গুলশানের ক্লাবে রাতে ভাঙচুর পরীমনির,গুলশান থানায় সাধারণ ডায়রি

গুলশানের ক্লাবে রাতে ভাঙচুর পরীমনির,গুলশান থানায় সাধারণ ডায়রি

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরী মনিকাণ্ডের পর এবার জানা গেল আরেক কাণ্ডের কথা। এদিকে নিয়ম ভেঙে কয়েকটি সোশ্যাল ক্লাবে মধ্যরাতে পরী মনির যাতায়াত এবং মদ্যপানের খোঁজখবর করছে পুলিশ। এরইমধ্যে গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবে এই নায়িকার বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ৭ জুন পরীমনি ও তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ওই ক্লাবে গিয়ে গ্লাস ভাঙচুর করেছেন বলে এই অভিযোগ তোলা হয়েছে।

গুলশান থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ৭ জুন গভীর রাতে। ৮ জুন রাতে রাজধানীর অল কমিউনিটি ক্লাবে চিত্রনায়ীকা পরীমনি ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ৮ জুন রাতে রাজধানীর অল কমিউনিটি ক্লাবে চিত্রনায়ীকা পরীমনি ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এ অভিযোগে গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছে ক্লাবটি।

 

বুধবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ৭টার দিকে অল কমিউনিটি ক্লাবের সভাপতি কে এম আলমগীর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ৮ জুন রাতে পরী মনির ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরেন।

ক্লাবের সভাপতি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী রাত ১১টায় ক্লাব বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাত প্রায় ১টা ৪০ মিনিটের দিকে পরী মনি এক সদস্যের মাধ্যমে ক্লাবের বারে প্রবেশ করে মদ অর্ডার করেন। মদের একটি বোতল তার টেবিলেও দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়েটাররা পরিবেশন করতে রাজি না হওয়ায় ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠেন পরীমনি। এক পর্যায়ে ১৫টি গ্লাস, ৯টি স্ট্রে ও বেশ কিছু গ্লাস ভাঙচুর করে বেরিয়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন।

জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, এটা ফালতু একটা অভিযোগ। এত দিন পরে কেন এই অভিযোগ?

গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, ৭ জুন গভীর রাতে ৯৯৯–এর একটি কলে গুলশান থানা-পুলিশের একটি দল অল কমিউনিটি ক্লাবে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কথা-কাটাকাটির জেরে ক্লাবে গ্লাস ভাঙচুর করেছেন পরীমনি। পরে আর এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি।

বুধবার (১৬ জুন) অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, পরীমণি ওই ক্লাবের সদস্য নন। ৮ জুন (মঙ্গলবার) রাতে তিনি ক্লাবে অনুপ্রবেশ করেন। তারপর ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা ও তর্কবিতর্ক হয়। ঘটনাস্থল থেকে একজন জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দেয়। ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, ৯৯৯ থেকে গুলশান থানায় ফোন করলে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ গিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা দেখতে পায়। এরপর পুলিশ থানায় ফিরে এসে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আকারে গোটা বিষয়টি থানায় অবগত করে।

news24bd.tv/আলী