মাথাপিছু আয়ে আমরা ভারতকেও ছাড়িয়েছি : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

মাথাপিছু আয়ে আমরা ভারতকেও ছাড়িয়েছি : তথ্যমন্ত্রী

সরকারের দক্ষ পরিচালনাতেই দেশ মধ্যম আয়ে উন্নীত হয়েছে, মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। 

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে, সরকার দক্ষভাবে দেশ পরিচালনা করতে পেরেছে বিধায় এটি সম্ভবপর হয়েছে। করোনার মধ্যেও মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। এমনকি মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকেও ছাড়িয়েছি। করোনার মধ্যেও এই অর্থবছরের সমাপ্তিলগ্নে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে যাচ্ছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। মূল্যস্ফীতি যখন স্থিতাবস্থায় থাকে এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেশি হয়, তখন স্বাভাবিকভাবে মানুষের আয় উন্নতি তথা দেশের অগ্রগতি বৃদ্ধি পায়। এটি গত ১২ বছর ধরে হয়ে আসছে, সেকারণেই দেশ এগিয়েছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন পত্রপত্রিকা বাংলাদেশের এই অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। শুধু বাংলাদেশে অনেকে সেই অগ্রগতি দেখতে পায় না, দেখেও কোথায় কি গলদ আছে সেটা খুঁজে বের করার নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালায়। দু’একটি সংবাদমাধ্যমেও আমরা দেখতে পাই এ নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয় এবং এই অগ্রগতি আসলে কতোটুকু সে নিয়ে প্রশ্ন তোলার অপচেষ্টা চালু হয়। এই অপচেষ্টা আজকে হচ্ছে তা নয়, এই অপচেষ্টা গত সাড়ে ১২ বছর ধরেই হচ্ছে। এসত্ত্বেও দেশ এগিয়েছে।

গণমাধ্যমসংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই সরকারের বা যে কোনো দায়িত্বশীলের ব্যর্থতা, ত্রুটি নিয়ে আলোচনা হবে, কিন্তু পাশাপাশি অগ্রগতিটাও মানুষকে জানাতে হবে। কারণ মানুষ যখন দেশকে নিয়ে আশাবাদী হবে তখনই দেশ ও সমাজ এগিয়ে যাবে। আশাহীন মানুষ যেমন এগিয়ে যেতে পারেনা, আশাহীন সমাজও পারেনা। দেশের অগ্রগতি যদি বিশ্বের পত্রপত্রিকায় প্রচারিত হয় অথচ আমাদের দেশে ঠিকভাবে না হয়, সেটি খুবই দু:খজনক।

এসময় চিত্রনায়িকা পরীমণির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে কে কোথায় গিয়ে মধ্যরাতে মদ্যপান করলো, সেখানে ভাংচুর হলো আর তার প্রেক্ষিতে সেখানে কিছু ঘটনা ঘটলো তাতে যেভাবে সবাই মত্ত হয়ে গেল, অথচ বিষয়টা জাতির জন্য মোটেও কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নয়। আমি এ নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। তবে কেউ হেনস্তার শিকার হওয়াও ঠিক নয়, কেউ অহেতুক হয়রানি হওয়াও ঠিক নয়।

আরও পড়ুন:


ইরানের নতুন প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলন কাল

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা স্থগিত

‘ড্যাব’কে অনুরোধ জানাব ফখরুলের মানসিক পরীক্ষা করাতে: তথ্যমন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, সচিব মো: মকবুল হোসেন এবং সংস্থাপ্রধানবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।  

মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার সচিবের সাথে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ টেলিভিশন, তথ্য অধিদফতর,  বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এবং চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের প্রতিনিধিবৃন্দ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না। পিছিয়ে থাকবে না। এই বাংলাদেশে প্রত্যেকটি মানুষ সুন্দর ও উন্নত জীবন পাবে। জাতির পিতা বেঁচে থাকলে আরও আগেই সেটা পেত। তবে আমাদের দুর্ভাগ্য তাকে আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়ার ফলে সেটা পেলাম না। তবে আমরা তার সেই কাজই করে যাচ্ছি।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ঢাকায় নির্মিত ২ হাজার ৪৭৪টি ফ্ল্যাট সংবলিত ৫টি আবাসন প্রকল্প’, ‘মাদারীপুরে নির্মিত সমন্বিত অফিস ভবন উদ্বোধন’ এবং ‘জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নিজ-অর্থায়নে বস্তিবাসীদের জন্য মিরপুরে নির্মিত ভাড়াভিত্তিক ৩০০টি ফ্ল্যাট’ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘জাতির পিতা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশের জন্য। তিনি সবসময় একটি কথাই বলতেন, ‘আমার জীবনের একমাত্র কামনা বাংলাদেশের মানুষ অন্ন পাবে, বস্ত্র পাবে, তারা উন্নত জীবনের অধিকারী হবে।’ এই বাংলাদেশের মানুষ রোগে-শোকে ছিল। শিক্ষার আলো পেত না। তাদের ভাগ্যোন্নয়ন করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর মূল লক্ষ্য। এজন্য ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেছেন। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি থেকে তিনি ধাপে ধাপে জাতিকে মুক্ত ও স্বাধীন করেছেন। আর এই দাবির সংগ্রামের মধ্যেই তাকে জেলে নিয়েছে, নির্যাতন করেছে, হত্যা করতে চেয়েছে।’’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ভূমিহীনদের ঘর করে দেয়ার ব্যবস্থা করেন। সাড়ে তিন বছর একটা রাষ্ট্রের জন্য কম সময়। তখন তো একটা প্রদেশ ছিল, সেটা দেশে উন্নীত করা ও তার গঠন করা; এটা তিনি করে গেছেন। কিছু বেইমান-মুনাফেকের জন্য তার ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হয়নি।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘জাতির পিতার হত্যাকণ্ডের সময় আমরা দেশের বাইরে ছিলাম। আমার দল ও বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় ফিরে আসি। আমার আসার পথ সহজ ছিল না। তৎকালীন ক্ষমতা দখলকারীরা নানা বাধা সৃষ্টি করেছে। আজকে আমরা ক্ষমতায়। সরকারে থেকে তৃণমূল মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, তাদের জীবনমান উন্নত করা এবং সংবিধানের আলোকের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছি।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে আমরা কাজ করাবো, তাদের ভালো-মন্দও তো দেখতে হবে। আজিমপুর সরকারি কলোনিতে গ্যাস ছিল না, আমিই আব্বাকে বলে সে গ্যাসের লাইন করে দিয়েছিলাম। আমি সরকার গঠন করে উদ্যোগ নিয়েছিলাম, সকলকে ফ্ল্যাট করে দেব, সুন্দর পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করে দেব, যাতে কর্মকর্তারা ভালোভাবে কাজ করতে পারেন।’

তিনি বলেন, প্রত্যেকটা মহকুমাকে জাতির পিতা জেলায় রূপান্তর করেন। জেলা গর্ভনর নিয়োগ দেন, যেন প্রত্যেকটা জায়গা পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠতে পারে। ৭৫-এর পর এ পরিকল্পনা পরিবর্তন করে ফেলা হয়। এখন আমরা সে ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রথমে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন কমপ্লেক্স করে দিয়েছি। যাতে এক জায়গা থেকে সব সেবা পাওয়া যায়। পরে উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন করে দিয়েছি। এখন মাদারীপুরে জেলায় কমপ্লেক্স করে দিলাম। এক ছাদের নিচে সব সরকারি সেবা পাবে মানুষ। সব জেলা ও উপজেলায় কমপ্লেক্স করে দেব। অফিসারদের থাকার জন্য ফ্ল্যাটও করে দেব।’

আরও পড়ুন


অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তাওবা

নাটোরে ধর্ষণ মামলার আসামি ও এক মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার

সেনবাগে বিকাশ প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে শিক্ষার্থীদের টাকা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ঘরেফেরা কর্মসূচি নিয়েছি। কোনো বস্তিবাসী যদি নিজ গ্রামে যায়, তাকে ঘর করে দেয়া, কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ করে দেব। ঋণ দেব। বস্তিতে তারা মানবেতর জীবন যাপন করে, এটি অস্বাস্থ্যকর ও বসবাসের অনুপযোগী। এজন্য তাদের জন্য সুন্দর ও আধুনিক ব্যবস্থাপনায় থাকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আজকে ৩০০ পরিবারকে ৩০০ ফ্ল্যাট দিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে সবাইকে ফ্ল্যাট দেব। কেউ গ্রামে যেতে চাইলে সে ব্যবস্থাও করবো। গ্রামের ঘরবাড়ি করে দেব। ঢাকায় ফ্ল্যাটে থাকলে মাসে ভাড়া দিয়ে থাকতে হবে। গ্রামে গেলে সব বিনামূল্যে করে দেয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না।’

এসময় তিনি বলেন, ‘পূর্বাচলে যাদের জমির মালিকানা ছিল, তাদের একটা করে প্লট করে দেয়ার কথা ছিল। সেটা কেউ করেনি। আমাদের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় নামমাত্র মূল্যে তাদের প্লটগুলো দিয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমদে ও সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

৭৩টি ভুঁইফোড় সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে ৭৩টি ভুঁইফোড় সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে আওয়ামী লীগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুণ অর রশীদ বলেন, এর প্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুত তাদের গ্রেফতার করবে। 

তিনি জানান , এই  ৭৩টি সংগঠনের মধ্যে রয়েছে, আওয়ামী প্রচার লীগ, আওয়ামী তরুণ লীগ, আওয়ামী রিকশা মালিক শ্রমিক ঐক্য লীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, আওয়ামী নৌকার মাঝি শ্রমিক লীগ। শুধু এগুলিই নয়, এমন আরও অদ্ভুত নাম জুড়ে সংগঠন খোলার তালিকায় রয়েছে ওলামা লীগ, চেতনায় মুজিব, ডিজিটাল ছাত্রলীগ, আমরা নৌকার প্রজন্ম। এই সব সংগঠনের কাজই হলো বিভিন্ন মানুষকে ভাঙ্গিয়ে নানাভাবে অথ উর্পাজন ও ব্ল্যাকমেইল করা।

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে করোনায় একদিনে মৃত্যু আরও ১০

রামেকে করোনা ওয়ার্ডে ১৯ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা ইউনিটে একদিনে ১৭ জনের মৃত্যু

এবার নতুন রূপে হিরো আলম

নামে বেনামে এই সব সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও তাদের সাথে জড়িতদের দ্রুত আটক করা হবে।

আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে অসাধু চক্রের তৈরি করা আরও রয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয় লীগ, আওয়ামী অনলাইন লীগ, ডিজিটাল আওয়ামী ওলামা লীগ, আওয়ামী শিশু লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

মহামারিতেও তৎপর জঙ্গিরা, অনলাইনে চলছে প্রচারণা

মৌ খন্দকার

মহামারিতেও তৎপর জঙ্গিরা, অনলাইনে চলছে প্রচারণা

করোনাকালে বসে নেই জঙ্গিরা, বরং চলছে অনলাইনে সদস্য সংগ্রহ। গোয়েন্দা তথ্য বলছে, জঙ্গিদের আবার পুনর্গঠিত হওয়ার চেষ্টা আছে, তারা বিভিন্ন অ্যাপে চ্যানেল খুলে প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে সামনে আসার মতো শক্তি জঙ্গিদের নেই বলে মনে করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। তাদের কঠোর সাইবার পেট্রোলিংয়ের কারণে চূড়ান্ত পরিকল্পনার আগেই ধরা পড়ে যাচ্ছে তারা। 

বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো করোনাভাইরাসের এই সময়ে অনেকটাই আড়ালে চলে গিয়েছিল। কিন্তু থেমে থাকেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, এ সময়টাকে জঙ্গিরা কাজে লাগিয়েছে অনলাইনে সদস্য সংগ্রহের কাজে। সাধারণ ছুটির পর জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর মুখপাত্ররা বিভিন্ন গোপনীয়তা নিশ্চিত করা যায় যে অ্যাপগুলোয় চ্যানেল খুলে প্রচারণা চালাচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, ভার্চ্যুয়াল যোগাযোগের একটা অংশ বিদেশ থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। তাঁরা নিজেদের তৈরি কনটেন্ট কিংবা বিদেশি ভাষা থেকে অনুবাদ করে বিভিন্ন কনটেন্ট আপলোড করছেন।

আরও পড়ুন:


করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু


 

র‌্যাব বলছে, ধারাবাহিক জঙ্গি বিরোধী অভিযানে জঙ্গিরা তাদের ক্ষমতা হারিয়েছে।

আগে যেভাবে একটা আস্তানা নিয়ে ট্রেনিং দিতো, আমির থাকতো, অপারেশন প্ল্যান ও অস্ত্র সংগ্রহ করতো, এখন সেই অবস্থায় নেই জঙ্গিরা।
এছাড়া র‌্যাব ফোর্সেসের সাইবার মনিটরিং টিমের পক্ষ থেকে তাদের নজরদারি বাড়ানোর কথাও জানান র‌্যাবের এই উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নামে কঠোর কিন্তু বাস্তবে ঢিলেঢালা লকডাউন

হাবিবুল ইসলাম হাবিব

নামে কঠোর লকডাউন কিন্তু বাস্তবে ঢিলেঢালা। রাজধানীর বেশীরভাগ সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ থাকলেও ছিল না কোন গণপরিবহন। তবে জরুরী প্রয়োজন মেটাতে রিক্সা ও মটরসাইকেল চলছে । সেক্ষেত্রে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে জরুরী প্রয়োজন মেটাতে বের হওয়া যাত্রীদের। আর সুনির্দৃষ্ট কারন ছাড়া বের হলেই জরিমানা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে অসুস্থতা নিয়ে যারা বের হয়েছেন তাদের জন্য যানবাহন সংকট ছিলো বড় সমস্যা। 

লকডাউনের মাঝে গার্মেন্টস শিল্প চালু করfয় ঢাকা মুখি মানুষের যাত্রা এখনো চলছে। তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দীর্ঘ পথের বাহন হয়েছে মটর বাইক, অটো কিংবা রিক্সা ভ্যান। ফলে রাজধানীর সড়কগুলো ছিলো জনাকীর্ণ।

তবে পেটের দায়ে যারা বের হয়েছেন তারা পড়ছেন বিপাকে। রিক্সা চালকদের আক্ষেপ নেই পর্যাপ্ত যাত্রী।  নিজে কিংবা পরিবারের কোন সদস্য অসুস্থ্ হলে তাদের জন্য নেই পর্যাপ্ত যানবাহন।

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


 

ব্যক্তিগত গাড়ির চাপে কখনো কখনো জানযট তৈরী হতে দেখা গেছে নগরীর বিভিন্ন সড়কে। পুলিশ জানায় বেশীরভাগ গাড়ী জরুরী সেবায় নিয়োজিত। তবে বের হওয়ার যৌক্তিক কারন না দেখাতে পারলে তাকে জরিমানা করা হচ্ছে।

অবাধ বিচরন করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি বাড়ালেও অনেকেই এর তোয়াক্কা করছেন না। তাই সংক্রমন এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মানার উপর জোর তাগিদ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

মাহমুদুল হাসান

রাজধানীতে প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টাতেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮৭ জন। এডিস ও কিউলেক্স মশা দমনে দুই সিটি কর্পোরেশন বিশেষ অভিযান শুরু করলেও ফলাফল এখনও দৃশ্যমান হয়নি। ডেঙ্গুর বেশি ঝুকিতে রয়েছে শিশুরা, প্রতিদিনই আক্রান্ত শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করাচ্ছেন অভিভাবকরা।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৪ বছরের শিশুকে  নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন বাড্ডা এলাকার বাসিন্দা বিউটি বেগম। বলছিলেন, তার বাড়ির আশেপাশে মশার উপদ্রপের কথা, অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরে। ৪ বছর বয়সী সন্তানের অবস্থা খারাপ হওয়াতে ভর্তি করাতে হয়েছে হাসপাতালে।

এমনি আরও ৩৬ টি শিশু ভর্তি হয়েছে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের শিশু হাসপাতালটিতে। হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি ৫ জন, এই মধ্যে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৪ শিশু। শিশুদের নিয়ে উৎকন্ঠায়  রাজধানীর অভিভাবকরা।

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


করোনার মাঝে ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে ডেঙ্গু। চিকিৎসকরাও বলছেন, প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর চাপ।

পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশেষ অভিযান শুরু করেছে দুই সিটি কর্পোরেশন। রাজধানীর মিরপুরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে অভিযানে নামেন উত্তরের মেয়র। এ সময় ডেঙ্গু প্রবণ এলাকা চিহ্নিত করতে নগরবাসীর সহায়তা চান তিনি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর