাসিন্দা, বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এখন পারমানবিক ও স্যাটেলাইট  বিশ্বের সদস্য।

তিনি বলেন বদলে যাওয়া বাংলাদেশ আজ জয় করেছে অসীম সম্ভাবনার সুনীল সমুদ্রসীমা, বাংলাদেশ আজ তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে।

পিতার অর্জনের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুস্পষ্ট অভিলক্ষ্যে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন আর এ লক্ষ্য অর্জনের প্রভাবক হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি। 

প্রযুক্তির বদলে যাওয়া হাওয়া যে জাতি ধরতে পেরেছে তারাই এগিয়েছে টেকসই উন্নয়নের গতিময় পথনকশা ধরে,আর এখানেই দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন ভবিষ্যত বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, যিনি ডিজিটাল বিশ্বে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করেছেন "রোয়ারিং টাইগার " হিসেবে। 

বিএনপি শেখ হাসিনা সরকারকে নিয়ে নানান মিথ্যাচার করছে কিন্তু শেখ হাসিনার পুত্র -কন্যা নিজ নিজ যোগ্যতা  ও অধিক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানান তাঁরা হাওয়া ভবনের মতো বিকল্প কোথাও কোন ক্ষমতা কেন্দ্র বা সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করে বাধা সৃষ্টি করেনি যা বিএনপির শাসনামলে ছিলো নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

আরও পড়ুন


৩০ হাজার টাকার জন্য ৩ বন্ধু মিলে গলা কেটে হত্যা করে উজ্জলকে

অক্সিজেন পাচার নয়, নতুন কৌশলে টাকা আত্মসাৎ করত তারা

পর্নগ্রাফিকাণ্ডে আগাম জামিন নিলেন শার্লিন চোপড়া

বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ৭৩টি সুন্ধি কচ্ছপ আটকের পর খানজাহান দিঘিতে অবমুক্ত


আওয়ামী লীগের সাধারণ আবারও  বলেন এখন কোন রাজনীতি নেই,এখন রাজনীতি হচ্ছে মানুষকে বাঁচানো এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো। দেশের মানুষকে বাঁচাতে মানুষের সুরক্ষায় এখন দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসারও আহবান জানান তিনি।

দেশ ও জনগণের এই সংকট বিএনপি এখনও অসহায় মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে ধান ভানতে শীবের গীত গেয়ে যাচ্ছে অবিরাম, মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বিএনপির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বক্তব্য প্রসঙ্গে বলেন মানুষ বেঁচে না থাকলে কাকে দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বিএনপি? 

ওবায়দুল কাদের আবারও বিএনপিকে এই সংকটকালে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডক্টর হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে  ওয়েবিনারে আরো সংযুক্ত ছিলেন উপকমিটির সদস্য সচিব ইন্জিনিয়ার আবদুস সবুর,ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ডুয়েটের উপাচার্য ডক্টর হাবিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মুনাজ আহমেদ নূর। ওয়েবিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর