আবু ত্ব-হাকে খুঁজে বের করার দাবিতে সমাবেশ

অনলাইন ডেস্ক

আবু ত্ব-হাকে খুঁজে বের করার দাবিতে সমাবেশ

ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানসহ তাঁর সঙ্গীদের সাত দিনেও সন্ধান মেলেনি। তাঁদের খুঁজে বের করার দাবিতে রংপুরে আজ বৃহস্পতিবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়েছে। রংপুর শহরের লায়ন্স স্কুল ও কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ব্যানারে প্রতিষ্ঠানটির সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


সমাবেশে কলেজশিক্ষক বাসেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন লায়ন্স স্কুল ও কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রাকিবুল বাসার, রাকিব আহমেদ, সিয়াম ইবনে শরিফ, শিবলী সৈয়দ প্রমুখ। নিখোঁজদের সন্ধানে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত

গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত

পরবর্তী খবর

আবারও বাড়ল লকডাউন

নিজস্ব প্রতিবেদক

আবারও বাড়ল লকডাউন

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আবারও বাড়ানো হয়েছে সরকারের দেওয়া চলমান বিধিনিষিধের মেয়াদ। আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে লকডাউনের সময়সীমা। 

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ তথ্য জানান।

এর আগে মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) বেলা ১১টায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv এসএম

আরও পড়ুন


নরসিংদীতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ

জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তাওবা

নাটোরে ধর্ষণ মামলার আসামি ও এক মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার


 

পরবর্তী খবর

জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না। পিছিয়ে থাকবে না। এই বাংলাদেশে প্রত্যেকটি মানুষ সুন্দর ও উন্নত জীবন পাবে। জাতির পিতা বেঁচে থাকলে আরও আগেই সেটা পেত। তবে আমাদের দুর্ভাগ্য তাকে আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়ার ফলে সেটা পেলাম না। তবে আমরা তার সেই কাজই করে যাচ্ছি।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ঢাকায় নির্মিত ২ হাজার ৪৭৪টি ফ্ল্যাট সংবলিত ৫টি আবাসন প্রকল্প’, ‘মাদারীপুরে নির্মিত সমন্বিত অফিস ভবন উদ্বোধন’ এবং ‘জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নিজ-অর্থায়নে বস্তিবাসীদের জন্য মিরপুরে নির্মিত ভাড়াভিত্তিক ৩০০টি ফ্ল্যাট’ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘জাতির পিতা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশের জন্য। তিনি সবসময় একটি কথাই বলতেন, ‘আমার জীবনের একমাত্র কামনা বাংলাদেশের মানুষ অন্ন পাবে, বস্ত্র পাবে, তারা উন্নত জীবনের অধিকারী হবে।’ এই বাংলাদেশের মানুষ রোগে-শোকে ছিল। শিক্ষার আলো পেত না। তাদের ভাগ্যোন্নয়ন করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর মূল লক্ষ্য। এজন্য ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেছেন। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি থেকে তিনি ধাপে ধাপে জাতিকে মুক্ত ও স্বাধীন করেছেন। আর এই দাবির সংগ্রামের মধ্যেই তাকে জেলে নিয়েছে, নির্যাতন করেছে, হত্যা করতে চেয়েছে।’’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ভূমিহীনদের ঘর করে দেয়ার ব্যবস্থা করেন। সাড়ে তিন বছর একটা রাষ্ট্রের জন্য কম সময়। তখন তো একটা প্রদেশ ছিল, সেটা দেশে উন্নীত করা ও তার গঠন করা; এটা তিনি করে গেছেন। কিছু বেইমান-মুনাফেকের জন্য তার ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হয়নি।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘জাতির পিতার হত্যাকণ্ডের সময় আমরা দেশের বাইরে ছিলাম। আমার দল ও বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় ফিরে আসি। আমার আসার পথ সহজ ছিল না। তৎকালীন ক্ষমতা দখলকারীরা নানা বাধা সৃষ্টি করেছে। আজকে আমরা ক্ষমতায়। সরকারে থেকে তৃণমূল মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, তাদের জীবনমান উন্নত করা এবং সংবিধানের আলোকের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছি।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে আমরা কাজ করাবো, তাদের ভালো-মন্দও তো দেখতে হবে। আজিমপুর সরকারি কলোনিতে গ্যাস ছিল না, আমিই আব্বাকে বলে সে গ্যাসের লাইন করে দিয়েছিলাম। আমি সরকার গঠন করে উদ্যোগ নিয়েছিলাম, সকলকে ফ্ল্যাট করে দেব, সুন্দর পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করে দেব, যাতে কর্মকর্তারা ভালোভাবে কাজ করতে পারেন।’

তিনি বলেন, প্রত্যেকটা মহকুমাকে জাতির পিতা জেলায় রূপান্তর করেন। জেলা গর্ভনর নিয়োগ দেন, যেন প্রত্যেকটা জায়গা পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠতে পারে। ৭৫-এর পর এ পরিকল্পনা পরিবর্তন করে ফেলা হয়। এখন আমরা সে ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রথমে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন কমপ্লেক্স করে দিয়েছি। যাতে এক জায়গা থেকে সব সেবা পাওয়া যায়। পরে উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন করে দিয়েছি। এখন মাদারীপুরে জেলায় কমপ্লেক্স করে দিলাম। এক ছাদের নিচে সব সরকারি সেবা পাবে মানুষ। সব জেলা ও উপজেলায় কমপ্লেক্স করে দেব। অফিসারদের থাকার জন্য ফ্ল্যাটও করে দেব।’

আরও পড়ুন


অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তাওবা

নাটোরে ধর্ষণ মামলার আসামি ও এক মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার

সেনবাগে বিকাশ প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে শিক্ষার্থীদের টাকা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ঘরেফেরা কর্মসূচি নিয়েছি। কোনো বস্তিবাসী যদি নিজ গ্রামে যায়, তাকে ঘর করে দেয়া, কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ করে দেব। ঋণ দেব। বস্তিতে তারা মানবেতর জীবন যাপন করে, এটি অস্বাস্থ্যকর ও বসবাসের অনুপযোগী। এজন্য তাদের জন্য সুন্দর ও আধুনিক ব্যবস্থাপনায় থাকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আজকে ৩০০ পরিবারকে ৩০০ ফ্ল্যাট দিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে সবাইকে ফ্ল্যাট দেব। কেউ গ্রামে যেতে চাইলে সে ব্যবস্থাও করবো। গ্রামের ঘরবাড়ি করে দেব। ঢাকায় ফ্ল্যাটে থাকলে মাসে ভাড়া দিয়ে থাকতে হবে। গ্রামে গেলে সব বিনামূল্যে করে দেয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না।’

এসময় তিনি বলেন, ‘পূর্বাচলে যাদের জমির মালিকানা ছিল, তাদের একটা করে প্লট করে দেয়ার কথা ছিল। সেটা কেউ করেনি। আমাদের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় নামমাত্র মূল্যে তাদের প্লটগুলো দিয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমদে ও সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

৭৩টি ভুঁইফোড় সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে ৭৩টি ভুঁইফোড় সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে আওয়ামী লীগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুণ অর রশীদ বলেন, এর প্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুত তাদের গ্রেফতার করবে। 

তিনি জানান , এই  ৭৩টি সংগঠনের মধ্যে রয়েছে, আওয়ামী প্রচার লীগ, আওয়ামী তরুণ লীগ, আওয়ামী রিকশা মালিক শ্রমিক ঐক্য লীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, আওয়ামী নৌকার মাঝি শ্রমিক লীগ। শুধু এগুলিই নয়, এমন আরও অদ্ভুত নাম জুড়ে সংগঠন খোলার তালিকায় রয়েছে ওলামা লীগ, চেতনায় মুজিব, ডিজিটাল ছাত্রলীগ, আমরা নৌকার প্রজন্ম। এই সব সংগঠনের কাজই হলো বিভিন্ন মানুষকে ভাঙ্গিয়ে নানাভাবে অথ উর্পাজন ও ব্ল্যাকমেইল করা।

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে করোনায় একদিনে মৃত্যু আরও ১০

রামেকে করোনা ওয়ার্ডে ১৯ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা ইউনিটে একদিনে ১৭ জনের মৃত্যু

এবার নতুন রূপে হিরো আলম

নামে বেনামে এই সব সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও তাদের সাথে জড়িতদের দ্রুত আটক করা হবে।

আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে অসাধু চক্রের তৈরি করা আরও রয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয় লীগ, আওয়ামী অনলাইন লীগ, ডিজিটাল আওয়ামী ওলামা লীগ, আওয়ামী শিশু লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

মহামারিতেও তৎপর জঙ্গিরা, অনলাইনে চলছে প্রচারণা

মৌ খন্দকার

মহামারিতেও তৎপর জঙ্গিরা, অনলাইনে চলছে প্রচারণা

করোনাকালে বসে নেই জঙ্গিরা, বরং চলছে অনলাইনে সদস্য সংগ্রহ। গোয়েন্দা তথ্য বলছে, জঙ্গিদের আবার পুনর্গঠিত হওয়ার চেষ্টা আছে, তারা বিভিন্ন অ্যাপে চ্যানেল খুলে প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে সামনে আসার মতো শক্তি জঙ্গিদের নেই বলে মনে করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। তাদের কঠোর সাইবার পেট্রোলিংয়ের কারণে চূড়ান্ত পরিকল্পনার আগেই ধরা পড়ে যাচ্ছে তারা। 

বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো করোনাভাইরাসের এই সময়ে অনেকটাই আড়ালে চলে গিয়েছিল। কিন্তু থেমে থাকেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, এ সময়টাকে জঙ্গিরা কাজে লাগিয়েছে অনলাইনে সদস্য সংগ্রহের কাজে। সাধারণ ছুটির পর জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর মুখপাত্ররা বিভিন্ন গোপনীয়তা নিশ্চিত করা যায় যে অ্যাপগুলোয় চ্যানেল খুলে প্রচারণা চালাচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, ভার্চ্যুয়াল যোগাযোগের একটা অংশ বিদেশ থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। তাঁরা নিজেদের তৈরি কনটেন্ট কিংবা বিদেশি ভাষা থেকে অনুবাদ করে বিভিন্ন কনটেন্ট আপলোড করছেন।

আরও পড়ুন:


করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু


 

র‌্যাব বলছে, ধারাবাহিক জঙ্গি বিরোধী অভিযানে জঙ্গিরা তাদের ক্ষমতা হারিয়েছে।

আগে যেভাবে একটা আস্তানা নিয়ে ট্রেনিং দিতো, আমির থাকতো, অপারেশন প্ল্যান ও অস্ত্র সংগ্রহ করতো, এখন সেই অবস্থায় নেই জঙ্গিরা।
এছাড়া র‌্যাব ফোর্সেসের সাইবার মনিটরিং টিমের পক্ষ থেকে তাদের নজরদারি বাড়ানোর কথাও জানান র‌্যাবের এই উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর