বিবিসি বাংলা’র প্রতিবেদন

পলাশীর যুদ্ধ: ঢাকার যে প্রাসাদে শেষ দিনগুলো কেটেছিল ঘসেটি বেগমের

অনলাইন ডেস্ক

পলাশীর যুদ্ধ: ঢাকার যে প্রাসাদে শেষ দিনগুলো কেটেছিল ঘসেটি বেগমের

পলাশী যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে সিরাজউদ্দৌলার ভাস্কর্য

পলাশীর যুদ্ধ। এই যুদ্ধ ও যুদ্ধের ইতিহাস প্রায় সবারই জানা। আজ থেকে ২৬৪ বছর আগে পলাশীর যুদ্ধে বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার হারের মাধ্যমে ভারতবর্ষে ইংরেজদের একচ্ছত্র শাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়।

ইতিহাস বলে, যে প্রসাদ, ষড়যন্ত্র সিরাজউদ্দৌলার এই পরাজয়ের পেছনে দায়ী তাতে তার নিজের সেনাপতি মীর জাফর ছাড়াও যোগ দিয়েছিলেন তার আপন খালা ঘসেটি বেগম।

এই ঘসেটি বেগম ছিলেন পলাশীর যুদ্ধে সিরাউদ্দৌলার পরাজয়ের পেছনে একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, যার জীবনের শেষ দিনগুলো কেটেছিল ঢাকার কাছে একটি প্রাসাদে বন্দী অবস্থায়। পলাশী যুদ্ধ পরবর্তীতে তিনি নিজেও শিকার হয়েছিলেন প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের। এই ষড়যন্ত্রের ফলস্বরূপ বুড়িগঙ্গায় ডুবে করুণ মৃত্যু হয় তার। যড়যন্ত্রকারী হিসেবে বাংলার মানুষের কাছে তিনি বরাবর ঘৃণিত এবং জটিল মানসিকতার প্রতীক এক চরিত্র।

জিঞ্জিরা প্রাসাদ

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন বলেছেন, ঘসেটি বেগম ইতিহাসবিদদের মনোযোগ তেমন পাননি, যে কারণে তার ঢাকা জীবন সম্পর্কে তেমন তথ্য পাওয়া যায় না।

তার জীবনের শেষ দিনগুলো কেটেছিল ঢাকার কাছে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত জিঞ্জিরা প্রাসাদে। জাতীয় তথ্য বাতায়ন নামে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ওয়েবসাইটে ঢাকা জেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকায় জিঞ্জিরার প্রাসাদকে অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি বুড়িগঙ্গা নদীর ওপারে কয়েক'শ গজ দূরে।

ওয়েবসাইটে জিঞ্জিরার প্রাসাদকে ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেটি কেরানীগঞ্জের স্থানীয় মানুষদের দখলে রয়েছে বলে জানা যায়।

মুনতাসীর মানুন বলেন, জিঞ্জিরা প্রাসাদে ঘসেটি বেগম একা নন, পলাশী যুদ্ধের পর নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরিবারের নারী সদস্য অর্থাৎ তার মা, স্ত্রী, কন্যাসহ অনেকজন নারীকেই বন্দি করে পাঠানো হয়েছিল।

১৭৫৭ সালের শেষের দিকে তাদের ওই প্রাসাদে পাঠানো হয়েছিল। বন্দি নারীদের প্রাসাদের বাইরে বের হবার অনুমতি ছিল না। ১৭৬০ সালে পানিতে ডুবিয়ে হত্যার আগ পর্যন্ত ওই প্রাসাদেই ছিলেন ঘসেটি বেগম।

ঘসেটি বেগমের পরিণতি

শ্রী পারাবাতের লেখা 'আমি সিরাজের বেগম' বইয়ে বলা হয়েছে পলাশীর যুদ্ধ শেষ হবার খবর মুর্শিদাবাদে পৌঁছার পরই ঘসেটি বেগম 'নিজের ভুল' বুঝতে পেরেছিলেন। পরাজিত নবাব তখনো হীরাঝিলে এসে পৌঁছাননি। সে সময় ঘসেটি বেগম নবাব-পত্নী লুৎফাকে সতর্ক করেছিলেন, যেভাবে, যে পথেই তারা পালান, যেন নদীপথে তারা না যান।

লুৎফা প্রথমবারের মত ঘসেটি বেগমের চোখে মাতৃত্বের ছায়া দেখেছিলেন। তার বয়ানে তিনি বলছেন, 'হয়ত নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন তিনি'।

এদিকে মীর জাফর নবাব হবার পরই ঘসেটি বেগমকে বন্দি করেন। কিছুদিন হীরাঝিলে বন্দি রেখে পরে তাকে ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে জিঞ্জিরা প্রাসাদে স্থানান্তর করেন। সেখানে তার সঙ্গে সিরাজউদ্দৌলার মা আমিনা বেগমকেও অন্তরীণ করে রাখা হয়েছিল। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা দুইজনই ওই প্রাসাদে ছিলেন। 

তার মৃত্যু নিয়ে দুই রকম তথ্য প্রচলিত আছে। কোথাও বলা হয়েছে, মুর্শিদাবাদে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছিল, এবং সেখানেই তার কবর। কিন্তু বাংলাপিডিয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, ১৭৬০ সালে মীরজাফরের ছেলে মীরনের পরিকল্পনায় ঘসেটি বেগম ও আমিনা বেগমকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করা হয়। ঘসেটি বেগম ও আমিনা বেগমকে মুর্শিদাবাদে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার কথা বলে, বুড়িগঙ্গা নদীতে বড় একটি বজরায় তুলে দেয়। যাত্রা শুরুর কিছু পরে ঘসেটি বেগম এবং আমিনা বেগমকে নিয়ে মাঝনদীতে বজরাটি ডুবিয়ে দেয়া হয়।

কে ছিলেন ঘসেটি বেগম

বাংলাদেশের জাতীয় এনসাইক্লোপিডিয়া বাংলাপিডিয়াতে ঘসেটি বেগমের জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে, তার আসল নাম মেহের-উন-নিসা বেগম। তিনি ছিলেন বাংলা, বিহার ও ওড়িশার নবাব আলীবর্দী খানের তিন মেয়ের মধ্যে প্রথম।

বড় ভাই হাজী আহমেদের তিনি ছেলের সাথে নিজের তিন মেয়ে বিয়ে দিয়েছিলেন আলীবর্দী খান। মেহের-উন-নিসা বেগম বা ঘসেটি বেগমের বিয়ে হয়েছিল নওয়াজিস মুহাম্মদ শাহমাত জং এর সঙ্গে, যিনি ঢাকার নায়েবে নাজিম নিযুক্ত হয়েছিলেন। ঘসেটি বেগম দেখতে কেমন ছিলেন তার সচিত্র উল্লেখ তেমন নেই।

শ্রী পারাবাতের লেখা 'আমি সিরাজের বেগম' বইয়ে সিরাজেউদ্দৌলার স্ত্রী লুৎফার বয়ানে রচিত গদ্যে ঘসেটি বেগমকে 'সুন্দরী', 'আভিজাত্যপূর্ণ', 'চতুর', 'বদমেজাজি' এবং 'উচ্চাভিলাষী' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নবাব আলীবর্দী খানের প্রাসাদ হীরাঝিলের একমাত্র শক্তিশালী নারী চরিত্র এই ঘসেটি বেগম যাকে বাইরের পৃথিবী চিনতে পেরেছে। তিনি এতটাই প্রভাবশালী ছিলেন যে মুর্শিদাবাদে নবাব আলীবর্দী খানের তিন মেয়ের মধ্যে একমাত্র তারই আলাদা একটি প্রাসাদ ছিল।

হীরাঝিল প্রাসাদের মতই জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদের নামও ছিল নবাবের বাড়ির নামের সঙ্গে মিলিয়ে, মতিঝিল। বিভিন্ন বর্ণনায় পাওয়া যায়, ঘসেটি বেগমের 'রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা' ছিল এবং তিনি প্রবল ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তিনি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ছিলেন।

রাজনীতিতে ঘসেটি বেগম

নবাব আলীবর্দী খানের কোনো ছেলে ছিল না। তিনি ছোট মেয়ে আমিনা বেগমের বড় ছেলে সিরাউদ্দৌলাকে তার উত্তরাধিকারী মনোনীত করেছিলেন। এতে ঘসেটি বেগম অসন্তুষ্ট ছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন তার পালকপুত্র, সিরাজউদ্দৌলার আপন ভাই ইকরামউদ্দৌলাকে ওই স্থানে দেখতে।

কিন্তু ইকরামউদ্দৌলা অল্প বয়সে গুটিবসন্তে মারা যান। এরপর তিনি তার মেজ বোনের ছেলে শওকত জংকে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু নবাব আলীবর্দী খান সেটিও পছন্দ করেননি। এসব কারণে ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলাকে পছন্দ করতেন না, সিরাজউদ্দৌলাও তাকে পছন্দ করতেন না।

পিতার উত্তরাধিকারী নির্বাচনে তার মতামত গুরুত্ব পায়নি ঠিকই, কিন্তু বড় মেয়ে হিসেবে নবাব আলীবর্দী খানের কাছে তিনি গুরুত্ব পেতেন এবং রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতেন। তার সুপারিশে কেউ পদ হারিয়েছে, আবার কেউ ক্ষমতার কেন্দ্রে এসেছেন।

বাংলাপিডিয়া বলছে, নিজের প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি বিপুল বিত্তের মালিক হয়েছিলেন। এছাড়া ১৭৫৫ সালে স্বামীর মৃত্যুর পরেও উত্তরাধিকার সূত্রে প্রচুর অর্থের মালিক হয়েছিলেন তিনি। তার স্বামী নওয়াজিস মুহাম্মদ শাহমাত জং ঢাকার নায়েবে নাজিম ছিলেন, কিন্তু মূলত ঢাকা পরিচালনা করতেন ঘসেটি বেগম।

ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন তার 'ঢাকা স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী' বইয়ে লিখেছেন, "ঢাকার শাসনভার প্রকৃতপক্ষে ছিল ঘসেটি বেগম ও তার বিশ্বস্ত দেওয়ান, অনেকের মতে প্রণয়ী, হোসেন কুলি খানের হাতে। কারণ নওয়াজিস ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির লোক।"

এদিকে, নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পর নবাব হয়ে সিরাজউদ্দৌলা ঘসেটি বেগমকে অন্তরীণ করেছিলেন। সেসময় সিরাজউদ্দৌলা ঢাকার আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়েছিলেন, কিন্তু রাজভাণ্ডার বা অর্থনৈতিক দায়িত্বে থাকা রাজবল্লভ সঠিক হিসাব দিতে ব্যর্থ হন।

রাজবল্লভ রাজকোষ থেকে প্রচুর অর্থ আত্মস্যাৎ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার ছেলে কৃষ্ণবল্লভ সিরাজউদ্দৌলার কাছ থেকে বাঁচতে কলকাতায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ফোর্ট উইলিয়ামে আশ্রয় নেন।

আরও পড়ুন


দুবাইয়ের রাজকুমারী লতিফার দেখা মিলল স্পেনে

জামাল খাসোগিকে হত্যা করতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল হত্যাকারীরা

নাসির বলেন ‘প্লিজ স্টপ’, এরপর যে কাণ্ড ঘটিয়ে বসেন পরীমণি (ভিডিও)

অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরির সুযোগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া


কৃষ্ণবল্লভকে ফেরৎ চেয়ে কলকাতায় ইংরেজ গভর্নরের কাছে চিঠি লেখেন সিরাজউদ্দৌলা। পলাশীর যুদ্ধের সেটিও একটি কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কৃষ্ণবল্লভকে ফেরত দিতে রাজি হয়নি।

এদিকে, সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মীর জাফর ছিলেন নবাব আলীবর্দী খানের সেনাপতি। তরুণ নবাবের সঙ্গে ব্যক্তিত্বের সংঘাতের ফলেই একসময় সিরাজউদ্দৌলাকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে নামেন তিনি। তখন তার সঙ্গে যোগ দেন ঘসেটি বেগম। ষড়যন্ত্রে আরো যুক্ত হয় ব্যবসায়ী জগৎ শেঠ এবং উমিচাঁদ। সবার অভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল নবাবকে উৎখাত করা।

বাংলাপিডিয়া বলছে, সিরাজউদ্দৌলাকে উৎখাতের পরিকল্পনায় ঘসেটি বেগম প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছিলেন। অবশেষে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশী প্রান্তরে ইংরেজ বাহিনীর কাছে হেরে যান নবাব সিরাজউদ্দৌলা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

২৩ টাকার চামচ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি!

অনলাইন ডেস্ক

২৩ টাকার চামচ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি!

লন্ডনে ‘কার বুট সেলস’ বা ঘরের আসবাবপত্র বিক্রির বাজার খুবই পরিচিত। সেরকম এক বাজারেই ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ তার চোখ আটকে যায় একটি চামচে। মাত্র ২০ পেন্স (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা এখন প্রায় ২৩ টাকা) দিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই সেই চামচ কিনে নিয়েছিলেন তিনি। তার পর সেটি নিলামে ২ হাজার ৩৭৫ পাউন্ডে (প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায়) বেচলেন তিনি।

একটি দোকানের সামনে এসে তার চোখ পড়ে ওই চামচে। দেখেই তিনি বুঝতে পারেন এটি কোন সাধারণ চামচ নয়। মাত্র ২০ পেন্সের বিনিময়ে চামচটি কিনে আনেন তিনি। পরে বিশেষজ্ঞরা চামচটি ভাল করে নেড়েচেড়ে তাকে জানান, তিনি যা ভেবেছিলেন, ঠিক তাই। ত্রয়োদশ শতাব্দীর চামচ সেটি।

আরও পড়ুন:

বাংলাদেশসহ চার দেশে দুবাইগামী ফ্লাইট বন্ধ ৭ আগস্ট পর্যন্ত

চীন ও অস্ট্রেলিয়ায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুশিয়ারি

করোনা বিধিনিষেধ শিথিল করে বিপাকে যুক্তরাজ্য

সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন বেসামরিক পদে ছয় শতাধিক নিয়োগ


সমারসেটের লরেন্স নিলাম কোম্পানিতে চামচটি নিলামে তোলেন তিনি। নিলামের আগে দাম রাখা হয় ৫০০ পাউন্ড। নিলামে উঠতেই তা গিয়ে ঠেকে ২ হাজার ৩৭৫ পাউন্ডে, বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

লরেন্স নিলাম কোম্পানির এক কর্তা অ্যালেক্স বুচার বলেন, ‘‘ওই ব্যক্তি রুপো বিশেষজ্ঞ নন। কিন্তু যারা ওই ঘরোয়া জিনিসপত্র বেচার বাজারে প্রায়ই যান, তাদের চোখ শকুনের মতো হয় সাধারণত।’’

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

৩১ জুলাই: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

অনলাইন ডেস্ক

৩১ জুলাই: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আজ শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১। এক নজরে দেখে নিন, ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী:
১৯৫৪ - ইতালীয় পর্বতারোহী দল প্রথম হিমালয়ের কে-২ শৃঙ্গে আরোহণ করেন।
১৯৭১ - এপোলো-১৫ মহাকাশ যান চাঁদে যাবার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইয়েমেন।
১৯৭৩ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
১৯৭৮ - চট্টগ্রামে এলপি গ্যাস কারখানা উদ্বোধন।
১৯৭৮ - চীনে সেকসপিয়ারের রচনাবলীর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
১৯৯১ - সোভিয়েত-মার্কিন দূরপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্রহ্রাস চুক্তি ‘স্টার্ট’ স্বাক্ষরিত হলে দুদেশের মধ্যে বিরাজমান পাঁচ দশক ব্যাপী বিরোধের অবসানে কার্যকর পদক্ষেপ ঘটে।
১৯৯২ - জর্জিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
২০০৬ - কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ছোটভাই রাউল কাস্ত্রোর কাছে সাময়িকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
২০০৭ - বাংলাদেশে অর্ধশত বছরের পুরনো খুলনার পিপলস জুট মিল আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।
২০১২ - মাইকেল ফেলপস ১৯৬৪ সালে লারিসা লাথিনিয়ার গড়া অলিম্পিকের এক আসরে সর্বোচ্চ পুরস্কার বিজয়ের রেকর্ড ভাঙ্গেন।

জন্ম:
১৮৩৫ - ফ্রান্স এর ৫০ তম প্রধানমন্ত্রী হেনরি ব্রিসন জন্মগ্রহন করেন ।
১৮৭৫ - ফরাসি চিত্রকর জাক ভিয়ঁর জন্ম।
১৮৮০ - মুন্সি প্রেমচাঁদ, আধুনিক হিন্দি এবং উর্দু ভাষার লেখক। (মৃ.৮/০১০/১৯৩৬)
১৮৯১ - প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার।(মৃ.১৯৭৫)
১৯০৪ - বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ।(মৃ.২০/০৩/১৯৯৩)
১৯১১ - বংশীবাদক পান্নালাল ঘোষের জন্ম।
১৯৪৪ - জেরাল্ডিন চ্যাপলিন, ইংরেজি, ফরাসি এবং স্পেনীয় ভাষার বিশিষ্ট অভিনেত্রী।
১৯৪৭ - মুমতাজ, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯৫৫ - আহমদ আবদুল কাদের, ইসলামি চিন্তাবিদ ও রাজনীতিবিদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব
১৯৫৭ - মনতাজুর রহমান আকবর, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৬৫ - জে কে রাউলিং, ইংরেজ কল্পকাহিনী লেখিকা।
১৯৬৬ - ডিন কেইন, মার্কিন টিভি অভিনেতা। যিনি সুপারম্যান চরিত্রে অভিনয় করেছন।
১৯৮৯ - ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা, বেলারুশীয় টেনিস খেলোয়াড়।

আরও পড়ুন


লকডাউনে প্রাণবন্ত মিরপুর চিড়িয়াখানার প্রাণীরা

জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করল ইসরায়েল

যে কারণে কোরআনে ৮২ বার নামাজের কথা বলা হয়েছে

মৃত্যু:
১৯৪৩ - হেডলি ভেরিটি, পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার। (জ. ১৯০৫)
১৯৪৪ - দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলাকালে খ্যাতনামা ফরাসী লেখক এ্যান্টনি দোসান্ত এক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যবরণ করেন।
১৯৭১ - সালাহউদ্দিন মমতাজ, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। (জ. ১৯৪৫)
১৯৮০ - মোহাম্মদ রফি, ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী। (জ.২৪/১২/১৯২৪)
১৯৮০ - শৈলেন্দ্রনাথ গুহরায়, ভারতে মুদ্রণ শিল্পের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও শ্রীসরস্বতী প্রেসের প্রতিষ্ঠাতা।(জ.০৫/১১/১৯০০)
১৯৮১ - ওমর তরিজোস, পানামার স্বৈরশাসক। (জ.১৯২২)
১৯৯২ - কমিউনিস্ট নেতা রতন সেন সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন।
২০০৯ - ইংলিশ ফুটবলার এবং ব্যবস্থাপক বব্বি রবসন মৃত্যুবরণ করেন।
২০১২ - আমেরিকান গায়ক ও গান লেখক বিল ডস মৃত্যুবরণ করেন।
২০১৪ - নবারুণ ভট্টাচার্য, ভারতীয় লেখক। (জ.২৩/০৬/১৯৪৮)
২০১৭ - জান মোরো, ফরাসি অভিনেত্রী, গায়িকা, চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক। (জ. ১৯২৮)

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

বিয়ের পোষাকেই ঢেকে দিলেন মঞ্চ, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

বিয়ের পোষাকেই ঢেকে দিলেন মঞ্চ, ভিডিও ভাইরাল

বিয়ের দিনটা স্মরণীয় করে রাখতে চান অনেকেই। কিন্তু তা করতে গিয়ে এই পাকিস্তানি কনে যা করলেন তা বেশ অবাক করার মতোই বটে। ১০০ কেজি ওজনের লেহেঙ্গা পরে বিয়ের পিড়িতে বসেছেন তিনি। আর সেই বিশাল পোশাকের ভিডিওই ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে।

ওই কনে যেখানে বসেছেন, তার থেকে বেশ কয়েকহাত দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে সেই লেহেঙ্গা। কয়েকজন আবার ধরেও আছেন একটি দিক। যাতে পুরোটা সকলে দেখতে পান। ঝলমলে লেহঙ্গায় ছড়িয়ে রয়েছে হাতের সেলাইয়ের কাজ।

পাকিস্তানের ওই নারী কী করে এত বড় মাপের একটি লেহেঙ্গা সামলেছেন বিয়ের আসরে, তা ভেবেই অবাক হয়ে যাচ্ছেন নেটাগরিকরা।

আরও পড়ুন:

সবচেয়ে দীর্ঘ সুড়ঙ্গ পথ উন্মোচন করল ইরান

পর্যটকদের জন্য খুলছে সৌদির দরজা

সরকারের সমালোচনা করায় চীনা বিলিয়নারের ১৮ বছরের জেল-জরিমানা

গুলি করে ফিলিস্তিনি শিশুর বুক ঝাঁজরা করে দিল ইসরাইলি বাহিনী


লেহেঙ্গাটির দৈর্ঘ্য এতটাই বেশি যে বর-কনের বসার জন্য যে মঞ্চ করা হয়েছে, তার পুরোটাই ঢেকে গিয়েছে এটি দিয়ে। যদিও বরের সাজে তেমন কোনও চমকে দেওয়ার মতো বিশেষত্ব নেই। তিনি সাধারণ শেরওয়ানি ও মেরুন রঙের পাগড়ি পরেছেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

কিন্তু পাকিস্তানের এই কনে যা করেছেন, তাতে অনেকেই লিখছেন, ‘এমন ঘটনা জীবনে দেখিনি।’ 

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

২৯ জুলাই: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

অনলাইন ডেস্ক

২৯ জুলাই: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২১০তম (অধিবর্ষে ২১১তম) দিন। এক নজরে দেখে নিন, ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী:
১৫৬৭ - রাজা ষষ্ঠ জেমস স্কটল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৫৮৮ - ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী এ্যাংলো-স্প্যানিশ যুদ্ধে ফ্রান্সের গ্রেভলাইনস সমুদ্র তীরে স্প্যানিশ আর্মাডাকে পরাজিত ও ধ্বংস করে।
১৮৫১ - অ্যানেবেল দ্য গ্যাসপ্যারিস ১৫ ইউনোমিয়া অ্যাস্টরয়েড আবিষ্কার করেন।
১৮৫৮ - যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে হ্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত।
১৮৭৬ - ডা মহেন্দ্রলাল সরকার উচ্চ শিক্ষার জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সাইন্স কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৯৯ - যুদ্ধ ও যুদ্ধপরাধ সংক্রান্ত প্রথম হেগ কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
২০০৫ - জ্যোর্তিবিদরা সৌরজগতের অন্যতম বামন গ্রহ এরিস আবিষ্কার করেন।
২০১৮ - জাবালে নূর পরিবহনের দুইটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের ঢালে রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীর ওপর তুলে দেয়। এতে ৯ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে রমিজউদ্দিন কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম (১৬) ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম রাজিব (১৭) বাসের নীচে পিষ্ট হয়ে মারা যান।

জন্ম:
১৮৮৩ - বেনিতো মুসোলিনি, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক। (মৃ.২৮/০৪/১৯৪৫)
১৮৮৮ -দীনেশরঞ্জন দাশ, বাঙালি লেখক ও চলচ্চিত্র পরিচালক ।(মৃ.১২/০৫/১৯৪১)
১৮৯২ - উইলিয়াম পাওয়েল, মার্কিন অভিনেতা। (মৃ. ১৯৮৪)
১৯০৪ - জাহাঙ্গীর রতনজী দাদাভাই টাটা, ভারতীয় শিল্পপতি। (মৃ‌.২৯/১১/১৯৯৩)
১৯০৫ - দগ হামারহোল্ড, সুয়েডীয় কূটনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং লেখক। (মৃ‌. ১৯৬১)
১৯৩৫ - সৈয়দ হাসান ইমাম, বাংলাদেশী অভিনেতা, ও আবৃত্তিকার।
১৯৫১ - রেজাউল বারী ডিনা, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।
১৯৫৩ - অনুপ জালোটা ভজন ও গজলের খ্যাতিমান ভারতীয় গায়ক।
১৯৫৯ - সঞ্জয় দত্ত, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

আরও পড়ুন:


পবিত্র জুমার দিনের বিশেষ পাঁচটি বৈশিষ্ট্য

সূরা আল নাসের বাংলা অনুবাদ

মৃত্যু:
১৮৯১ - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, ঊনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। (জ.২৬/০৯/১৮২০)
১৯৬২ - রোনাল্ড ফিশার, বিখ্যাত পরিসংখ্যানবিদ। (জ. ১৮৯০)
১৯৬৯ - আন্দলিব সাদানী, ফার্সি ও উর্দু ভাষার কবি, গল্পকার, গবেষক এবং সমালোচক। (জ. ১৯০৪)
১৯৮৩ - রেমন্ড ম্যাসি, কানাডীয়-মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। (জ. ১৮৯৬)
১৯৮৩ - লুইস বুনুয়েল, স্পেনীয় চলচ্চিত্র পরিচালক ও সুরিয়ালিস্ট আন্দোলনের নেতা। (জ. ১৯০০)
১৯৯৪ - ডরোথি মেরি হজকিন, ব্রিটিশ রসায়নবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। (জ. ১৯১০)
১৯৯৬ - ভারতরত্ন অরুণা আসফ আলী ,ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগ্রামী ও সমাজকর্মী।(জ.১৬/০৭/১৯০৯)
২০০৪ - প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় , বাঙালি নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী।(জ.২১/১২/১৯৩৪)
২০১৮ - রমাপদ চৌধুরী , বাঙালি ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।(জ.২৮/১২/১৯২২)

দিবস ও অন্যান্য: 
জাতীয় থাই ভাষা দিবস, থাইল্যান্ড।
জাতীয় সংগীত দিবস,রোমানিয়া।
বিশ্ব বাঘ দিবস।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

২৮ জুলাই, ইতিহাসে আজকের এই দিনে

অনলাইন ডেস্ক


২৮ জুলাই, ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আজ ২৮ জুলাই, গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২১০ তম (অধিবর্ষে ২১১ তম)দিন। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:
১৮২১ - স্পেনের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হয়ে পেরু স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯১৩ - বঙ্গীয় কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা।
১৯১৪ - সার্বিয়ার বিরুদ্ধে অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরির যুদ্ধ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু।
১৯৫০ - তাইওয়ানকে সাহায্য করার ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান।
১৯৬৩ - জেনারেল আমিন আল হাফিজ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন।
১৯৬৭ -পূর্ব চীনের তাঙ্ক শান শহরে সাত দশমিক নয় মাত্রার ভয়াবহ ভুমিকম্প হয়েছিল।
১৯৭৪ - যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিঙ্নের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
১৯৭৬ - চীনের টাংশানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে আট লাখ লোকের প্রাণহানি।
১৯৮৮ - চীনে টক্কর খেয়ে একশো জাহাজডুবি।

আরও পড়ুন:


এবার তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বহিষ্কার করলেন প্রেসিডেন্ট

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


জন্ম:

১৮০৪ - লুডউইগ ফয়েরবাক, জার্মানীর একজন বস্তুবাদী দার্শনিক।
১৯৮১ - মাইকেল ক্যারিক, ইংরেজ ফুটবলার।
১৯০১ - কমরেড মনি সিং।
১৯০৪ - নোবেলজয়ী সোভিয়েত পদার্থবিদ পাভেল আ. চেরেনকভ।

মৃত্যু:
১৭৫০ - জোহান সেবাস্টিয়ান বাখ, জার্মান সুরকার।

১৯৮০ - মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভি।

১৯৭২ - চারু মজুমদার, বাঙালি মার্কসবাদী বিপ্লবী।
১৯৯২ - ভারতের প্রখ্যাত অভিনেতা আমজাদ খান।
২০০৪ - ফ্রান্সিস ক্রিক, ইংরেজ পদার্থবিদ, আণবিক জীববিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানী।
২০১৬ - প্রখ্যাত সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী।
২০১৭- ৯নং সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউদ্দিন আহমদ।
২০০৪ - ইংরেজ পদার্থবিদ, আণবিক জীববিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিক।
২০১০ - বিএনপি দলের সাবেক মহাসচিব  মান্নান ভূইয়া।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর