সঞ্চয়পত্রের যে বিষয় জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক

সঞ্চয়পত্রের যে বিষয় জানা জরুরি

সব শ্রেণির বিনিয়োগকারীর জন্যই নিরাপদ বিনিয়োগের নাম হচ্ছে সঞ্চয়পত্র। আবার নিশ্চিত ও সর্বোচ্চ মুনাফার দিক থেকেও সঞ্চয়পত্র সবচেয়ে আকর্ষণীয়, অন্তত ব্যাংকে স্থায়ী আমানত এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের তুলনায়।  ​বাংলাদেশে পাঁচ ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে। মেয়াদ অনুযায়ী এসব সঞ্চয়পত্রের মূল্য ও মুনাফা পৃথক হয়ে থাকে। এবার তাহলে সঞ্চয়পত্রের ধরন সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) 

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এটি দেশের সবচেয়ে পুরোনো সঞ্চয়পত্র। ১৯৭৭ সালে চালু হয় এটি। দেশের যেকোনো নাগরিক কিনতে পারেন এটি। বাজারে ১০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকা; ১০০০, ৫০০০, ১০০০০, ২৫০০০ ও ৫০০০০ টাকা এবং ১ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র পাওয়া যায়। ব্যক্তির ক্ষেত্রে একক নামে ৩০ লাখ ও যৌথ নামে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। তবে প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো সীমা নির্ধারিত নেই।

মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র (৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক) :

তিন বছর মেয়াদী ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এটি। এর মুনাফার হার ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ। এটি চালু হয় ১৯৯৮ সালে। পাওয়া যায় ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানে। বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মতো এটিও সবাই কিনতে পারেন। এই সঞ্চয়পত্র একক নামে ৩০ লাখ টাকা ও যৌথ নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত কেনা যায়।

পরিবার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) :

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র এটি। এতে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। সঞ্চয়পত্রটি বিক্রি হয় ১০ হাজার, ২০ হাজার, ৫০ হাজার, ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানে। ২০০৯ সালে চালু হওয়া এ সঞ্চয়পত্র থেকে মাসিক মুনাফা নেওয়ার সুযোগ আছে। এক নামে সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। তবে সবাই এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন না। কেবল ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধী যেকোনো বয়সী নারী-পুরুষ এবং ৬৫ বা তার চেয়ে বেশি বয়সী নারী-পুরুষ এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।

পেনশনার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) :

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র এটি। এর মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ শ্রেণিতে ৫০ হাজার, ১ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানের পাঁচ ধরনের সঞ্চয়পত্র আছে। ২০০৪ সালে চালু হওয়া এ সঞ্চয়পত্র থেকে তিন মাস পরপরও মুনাফা তোলা যায়। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানরাই শুধু এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।

ডাকঘর সঞ্চয়পত্র (৩ বছর মেয়াদী) :

সঞ্চয়পত্রটি শুধু ডাকঘর থেকে লেনদেন করা হয়। তিন বছর মেয়াদী ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বর্তমানে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। ডাকঘর থেকে এ সঞ্চয়পত্র কেনা ও নগদায়ন করা যায়। যে কেউ এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।


আগামী ১ জুলাই থেকে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের সুবিধা একটু বাড়বে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সঞ্চয়কারীদের জন্য বাজেটে যেভাবে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা সেভাবেই যদি পাস হয়, তাহলে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের সুবিধা পাওয়া নিশ্চিত হবে।

সঞ্চয়পত্রের গ্রাহক ও ডাকঘর সঞ্চয় হিসাবের গ্রাহকদের জন্য অর্থমন্ত্রী আগামী ২০২১–২২ অর্থবছরের বাজেটে সামান্য বাড়তি সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দেন। সেটি হলো, এখন থেকে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ছাড়াই সঞ্চয়পত্র ও ডাকঘর সঞ্চয় হিসাবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের সুযোগ। এত দিন টিআইএন ছাড়া এক লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যেত।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

করোনায় বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা, বাড়ছে কেবল ঋণের বোঝা

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

করোনায় বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা, বাড়ছে কেবল ঋণের বোঝা

করোনা প্রভাবে নতুন করে দারিদ্রসীমার নীচে বড় সংখ্যক মানুষ। কর্ম হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এসব মানুষের জীবন-জীবিকা চালিয়ে নেয়ার স্বার্থে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 

কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশে দরিদ্র মানুষের সঠিক কোনো তথ্য ভাণ্ডার না থাকায় বেশিরভাগ মানুষই থেকে যাচ্ছে সহায়তা বলয়ের বাইরে। যা সামনের দিনগুলোয় সমস্টিক অর্থনীতিকে দিতে পারে বড় ধাক্কা।

গাছের ফাঁক গলিয়ে দিনের প্রথম কিরণ ঝিলিক দিয়েছে পূর্ব দিগন্তে। অনাদায়ি ঘুম হিসাবের খাতায় ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু ফুরসৎ নেই নিলুফার কাছে। লকডাউনেও কাজের সন্ধানে তাই গ্রাম ছেড়ে ছুটে আসা শহরে।

ততক্ষণে সূর্যমামা সম্পূর্ণ চোখ মেলেছে। পূর্ণ দৃষ্টিতে সে জগৎ ছুঁয়েছে। কাজের সন্ধানে ছুটে আসা মানুষগুলোর অপেক্ষা পথের ধারে। লকডাউনে নেই কাজ। সংসার চলে না, হাত পাততেও দ্বিধা। অকপট স্বীকারোক্তি কষ্টে চলা মানুষগুলোর।

করোনার প্রভাবে দারিদ্র্যের হার ও মাত্রা দুটোই বেড়েছে। সংক্রমণ রোধে লকডাউন চলতে থাকায় অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে বেকারত্বের হার বেড়েছে।

২০১৬ সালে দারিদ্রের হার ছিল ২৯.৯০ শতাংশ (বিবিএস)। আর ২০২০ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫.৫০ শতাংশ (সানেম)। করোনার প্রভাবে এমন পার্থক্য বলছেন, অর্থনীতিবিদরা।

আরও পড়ুন:


কক্সবাজারের উখিয়ায় পাহাড় ধসে ৫ রোহিঙ্গা নিহত

৫ অতিরিক্ত সচিবকে বদলি 

ভারত সফর বাতিল করলেন আফগান সেনাপ্রধান

একজন আইনজীবির মৃত্যু ও আমাদের জন্য বার্তা


সরকার নানা উদ্যোগ নিয়ে পাশে থাকলেও দারিদ্র্যের সঠিক তথ্য ভাণ্ডার না থাকায় বরাদ্দ নিয়েও বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে কীভাবে পাশে থাকা যায়, এনিয়ে সরকারকে পরিকল্পনা নেয়ার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

টিকার নিবন্ধনের মতো, কারা এসময়ে দরিদ্র হয়েছেন, তার একটি ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ সরকার নিতে পারে-মত অর্থনীতিবিদদের।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রপ্তানি হচ্ছে গরু-মহিষের নাড়ি-ভুঁড়ি

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই চীন, হংকং, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে রপ্তানি হচ্ছে ওমাসম বা গরু-মহিষের নাড়ি ভুঁড়ি। চট্টগ্রামের একদল তরুণ উদ্যোক্তা ওমাসম বিক্রি করেই এখন আয় করছে কোটি কোটি টাকা। কারণ এক টন ওমাসম বিশ্ববাজারে বিক্রি হয় আট হাজার ডলারে। 

একই সাথে গরুর পিজল যাচ্ছে আমেরিকাসহ চীনে ,যা ককুরের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছে তারা। প্রতি টন পিজল বিক্রি হয় আট থেকে সাড়ে আট হাজার ডলারে। আর গরুর হাড় ও শিং দিয়েই তৈরি হচ্ছে বোতামসহ বিভিন্ন ধরণের শোপিস। 

গরুর তৃতীয় পাকস্থলীর স্থানীয় নাম সাতপাল্লা। যা চীনসহ বিশ্ববাজারে ওমাসম নামে পরিচিত।গরু জবাইয়ের পর এক সময় নদী খালে ফেলে দেওয়া হতো এসব উচ্ছিষ্ট। যা পরিবেশও দূষণ করতো। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এসব পণ্যের কদর রয়েছে জেনে এখন নিয়মিত রপ্তানি করছেন চট্টগ্রামের তরুণ উদ্যোক্তারা।

আরও পড়ুন:


করোনায় জাবি অধ্যাপকের মৃত্যু

মর্মান্তিক মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে ছবি তোলেন তিনি

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত


এক টন ওমাসম রপ্তানিতে আয় হয় আট হাজার ডলার। গরুর পেনিস বা পিজলের চাহিদাও বেড়েছে আমেরিকা ,চীনসহ আরো কয়েকটি দেশে। প্রক্রিয়াজাত  প্রতি টন পেনিস বিশ্ববাজারে বিক্রি হচ্ছে আট থেকে সাড়ে আট হাজার ডলারে।

এদিকে, গরুর হাড় শিং দিয়েই দেশে তৈরি হচ্ছে বোতামসহ নানান ধরণের শোপিস। এসব পণ্য রপ্তানি হওয়ার পাশাপাশি হাড় শিংও যাচ্ছে বিদেশে। করোনা সংকটেও গেল অর্থবছরে ৩২০ কোটি টাকার ওমাসম রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অনুমতি ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিদের বিদেশ যাওয়া মানা

অনলাইন ডেস্ক

অনুমতি ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিদের বিদেশ যাওয়া মানা

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা (এমডি) এখন থেকে  বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে যেতে পারবেন না।সোমবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। এর ফলে এখন থেকে তাদের বিদেশে যেতে হলে আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমতি পেলেই কেবল তারা বিদেশে যেতে পারবেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে শুধু অনুমতি নয়, কোথায় যাবেন, কোথায় থাকবেন, সঙ্গী কে- এসব তথ্যও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে। 

দেশে কার্যরত সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দাফতরিক কাজে বা ব্যক্তিগত ছুটিতে দীর্ঘদিনের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করলে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের সার্বিক গতিশীলতা হ্রাস পায়। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনাগত ঝুঁকিসহ আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। যা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান যতদূর সম্ভব পরিহার করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর যদি বিদেশ ভ্রমণ আবশ্যকীয় হয় তাহলে দেশের বাইরে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে। আর অনুমোদন গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ভ্রমণের ১৫ কর্মদিবস পূর্বে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের কপিসহ তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে দিতে হবে।

এছাড়া প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিদেশ ভ্রমণকালে তার অনুপস্থিতিতে যে দায়িত্ব পালন করবে ওই কর্মকর্তার নাম, পদবি, দাফতরিক ফোন, সেল ফোন নম্বর ও ই-মেইল এড্রেস প্রধান নির্বাহীর কর্মস্থল ত্যাগের আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয় এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগকে জানাতে হবে।


করোনায় জাবি অধ্যাপকের মৃত্যু

মর্মান্তিক মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে ছবি তোলেন তিনি

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত


 

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮ (ছ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে-বলে সার্কুলারে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আজ থেকে ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

আজ থেকে ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

আজ থেকে আবারও শুরু হচ্ছে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। রোববার (২৫ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা লতিফ বকসীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর শোকাবহ আগস্টে মাসে কঠোর লকডাউন পরিস্থিতিতেও ভোক্তা সাধারণের কাছে ভর্তুকি মূল্যে কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে দেশব্যাপী বিক্রয় করবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে— সয়াবিন তেল, মশুর ডাল এবং চিনি।’

আরও পড়ুন:


ভ্যাকসিন নিয়ে উপহাস করা সেই ব্যক্তির করোনায় মৃত্যু

মাসে এক কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নামের সাথে লীগ জুড়ে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই: কাদের

করোনা: খুলনা বিভাগে একদিনে ৪৫ জনের মৃত্যু


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও  বলা হয়, ‘সোমবার ২৬ জুলাই থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত (সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) উল্লিখিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, মশুর ডাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকা এবং চিনি প্রতি কেজি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করা হবে।’

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আজ থেকে ব্যাংক লেনদেনের সময় পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক

আজ থেকে ব্যাংক লেনদেনের সময় পরিবর্তন

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে চলমান কঠোরতম বিধিনিষেধের মধ্যেও আজ থেকে সীমিত সময়ের জন্য খোলা থাকবে ব্যাংক। এই বিধিনিষেধের মধ্যে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেলা দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন চালু থাকবে। ব্যাংকিং সেবা চালু রাখা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এতে বলা হয়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত বিধিনিষেধ চলাকালে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই সময়ে মাস্ক পরিধানসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জরুরি বিভাগসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে ব্যাংকগুলো। শাখা খোলা রাখার ব্যাপারে বলা হয়েছে, নিজ বিবেচনায় খোলা রাখা যাবে। এই সময়ে ব্যাংকে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেলা দেড়টা পর্যন্ত চলবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে হিসাবে নগদ/ চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/ পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ-এসব সেবার পাশাপাশি বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির ভাতা/ অনুদান বিতরণ ইত্যাদি সেবা মিলবে।

এ ছাড়া একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা–সংবলিত ব্যাংকের সব গ্রাহকের এবং এসব সুবিধা–বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকেরা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস/ ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা ও জরুরি বৈদেশিক লেনদেন–সংক্রান্ত সেবা পাবেন গ্রাহকেরা।


আরও পড়ুন:

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর

হাইতি প্রেসিডেন্টের সৎকার অনুষ্ঠান থেকে পালিয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদল


এই সময়ে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখার নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক সেবা চালু রাখতে হবে।

প্রসঙ্গত, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত ৮ দিনের জন্য শিথিল করা হয় কঠোর লকডাউন। এই শিথিলতা কাটিয়ে গত ২৩ জুলাই থেকে আবারও কঠোর লকডাউন শুরু হয়। তবে শুক্রবার ও শনিবার দুইদিন সাপ্তাহিক বন্ধের পর আজ থেকে খুলছে ব্যাংক।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর