নেত্রকোনায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়েছেন ভূমিহীনরা

সোহান আহমেদ কাকন, নেত্রকোনা:

নেত্রকোনায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়েছেন ভূমিহীনরা

মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ঘর পেয়েছেন নেত্রকোনার হতদরিদ্র প্রায় ২ হাজার পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে আবেগে আপ্লুত দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা। প্রথম পর্যায়ে দেয়া ঘরগুলোতে ইতোমধ্যেই বসবাস করছেন ছিন্নমূল পরিবারগুলো। 

দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘরগুলোর কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই ঘরগুলোর চাবি উপকার ভোগীদের হাতে হস্থান্তর করার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন।

মুজিব শতবর্ষে গৃহহীন থাকবে না কেউ, আশ্রায়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার, এই স্লোগানে দেশব্যাপী আশ্রায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় নেত্রকোনায় প্রথম ধাপে ঘর পেয়েছেন ৯ শত ৬০ টি গৃহহীন ছিন্নমূল পরিবার। দ্বিতীয় পর্যায়ে ঘর পাচ্ছেন আরও ৯শ ২৫ টি ভূমিহীন পরিবার। এরইমধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘরগুলোর কাজও প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
 
প্রতিটি পরিবারের জন্য দুশতক জায়গায় দুটি থাকার ঘর, টয়লেট, রান্না ঘর, বারান্দা, পানি বিদ্যুৎ সুবিধা সহ দৃষ্টি নন্দন করে গড়ে তোলা হয়েছে ঘরগুলো। সেইসাথে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে রাখা হয়েছে বিদ্যালয় কবরস্থান ও মসজিদ মন্দির নির্মাণের ব্যবস্থাও। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রোপণ করা হয়েছে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে পাকা ঘর ও স্থায়ী জায়গা পেয়ে খুশি গৃহহীন হতদরিদ্র পরিবারগুলোর সদস্যরা। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, আশ্রিতরা আবেগ আপ্লুত। জীবনে কখনো কল্পনাও করেনি পাঁকা ঘরে থাকবেন তারা। তাই প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন বলে কেঁদে ফেলেন আশ্রিতরা। তবে আশ্রিত পরিবারগুলোকে প্রশিক্ষিত করে তুলতে কার্যক্রম চলমান রাখার দাবি স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
 
এদিকে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে চলমান আশ্রায়ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করছেন নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান। এ সময় হতদরিদ্র পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিচ্ছেন তিনি।

জেলার পূর্বধলার নারায়ন ঢহর গ্রামের মগড়া নদীর তীর ঘেসে গড়ে উঠা আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রথম পর্যায়ের ঘরগুলো ইতোমধ্যে বসবাস করছেন উপকারভোগীরা। দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘরগুলোর কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। রোববার প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই সকল উপকার ভোগীদের কাছে ঘর বুঝিয়ে দেয়া হবে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, নেত্রকোনার ১০ টি উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ৯শ ৬০ টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৯শ ২৫ টি ঘর হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি গৃহনির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

নওগাঁর মান্দায় বসুন্ধরা গ্রুপের খাদ্য সহায়তা পেল ২৫০ অসহায় পরিবার

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁর মান্দায় বসুন্ধরা গ্রুপের খাদ্য সহায়তা পেল ২৫০ অসহায় পরিবার

চোখে ঝাপসা দেখেন। কানেও ঠিকমতো শোনেন না। দেহের চামড়া লেপ্টে আছে হাড়ের সঙ্গে। গণনা করা যায় হাড্ডিসার দেহের হাড়গুলো। তবে দেহে ক্লান্তি নেই একবিন্দুও। মনে রয়েছে আক্ষেপ। লকডাউন এসে যে লক করে দিয়েছে তার ভিক্ষাবৃত্তি। বন্ধ হয়েছে পেটপুরে দু’বেলা খাওয়া। মনে সেই করুণ আক্ষেপ। চোখের কোণে অস্বস্তির জল।

বলছিলাম নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার হাজেরা বানুর কথা। তাকে ছেড়ে একে একে ওপাড়ে পাড়ি জমিয়েছেন তার স্বামী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে। একা হাজেরার বয়সও নব্বই ছুয়েছে। শেষ বয়সেও আশায় বুক বাঁধছেন। কবে শেষ হবে লকডাউন। পেটপুরে খাবেন দু’বেলা। তার আশার আলো হয়ে এসেছেন বসুন্ধরা গ্রুপ। তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে  কালের কণ্ঠ শুভসংঘের মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপের দেওয়া ১০ কেজি চাল, তিন কেজি ডাল ও তিন কেজি আটা। খাদ্যসামগ্রী পেয়ে চোখের জল আটকে রাখতে পারলেন না তিনি। বললেন, ‘‘মুই আইচু ওই গায়োত্তে। মুই ভিক্ষা করে খাও। একন লকডাউনের তঙ্কে কারো বাইত কাকো যাবা দেচেনা। একন হামরা যারা ভিক্কা করে খাই তাদের দিন-পত কিংকে চলবে। তোমরা ত্রাণ দেচিন শুনে অতোদূরত থিনি আনু। একন এই যে এলা দিলিন তোমরা এলা দিয়ে অনেকদিনই যাবে। দুইবেলা ভালো খাওয়া পামু। তোমাঘরক আল্লা সুখে-শান্তিতে থুক’’। আমেরুন বেগম নামের উপকারভোগী বলেন, ‘‘তোমাঘরক অনেক দোয়া দিচিন। আল্লা ভালো করবে। মুই এলা ত্রাণ কোনকালে পাইনু। এলা দিয়া মুই ১৫ দিন খাওয়া পামু’’।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে নওগাঁর মান্দা উপজেলায় তাদের মতো ২৫০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিয়েছে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ। এছাড়া সকলের মাঝে মাস্ক বিতরণ ও করোনা সুরক্ষায় সচেতনামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়। উপজেলার রেবা আখতার আলিম মাদ্রাসা মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত হয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া (বিপিএম) বলেন, দেশের ক্রান্তিকালে সরকারের একার পক্ষে সকল অসহায় মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া সম্ভব নয়। বসুন্ধরা গ্রুপের মতো বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী ও বিত্তশালীরা এগিয়ে আসলে আমরা সকল দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব। সারাদেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বসুন্ধরা গ্রুপ যে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে এর জন্য তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি কালের কণ্ঠ শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানাই মানুষের কাছে এই খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

আরও পড়ুন


দেশে করোনায় আক্রান্ত ৯৮ শতাংশের শরীরেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

সারারাত র‍্যাব সদরদপ্তরেই ছিলেন পরীমণি, আজ পুলিশের কাছে হস্তান্তর

শেখ কামালের কবরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিলেট-৩ আসনের ভোট সম্পন্ন করতে হাইকোর্টের নির্দেশ


তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নওগাঁ জেলার করোনা পরিস্থিতি অন্য জেলার চেয়ে তুলনামূলক কম। আপনারা সবাই আরো বেশি সচেতন থাকবেন যেন আমাদের জেলায় করোনা পরিস্থিতি খারাপ হয়ে না পরে। সবাই মাস্ক পরবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মতিয়ার রহমান, মান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোল্লা মোহাম্মদ এমদাদুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু বাক্কার সিদ্দিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গৌতম কুমার মহন্ত, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহাবুবা সিদ্দিকা রোমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান, কালের কণ্ঠ শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, কালের কন্ঠ'র নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল করিম, রেবা আখতার আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর, শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরীফ মাহ্দী আশরাফ জীবন, মান্দা উপজেলার সভাপতি প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ টুয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি বাবুল আখতার রানা, সাংবাদিক জসিম উদ্দিন, রেজাউল ইসলাম, ইব্রাহিম হোসেন, জিল্লুর রহমান, পলাশ চন্দ্র, আব্দুল জব্বার, এ এইচ এম কামরুজ্জামান, মাসুদ রানা, শাহাজান আলী, ইসমাইল হোসেন, খলিলুর রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন, আলম হোসেন, তরিকুল ইসলাম ও শুভসংঘের উত্তরা ইউনিভার্সিটির সাবেক সভাপতি আলমগীর হোসেন রনি।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ৯ জনের মৃত্যু

আব্দুস সালাম বাবু, বগুড়া

বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ৯ জনের মৃত্যু

বগুড়া জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৫ জন সহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় জেলার সরকারি দুই হাসপাতাল ও বাড়িতে এদের মৃত্যু হয়। চার জন হলেন- শেরপুরের রেহানা(৪৫) শাজাহানপুরের মঞ্জুফা(৪৫), সদরের রুপ কুমার সাহা(৫২) এবং সারিয়াকান্দির তুলি(৫৫)। 
 
এছাড়া সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরও ১০৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। একই সময়ে ১৫৮ জন করোনা থেকে সুস্থতা লাভ করেছেন।
  
বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহীন বৃহস্পতিবার সকালে অনলাইনে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
 
তিনি জানান, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫৯৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের (শজিমেক) পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করা ২৮২ নমুনায় ৪০ জন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। একই কলেজের জিন এক্সপার্ট মেশিনে ৭ নমুনায় ৬ জনের এবং অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ২৭৪ নমুনায় ৪৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৩৫ নমুনায় ১৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন ১০৫ জনের মধ্যে সদরের ৫৯, শাজাহানপুরে ৯, শিবগঞ্জে ৭, সোনাতলা ৭, সোনাতলা ৬, নন্দীগ্রামে ৫, সারিয়াকান্দি ৪, আদমদীঘিতে ৩, দুপচাঁচিয়ায় ৩, ধুনটে ও গাবতলীতে একজন করে।

আরও পড়ুন


সিনেমায় আসার আগে রাজ-পরীমণি একসঙ্গে থাকতেন

৫ আগস্ট: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

টি-স্পোর্টসে আজকের খেলা

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগে অস্বীকৃতি

ডা. তুহীন আরও জানান, জেলায় এ পর্যন্ত মোট ১৯ হাজার ৩৯৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৭ হাজার ৪৯৯জন এবং ১ হাজার ৩০৯ জন চিকিৎসাধীন।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ মেডিকেলের করোনা ইউনিটে ২১ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

ময়মনসিংহ মেডিকেলের করোনা ইউনিটে ২১ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় এবং উপসর্গ নিয়ে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মমেক হাসপাতাল থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ জেলা এবং জেলার বাইরের মৃত ২১ জনের মধ্যে ছয় জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবং ১৫ জন করোনার উপসর্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ জেলায় ৩১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছেন।

মমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগীদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত বেডের দ্বিগুণ সংখ্যক রোগী এখন ভর্তি রয়েছে। চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মমেক হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিটের কনসালটেন্ট এবং করোনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন ডা. মো. মহিউদ্দিন খান জানান, করোনা ইউনিটে মোট ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

তাঁদের মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়ে মারা গেছেন ময়মনসিংহ সদরের রহিমা (৬৫), তারাকান্দার ইলিয়াস আলি (৭০), ত্রিশালের মো. আব্দুল কুদ্দুস (৭০), জামালপুর সদরের আসমা (৭০), কিশোরগঞ্জের হাজী মহিউদ্দীন (৬৮) এবং টাংগাইল সদরের আব্দুর সাত্তার (৪০)।

এ ছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ময়মনসিংহ সদরের নজরুল (৭০), সকুরজান (৬০), ফজিলা খাতুন (৬০), আনোয়ারা বেগম (৬৫), বাজেদ আলি (৭৫) এবং রহিমা, ৪০, নান্দাইলের আমেনা (৬০), ঈশ্বরগঞ্জের রোকন উদ্দিন (৬০), গফরগাঁওয়ের রেহেনা খাতুন (৭৫), ভালুকার জালাল (৬০), গৌরীপুরের আরিফ (১৬), জামালপুর সদরের হযরত আলি (৭০), দেওয়ানগঞ্জের হেলেনা (৫০), নেত্রকোনার কেন্দুয়ার নয়ন মিঞা (৪০), এবং টাংগাইল সদরের মোসলেম উদ্দীন (৭০)।

ডা. মো. মহিউদ্দিন খান আরও জানান, হাসপাতালে করোনা ইউনিটে মোট রোগী ভর্তি আছেন ৫৮০ জন, এবং আইসিইউতে ভর্তি আছেন ২২ জন।

আরও পড়ুন:


পাবনায় মেডিকেল ছাত্রীকে খালি সিরিঞ্জ পুশের অভিযোগ

হলি আর্টিজানের ঘটনায় সিনেমা, জাহান কাপুরের অভিষেক

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও অস্ট্রেলিয়াকে হারালো টাইগাররা

রাজের বাসায় বিকৃত যৌনাচারের সরঞ্জামাদি,চলত পর্নোগ্রাফি (ভিডিও)


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৮

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ

ঝিনাইদহে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৮

ঝিনাইদহে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সরকারি হিসাবে জেলায় করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২শত ১৭ জন। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৩৮ জন ।  

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা: সেলিনা বেগম জানান, ঝিনাইদহ জেলা করোনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জন, শৈলকূপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন ও উপসর্গ নিয়ে সদরে ২ জন মারা গেছে। করোনা ওয়ার্ডে ৬৮ ও আইসোলেশনসহ মোট ভর্তি আছে ৯৭ জন।

আরও পড়ুন


আজ খোলা থাকছে ব্যাংক

৫ আগস্ট: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

টি-স্পোর্টসে আজকের খেলা

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগে অস্বীকৃতি

আজ বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ ল্যাব থেকে আসা ১’শ ৬৬টি নমুনার ফলাফলের মধ্যে ৩৮ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে। আক্রান্তের হার ২২ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৪ জনে।

এ পর্যন্ত করোনার সাথে লড়াই করে নতুন করে ৩ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৭শত ৬০ জন।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় ১৫ জন ও উপসর্গ নিয়ে ১৭ জন মারা গেছেন। একই সময়ে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮৫৮ জন।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ১৭ জন ও করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৫ জনের মধ্যে বরিশালে চারজন, ভোলায় তিনজন, পিরোজপুরে একজন, বরগুনার চারজন ও ঝালকাঠিতে তিনজন রয়েছেন। সব মিলিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১৪ জনে।

একই সময় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫৮ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৯৯৮ জনে। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০ হাজার ১৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল জেলায় নতুন ৩৩৫ জন নিয়ে ১৫ হাজার ৩৩২ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ১৮২ জন নিয়ে পাঁচ হাজার চারজন, ভোলায় নতুন ১৭৬ জন নিয়ে চার হাজার ৫৮৭ জন, পিরোজপুরে নতুন ৭৪ জন নিয়ে চার হাজার ৬৩৮ জন, বরগুনায় নতুন ৬৪ জন নিয়ে তিন হাজার ২০০ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ২৭ জন নিয়ে চার হাজার ২৩৭ জন রয়েছেন।

আরও পড়ুন:


পাবনায় মেডিকেল ছাত্রীকে খালি সিরিঞ্জ পুশের অভিযোগ

হলি আর্টিজানের ঘটনায় সিনেমা, জাহান কাপুরের অভিষেক

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও অস্ট্রেলিয়াকে হারালো টাইগাররা

রাজের বাসায় বিকৃত যৌনাচারের সরঞ্জামাদি,চলত পর্নোগ্রাফি (ভিডিও)


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর